মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৯, ২০১৯

ঘাটাইলে ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী সজীব সরকারের মতবিনিময়

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রনেতা সজীব সরকার। আজ মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি)  সন্ধ্যায় সজীব সরকার ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেদ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. খোরশেদ আলম, কেদ্রীয় কমিটির সদস্য রাজেস রায়, পৌর আহবায়ক মো. রাসেল সিকদার, যুগ্ম আহবায়ক ইমরান হোসেন মিঠুন, জাতীয় শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব মো. দুলাল মিয়া, যুগ্ন আহবায়ক বজলুর রহমান, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

মতবিনিময় কালে সজীব সরকার বলেন, “আমি যদি উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হতে পারি ঘাটাইলকে মাদক মুক্ত এবং বাল্য বিবাহ রোধ করবো। এছাড়া ঘাটাইলকে একটি মডেল টাউন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালাব। এ জন্য আমি উপজেলারবাসীর কাছে দোয়া এবং সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছি। সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে সর্বদা নিজেকে নিবেদিত রাখব এবং উন্নয়নের পাশে থাকব।”

ঘাটাইলে সাবেক এমপি রানার মুক্তি দাবিতে সড়ক অবরোধ

মাসুম মিয়া, ঘাটাইল: টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার মুক্তির দাবিতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রায় এক ঘন্টা অবরোধ করে রাখে রানা মুক্তি পরিষদের নেতাকর্মীরা। আজ মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রানা মুক্তি পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল ইসলাম খান হেষ্টিংস এর নেতৃত্বে ঘাটাইল কলেজ মোড় চত্বরে এ কর্মসুচী পালন করা হয়।

এমপি রানার নেতা-কর্মীরা মহাসড়কে সমবেত হয়ে তার মুক্তির দাবিতে মিছিল করে। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে কমপক্ষে ১০ কি.মি. দীর্ঘ যানযটের সৃষ্টি হয়। ফলে দূর-পাল্লার যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘাটাইল থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয় নেতাকর্মীরা।

অবরোধ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন- পৌর আ’লীগের আহবায়ক খলিলুর রহমান তালুকদার, যুবলীগের সাবেক সভাপতি সুলতান মাহমুদ তালুকদার সুজন, ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ রানা মুক্তি পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, সাবেক এমপি রানা টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী হয়ে প্রায় তিন বছর ধরে কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।