mdj gvby‡li K_v
আনোয়ার হোসেন বকুল ঃ
যুগে যুগে কিছু মানুষ জন্মগ্রহণ করেন, যারা একটি অঙ্গিকারে দ্বায়বদ্ধ থেকে মানুষের কাজ করেন। মানুষের কল্যাণে থাকেন নিবেদিত। এমন একজন মানুষ মোঃ খায়রুজ্জামান ভূঞা। গুণি সমাজ সেবক। নিস্বার্থ ভাবে যারা সমাজ কল্যাণে কাজ করেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তার সেবার মানসিকতা ছোট বেলা থেকেই। সমাজের সর্বস্থরের মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব রেখে তার প্রতিদনের পথ চলা। সমাজের মানুষের ভালোবাসার টানে, সুখ দুঃখে তিনি ছুটে যান তাদের পাশে। সমাজের মানুষও তাকে ভালোবাসেন সমাজ সেবক হিসেবে। দ্বায়িত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের। এ কারণে সমাজ সেবামূলক ভাবনার সবসময় তাড়িত করে তাকে।
চেতনায় শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভুতি প্রতিফলিত খায়রুজ্জামান ভূঞার। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন সু-সামঞ্জস্য উন্নয়নের পূর্ব শর্ত হচ্ছে সকল ক্ষেত্রে সম উন্নয়ন। তাই তার সেবামূলক ভাবনায় রয়েছে সকল শ্রেণীর প্রতিষ্ঠান। সমাজের মানুষের সাথে সক্ষতার পেছনে রয়েছে তার পরিবারের যোগসূত্র। তার বাবা মৃত ইনছান আলী ভূঞা ছিলেন একজন গুণী মানুষ। সমাজ সেবামূলক কাজে তার ব্যাপক ভূমিকা ছিল। সে কারণে খায়রুজ্জামান ভূঞা ছোট বেলা থেকে সমাজসেবায় মনোনিবেশ করেন। পিতার মৃত্যুর পর তার জনসেবামূলক ব্যস্ততা আরও বেড়ে যায়। তাকে সমাজের মানুষের কাছাকাছি থাকতে হয় সবসময়। সমাজের মানুষের প্রতি এ যেন তার অলিখিত অঙ্গিকার। সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের প্রতি রয়েছে তার গভীর ভালোবাসা। তিনি কথা বলেন সোজা সাপটা। অকপট সত্য উচ্চারণ তার গুণ। তিনি নিরঅহংকার ও মিশুক। মানুষকে সহজেই কাছে টানতে পারেন। লালসা প্রলোভনের হাতছানি তাকে নিজ বিশ্বাস থেকে দূরে সরাতে পারেনি।
জন্ম: টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার বিল গৌরিশ্বর গ্রাম। সবুজ শ্যামল প্রকৃতি। সিংহভাগ মানুষের জীবিকা কৃষি। আর সেই গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ভূঞা পরিবারে জন্ম খায়রুজ্জামান ভূঞার। জন্ম ১ আগষ্ট ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে।
দাদা: নছর উদ্দিন ভূঞা ছিলেন এলাকার নামকরা মাতাব্বর ও জোতদার ব্যাক্তি।
দাদী: ছবি বেগম ছিলেন সু-গৃহিনী ।
বাবা: ইনছান আলী ভূঞা ছিলেন উত্তর টাঙ্গাইলের সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব, জোতদার ও গুণী মানুষ। এলাকার মানুষ তাকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করত। তিনি সমাজের মানুষকে সু-নজরে দেখতেন সবসময়। দানশীল ও পরউপকারী হিসেবে তার পরিচিতি এখনও মানুষের মুখে মুখে। শিক্ষানুরাগী ইনছান আলী ভূঞা ভূঞাপুর ইব্রাহীম খাঁ সরকারি কলেজ, পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও লোকেরপাড়া ও এস ফাজিল মাদ্রাসাসহ এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে অবদান রেখে গেছেন। তিনি চেরিটেবল ট্রাস্ট স্থাপনের মাধ্যমে ভূঞাপুরে দাতব চিকিৎসা সেবা শুরু করেন। যা বর্তমানে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
