শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬

টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহাম্মদ হত্যাকান্ড কি জজমিয়া নাটক ?

ভয়াবহ ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার হত্যাকান্ড পরবর্তীতে জজমিয়া নাটক সাজায় বিএনপি-জামায়াতের অনুসারী তৎকানীল পুলিশ প্রশাসন আলোচিত ওই হত্যাকান্ডটি আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছিল। ঠিক তেমনি টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহামদের এই হত্যাকান্ডটি বিএনপি-জামায়াতপন্থি তল্পীবাহক তাদের এজেন্ট পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশ বিশেষ উদ্দ্যেশে আওয়ামী লীগ বিরোধী এই হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারী একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর যোগসাজসে রীতিমত জজ মিঞার নাটক সাজিয়ে উদোরপিন্ডি বুধোর ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিয়েছে এমনটি মনে করছেন টাংগাইলের আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ জনগন। আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে উদীয়মান আওয়ামীলীগ নেতা শহীদ আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর মত জনপ্রিয় নেতার হত্যাকান্ডের বেনিফেশিয়ারী ও পরিকল্পনাকারীরাই হয়তবা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদকে হত্যা করতে পারে বলে  মনে করেন এলাকাবাসী । ফারুক হত্যা মামলা তদন্ত অবস্থায় এই মামলাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তাদেরই অনুসারী ২০১৪ সালের দিকে আকস্মিকভাবে মিটিং-মিছিল ও তথাকথিত আন্দোলন শুরু করে দেয়। উল্লেখ্য যে, বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াওসহ প্রতিটি আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে প্রতিবাদ প্রতিরোধ করেছে সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা, সাবেক মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা। অথচ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মরহুম শামছুর রহমানের আপন ভাতিজা রানা-মুক্তিসহ তাদের অন্যান্য ভাইদেরকে জড়িয়ে দেয় নাটকীয়ভাবে এই হত্যার দায়। আনিসুর রহমান রাজা নামে আওয়ামীলীগের এক কর্মীকে ধরে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে প্রায় দুই সপ্তাহ ঝুলিয়ে রেখে চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জবানবন্দী আদায়ের চেষ্টা করে। তার হাত পায়ের নখ উৎপাটন করে ফেলে নির্যাতন চালাতে থাকে। একই অবস্থা করে মোহাম্মদ আলী নামে আরেক আওয়ামী লীগের কর্মীকে, তাকেও মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানুিষক নিযার্তন চালায় মর্মে আদালতের হলফ নামায় জানায়। পুরো বিষয়টিই ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা হত্যাকান্ড মামলায় জজমিয়া নাটক সাজানোর মত। আলোচিত মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলাটিও একই কায়দায় প্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট এবং তথাকথিত আন্দোলনকারীরা এই হত্যাকান্ডের বেনিফিসিয়ারী গোপন বৈঠক করে টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ করে দেওয়ার জন্য তৃনমূল আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করে দেওয়ার নীল নকশা  তৈরি করে গভীর ষড়ষন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা এই কথা এলাকার অধিয়াংশ আওয়ামীনেতারা বলেন। অথচ এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হওয়ার সময় সাংসদ আমানুর রহমান রানা তার নির্বাচনী এলাকায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছিল। যা ওই থানার  পুলিশ প্রটোকল ছিল সেখানে। এব্যাপারে থানায় একটি জিডি করা ছিল তার প্রমানও রয়েছে রেকর্ডবুকে সংশ্লিষ্ট থানায়। তার অন্য ভাই টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি জাহিদুর রহমান খান কাকন হত্যাকান্ডের প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই স্ত্রী-সন্তানসহ দেশের বাহিরে ছিল। এমপি রানার অপর ভাই পৌরসভার সাবেক মেয়র থাকাবস্থায় ঘটনার প্রায় একমাস পূর্বে স্ত্রী-সন্তানসহ তিনি চিৎকিসার জন্য ভারতে ছিল এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয়ে রাজনৈতিক কাজে অবস্থান করছিল। উল্লেখ যে, ফারুক হত্যা মামলার পরিকল্পনাকারীরা মূলত এই হত্যাকান্ডটি সম্পূর্ণ  রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য খান পরিবারের চার ভাইকে ষড়যন্ত্রের জালে ফেলে দিয়েছে বলে আওয়ামীলীগের তৃণমূলের কর্মীরা দাবী করে আসছে। তাদের দাবী  এই ঘটনার পূনরায় সুষ্টু তদন্ত হলে প্রকৃত অপরাধীদের মুখোশ উম্মোচন হবে। অনুসন্ধানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, টাঙ্গাইলে বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা তদন্তকালীণ সময়ে ২০১৪ সালের প্রথম দিকে ঢাকার গুলশানের একটি রেস্তোরায় এই হত্যাকান্ড ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে সাংসদ আমানুর রহমান খান  রানা ও তার ভাইদের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়ার জন্য এবং টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট টাঙ্গাইলের  ওসি (ডিবি) গোলাম মাহফুজুর রহমান ও তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (ডিবি) অসোক কুমার সিংহ এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল কমিশনার সন্ত্রাসী ছোট মনি, বড় মনি একটি গোপন বৈঠক এলাকার লোকমুখে বুনে গেছে। প্রসঙ্গত, ২০১৩ইং সালের ১৮ই জানুয়ারী টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকা বাসার সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।

