বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০১, ২০১৬
ঘাটাইলে স্বপন ও ভূট্টোর জমজমাট মাদক ব্যবসার মেলা
Labels:
অপরাধ ও দুনীতি,
ঘাটাইলের কথা,
সর্বশেষ
ঘাটাইলে স্বপন ও ভূট্টোর জমজমাট মাদক ব্যবসার মেলা
আঃ রশিদ তালুকদার, সিনিয়র প্রতিবেদক ঃ ঘাটাইল উপজেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী সিংগুরিয়ার স্বপন ও পাঁচটিকড়ী গ্রামের ভূট্টোর জমজমাট মাদক ব্যবসার মেলা জমে উঠেছে। জানা গেছে, সিংগুরিয়া গ্রামের মুজাফফর খলিফার ছেলে মো: স্বপন (৪২) ও পাঁচটিকড়ী গ্রামের মো: মতিয়ার রহমানের ছেলে মো: ভূট্টো (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা, হিরোইন ও গাঁজাসহ বিভিন্ন নেশা দ্রব্য একটি প্রভাবশালী মহলের শক্তিতে বিক্রয় করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ধাপিত করছে। এলাকা সূত্রে জানা যায়, লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো: শরিফ হোসেনের চাচাতো ভাই মো: ভূট্টো ও আনেহলা ইউনিয়নের একজন সরকার দলীয় নেতার শক্তিতে মো: স্বপন তাদের সহযোগিদের নিয়ে অবাধে অবৈধ মাদক দ্রব্য ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতি ২৪ ঘন্টায় এ দুই ব্যবসায়ী অন্তত ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার মাদক দ্রব্য বিক্রি করছে। স্বপন ও ভূট্টো মাদকসহ একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছে। তারা গ্রেফতার হলেও জামিনে এসে পুনরায় মাদক দ্রব্য ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। স্বপন ও ভূট্টোকে ফোন করলে তাদেরকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। এদিকে লোকেরপাড়া ইউনিয়নের লোকেরপাড়া গ্রামের মাদক সম্রাট মিনহাজ উদ্দিন তালুকদার ও তার সহযোগি কয়েকজন ইতোপূর্বে স্থানীয় মাদক প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় গ্রেফতার হলেও এখনো লোকেরপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম ভূইয়ার ছেলে মো: স্বপন (২৮) জামিন প্রাপ্ত হইয়া আবারও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও একই গ্রামের আরো কয়েজন হিরোইন, ইয়াবা ও গাঁজা আড়ালে বিক্রি করছে। এলাকার গণ্যমান্য ও লোকেরপাড়া মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি এডভোকেট মো: বেলায়েত হোসেন খান কাপাশ প্রশাসনের আইনগত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Labels:
অপরাধ ও দুনীতি,
ঘাটাইলের কথা,
সর্বশেষ
ঘাটাইলে বিপ্লব হত্যা নিয়ে রহস্য
মেহেদী হাসান, নিজস্ব প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল ঃ:
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিপ্লব সরকার (৩২) নামের যুবককে হত্যার ঘটনা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশের এস আই মো. কবির উদ্দিন বাদী হয়ে ৫০/৭০ জনকে আসামী করে ঘাটাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। গত ৪ অক্টোবর ঘাটাইল থানায় দায়েরকৃত হত্যা মামলা নম্বর-০৫। ডাকাতি করার সময় উক্ত যুবক জনতার পিটুনীেিত খুন হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ডাকাতির সময় জনতার হাতে ধৃত পাঁচজনকে পুলিশ গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোর্পদ করেছে। গত ৩ অক্টোবর বিপ্লবের খুনের ঘটনা ঘটলে ৪ অক্টোবর তাকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করে পুলিশ। বিপ্লবের বাড়ি ঘাটাইল থানা সদরের পাশ্ববর্তী ভূঞাপুর উপজেলার নিকলা গ্রামে। দূরত্ব আনুমানিক ২০/২৫ কিলোমিটার। বিপ্লবের পরিবার ও তার গ্রামের লোকজন জানিয়েছে, ‘‘পুলিশ বিপ্লবের পরিচয় জেনেও রহস্যজনক কারনে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করেছে।’’