মাতা: মরহুমা খাদিজা সু-গৃহিনী। তিনি সরল সাধারণ জীপন-যাপন করেছেন। সাধারণ মানুষের দুরদিনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন। সন্তানদের যতœসহকারে লালন-পালন করেছেন। ৪ ছেলে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও সমাজ সেবায় অবদান রেখে গুণী মায়ের গুণী সন্তানের পরিচয় দিয়েছেন।
স্ত্রী: নাজমা বেগম খায়রুজ্জামান ভূঞার সমাজ সেবার নেপথ্য সহযোগী। দ্বায়িত্বশীল মা হিসেবে তিনি ১ মেয়ে ও ২ ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন।
ভাই-বোন: ৪ ভাই ও ৪ বোন। খায়রুজ্জামান ভূঞা ভাইদের মধ্যে দ্বিতীয়। বড় ভাই খাদেমুল ইসলাম ভূঞা। বুয়েটের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছেন। ছোট ভাই মনিরুজ্জামান ভূঞা রসায়ন শাস্ত্রে এম.এম ডিগ্রি অর্জন করে এন.জি.ওতে উচ্চ পদে চাকুরী করে অবসর নিয়েছেন। আরেক ছোট ভাই ডাক্তার আক্তরুজ্জামান ভূঞা। সে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।
সন্তান: ১ মেয়ে ও ২ ছেলে। মেয়ে শারমিন জাহান তানিয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এস.সি পাশ করেছেন। স্কয়ার কোম্পানির এ.জি.এম. ইঞ্জিনিয়ার হাবিব্জ্জুামান শামীমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবব্ধ হয়ে সুখী দাম্পত্য জীবন গড়েছেন। প্রথম ছেলে আরিফুজ্জামান ভূঞা আরিফ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার পাশ করে ডাক্তার রাফিয়া আখতার রুম্পাকে বিবাহ করেছেন। দ্বিতীয় ছেলে আতিকুজ্জামান ভূঞা আতিকও বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছেন।
শিক্ষাজীবন : খায়রুজ্জামান ভূঞার পড়ালেখা শুরু ভূঞাপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি ও ভূঞাপুর ইব্রাহীম খাঁ সরকারী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি ও বিএ পাশ করেন।
কর্মজীবন : নিজ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকরে প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়টির অধ্যবদি প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্বে রয়েছেন।
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান: শিক্ষানুরাগী খায়রুজ্জামান ভূঞা শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রেখে যাচ্ছেন। নিজ গ্রাম বিলগৌরিশ্বরে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, ইনছান আলী স্মৃতি বৃত্তি প্রবর্তণ, মর্নিং সান কিন্ডার গার্টেন প্রতিষ্ঠা, বিলগৌরিশ্বরে মক্তব স্থাপনসহ ভূঞাপুর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে তার আন্তরিক সহযোগিতা রয়েছে।
উলেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, আসাদুজ্জামান খান হাফিজিয়া মাদ্রাসা, দেওয়ানবাড়ী মাদ্রাসা, বন্ধন একাডেমী, শাহ্জাহান দারুস সুন্নাহ্ এতিমখানা, প্রতিবন্ধী স্কুল, লোকেরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, বকশিয়া দাখিল মাদ্রাসা, লোকেরপাড়া ও এস ফাজিল মাদ্রাসা, হাফিজিয়া মাদ্রাসা, পাঁচটিকড়ি কবরস্থান মাদ্রাসা ও নয়াপাড়া বীরসিংহ হাফিজিয়া মাদ্রাসা।
সাহিত্য সংস্কৃতি ক্ষেত্রে অবদান : সাহিত্য সংস্কৃতিমনা খারুজ্জামান ভূঞা সুস্থ্য সাহিত্য সংস্কৃতিকে মনে প্রানে ভালবাসেন। সৃষ্টিশীল প্রতিটিমানুষকে মনে করেন তার পরিবারের সদস্য। এ সাহিত্য সংস্কৃতি প্রেমী টাঙ্গাইলে ‘ছড়া কবিতা’ নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগনিয়ে এ ভালবাসা বহি প্রকাশ ঘটিয়েছেন। আগামী পহেলা বৈশাখ এ গন্থটির মোড়ক উনমোচন হবে।
সংগঠন সম্পৃক্ততা : বলিষ্ট সাংগঠনিক ব্যাক্তিত্বের অধিকারি খায়রুজ্জামান ভূঞা ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের চার বার সদস্য নির্বাচিত হয়। একবার সভাপতি ও এক বার সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বকশিয়া দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদের তিন বার বিদ্যুৎসাহি সদস্য, পাঁচটিকড়ী ঈদগা মাঠের সেক্রেটারি, আসাদুজ্জামান খান হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য, ব্রাক গনকেন্দ্র পাঠাগার ভূঞাপুরের সভাপতি মর্নিংসান কিন্ডাগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বন্ধন একাডেমির সভাপতি, ঘাটাইল উপজেলা বেসরকারি শিক্ষক সমিতির সিনিয়ন সহ-সভাপতি, ভূঞাপুর ফুলরেণূু খেলাঘরের সহ-সভাপতি, সম্মলিত সাংস্কৃতি জোট ভূঞাপুরের উপদেষ্টা, একটি বাড়ি একটি খামার বিল গৌরিশ্বর গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সভাপতি ভূঞাপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এর সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা কিন্ডাগার্টেন এসোসিয়েশনের সদস্য, ভূঞাপুর ইব্রাহীম খাঁ স্মৃতি পাঠাগার, ছায়াবিথী টাঙ্গাইল ও ব্রাক গনকেন্দ্র পাঠাগারে আজীবন সদস্য।
সমাসেবা ও সামাজিক কার্যক্রম : ধর্মপ্রাণ খারুজ্জামান ভূঞা ভূঞাপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সহ এ উপজেলার কলেজ, দেওয়ান বাড়ী, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, ঘাটান্দী মিয়া বাড়ী, বামনহাটা বাজার, শিয়ালকোল হাট, শিয়ালকোল বটতলা ও ভূঞাপুর বাসষ্টেন্ড জামে মসজিদ এর উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ ও ঘাটাইল থানা জামে মসজিদ সহ এ উপজেলার লোকেরপাড়া কেন্দ্রীয়, পূর্বলোকেরপাড়া, মনোহরা পশ্চিম পাড়া, আথাইল শিমুল বাজার, আথইল শিমুল পশ্চিম পাড়া, আনন্দপাড়া, পাঁচটিকড়ী হাট খোলা, গৌরিশ্বর/বিল গৌরিশ্বর কেন্দ্রীয় গৌরিশ্বর পশ্চিম পাড়া, দক্ষিন পাড়া, পাঁচটিকড়ী পূর্ব পাড়া ও রুপের বয়ড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করেছেন। তিনি গৌরিশ্বর/বিলগৌরিশ্বর কেন্দ্রীয় কবরস্থান ও ঈদগা মাঠ পাঁচটিকড়ী দক্ষিনপাড়া ঈদগা মাঠ কুঠিবয়ড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থান, ভূঞাপুর কেন্দ্রীয় কবস্থান, ছাব্বিশা ও বিল গৌরিশ্বর ভূঞাবাড়ী পারিবারিক কবরস্থান উন্নয়নে দান করেছেন। এছাড়া ১৯৮০ সালে গ্রাম সরকার প্রধান নির্বাচিত হয়ে নিজ গ্রামের পুরাতন রাস্তা মেরামত ও নতুন রাস্তা তৈরি করেন।
কৃষি ক্ষেত্রে অবদান : খায়রুজ্জামান ভূঞা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করেন কৃষি প্রদান আমাদের দেশের প্রধান খাত কৃষি। তার উন্নয়ন ভাবনায় গুরুত্বপায় কৃষি ও কৃষক। তিনি আশির দর্শকে নিজ গ্রামে আধুনিক চাষাবাদ সম্প্রশারনের জন্য অগভির নলকুপ স্থাপন, ধান মাড়াইয়ের জন্য রাইচ মিল স্থাপন, সরিড়া ও মসলা ভাঙ্গান মিল স্থাপন, গৌরিশ্বর/বিল গৌরিশ্বর গ্রামে বিদ্যুৎ আয়নসহ কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে নানা ভাবে অবদান রেখেছেন। এর স্বীকৃতি স্বরূপ টাঙ্গাইল জেলার কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ১৯শ ৭৮ খ্রিষ্টাব্দে ঘাটাইল থানার চেষ্ট আর্দশ কৃষক হিসাবে সম্মাননা ও সনদ প্রদান করেন।
