বুধবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১৯

ঘাটাইল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের মতবিনিময় সভা

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের এক মতবিনিময় সভা বুধবার (২৩ জানুয়ারি) বিআরডিবি হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য আশিক বাবু, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল রানা, পৌর শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী (মেম্বার), সাধারণ সম্পাদক মো. আকরাম হোসেন, সদর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. আব্দুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী, দেউলাবাড়ি ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. গোলাম রাব্বানী, ধলাপাড়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ফজলুল হক, লক্ষ্মীন্দর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মিয়া, দিগড় ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল হোসেন, দিঘলকান্দি ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক আহসান তাকভীম আছাদ, সন্ধানপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. আনছার আলী, দেওপাড়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. রুকন তালুকদার প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে দেওপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নারীনেত্রী মরিয়ম আক্তারকে পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করেন এবং তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জন্য দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি অনুরোধ করেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ আরিফ হোসেন

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল:  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা ৪৫০.৭১ বর্গ কিঃমিঃ আয়তন, ৪২৪৯০৫ জন জনসংখ্যা, ৪২৬টি গ্রাম নিয়ে গঠিত।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন না যেতেই শুরু হয়ে গেছে উপজেলা নির্বাচনের আলোচনা কে হবে এই গুরত্বপুর্ন জনপদেও অধিপতি। সে ক্ষেত্রে শুরু হয়ে গেছে আগে কে ভোটারের কাছে পরিচিত হবে তার প্রার্থীতা জানান দিতে। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেস বুক থেকে শুরু করে ঘাটাইল উপজেলার রাস্তার দুই পাশে শোভা পাচ্ছে শুভেচ্ছা সম্মলিত বিলবোর্ড, ধর্মীয় উৎসব  থেকে শুরু করে বিভিন্ন চায়ের দোকানে, ১৪টি ইউনিয়নে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে।

সে দিক থেকে আওয়ামীলীগের রাজানীতিতে পরিচ্ছন্ন ব্যাক্তি হিসেবে পরিচিত বিনয়ী স্বভাব আচরন মোহাম্মদ আরিফ হোসেন একজন যোগ্য প্রাথী হিসেবে ঘাটাইলের জনগন মনে করেন। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে শুরু করে  মক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, বর্তমান সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ, বাংলাদেশ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন এর সাধারন সম্পাদক উপজেলা বর্তমান সফল ভাইস চেয়ারম্যান সবার আস্থাভাজন ব্যাক্তি।

তিনি তরুন প্রজন্মের  জনপ্রিয় লোক তাইতো তিনি রাত দিন ভোটারদের কাছে গিয়ে সমর্থন আদায়ে জোর চেষ্টা চালচ্ছে। মনোনয়নয় পাওয়ার ব্যাপারে বলে আমি জীবনের বিশটি বছর রাজপথে মুজিব আদর্শের ঝান্ডা হাতে নিয়ে মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। আর আমি যদি আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাই তাহলে ঘাটাইল জনগনকে নেশামুক্ত সমাজ, সন্ত্র্সামুক্ত ঘাটাইল ও নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠির স্বার্থের দিকে নজর দিয়ে তাদের হয়ে কাজ করবো। ঘাটাইল উপজেলার  ২০১১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী ৩,১৮,৫৪৬ ভোটার এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা১,৫৮৭৭৭জন মহিলা ভোটার সংখ্যা ১,৫৯,৭৬৯ জন।

ঘাটাইলে সাবেক এমপি রানার মুক্তি দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

মাসুম মিয়া, ঘাটাইল: টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে রানা-মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ। আজ বুধবার সন্ধ্যায় ঘাটাইল প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন রানা-মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জামুরিয়া মডেল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস।

জানাকীর্ন সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘাটাইলের গন মানুষের জনপ্রিয় নেতা ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় কারান্তরিন সাবেক এমপি রানার দ্রুত মুক্তি কামনা করেন।

এ সময় অন্যান্য বক্তারা এমপি রানার মুক্তির পাশাপাশি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারেরও দাবী জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুব লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইয়াবা বাণিজ্য: আত্মসমর্পণ না করে ‘সমন্বয়কের’ ভূমিকায় বদি!

ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারের চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত কক্সবাজারের শতাধিক ইয়াবা চোরাকারবারি আত্মসমর্পণ করতে পারেন জানা গেছে।
তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সব কটি তালিকায় ‘পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে চিহ্নিত টেকনাফের সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান বদি আত্মসমর্পণ করছেন না।
সরকারের তালিকাভুক্ত অন্য ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় তিনি অনেকটা ‘সমন্বয়কের’ কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে এলাকায় প্রচার ছিল সাবেক সাংসদ বদিও আত্মসমর্পণ করবেন। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে- তিনি আত্মসমর্পণ করবেন না। ফলে আত্মসমর্পণকে ঘিরে ভীতি তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া আত্মসমর্পণকারীদের তিন থেকে ছয় মাস জেল খাটার পর মাফ করে দিতে পারেন এমন প্রচারও আছে এলাকায়।
কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সর্বশেষ করা ইয়াবা ব্যবসায়ীর এক হাজার ১৫১ জনের তালিকায় ৭৩ প্রভাবশালী ইয়াবাকারবারিকে (গডফাদার) চিহ্নিত করা হয়েছে।
ওই তালিকায় সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান বদিসহ ৩৪ সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি এবং বদির ৫ ভাই, ১ বোনসহ ২৬ জন নিকটাত্মীয়ের নাম রয়েছে।
এ ব্যাপারে আবদুর রহমান বদির দাবি, প্রধানমন্ত্রীর দফতর এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে তিনি নিরপরাধ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ইয়াবা সিন্ডিকেট মোটা টাকা ঢেলে প্রশাসনের বিভিন্ন তালিকায় অন্যায়ভাবে আমার নাম ঢুকিয়েছিল। আমি ইয়াবা ব্যবসা করি না। যারা অপরাধী, তারাই এখন আত্মসমর্পণ করবেন।
আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় সমন্বয়কের দায়িত্ব পালনের কথা অস্বীকার করে বদি বলেন, আমি শুধু নির্বাচনের পর তাদের রিকোয়েস্ট (অনুরোধ) করেছি। আমি বললাম, চোখের সামনে মানুষ মারা যাচ্ছে। স্ত্রী স্বামীহারা হচ্ছে, সন্তান বাবাকে হারাচ্ছে, সব জায়গায় ক্রন্দনের সুর। তোমরা আর কতদিন এভাবে চলবা? তোমরা আত্মসমর্পণ করার চেষ্টা করো। আমি এ কথাটুকু বলেছি। তারা স্বেচ্ছায় যোগাযোগ করে ঢুকে গেছে।
ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় স্থান পাওয়া তার আত্মীয়স্বজনরা আত্মসমর্পণে রাজি হয়েছেন জানিয়ে বদি বলেন, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছেন।
তিনি বলেন, ভাইবোন-ভাগ্নে যাদের নাম এসে পড়ছে, আমি বলছি- তোমরা আইনের আশ্রয় নাও। জড়িত আছে কি নেই, সেটি এখন বলব না। আদালতে গিয়ে প্রমাণ করতে হবে।
এদিকে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার মাসুদ হোসেন বলেন, ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের কোনো একদিন আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা হতে পারে।
এতে শতাধিক ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করতে পারেন বলে তিনি জানান।
জানা গেছে, চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত ইয়াবা চোরাকারবারিদের মধ্যে প্রথম দফায় ৮০ জন আত্মসমর্পণ করতে পারেন। তাদের কক্সবাজারে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় থাকা গডফাদারদের ৭৩ জনের ৬৬ জনই টেকনাফের বাসিন্দা। গত বছরের ৪ মে থেকে দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়।
এর পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২৪৩ দিনে ২৮৬ জন নিহত হন।
প্রসঙ্গত, দুই মেয়াদের সংসদ সদস্য বদির বিরুদ্ধে ইয়াবাকারবারিদের মদদ দেয়ার বহু অভিযোগ রয়েছে। ইয়াবা পাচারের ‘হোতা’ হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের তালিকায় নাম এসেছিল তার।
এসব কারণে সমালোচিত হওয়ায় বদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। তার পরিবর্তে স্ত্রী শাহিন আকতার চৌধুরী নৌকার প্রার্থী হিসেবে কক্সবাজার-৪ (টেকনাফ-উখিয়া) আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করা হলেও আবদুর রহমান বদিকে ধরেনি পুলিশ। তখন সরকারের তালিকাভুক্ত এই ‘পৃষ্ঠপোষক’কে নিয়ে গণমাধ্যমে লেখালেখি হয়। তবে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের একটি মামলায় তিনি এক মাসের মতো জেল খাটেন।