নিহত বিপ্লবের গ্রামের বাড়ি ভূঞাপুরের নিকলা গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসের শেষের দিকে একই গ্রামের শাকিল নামের এক যুবকের সাথে চাকুরীর উদ্দেশ্যে ঢাকা যাওয়ার কথা বলে বাড়ী থেকে বেরিয়ে আসে বিপ্লব। পুলিশের ভাষ্য অনুসারে, গত ২ অক্টোবর দিবাগত রাত দেড়টায় ডাকাতিকালে অজ্ঞাতনামা যুবক (৩২) বিক্ষুব্ধ জনতার মারপিটে মারা যায়। পুলিশ জনতার হাতে ধৃত আরো ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে। গ্রেফতারকৃতদেরসহ আরো ৮/১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামী করে জনৈক ফরিদ ড্রাইভার গত ৩ অক্টোবর ঘাটাইল থানায় ডাকাতি মামলা রুজু করে। মামলা নাম্বার ০৪। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার বাটনিখোলা গ্রামের মো. আলী মিয়ার পুত্র দেলোয়ার (২৭), ঢাকার মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প বি ব্লকের বিহাীর কলোনীর জাকির হোসেন খানের পুত্র সুমন হোসেন খান (৩৪), টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার বিলকাচিনা গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে নাহিদ (১৯), টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার বেড়বাড়ি খন্দকার পাড়ার আ. মালেক ড্রাইভারের ছেলে মো. রুবেল মিয়া (৩২), বদর উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন মিয়া (৩২), ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার নবাবগঞ্জ বাসষ্ট্যান্ডের আমতলীর কাদের মোল্লা (৪৭)। গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কালিহাতী উপজেলার বিলকাচিনা প্রকাশ সোনাকান্দর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে নাহিদ (১৯) এর বাড়ি নিহত বিপ্লব সরকারের গ্রাম নিকলা গোপালের দূরত্ব পৌনে এক কিলোমিটার। পুলিশ গ্রেফতারকৃত নাহিদকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে নিহত বিপ্লব সরকারের নাম ঠিকানা নিতে পারতো বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা। যদি বিপ্লব সরকার উক্ত ডাকাত দলের সদস্য হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই বিপ্লবের নাম ঠিকানা ঐ গ্রেফতারকৃতদের কাছে থাকার কথা। কিন্তু গত ৩ অক্টোবর খুন হওয়া লাশ ৪ অক্টোবরই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা নিয়ে রহস্যের জট বেঁধেছে সচেতন মহলে। একটি নির্ভরশীল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন ঐ ডাকাতদের দলে থাকা নিহত বিপ্লবের গ্রামের রইজ উদ্দিনের ছেলে ওয়ায়েজ ক্বুরনী পালিয়ে এসে জনসম্মুখে পরদিন সকালে বিপ্লবের মৃত্যুর সংবাদ প্রচার করে। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে ওয়ায়েজ ক্বুরনীসহ ঐ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ৫/৭ জন ডাকাত সদস্য গত ২ অক্টোবর দিবাগত গভীর রাতের ডাকাতির ঘটনা থেকে পালিয়ে এলেও পুলিশ তাদের নাম এজাহারভুক্ত করেনি। পিতা মহিরউদ্দিন সন্তানের লাশ ফিরে না পেয়ে নির্বাক এবং পালিয়ে আসা ডাকাতদের ভয়ে মামলা করতে সাহস পাচ্ছে না। এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ওসি মো. কামাল হোসেন এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে জানিয়েছেন, ‘‘ডাকাতি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে অজ্ঞাতনামা (৩২) ঐ যুবকের মৃত্যু হয়েছে।’’ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘‘ডাকাতরা অনেক সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করে।’’
