বুধবার, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৬

ঘাটাইলে ভূমি বন্ধোবস্ত নিয়ে গণশুনানী অনুষ্ঠিত

মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নেরর বগা ও এগারকাহনীয়া মৌজায় ভূমিহীনদের মাঝে খাস ভূমি বন্ধোবস্ত সংক্রান্তে সৃষ্ট জটিলতাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী, সুধীজন, সাংবাদিক ও বন্দোবস্ত প্রাপ্তীদের সমন্বেয়ে এক গনশুনানী অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ শুনানী অনুষ্ঠিত হয়।
জানাযায়, গত ১২ জুলাই তারিখে স্থানীয় অনলাইন দৈনিক আমাদের ঘাটাইল ও দৈনিক মজলুমের কণ্ঠ সহ কয়েকটি পত্রিকায় ভূমিহীনদের মাঝে ভূমি বন্ধোবস্ত সংক্রান্তে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপা হয়। শুনানীতে বন্দোবস্ত গ্রহীতাকে ১৫ এপ্রিল/০৯ ইং তারিখে জমি পরিমাপ করে দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয় বলে জানাযায়।
ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণশুনানীতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ঘাটাইল সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রভাশু সোম মহান, নবনির্বাচিত পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহিদ, সাবেক সার্ভেয়ার হয়রত আলী, সন্ধানপুর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান একেএম মাসুদ খান প্রমুখ।

ঘাটাইলের কামার পাড়ায় চলছে ছুরি চাপাতি বানানোর ধুম

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে


মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
আর মাত্র কয়েকদিন পরেই পবিত্র কোরবানী ঈদ। আর এই ঈদকে সানে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন স্থানের কামাররা। কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে এখন দম ফেলারও  সময় নেই কামার পাড়ার শিল্পীদের। দিন রাত সমান তালে লোহার টুং টাং শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে ঘাটাইলের কামার পাড়া। চলছে ছুরি চাপাতি বানানোর ধুম। ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন কামার পাড়ায় সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কামার শিল্পীরা দা, বটি, চাকু, চাপাতি সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি তৈরী করতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাজের চাপ থাকলেও মজুরি নিয়ে সন্তুষ্টি নন তারা। ঘাটাইলের বিভিন্ন এলাকার কামারদের বাড়িতে দা, বটি, চাকু, চাপাতি সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করছেন কামাররা এসব ব্যবহার্য জিনিস ঘাটাইল সহ জেলার চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে পাইকারী ব্যবসায়ীরা নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় বাজার থেকে লোহা কিনে সেগুলো পুরে পুরে দা, বটি, চাপাতি, চাকুসহ বিভিন্ন জিনিস পত্র তৈরি করছেন কামাররা। বর্তমান আধুনিক যন্ত্রাংশের প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চললেও ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে এ শিল্প। ঘাটাইল বাজারের  ব্যবসায়ী দুলাল কর্মকার বলেন, মেশিনের সাহায্যে বর্তমানে আধুনিক যন্ত্রপাতি তৈরি হচ্ছে, ফলে আমাদের তৈরি যন্ত্রপাতির প্রতি মানুষের আর্কষণ হারাচ্ছে। হয়তো বা আমাদের এই পেশা আর থাকবে না। তবে কুরবানীর ঈদের সময় আমরা এ টুকু আশাবাদী হই, আমাদের বাপ দাদার পেশা বলে শত কষ্টের মধ্যেও ধরে রেখেছি। সারা বছর তেমন কোন কাজ না  থাকলেও কুরবানীর সময় আমাদের কাজের চাহিদা বেড়ে যায়। ঘাটাইল বাজারের আরেক ব্যবসায়ী রতন কর্মকার বলেন, আমার বাবা এলাকার নামকরা কামার ছিলেন। বাপের কাছ থেকে এই কাজ শিখে আমরা এ ব্যবসা করছি। প্রতি কোরবানী ঈদ আসলেই কিছু লাভের আশায় আমরা এই ব্যবসায় একটু জোর দেই। আমাদের এই যন্ত্রপাতি বানানোর জন্য আমরা বাহির থেকে লোহা ও কয়লা কিনে আনি। আমরা লোহা কিনি ৫০-১০০ টাকা কেজি ধরে। আর কয়লা কিনি প্রতিটিন ৫০ টাকা ধরে। কিন্তু আমরা দিন-রাত  পরিশ্রম করেও আমরা লাভের মুখ দেখিনা। লোহা ও কয়লার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তৈরি সামগ্রীর দাম বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু তৈরি যন্ত্রপাতি বেশি দামে কিনতে রাজি হয় না ক্রেতারা। তাছাড়া কিছু চায়না ছুরি, চাকু মার্কেটে এসেছে এতে করে আমাদের ব্যবসার আরো ক্ষতি হচ্ছে। অন্য কোন কাজও পারিনা, না খেয়ে হলেও বাপ- দাদার এই পেশা ধরে রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।