শুক্রবার, নভেম্বর ০৯, ২০১৮

ঘাটাইলে ‘মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী শিক্ষা বৃত্তি’র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

আতিক সরকার, ঘাটাইল: টাংগাইলের ঘাটাইলে জি বি জি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আজ শুক্রবার (৯ নভেম্বর) বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী শিক্ষা বৃত্তির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন সরকারী, বে-সরকারী ও কিন্ডার গার্ডেনের ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণীর মোট ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহন করে।

আজ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় মোট ২৭টি স্কুলের ১ম শ্রেণীতে ১২০ জন, ২য় শ্রেণীতে ১৩০ জন, তৃতীয় শ্রেণীতে ১৫৫ জন, ৪র্থ শ্রেণীতে ১৬০ জন এবং ৫ম শ্রেণীতে ১২০ জন, সর্বমোট ৬৮৫ জন ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহন করে।

পরিচালক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সাল থেকে আমার বাবা হাসান আলী মিয়ার নামে এই শিক্ষা বৃত্তি চালু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখন থেকে প্রতি বছর এই বৃত্তি প্রদান অব্যাহত থাকবে।

তিনি জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই বৃত্তির ফলাফল ঘোষনা করা হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলীর সংক্ষিপ্ত জীবনী

হাসান আলী ইংরেজি ১৯৪৭ সালে ঘাটাইল উপজেলার চান্দশী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মরহুম ইউনুস আলী, মাতার নাম দুলজান বেওয়া। তিনি ১৯৬৫ সালে এসএসসি, ১৯৬৭ সালে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৬৬ সালে ছাত্রলীগে যোগদান করেন তিনি। ১৯৭২ -১৯৯০ সাল পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির নির্বাচিত সদস্য হিসাবে নয় বছর দায়িত্ব পালন করেন।পরে ঘাটাইল পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালে ঘাটাইল পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা প্রশাসক ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়াও তিনি ঘাটাইল দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। মুকুল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী ১১ নং সেক্টরে কাদেরিয়া বাহিনীর অধিনে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীনে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন।

তিনি দুই ছেলে ও পাঁচ মেয়ের গর্বিত বাবা হিসাবে জীবন যাপন করছেন।

বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কাজের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করে ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগকে সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

আ’লীগে ৯ ঘণ্টায় ১৭শ’ মনোনয়ন ফরম বিক্রি

মাত্র ৯ ঘণ্টায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১ হাজার ৭শ’ মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে।

শুক্রবার রাতে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন।

তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে নেতারা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছেন। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ১ হাজার ৭শ’ ফরম বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি জমা পড়েছে।’



শুক্রবার সকাল ১০টায় মনোনয়ন ফরম বিক্রি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এরপর প্রথম দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। তার হয়ে ওবায়দুল কাদের দুটি ফরম সংগ্রহ করেন। এরপর নোয়াখালী-৫ আসনের জন্য তিনি নিজের ফরমও সংগ্রহ করেন।

রাজধানীর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এসব মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হচ্ছে। এজন্য সেখানে ৮টি বুথ খোলা হয়েছে।


সকাল থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। ফলে ধানমন্ডি ৩/এ সড়ক ও আশপাশের এলাকায় দিনভর ছিল উপচে পড়া ভিড়। দলীয় কর্মীদের চাপে অফিসে ঢুকতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। আর ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করা হবে।

দাবি না মানলে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না


ঢাকা: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি না মানলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।

শুক্রবার (৯ নভেম্বর) বিকালে রাজশাহীর আলিয়া মাদরাসা মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সরকার কারাগারে আটক করে অমানুষিক কষ্ট দিয়ে রেখেছে।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। তা না হলে নির্বাচন হবে না।

ফখরুল বলেন, সব জাতীয় নেতারা আমরা এক হয়েছি। গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করার জন্য। কারণ গণতন্ত্র মানে দেশনেত্রী, দেশনেত্রী মানে গণতন্ত্র।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য, এই দেশের জন্য নিজের সারাটা জীবন উজার করে দিয়েছেন খালেদা জিয়া। অল্প বয়সে নিজের স্বামীকে হারিয়েছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্যাতিত হয়েছেন। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন।

এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা কি খালেদা জিয়ার মুক্তি চান? আপনারা কি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার চান? আপনারা কি ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চান? এ সময় সবাই হাত তুলে ফখরুলের সঙ্গে চাই চাই বলে আওয়াজ তুলেন।