ঘাটাইলে স্বরণ সভা

কবি মুজাফফর আলী তালকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে 


মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধায় স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘাটাইল প্রেস ক্লাব আয়োজিত প্রেসক্লাব কার্যালয়ে প্রফেসর মাহমুদ দিদার এর সভাপতিত্বে স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন- লেখক ও গবেষক জুলফিকার হায়দার, ভূঞাপুর লোকমান ফকির কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানী রতন, লোক সংস্কৃতি গবেষক মামুন তরফদার, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, প্রভাষক ও ছড়াকার কাশিনাথ মজুমদার (পিংকু), ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মিঞা, যায়যায়দিনের ঘাটাইল সংবাদদাতা উত্তম কুমার আর্য্য, ভোরের কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি রবিউল আলম বাদল, সকালের খবরের ঘাটাইল সংবাদদাতা মাসুম মিয়া, আমার দেশ পত্রিকার ঘাটাইল সংবাদদাতা মাজহারুল শিহাব, কবি মো. সাইফুল ইসলাম, ছড়াকার এম এ হামিদ, আব্দুল মান্নান কাব্য কবির, সম্পাদক সবুজ মাহমুদ, কবির ছোট ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম, খোলা কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি মো. খায়রুল ইসলাম প্রমুখ। স্বরণ সভা পরিচালনা করেন ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল।

ঘাটাইলে স্বরণ সভা

কবি মুজাফফর আলী তালকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে 


মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধায় স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘাটাইল প্রেস ক্লাব আয়োজিত প্রেসক্লাব কার্যালয়ে প্রফেসর মাহমুদ দিদার এর সভাপতিত্বে স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন- লেখক ও গবেষক জুলফিকার হায়দার, ভূঞাপুর লোকমান ফকির কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানী রতন, লোক সংস্কৃতি গবেষক মামুন তরফদার, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, প্রভাষক ও ছড়াকার কাশিনাথ মজুমদার (পিংকু), ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মিঞা, যায়যায়দিনের ঘাটাইল সংবাদদাতা উত্তম কুমার আর্য্য, ভোরের কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি রবিউল আলম বাদল, সকালের খবরের ঘাটাইল সংবাদদাতা মাসুম মিয়া, আমার দেশ পত্রিকার ঘাটাইল সংবাদদাতা মাজহারুল শিহাব, কবি মো. সাইফুল ইসলাম, ছড়াকার এম এ হামিদ, আব্দুল মান্নান কাব্য কবির, সম্পাদক সবুজ মাহমুদ, কবির ছোট ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম, খোলা কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি মো. খায়রুল ইসলাম প্রমুখ। স্বরণ সভা পরিচালনা করেন ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল।

কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী আজ

নজরুল ইসলাম,ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী আজ ২৩ শে সেপ্টেম্বর।২০১২ সালের এই দিনে ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। মুজাফফর আলী তালুকদার ১৯৪৪ সালের ১৮ডিসেম্ববর কবিধাম খ্যাত টাঙ্গাইলেলের ঘাটাইল উপজেলার ষাইটশৈলা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম ছাবেদ আলী তালুকদার। মাতা- আফছান নেছা। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়া লেখার হাতে খড়ি সাংসারিক অভাবের কারনে মেট্রিক পাশ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। এরপর নানা চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে এম এ প্রথম পর্ব (বাংলা) পাশ করেন। বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে সর্ব শেষ সন্তোষ জাহ্নবী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গুণী এ শিক্ষক কর্ম জীবনের ইতি টানেন।
মুজাফফর আলী তালুকদার শিক্ষকতার পাশাপাশি সুস্থ ও সচেতন সমাজ নির্মাণে সাহিত্য চর্চা করেন। মুক্তিযুদ্ধ সহ এ দেশের প্রতিটি প্রগতিশীল এবং মানবতাবাদী আন্দোলনে তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল। কবি হিসাবে তিনি উভয় বাংলায় খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর লেখায় গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থা,  ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ গভীর ভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষত গ্রাম বাংলার চিরচেনা রূপের বর্ণনা ও আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার তার লেখায় লক্ষণীয়। তাঁর লেখা ছড়া, কবিতা, গল্প, উপন্যাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে ২১টি গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। উল্লেখ যোগ্য গ্রন্থ গুলি হচ্ছে উপন্যাস: বিএ পাস, কিভাবে যে প্লাবন এলো ও পাতার অশ্র“। কাব্য: নত করে দাও, চাঁদের বুকে জল ও অনেক দিন পর তোমার চিঠি ও কবিতা সমগ্র। গল্প: ডানা ভাঙ্গা পাখি ও অনন্তে হারিয়ে যায় আশা। ছড়া: ছড়া দিয়ে গড়া ও একশ ছড়া। ভ্রমণ কাহিনী: নীল আকাশে অনেক ডাক। জীবনী: যাদু স¤্রাট পি.সি সরকার। এছাড়া বাংলা ব্যাকরণ ও রচনা প্রবেশ নামে দুটি পাঠ্য পুস্তক রচনা করেছেন। তিনি তৎপুরুষ, দর্পণ, বহ্নিশিখা ও তরঙ্গ সহ বিভিন্ন নামে লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেছেন। পলি মাটি সাহিত্য সংসদ, অনুশীলনী সাহিত্য গোষ্ঠি ত্রি-দ্বিধা সাহিত্য সংস্কৃতি পর্ষদ সহ অনেক গুলি সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। সাহিত্য চর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ উভয় বাংলায় পেয়েছেন সম্মাননা ও পুরষ্কার।
মুজাফফর আলী তালুকদারের চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল প্রেসক্লাব নিজস্ব কার্যালয়ে আজ বিকাল ৪ টায় স্মরণ সভার আয়োজন করেছে। এছাড়া কবির নিজ বাড়ী ষাইটশৈলায়  তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে।