শনিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮

ঘাটাইলে রাত পোহালেই ভোট, সরঞ্জাম যাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রে

রাত পোহালেই শুরু হবে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের(৩) ঘাটাইল আসনের ভোট। সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। তাইতো ভোটের উপলক্ষে উপজেলার ১১৯ কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্স।

ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে পুলিশ আনছার বাহিনীর সদস্যরা । প্রতিটি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার ১জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ৪জন,পোলিং অফিসার ৮জন। ১৪জন আনছার ১জন  চৌকিদার ও ১জন পুলিশ সর্বদাই ভোট চলাকালীন সময়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে উপস্থিত থাকবে ।

১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন উপজেলায় ৩লাখ ১০হাজার ৬৬৫জন ভোটার রয়েছে।

ভোটকেন্দ্রে ভোটারের সঙ্গে যা থাকতে হবে

রোববার (৩০ ডিসেম্বর) ভোটের দিন। এদিন সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবার ভোট দিতে যাওয়ার ব্যাপারে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় প্রত্যেক ভোটারকে এই নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে-

ভোটের স্লিপ: ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের আগে ভোটারকে ভোটের স্লিপ সংগ্রহ করতে হবে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস অথবা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে এটা সংগ্রহ করা যাবে। তবে কেন্দ্রে প্রবেশের আগেও এটা সংগ্রহ করা যাবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ভোট দিতে অসুবিধা নেই, তবে সঙ্গে রাখাটাই উত্তম। ইভিএমে ভোট দিতে জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে থাকা দরকারি। তা না হলে আঙুলের ছাপ দিয়ে ভোট প্রদান করতে হবে।

সহযোগী: ভোটার অসুস্থ বা শারীরিক প্রতিবন্ধী হলে সঙ্গে একজন সহযোগী নিতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে সহযোগীর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, ভোটকেন্দ্রে ব্যাগ কিংবা বিস্ফোরক ও দাহ্য কোনও পদার্থ নিয়ে যাওয়া যাবে না। মোবাইল সঙ্গে নিলে তা বন্ধ রাখতে হবে।

ঘাটাইলের ওসি ও ধলাপাড়া পুলিশ ইনচার্জের প্রত্যাহার দাবি

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ ঘাটাইল থানার ওসি মাকসুদুুল আলম ও ঘাটাইলের ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ আমিরুল ইসলামকে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগদান এবং বিএনপির এজেন্টদের সার্বিক নিরাপত্তা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। তিনি গতকাল শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি আরো বলেন, ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত জেনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলেছে এবং পুলিশ গ্রেফতার করছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার দাবি জানিয়েও কর্তৃপক্ষ কোন কর্ণপাত করেনি। তিনি বলেন, যে পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব ছিলো নিরপেক্ষ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা আজ তারাই আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়ে সমাজের ক্রাসের রাজত্ব করছে। এ অবস্থায় বিএনপি ও ভোটারদের মধ্যের চরম অনাস্থা ও অবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। 
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পুলিশ নিয়ে নির্বাচনে ধানের শীষের সম্ভাব্য এজেন্টেদের বাড়ি বাড়ি ঘিয়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছে।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকলাম, ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাধরণ সম্পাদক এম রেজাউল করিমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।