টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া ও পূর্ব অঞ্চলে বিস্তীর্ণ পাহাড়িয়া এলাকায় গত এক সপ্তাহে চারটি সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গত ১৪ এপ্রিল থেকে আজ ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে ঘাটাইলে এই সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচ জন। এ এলাকায় লাগাতার সড়ক দুর্ঘটনার জন্য চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালনা, সচেতনতার অভাব এবং চলাচলের অনুপযোগী ভাঙ্গাচোরা রাস্তাকে দায়ী করছেন এলাকাবাসী।
রোববার (১৪ এপ্রিল) রাতে টাংগাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাড়ির চাপায় পৃষ্ট হয়ে এক পাগলির (৪৫) মৃত্যু হয়। ঘাটাইলের পাকুটিয়া বাসষ্টেশনের কাছে ফুলহারা (খনিরচড়া) নামক স্থানে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পহেলা বৈশাখের দিনে ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শরাবাড়ী বাজারস্থ ‘পাঞ্জাগানা’ নামক মোড়ে পিকআপের সাথে মোটরসাইকেলের সামনাসামনি সংঘর্ষে একজন নিহত ও একজন আহত হন। উক্ত দুর্ঘটনায় আহত রায়হান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় বুধবার (১৭ এপ্রিল) মৃত্যুবরণ করেন।
১৯ এপ্রিল (শুক্রবার) ঘাটাইলের সাগরদিঘী-গারোবাজার সড়কের মুরাইদ এলাকায় ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংর্ঘষে নাইম মিয়া (২৫) নামে এক যুবক নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুই জন। নিহত যুবক কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার বরুহা গ্রামের কালাম মিয়ার ছেলে।
এদিকে আজ রোববার (২১ এপ্রিল) ঘাটাইলের সাগরদিঘী-সখীপুর সড়কে ট্রাক ও ব্যাটারি চালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাদশা মিয়া (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত বাদশা মিয়া ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে।
এসন ঘটনায় ঘাটাইলবাসী সড়কে চলাচলে অনেকটা আতংকিত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে উপজেলার পাহাড়িয়া অঞ্চলের বেশ কিছু সড়ক একেবারেই ভাঙ্গাচোরা ও চলাচলের অনুপযোগী থাকার কারণে দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে বলে মনে করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা এই সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার করে সাধারণের চলাচলের উপযোগী করার জন্য জোড় দাবী জানান।


