শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৬
লোকেরপাড়া ৩১তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
Labels:
ঘাটাইলের কথা,
ধর্ম ও জীবন,
লোকেরপাড়া,
সর্বশেষ
ঘাটাইলে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ঃ
গতকাল শুক্রবার টাঙ্গালের ঘাটাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪৫ তম মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়। ভোরে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যে দিয়ে দিবসটি সূচনা হয় । দিনব্যাপি অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, পতাকা উত্তোলন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, কুচকাওয়াজ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী। সকালে জিবিজি কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা আওয়ামীলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহনে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, সমাজ সেবক তুহীন আব্দুল্লাহ ,উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম লেবু ,পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন , অধ্যক্ষ শামসুল আলম মনি প্রমুখ। এর আগে ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন কবিতা উৎসব ও বিজয় উৎসব নামে ৭ দিন ব্যাপি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
Labels:
ঘাটাইলের কথা,
ছবি সংবাদ,
পৌর সদর,
সর্বশেষ
ঘাটাইলে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ঃ
গতকাল শুক্রবার টাঙ্গালের ঘাটাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪৫ তম মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়। ভোরে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যে দিয়ে দিবসটি সূচনা হয় । দিনব্যাপি অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, পতাকা উত্তোলন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, কুচকাওয়াজ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী। সকালে জিবিজি কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা আওয়ামীলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহনে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, সমাজ সেবক তুহীন আব্দুল্লাহ ,উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম লেবু ,পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন , অধ্যক্ষ শামসুল আলম মনি প্রমুখ। এর আগে ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন কবিতা উৎসব ও বিজয় উৎসব নামে ৭ দিন ব্যাপি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
Labels:
ঘাটাইলের কথা,
ছবি সংবাদ,
পৌর সদর,
সর্বশেষ
স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথভাবে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। নীরবতা পালন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানোর পর শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া।
এরপর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহীদ বেদিতে আরো একবার শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় আওয়ামী লীগের জ্যৈষ্ঠ নেতারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
এরপর ক্রমান্বয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাইদ খোকন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় এবং রাশিয়ান যোদ্ধা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পরিষদ, বীর শ্রেষ্ঠদের পরিবার, পুলিশ প্রধান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ সরকারের শরিক অণ্যান্য রাজনৈতিক দল, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি ও কূটনৈতিক ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানান।
ভোর ৬টা ৪৭ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃসিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার পর সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটক।
ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথভাবে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। নীরবতা পালন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানোর পর শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া।
এরপর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহীদ বেদিতে আরো একবার শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় আওয়ামী লীগের জ্যৈষ্ঠ নেতারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
এরপর ক্রমান্বয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাইদ খোকন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় এবং রাশিয়ান যোদ্ধা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পরিষদ, বীর শ্রেষ্ঠদের পরিবার, পুলিশ প্রধান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ সরকারের শরিক অণ্যান্য রাজনৈতিক দল, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি ও কূটনৈতিক ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানান।
ভোর ৬টা ৪৭ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃসিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার পর সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটক।
স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথভাবে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। নীরবতা পালন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানোর পর শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া।
এরপর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহীদ বেদিতে আরো একবার শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় আওয়ামী লীগের জ্যৈষ্ঠ নেতারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
এরপর ক্রমান্বয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাইদ খোকন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় এবং রাশিয়ান যোদ্ধা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পরিষদ, বীর শ্রেষ্ঠদের পরিবার, পুলিশ প্রধান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ সরকারের শরিক অণ্যান্য রাজনৈতিক দল, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি ও কূটনৈতিক ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানান।
ভোর ৬টা ৪৭ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃসিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার পর সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটক।
ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথভাবে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। নীরবতা পালন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানোর পর শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া।
এরপর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহীদ বেদিতে আরো একবার শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় আওয়ামী লীগের জ্যৈষ্ঠ নেতারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
এরপর ক্রমান্বয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাইদ খোকন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় এবং রাশিয়ান যোদ্ধা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পরিষদ, বীর শ্রেষ্ঠদের পরিবার, পুলিশ প্রধান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ সরকারের শরিক অণ্যান্য রাজনৈতিক দল, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি ও কূটনৈতিক ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানান।
ভোর ৬টা ৪৭ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃসিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার পর সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটক।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