এর আগে দুপুর ২টায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে জনসভা শুরু হয়।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে জনসভায় যোগ দিতে পারেননি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তবে ঢাকা থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জনসভায় ব্ক্তব্য দেন তিনি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুর সভাপতিত্বে জনসভায় যোগ দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বিজেপির সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ।

দেখে নিন টাঙ্গাইলের কোন আসনে কত ভোটার

টাঙ্গাইল-১:(মধুপুর-ধনবাড়ি)   ৩৬৫৭৪৭,                 টাঙ্গাইল-২: (গোপালপুর-ভুঞাপুর)  ৩৪৮৫২৪,

টাঙ্গাইল-৩: (ঘাটাইল)   ৩১৭৯৯১,                          টাঙ্গাইল-৪:  (কালিহাতী) ৩১২৪১৫,

টাঙ্গাইল-৫: টাঙ্গাইল সদর)   ৩৮০২৭৯,                     টাঙ্গাইল-৬: (নাগরপুর-দেলদুয়ার)  ৩৯০৫৯৬,

টাঙ্গাইল-৭: (মির্জাপুর)  ৩২২৬৭৪,                           টাঙ্গাইল-৮:(বাসাইল-সখীপুর)   ৩৪৬৬৪৫,

মধুপুরে গভীর রাতে অগ্নিকান্ডে ৭ দোকান পুড়ে ছাই

টাঙ্গাইলের মধুপুরে একটি বাজারে আগুন লেগে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার ভোরে উপজেলার মির্জাবাড়ী বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে শাহজাহানের সারের দোকানে প্রথমে আগুন লাগে। এরপর আগুন একে একে পাশের দোকান গুলোতে লেগে যায়। খবর পেয়ে মধুপুর ফয়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দেলায়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল কর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততণে বাজারের সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এসময় ধনবাড়ী ফায়ার স্টেশনের একদল কর্মীও সহায়তা করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

এদিকে, তিগ্রস্ত ও স্থানীয়রা কোটি টাকার উপরে য়তির কথা জানালেও ফায়ার সার্ভিস বলছে ২০ লাখ টাকার তি হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে ৫০ লাখ টাকার মালামাল।


ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস,বণিক সমিতির সভাপতি সিদ্দিক হোসেন খান, পিআইও রাজীব আল রানা,ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান তালুকদার প্রমূখ।

রোগী বহন করছে না টাঙ্গাইলের অ্যাম্বুলেন্সগুলো

টাঙ্গাইলের সকল অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিক সমিতি ও চালকরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রাফিক পুলিশ এর অ্যাম্বুলেন্স প্রতি দুই হাজার করে টাকা নেয়া ও অ্যাম্বুলেন্স রাখার জায়গার দাবিতে ওই ঘোষণা দেয়া হয়।

এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। বন্ধ হওয়া সকল অ্যাম্বুলেন্স টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে।


অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির নেতা ও চালকরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাফিক সার্জেন্ট সাজেদুল ও জামিল টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এসে সেখানে থাকা সকল অ্যাম্বুলেন্স চালকদের ডেকে এনে বলেন ‘জেলা প্রশাসক ও সদর পুলিশ ফাঁড়ির ওসি সাহেব এখানে অ্যাম্বুলেন্স রাখলে প্রতিটির জন্য দুই হাজার টাকা করে দিতে হবে’। অন্যথায় তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাম্বুলেন্সগুলো সরিয়ে নিতে বলা হয়। ছয়টি অ্যাম্বুলেন্স থেকে দুই হাজার করে টাকা দেয়ার পরও তারা সেখান থেকে সব অ্যাম্বুলেন্স সরিয়ে দেন। এতে চালক ও মালিক সমিতি প্রতিবাদ করায় সার্জেন্টরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

অ্যাম্বুলেন্সগুলো রাখার কোনো জায়গা না থাকায় মালিক সমিতির নেতা ও চালকরা অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সারিবদ্ধভাবে রেখে দেন। পরে জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলামের সাথে বৈঠকে বসেন অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও চালকরা।

অ্যাম্বুলেন্স থেকে টাকা নেয়ার বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই-প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, হাসপাতালের সামনে থাকা ছয়টি অ্যাম্বুলেন্স থেকে দুই হাজার টাকা করে রেকিং বিল আদায় করা হয়েছে। বাকি দুই অ্যাম্বুলেন্সের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইল অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. মোতালেব হোসেন জানান, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। তিনি অ্যাম্বুলেন্স রাখার জায়গার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত সকল অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ও চলাচল বন্ধ থাকবে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম জানান, অ্যাম্বুলেন্স মালিক সামিতির নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের অ্যাম্বুলেন্স রাখার জায়গা বরাদ্দের বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। অতি দ্রুতই জায়গার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

