শনিবার, জুলাই ২৮, ২০১৮

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ আটক কারারক্ষী জলিল কারাগারে

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ গ্রেফতার কারারক্ষী আব্দুল জলিলকে (৩৮) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান। তিনি ঘাটাইল উপজেলার ছলিম উদ্দিনের ছেলে।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কারারক্ষীর বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করেন।
গ্রেফতারকৃত আব্দুল জলিল টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের কারারক্ষী।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের ডিস্ট্রিক গেইট এলাকা থেকে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার এসআই আবুল বাশার বলেন, গ্রেফতার হওয়ার পর কারারক্ষী আব্দুল জলিল পুলিশের কাছে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
আব্দুল জলিল পুলিশকে জানান, তিনি টাঙ্গাইল কারাগারের ভেতরসহ আশপাশের এলাকায় চাহিদা মোতাবেক নিয়মিত মাদক সরবরাহ করতেন। এটি তার নিয়মিত একটি কাজ ছিল। জেলখানায় বিভিন্ন ধরনের মাদকসেবী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে চাহিদা মোতাবেক ইয়াবা সরবরাহ করতেন। ইয়াবাগুলো বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়ে আসতেন তিনি।
এসআই আবুল বাশার আরো বলেন, তার মোবাইল ফোনে অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তার সাথে আরো অনেকেই জড়িত রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার ওসি সায়েদুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার রাতে শহরের ডিস্ট্রিক গেইট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় কারারক্ষী (জেল পুলিশ) আব্দুল জলিলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ৩৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল শহরে মাদক সরবরাহ করে আসছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল কারাগারের কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেলার আবুল বাশার বলেন, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কারাগারে মাদকের সরবরাহের বিষয়টি সঠিক নয়। আবুল জলিল অনেক কিছুই বলতে পারেন। আব্দুল জলিল টাঙ্গাইল কারাগারের একজন কারারক্ষী ও কনস্টেবল।

পাকুটিয়া শিল্প ও বণিক সমিতি নির্বাচনে মালেক সভাপতি, ছানোয়ার সম্পাদক

আতিক সরকার, ঘাটাইল :  শুক্রবার (২৭ জুলাই) টাংগাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ১ নং দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পাকুটিয়া শিল্প ও বনিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন পাকুটিয়া পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে ছাতা প্রতীক নিয়ে মোঃ আঃ মালেক খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আনারস প্রতীক নিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ছানোয়ার হোসেন।
এর আগে সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে একটানা বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে।
পাকুটিয়া শিল্প ও বনিক সমিতির কার্যকরী মোট ১১ পদের সাত পদে সাতজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীয় ইতোপূর্বে নির্বাচিত হয়েছেন। আর অন্যান্য চার পদে মোট আটজন প্রার্থী আজ নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
নির্বাচনে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, সভাপতি পদে ২১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আঃ মালেক খান (ছাতা), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রী প্রবাস চন্দ্র কিরিটি পেয়েছেন ১১২ ভোট (গরুর গাড়ি)। সহ-সভাপতি পদে ২৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ নজরুল ইসলাম (আম), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ কাজী আব্দুস সবুর পেয়েছেন ৫৬ ভোট (টেলিভিশন)। সাধারণ সম্পাদক পদে ১৭৫ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ছানোয়ার হোসেন (আনারস), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ জুলহাস উদ্দিন পেয়েছেন ১৫৫ ভোট (মোরগ)। কোষাধ্যক্ষ পদে ১৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বাবু শংকর চন্দ্র (কলসি), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র পাল পেয়েছেন ১৩৬ ভোট (পাখা)।
নির্বাচিত কমিটি আগামী তিন বৎসরের জন্য পাকুটিয়া শিল্প ও বনিক সমিতির দায়িত্ব পালন করবে।
সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।