রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬

ঘাটাইলে আ’লীগের আনন্দ মিছিল

এমপি রানা কারাগারে

মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহামেদ হত্যা মামলার পলাতক আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা আত্মসমর্পনের পর কারাগারে প্রেরণ করায় আনন্দ মিছিল করেছে ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। গতকাল রোববার সন্ধায় উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্দ্যেগে এ আনন্দ মিছিলটি বের হয়। আনন্দ মিছিলটি ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রাস্তায় উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আনন্দ মিছিলটি স্থানীয় পারুল প্লাজার সামনে গিয়ে শেষ হয় ও সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু’র সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহিদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক আব্দুর রহিম মিয়া, ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান  হেকমত সিকদার, এডভোকেট শাহানশাহ সিদ্দিকী, আবু সাইদ রুবেল প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা এমপি রানা সহ অন্যান্য আসামীদের ফাঁসির দাবি জানান।

শেষ পর্যন্ত জেলেই যেতে হলো সাংসদ আমানুরকে

শেষ পর্যন্ত জেলেই যেতে হলো সাংসদ আমানুর রহমান রানাকে। দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় পলাতক থাকার পর তিনি আজ রবিবার টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। সকালের দিকে তিনি আদালত প্রঙ্গনে প্রবেশ করেন এবং সকাল নয়টার দিকে তিনি আদালত কক্ষে ঢুকে আত্মসমপর্ণ করে জামিন আবেদন করেন।

মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার এই প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক মো. আবুল মনসুর মিয়া।

সকাল ১০টায় জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম খান পরে সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পালিয়ে থাকেন। রবিবার সকাল ১০টায় তিনি জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

আদালতের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া তাঁর জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।

আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আব্দুল বাকী, ফায়জুর রহমান, খন্দকার ফায়কুজ্জামান নাজিম।

শুনানির সময় পুরো আদালত চত্বর নিরাপত্তায় ঢাকা ছিল। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় আদালতের আশেপাশে। এরপরও উভয় পক্ষের সমর্থকরা ভিড় করে আদালতে আশে পাশে।

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে এমপি আমানুর

টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার পলাতক আসামি সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার সকালে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য হাজির হন রানা। পরে আদালতের কাছে তিনি জামিন আবেদন করেন। তবে তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার অন্য পলাতক আসমিরা কেউ আদালতে হাজির হননি বলে জানা গেছে।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ টাঙ্গাইলে তার কলেজপাড়ার বাসার সামনে পাওয়া যায়। এর তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন।
প্রথমে থানা পুলিশ ও পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলার তদন্ত শুরু করে। ২০১৪ সালের আগস্টে মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী গ্রেপ্তার হন। আদালতে তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সাংসদ আমানুর ও তার তিন ভাইয়ের এ হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এরপর থেকে সাংসদ ও তার ভাইয়েরা আত্মগোপনে আছেন।
চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি সাংসদ আমানুর, তার তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ৬ এপ্রিল আদালত মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক আমানুরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ১৭ মে এই ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত। ২০ মে পুলিশ সাংসদ ও তার তিন ভাইয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে, তবে সেখানে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। সর্বশেষ ১৬ জুন আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।
সাংসদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি চিঠি দিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে জানানো হয়।

ঘাটাইলে টিনএইজদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদন ॥ কেউ নেই দেখার

জুলিয়া পারভেজ:
বিশেষ বিশেষ পার্বনে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার টিনএইজদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনে শঙ্কিত অভিভাবকগণ, বিরক্ত সচেতন মহল, অতিষ্ট নারীগণ। ঈদ-উল ফিতর, ঈদ-উল আযহা, দুর্গাপূজা, নববর্ষ উপলক্ষ্যে কালিহাতী, ঘাটাইল, ভূঞাপুর, গোপালপুর, মধুপুর এসব এলাকায় টিনএইজরা ট্রাক, বাস, পিক-আপ ভ্যান ইত্যাদি যানবাহনে উচ্চস্বরে সাউ-বক্স বাজাতে বাজাতে রাস্তা দিয়ে হৈ হুল্লর করে যাতায়াত করছে। তাতে করে বিকট শব্দ দুষণের কারনে রাস্তায় যানবাহন হরহামেশাই পড়ছে ছোট-খাটো দুর্ঘটনায়, বিরক্ত ও অতিষ্ট পথচারীরা।
টিনএইজরা হৈ হুল্লরেই সীমাবদ্ধ নয়, মহিলাদের দেখে তাদের সাথে করতে থাকে ইভটিজিং। পথচারী বা আশেপাশের লোকদের বিরক্ত করাই শুধু নয়। ঐ সকল গাড়ি বেপরোয়াভাবে চালিয়ে চলাচলে অসুবিধারও সৃষ্টি করে থাকে। আকার যে কোন সময় বেপরোয়া টিনএইজরা উল্লসিত মুহুর্তে চলন্ত গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদন প্রতিরোধ করে এলাকার জন্য এনে দিতে পারেন স্বস্তি।

ঘাটাইলে টিনএইজদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদন ॥ কেউ নেই দেখার

জুলিয়া পারভেজ:
বিশেষ বিশেষ পার্বনে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার টিনএইজদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনে শঙ্কিত অভিভাবকগণ, বিরক্ত সচেতন মহল, অতিষ্ট নারীগণ। ঈদ-উল ফিতর, ঈদ-উল আযহা, দুর্গাপূজা, নববর্ষ উপলক্ষ্যে কালিহাতী, ঘাটাইল, ভূঞাপুর, গোপালপুর, মধুপুর এসব এলাকায় টিনএইজরা ট্রাক, বাস, পিক-আপ ভ্যান ইত্যাদি যানবাহনে উচ্চস্বরে সাউ-বক্স বাজাতে বাজাতে রাস্তা দিয়ে হৈ হুল্লর করে যাতায়াত করছে। তাতে করে বিকট শব্দ দুষণের কারনে রাস্তায় যানবাহন হরহামেশাই পড়ছে ছোট-খাটো দুর্ঘটনায়, বিরক্ত ও অতিষ্ট পথচারীরা।
টিনএইজরা হৈ হুল্লরেই সীমাবদ্ধ নয়, মহিলাদের দেখে তাদের সাথে করতে থাকে ইভটিজিং। পথচারী বা আশেপাশের লোকদের বিরক্ত করাই শুধু নয়। ঐ সকল গাড়ি বেপরোয়াভাবে চালিয়ে চলাচলে অসুবিধারও সৃষ্টি করে থাকে। আকার যে কোন সময় বেপরোয়া টিনএইজরা উল্লসিত মুহুর্তে চলন্ত গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদন প্রতিরোধ করে এলাকার জন্য এনে দিতে পারেন স্বস্তি।