ট্রেন আসছে! উচ্ছসিত টাঙ্গাইলবাসী

অনেক প্রতিক্ষার পর টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন সার্ভিস চালুর মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইল বাসীর স্বপ্ন পূরণ হলো আজ। ট্রেন আসছে! উচ্ছসিত টাঙ্গাইলবাসী

এরমধ্য দিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরেকটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করলেন। বৃহস্পতিবার ৫ টা ৩৯ মিনিটে রেল মন্ত্রী মুজিবুল হক এ ট্রেন সার্ভিসের উদ্বোধন করেন। পরে রাত ৮টা ৩০মিনিটে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেল স্টেশনে “টাঙ্গাইল কমিউটার” ট্রেনটি এসে পৌছায়।

এসময় টাঙ্গাইলবাসীর পক্ষে টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ট্রেনটি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম।

অপরদিকে রেল স্টেশন চত্বরে “টাঙ্গাইল কমিউটার” ট্রেন সার্ভিস চালু করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টাঙ্গাইলবাসী।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট খোরশেদ আলম প্রমুখ।

আলোচনা সভায় সভাপত্বি করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম। পরে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

কালিহাতীতে সড়ক দুর্ঘনায় তিনজন নিহত

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকায় বাস এবং অটোরিক্সার সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক সবুর মিয়ার ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৯টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মারা যান আরও দুজন।

নিহত সবুর মিয়া ভূয়াপুর উপজেলার সারপলশিয়া গ্রামের আক্তার আলীর ছেলে। নিহত অন্য দুজনের তাৎক্ষণিকভাবে নাম পরিচয় জানা যায়নি।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, টাঙ্গাইলগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিক্সাকে উত্তরবঙ্গগামী একটি বাস সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির চালক নিহত হন। অন্য দুজন হাসপাতালে মারা যান।

নির্বাচনের পথে বিএনপি

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ২০ দলীয় ঐক্যজোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় গুলশানে বিএনপি দলীয় চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে। ২০ দলীয় জোটের বৈঠকের পর পরই জাতীয় ও স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে লন্ডন থেকে তারেক রহমান টেলিফোনে সংযুক্ত হন। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, যদিও ৭ দফা দাবির কোনটাই অর্জিত হয়নি, বেগম খালেদার মুক্তির দাবিতেও সরকার অনড় অবস্থান নিয়েছে, তারপরও আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন তারেক রহমান।

তারেক রহমানের এ সিদ্ধান্তের পরেই বিএনপি নেতাদের অবস্থান পাল্টে যায়। যারা কিছুক্ষন আগেও নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থানে ছিলো, তারেক রহমানের নির্দেশের পর তাঁরা নির্বাচনের পক্ষে যাওয়ার নানা যুক্তি খুঁজতে শুরু করেছেন।

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, তারেক রহমান চাইছেন বিএনপি মনোনয়নপত্র দাখিল করুক। দাখিলের পর তাঁরা পর্যবেক্ষণ করবে নির্বাচনে সরকার কতটুকু নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে। নির্বাচন কমিশন কতটুকু শক্তিশালী অবস্থান নিয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত বিএনপি দেখে, নির্বাচনে সরকার ও নির্বাচন কমিশন যথাযথ ভূমিকা পালন করছে না, সেক্ষেত্রে তাঁরা নির্বাচন বর্জনের পথে হাঁটবে। তাঁরা মনে করছে, তখন যে আন্দোলন হবে সেটি জোরালো হওয়া সম্ভব হবে।

তারেক তাঁর এই বার্তা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে পৌছে দিতে বলেছে। তবে স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সদস্যরা মনে করছে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার জন্য এটি খু্বই সংক্ষিপ্ত সময়। যে সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, সেটা পিছিয়ে দেওয়া দরকার। এদিকে বিকল্পধারা গতকাল রাতেই নির্বাচনের তফসিল ৭ দিন পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আজকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা আজ রাত থেকে জনসভা করবেন। জনসভার আগে পরে নিজেদের মধ্যে তাঁরা নির্বাচনের ব্যাপারে সলা-পরামর্শ সেরে নেবেন বলে বিভিন্ন সূত্রগুলো জানিয়েছে।