বিপ্লব হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আবুল কাসেম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘‘বিপ্লব সরকারের পরিচয় পাওয়া গেছে। সে গনপিটুনিতে মারা গেছে।’’ ডাকাতি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মো. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘‘গ্রেফতারকৃতরা নিহত বিপ্লব সরকারকে চেনেনা বলে জানানোতে আমরা ঠিকানা সনাক্ত করতে পারি নাই।’’ বিপ্লব সরকার ও গ্রেফতারকৃত আসামী নাহিদের বাড়ী পাশাপাশি থাকলেও সনাক্ত করতে না পারার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘নাহিদ বলেছে-সে বিপ্লব সরকারকে চেনে না।’’ নাহিদ ও বিপ্লব সরকারের এলাকায় পালিয়ে থাকা ডাকাতদের গ্রেফতারে অভিযান সম্পর্কে এস আই কামাল জানান, ‘‘অচিরেই ঐ অঞ্চলের ডাকাতদের গ্রেফতারে অভিযান চলবে।’’
Labels:
আমাদের টাঙ্গাইল,
ঘাটাইলের কথা,
সর্বশেষ
ঘাটাইলে শিক্ষা অফিসে ঘুষ-দূর্নীতির অভিযোগ
খান ফজলুর রহমান ,সিনিয়র স্টাফ রির্পোটার, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ঃ
দায়িত্বে উদাসীনতা, নিয়মিত অফিসে না আসা ও নানা অনিয়ম আর দূনীতিতে ভেস্তে যেতে বসেছে ঘাটাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম । নিয়মনীতির কোন তোয়াক্কা না করে এ অফিসটিতে ঘুষ নেয়া অনেকটাই ওপেন সিক্রেটে পরিনত হয়েছে। এখানে অফিস সহকারী থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার পর্যন্ত যার যার দায়িত্যে‘র মার প্যাচে ফেলে শিক্ষকদের কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা । জানা গেছে , প্রাইমারী এডুকেশন ডেভেলমেন্ট প্রোগ্রাম (পিইডিপি -৩) নামক একটি প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে স্কুল সংস্কারের নামে ১২টি স্কুলে ১২ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। এ প্রকল্পে অনিয়মকে জায়েজ করার জন্য অডিটের কথা বলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সেলিমা আখতার প্রতিপ্রকল্প থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছেন বলে জানাযায় ।
বানিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাত্তার জানান ,তার স্কুলের সংস্কারের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়ে কাজও করেছেন। কিন্তুু তার পরও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে । এ ভাবে বাগাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হামিদ ও ইন্দারবাইদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে একই ভাবে টাকা নেয়া হয়েছে। অপর দিকে ১৯ হাজার ৫ শ টাকা করে ঘাটাইলে ৫৭ টি স্কুলে ক্ষুদ্র মেরামত (টয়লেট মেরামত) কাজে বরাদ্দ ছিল ১১ লখ ১১ হাজার ৫শ টাকা । চেক দেয়ার সময় প্রতি চেকের জন্য দিতে হয়েছে ৫শ টাকা করে । ক্ষুদ্র মেরামত কাজে ইঞ্জিনিয়ার অফিস থেকে প্রাক্কলন তৈরি করে কাজ করা হয় । ইঞ্জিনিয়ার অফিস সুষ্ঠভাবে কাজ সম্পন্ন হয়েছে মর্মে প্রত্যয়ন দেয়ার পর চেক দেয়ার নিয়ম । এক্ষেত্রেও প্রত্যয়ন পাওয়ার আগেই উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে চেক ৩০ টি স্কুলে চেক দেয়া হয়েছে । অথচ খুজ নিয়ে দেখা গেছে কাজ না করলেও শিক্ষা অফিস থেকে চেক দেয়া হয়েছে । এদিকে স্কুল লেভেল ইমপ্লিমেন্টেশন প্রোগ্রাম ( স্লিপ ) প্রকল্পে ১৬৯ টি স্কুলে প্রতিটিতে ৪০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়।