রবিবার, জুন ০৪, ২০১৭

ঘাটাইলে ওয়ার্ল্ড কনসার্ন এর প্রশিক্ষন কর্মসূচি

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
ওয়াল্ড কনসার্ন বাংলাদেশ এর উদ্দ্যেগে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শিশু প্রতিপালন দক্ষতা বিষয়ে এক প্রশিক্ষন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকালে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের নন্দনগাতী প্রাইমারী স্কুলে এ প্রশিক্ষন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া গত শনিবার ঘাটাইল সমিল রোডে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড কনসার্ন বাংলাদেশ এর উপজেলা কার্যালয়ে কিশোর-কিশোরী প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষনে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কমকর্তা শিল্পী দে। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ডেবিড তাপস সাহা, বিথী খানম, হোসনে আরা বেগম প্রমুখ।  প্রশিক্ষনে বাল্য বিবাহ, বাল্য বিবাহের কারণ ও কুফল, বয়সন্ধিকাল, বয়সন্ধিকালের বিভিন্ন সমস্যা পিতামাতার ভূমিকা, শিশু প্রতিপলন বিষয়ক আলোচনা করেন, মিস্টার জেমস সানি বৈরাগী, জিহিস্কেল ইজারদার। প্রশিক্ষনে সর্বমোট ৪৫ জন শিশু ও অভিভাবক অংশ নেয়। 

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঘাটাইলে কর্মসৃজন প্রকল্পে লুটপাট


ঘাটাইলে কর্মসৃজন কর্মসূচিতে চলছে নানা অনিয়ম আর দুর্নীতি। আর এ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। আবার কোনো কোনো ইউপি চেয়ারম্যান একঘেয়েমিপনা ও দুর্নীতির কারণে খোদ ইউপি সদস্যরাই বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। কোনো কোনো চেয়ারম্যানের দুর্নীতি কারণে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ঐ দুর্নীতির টাকা ভাগবাটোয়া করে আপসরফার মাধ্যমে অভিযোগ প্রত্যাহার করার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।


ঘাটাইলের দেওপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ কর্মসৃজনে ৪০ জন শ্রমিকের স্থলে ৫-৭ জন কাজ করতে দেখা যায়। এ রকম একটি প্রকল্প হচ্ছে কালিকাপুর বাছেদের দোকান থেকে দেওপাড়া বিট অফিস হয়ে বিট অফিসের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তা পর্যন্ত পুনঃনির্মাণ। প্রকল্পের সভাপতি দেয়া হয়েছে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মালেকাকে। কাগজে-কলমে তাকে সভাপতি রাখা হলেও সব কাজ চেয়ারম্যানের নাতি সোহান তালুকদার ও আনোয়ার হোসেন নামে আরকে জনকে দিয়ে করানো হয়। ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার কামাল হোসেন জানান চেয়ারম্যান কোনো মেম্বারের সঙ্গে সমন্বয় না করে ইচ্ছামতো কাজ করে যাচ্ছেন। এ নিয়ে বারবার বললেও তিনি কোনো কিছু ভ্রƒক্ষেপ করছেন না। ১নং ওয়ার্ড মেম্বার বেলায়েত হোসেন বলেন, তাকে ১টি প্রকল্পের সভাপতি করা হলেও তার নামে টাকা উত্তোলন করে ৮৫ হাজার টাকা চেয়ারম্যান নিজেই নিয়ে নেন। এদিকে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের কাছে জবকার্ড থাকার কথা থাকলেও সব কাগজপত্র রাখা হয়। চেয়ারম্যানের সুজনদের কাছে। আর তারাই সব কাজ করে থাকে। ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার ওসমান গনি জানান, চেয়ারম্যান কোনো কাজও দেন না, পরামর্শও করেন না। তার ইচ্ছামতো কাজ করে যাচ্ছেন। এতে ব্যপকভাবে দুর্নীতি হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একই অভিযোগ ইউপি সদস্য লতিফা ডেইজি সালাম ও তয়ৈম উদ্দিনের। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মইন উদ্দিন তালুকদার তারু বলেন, ইউপি মেম্বারদের সঙ্গে যে দূরত্ব ছিল তা মীমাংসা হয়ে গেছে এখন আর কোনো ঝামেলা নেই। এভাবে লোকেরপাড়া ইউনিয়ন ঘুরে একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। কর্মসৃজন প্রকল্পগুলোতে কাজের চেয়ে হরিলুট হচ্ছে বেশি। লোকেরপাড়া ইউনিয়নে বকশিয়া কাঁঠালতলা থকে বাছেদ মেম্বারের বাড়ি হয়ে ছয়আনী বকশিয়া পাকারাস্তা পর্যন্ত সংস্কার প্রকল্পে ৬০ জন শ্রমিকের স্থলে ১২ জনের উপস্থিতি দেখা যায়। এ প্রকল্পের সর্দার রসুল মামুদ বলেন, আজ ১২ জন শ্রমিক কাজ করছে। এর আগের দিন ৩২ জন কাজ করেছে বলে জানায়। ইউনিয়নের সব কর্মসৃজন প্রকল্পে শ্রমিক না খাটিয়ে বিল উত্তোলন করা হয় বলে জানা যায়। দিঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, আমি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সব কাজ তো আমিই করব। অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, যারা মিথ্যা অভিযোগ করেছিল তারাই আবার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রকল্প ঘুরে এমনটাই প্রতীয়মান হচ্ছে যে, গ্রামীণ অবকাঠামো বাস্তবায়নে নানাবিধ প্রকল্পের মাধ্যমে চলছে চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের চরম নৈরাজ্য। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঘাটাইল উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এনামুল হক বলেন, ঘাটাইলে বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়াও আরও একটি উপজেলা দায়িত্বে থাকায় ঘাটাইলে সব প্রকল্প দেখা সম্ভব হয় না।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