স্বাস্থ্য সেবা : আমাদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার পেক্ষাপটে লক্ষ্য করা যায়, মোট জনসংখার একটি উল্লেখ যোগ্য অংশ নানা ভাবে চিকিৎসা সেবা গ্রহন থেকে বঞ্চিত। এ বাস্তবতায় খায়রুজ্জামান ভূঞা দরিদ্র রোগীদের সল্পব্যায়ে চিকিৎসা প্রদানের লক্ষে ভূঞাপুর পৌর শহরে নিউ লাইফ ডায়গানষ্টি সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছেন।
ভবিষৎ পরিকল্পনা : ন্যয় ও আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠায় নিজেকে সম্পৃক্ত রাখা। তার চিন্তা প্রতিটি বাবা মার সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হোক। দেশ প্রেমিক হোক। সমাজ সেবক হোক। সমাজ ও সমাজের মানুষ হোক আর সুন্দর। খায়রুজ্জামান ভূঞা এ চিন্তা মাথায় রেখেই এগিয়ে যাচ্ছেন। এ লক্ষ বাস্তবায়নে তিনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে চান যে, প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এলাকার সকল মানবতাবাদী মানুষকে দাঁড় করাতে চান এক প্লাটফর্মে।
ভ্রমন : ভ্রমন পিপাষু খারুজ্জামান ভূঞা দেশের বাহিরে কোথাও ভ্রমন না করলেও বাংলাদেশের সকল দর্শনিয় স্থান ভ্রমন করেছেন।
অন্যান্য সেবা মূলক কাজ : খায়রুজ্জামান ভূঞা উত্তর টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলার দরিদ্র মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক সহায়য়তা প্রদান, দরিদ্রদের চিকিৎসা সেবা ও কন্যাদায়গ্রস্থদের সহায়তা করে প্রশংসা কুরিয়েছেন। ধর্মভিরু, সুস্থ সাহিত্য সংস্কৃতি প্রেমী ও ন্যায় বিচারক হিসাবেও তার খ্যতি রয়েছে। তার দৃষ্টিতে অপরাধীকে ঘৃণা করার চেয়ে শাস্তি দেওয়ার চেয়ে উত্তম তাকে সু পথে ফিরিয়া আনা। তিনি প্রতিদিন পাশেগিয়ে একজন মানুষের কষ্টে সহানুভতি ও একজন মানুষের সুস্থ্যতা কামনার চেষ্ট করেন।
পরামর্শ: খায়রুজ্জামান ভূঞা সমাজের প্রতিটি মানুষকে আদর্শ মানুষের গুনাবলি অর্জনের পরামর্শ দেন। তার সংগ্রহ তথ্যমতে আদর্শ মানুষের গুনাবলি হচ্ছে:- চরিত্রবান, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ন, আত্ববিশ্বাসী, আত্বপ্রত্যয়ি, দায়িত্ব শীল, সু-শৃঙ্খল, পরিপাটি, পরোপকারী, বোধসম্পর্ন, যতœশীল, সদাচারী, মহৎ, দানশীল, উদার, ধর্মানুরাগী, শিষ্টাচারী, মমত্ববোধ সম্পর্ন, ন্যয়পরায়ন, ধৈর্যশীল, সৃষ্টিশীল, সংস্কৃতিমনা, মিষ্টভাষী, সদালাপী, হাস্যউজ্জল, মিতবাক, ¯েœশীল, মর্যাদাবান, মিতাহারী, সময়ানুবতী, স্বনির্ভর, সুস্থ্য, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, স্থির চিন্তার অধিকারী, সুস্পষ্টভাষী, নির্ভরযোগ্য, মমতাময়, সুষ্ঠপরিকল্পনাকারী, মিতব্যয়ী ও ন্যয় বিচারক।
স্বীকৃতি : মানবতাবাদী দরদপ্রাণ পরোপকারী ও আলোকিত মনের মানুষ খারুজ্জামান ভূঞা সচেতন সমাজ সেবক হিসাবে ইতিমধ্যে বহু কল্যানমূলক কাজে অত্মনিয়োগ করে সুধী সমাজে সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। বিভিন্ন সেবা ও উন্নয়ন মূলক কাজে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক হিসাবে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক সম্মাননা ও পদক, ছায়ানীড় টাঙ্গাইল কর্তৃক আর্দশ শিক্ষক হিসাবে সম্মাননা পদক সহ বিভিন্ন পুরোস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হন।