এতে মোট বরাদ্দ দাড়ায় ৬৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা । এ প্রকল্পের সামান্য কাজ করে প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের যোগ সাজসে ভুয়া বিল ভাওচার দিয়ে সিংহ ভাগ টাকা অতœাসাৎ করা হয়েছে বলে জানা যায় । এছাড়াও নিয়মিত অফিসে না আসা , অফিসে বসে ভিন্ন ভিন্ন তারিখ লিখে বিদ্যালয় পরিদর্শন দেখানো , মোবাইলে ভিজিট করে ঘুষ দাবি করা ও প্রতি স্কুলে সিএনজি নিয়ে ভিজিটে গিয়ে প্রত্যেক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ভাড়ার নাম নিয়ে ৫ শ টাকা করে নিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অপর দিকে সাবক্লাস্টার প্রশিক্ষনের নামে চলছে মিনি পিকনিক আর অর্থ আতœসাতের মহোৎসব । সরকারী আদেশ অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষকের জন্য প্রশিক্ষন উপকরন বাবদ ৩০ টাকা এবং খাওয়ার জন্য ২৪০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে । সরেজমিনে ঘুরে শিক্ষকদের কাছ থেকে জানা যায় , ৫ টাকার কলম ও ৫ টাকা মুল্যের নি¤œ মানের প্যাড প্রশিক্ষন উপকরন হিসেবে দেয়া হয়। প্রতি শিক্ষককে ১০০ টাকা নগদ এবং যে বিদ্যালয় রান্নার ব্যবস্থা করে তাদের কে খাওয়া বাবদ জন প্রতি ১০০ টাকা দেয়া হয়। এতে জন প্রতি ৬০ টাকা করে কম দিয়ে বছরে কমপক্ষে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা সহকারী শিক্ষা অফিসার শাহ আলম ও আয়েশা খাতুনসহ অন্যান্য সহকারী শিক্ষা অফিসারগন হাতিয়ে নিচ্ছে । এতে করে শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত উন্নয়ন কার্যক্রম দারুন ভাবে বিঘিœত হচ্ছে। এতে করে সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে লাখ লাখ টাকা নষ্ট হচ্ছে । উপজেলা শিক্ষাকমিটির সভাপতি হচ্ছে উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম । তিনি জ্ঞাতসারেও বিষয় গুলো এরিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে অফিস সহকারীদের বিরুদ্ধেও রয়েছে ঘুষ বানিজ্যের নানা অভিযোগ । এ অফিসের অফিস সহাকারী নজরুল ইসলাম সদ্য জাতীয় বেতন স্কেলের বকেয়া বিল করতে প্রতি শিক্ষকের কাছ থেকে ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন । একই ভাবে চিকিৎসা ছুটি , মাতৃত্ব ছুটি , শ্রান্তি বিনোদন ছুটি করাতে ঘুষ দিতে হয় এ অফিসের অপর অফিস সহকারী মোশারফ ও লতিফুর কে । সার্ভিস বুক খুলতে টাকা নেয়ার অভিযোগসহ টাকা ছাড়া বকেয়া বেতন দেয়া হয়না বলেও এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের দায় স্বীকার করে, ঘাটাইল উপজেলা শিক্ষা অফিসার সেলিমা আখতার বলেন ,বিভিন্ন ইউনিয়নে সহকারী শিক্ষা অফিসারগন বিদ্যালয়ের প্রকল্পের চাহিদা করে তালিকা করে থাকেন । অনিয়ম গুলো তাদের মাধ্যমে হয় । অনেকটা অসহায়ত্ত প্রকাশ করে তিনি বলেন , সহকারী শিক্ষা অফিসার ও অফিসটাফ দের অনেক অনিয়ম চোখে পড়লেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না ।
জানতে চাইলে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন বলেন , বর্তমানে উক্ত প্রকল্প ও শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে । আমার যোগদানে আগের প্রকল্পগুলো সর্ম্পকে আমার তেমন জানা নেই । তবে অনিয়ম পেলে ব্যস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি ।
Labels:
অপরাধ ও দুনীতি,
উপজেলা পরিষদ,
ক্যাম্পাস,
ঘাটাইলের কথা,
সর্বশেষ
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