হামিদপুর হাট বাজারের বেহাল দশা

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল থেকেঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজারটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা-সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। একটুখানি বৃষ্টি হলেই বাজারে আটুপানি জমে ফলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় ক্রেতা-বিক্রেতাসহ জনসাধারণকে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হলেও এ বাজারটির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন ভূমিকা নেই।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,হামিদপুর হাট বাজারটির সকল পাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় দীর্ঘদিন কোন পরিস্কার না করায় ময়লা আর্বজনা ভর্তি হয়ে পয়ঃনিস্কান বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সামান্য পরিমাণ বৃষ্টি হলেই বাজারের মধ্যে দেখা দেয় মারাত্মক জনদুর্ভোগ। সেই সাথে বাজারের বিভিন্ন স্থানে ড্রেনের ময়লা আবর্জনা ও কাদায় একাকার হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কিছু কিছু জায়গা পানি জমে মনে হয় ছোট খাটো কোন জলাশয়।
এছাড়া বাজারের ভিতর থাকা পাকা সড়কগুলো দীর্ঘ দিনেও সংস্কার না করায় ইট খোয়া বেরিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মারাত্মক দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে খুচরা ক্রেতা বিক্রেতাসহ বাজারের ব্যবসায়ীদের। যার কারণে বাজার ব্যবসায়ীদের মাঝেও ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ প্রতি বছর এ বাজারটি থেকে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করলেও বাজারটির দীর্ঘদিন যাবৎ রয়েছে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।
বাজার তরুণ ব্যাবসায়ী ফাহাদ হোসেন  বলেন, বাজার মহলদারেরা ঠিকই সময়মত তাদের খাজনা আদায় করে নেয়। কিন্তু উন্নয়নের বেলায় কিছুই করেনা। যার ফলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের পড়তে হয় সীমাহীন বিড়ম্বনায়।
বাজার বণিক সমিতির নেতা মো.স্বপন মিয়া আক্ষেপ করে বলেন,হামিদপুর বাজার থেকে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করলেও বাজারটির দীর্ঘদিন যাবৎ রয়েছে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।
এখন বাজারের প্রায় ৭/৮শত ব্যবসায়ীদের দাবি, অতি দ্রুত বাজারটি পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার আহ্বান জানান কর্তৃপক্ষের কাছে। তা না হলে আগত বর্ষা মৌসুমে বাজারের ব্যাবসায়ীসহ শত শত মানুষকে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
          এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান,উপজেলা প্রকৌশলিকে নির্দেশ দিয়েছি তিনি স্টিমেট করে উপজেলা প্রশাসনে পেশ করলে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

হামিদপুর হাট বাজারের বেহাল দশা

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল থেকেঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজারটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা-সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। একটুখানি বৃষ্টি হলেই বাজারে আটুপানি জমে ফলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় ক্রেতা-বিক্রেতাসহ জনসাধারণকে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হলেও এ বাজারটির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন ভূমিকা নেই।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,হামিদপুর হাট বাজারটির সকল পাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় দীর্ঘদিন কোন পরিস্কার না করায় ময়লা আর্বজনা ভর্তি হয়ে পয়ঃনিস্কান বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সামান্য পরিমাণ বৃষ্টি হলেই বাজারের মধ্যে দেখা দেয় মারাত্মক জনদুর্ভোগ। সেই সাথে বাজারের বিভিন্ন স্থানে ড্রেনের ময়লা আবর্জনা ও কাদায় একাকার হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কিছু কিছু জায়গা পানি জমে মনে হয় ছোট খাটো কোন জলাশয়।
এছাড়া বাজারের ভিতর থাকা পাকা সড়কগুলো দীর্ঘ দিনেও সংস্কার না করায় ইট খোয়া বেরিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মারাত্মক দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে খুচরা ক্রেতা বিক্রেতাসহ বাজারের ব্যবসায়ীদের। যার কারণে বাজার ব্যবসায়ীদের মাঝেও ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ প্রতি বছর এ বাজারটি থেকে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করলেও বাজারটির দীর্ঘদিন যাবৎ রয়েছে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।
বাজার তরুণ ব্যাবসায়ী ফাহাদ হোসেন  বলেন, বাজার মহলদারেরা ঠিকই সময়মত তাদের খাজনা আদায় করে নেয়। কিন্তু উন্নয়নের বেলায় কিছুই করেনা। যার ফলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের পড়তে হয় সীমাহীন বিড়ম্বনায়।
বাজার বণিক সমিতির নেতা মো.স্বপন মিয়া আক্ষেপ করে বলেন,হামিদপুর বাজার থেকে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করলেও বাজারটির দীর্ঘদিন যাবৎ রয়েছে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।
এখন বাজারের প্রায় ৭/৮শত ব্যবসায়ীদের দাবি, অতি দ্রুত বাজারটি পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার আহ্বান জানান কর্তৃপক্ষের কাছে। তা না হলে আগত বর্ষা মৌসুমে বাজারের ব্যাবসায়ীসহ শত শত মানুষকে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
          এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান,উপজেলা প্রকৌশলিকে নির্দেশ দিয়েছি তিনি স্টিমেট করে উপজেলা প্রশাসনে পেশ করলে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন