রবিবার, অক্টোবর ২১, ২০১৮

ঘাটাইলে বিদ্যুৎ বিভাগে নানা অনিয়মের অভিযোগ, জিম্মি গ্রাহকরা

মাসুম মিয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বিতরণ বিভাগে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন যা অফিস জানে না, ভূতুড়ে বিলসহ নানা ভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এ বিভাগ। সেবার নামে কিছু দুর্নীতিবাজদের হাতে জিম্মি হয়ে আছে গ্রাহকরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কিছু দিন আগে উপজেলার এনায়েত বাড়ি গ্রাম থেকে বিদ্যুৎ অফিসের লোক পরিচয় দিয়ে গভীর রাতে তিনটি অটোরিক্সা চার্জ দেওয়ার যন্ত্র স্টেবুলাইজার অফিসে নিয়ে আসে এমনটি জানান অটোরিক্সা চালক আলম। অবৈধ সংযোগে নাকি অটো চার্জ দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ এনে এ কাজ করেন তারা। প্রতিজন অটোরিক্সা চালকের কাছ থেকে আট হাজার করে টাকা নিয়ে স্টেবুলাইজার ফেরত দেন তারা। এর আগেও এ গ্রাম থেকে চারটি স্টেবুলাইজার বিদ্যুৎ বিভাগের লোক নিয়ে আসে আর এরও রফাদফা হয় একই রূপে। বিষয়টি গ্রামের সবাই অবগত। অথচ সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান জানান বিষয়টি অফিসের কেউ জানে না।

জানা যায়, মিটার রিডিং না দেখেই ঘরে বসে বিল করে অফিস। ফলে গ্রাহক যে পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তার চেয়ে কয়েক গুন বেশী বিল ধরিয়ে দেয় গ্রাহকের হাতে। ফলে আবাসিক বিল হয়ে যায় বানিজ্যিক। এ যেন বিল বেশী করার রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে মোট ৩০ হাজার গ্রাহকের প্রায় অর্ধেক গ্রাহকের সাথে একই ধরনের অনিয়মের কাজটি করে আসছে সংশ্লিষ্টরা। প্রতিকার পেতে ভুক্তভোগীদের বারবার অফিসের দরজায় কড়া নাড়তে হচ্ছে। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া মিলছে না সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।

উপজেলার মোগলপাড়া গ্রামের রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা রাসেল সুমন জানান, আমার মিটার লক হয়ে আছে পাঁচ মাস যাবত। কিন্তু পাঁচ বার অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও কোন শুরাহা হচ্ছে না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমার অভিযোগ মনে হয় বোকা বাক্সতেই বন্দী হয়ে আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ লাইনে কোন সমস্যা হলে মেরামত বাবদ লাইনম্যানকে ৩শ থেকে ৫শ টাকা ঘুষ দিতে হয়। তা না হলে তারা কাজ করেন না।

কুশারিয়া গ্রামের আবু হানিফ জানান, আমি সর্বমোট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছি ১৪শ ইউনিট আর লেজার খাতায় উঠানো ৫হাজার ইউনিট। অভিযোগ নিয়ে অফিসে গেলে তারা বলেন পরের মাস থেকে সমন্বয় করে দেব। যা বিল আসছে তা আপনাকে পরিশোধ করতে হবে। সে সমন্বয় আর হচ্ছে না, তার আগেই প্রিপেইড মিটার লাগানোর পায়তারা করতেছে অফিস।

উপজেলার জামালপুর গ্রামের সঞ্জয় চন্দ্র সাহা জানান, ডিজিটাল মিটার খুলে যখন প্রিপেইড লাগানো হল তখন আমি তাদের কাছে ৭শ ইউনিট বিদ্যুৎ পাওনা ছিলাম, সে টাকা গেল কোথায়?

এনায়েত বাড়ি গ্রামের রাসেল জানায়, ৫শ ইউনিট বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে পাওনা থাকা অবস্থায় প্রিপেইড মিটার লাগিয়ে যায়। বিষটি নিয়ে বারাবর অফিসে গেলেও কোন কাজ হচ্ছে না। ডিজিটাল মিটারের কোন বিল বাকি থাকলে প্রিপেইড মিটারের উপর তার প্রভাব পরে এবং লক হয়ে যায়। কিন্তু ডিজিটাল মিটারের হাজার হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে গ্রাহকের পাওনা থাকলে তার কোন হিসেব পাওয়া যাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে ঠিক মত বিদ্যুৎ বিলের কপিও পৌছানো হয়না গ্রাহকের হাতে। যার দরুণ গুনতে হচ্ছে বাড়তি জরিমানার টাকা। অথচ গ্রাহক প্রতি এ বাবদ প্রতি মাসে ৪শত টাকা চার্জ নিয়ে থাকে অফিস।

এ ছাড়া গ্রাহকদের অভিযোগ প্রিপেইড মিটার নাকি টাকা গিলে খাচ্ছে। তাদেরকে কোন প্রকার নোটিশ না করেই নাকি ডিজিটাল মিটার খুলে লাগানো হয়েছে প্রিপেইড মিটার।

প্রিপেইড মিটারের গ্রাহক উপজেলার চানতারা গ্রামের আঃ খালেক জানান, আগে মাসে ৫-৭শ টাকার মতো বিল আসতো আগের মতোই বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এখন দুই হাজার টাকার উপরে রিচার্জ করতে হচ্ছে।

এসব বিষয়ে ঘাটাইল পিডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম খান বলেন, গ্রাহকের সব অভিযোগ সঠিক না। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করি তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য।

প্যান্টের জিপ খুলে ফেলেন, আমার চুল ধরে ওর কোলের ওপর...


একদিকে নামী সব অভিনেত্রীরা অভিযোগ করছেন অন্যদিনে ফেঁসে যাচ্ছেন গুণী সব পরিচালক- প্রযোজক ও অভিনেতারা। চারদিকে শুধু অভিযোগ আর অভিযোগ। মেয়েদের যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক মুখ খুলছেন অভিনেত্রীরা।

#মিটু-র জেরে এরই মধ্যে নানা পাটেকার, সাজিদ খান, অলোকনাথের পর যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল আনু মালিকের বিরুদ্ধেও। শিল্পী সোনা মহাপাত্র ও শ্বেতা পণ্ডিতের পর এবার আরও এক নারী মালিকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনলেন।

আনু মালিকের বিরুদ্ধে মুখ খুলে এক নারী মিড ডে-কে জানিয়েছেন তাঁর সঙ্গে আনুর দেখা হয় ১৯৯০ সালে মুম্বইয়ের মেহবুব স্টুডিওতে। সেখানেই আনু তাঁকে চেপে ধরেন। পরে ক্ষমা চেয়ে নেন। এখানেই শেষ নয়।

আনু মালিকের সঙ্গে তাঁর একটি হয়রানির ঘটনা ঘটে সুরকারের নিজের বাড়িতে। ওই নারীর অভিযোগ, ‘নিজের বাড়িতে তাঁর পাশেই সোফাতে বসেছিলেন আনু। বুঝতে পারছিলাম ফাঁদে পড়েছি। কারণ ওইদিন আনুর বাড়ির কেউ ছিলেন না। উনি আমার স্কার্ট তুলে ধরেন। ওকে ঠেলে সরানোর চেষ্টা করছি এমন সময় দরজার বেল বেজে উঠল। ওই ঘটনার পর এনিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নিষেধ করেন আনু।’

ওই ধরনের যৌন হয়রানির ঘটনা আরও ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ওই নারী। তিনি জানিয়েছেন, ‘একবার সন্ধ্যে সাড়ে আটটা নাগাদ আনু মালিক তাঁকে নিয়ে একটি ফাঁকা মাঠের মধ্যে গাড়ি থামিয়ে দেন। ভয়ে জিজ্ঞাসা করলাম কোথায় এসেছি। সেসব কথায় কান না দিয়ে উনি প্যান্টের জিপ খুলে ফেলেন। আমি গাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উনি আমার চুল ধরে ওর কোলের ওপর আমার মাথা চেপে ধরেন।‘

প্রসঙ্গত, #মিটু-র অভিযোগের যখন গোটা বলিউড নড়ে- চড়ে বসেছে তখন এ তালিকা থেকে বাদ যাননি দীপিকা পাডুকোন, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের মতো অভিনেত্রীরাও। এছাড়া এ তালিকায় আরও রয়েছেন বঙ্গকন্যে তনুশ্রী দত্ত, অনন্যা বিশ্বাস, কারিশমা শর্মা, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, কঙ্গনা রানাউত, নয়নী দীক্ষিত, সোনা মহাপাত্র, আলোকনাথ, কঙ্গনা রানাউত, কেট শর্মা মতো অনেকেই।

এরই মধ্যে এক অভিনেত্রী শাহরুখের ঘনিষ্ট বন্ধু করিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। তারপরেই অভিযুক্ত অভিনেতাদের তালিকায় নাম উঠে ভাইজান নামে খ্যাত সালমান খানের। ভাইজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে পূজা মিশ্রা নামের এক মডেল-অভিনেত্রী। তার অভিযোগ সালমান খান তাকে অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করেন। একাধিকবার তিনি এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন।

এছাড়া পরিচালক বিপুল অমৃতলাল শাহ’র বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুললেন ইরানি অভিনেত্রী ইলনাজ নরৌজি। তাঁর অভিযোগ, ছবিতে সুযোগ দেওয়ার কথা বলে কখনও জড়িয়ে ধরা, কখনও বা চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেছেন পরিচালক।