টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ গ্রেফতার কারারক্ষী আব্দুল জলিলকে (৩৮) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান। তিনি ঘাটাইল উপজেলার ছলিম উদ্দিনের ছেলে।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কারারক্ষীর বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করেন।
গ্রেফতারকৃত আব্দুল জলিল টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের কারারক্ষী।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের ডিস্ট্রিক গেইট এলাকা থেকে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার এসআই আবুল বাশার বলেন, গ্রেফতার হওয়ার পর কারারক্ষী আব্দুল জলিল পুলিশের কাছে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
আব্দুল জলিল পুলিশকে জানান, তিনি টাঙ্গাইল কারাগারের ভেতরসহ আশপাশের এলাকায় চাহিদা মোতাবেক নিয়মিত মাদক সরবরাহ করতেন। এটি তার নিয়মিত একটি কাজ ছিল। জেলখানায় বিভিন্ন ধরনের মাদকসেবী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে চাহিদা মোতাবেক ইয়াবা সরবরাহ করতেন। ইয়াবাগুলো বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়ে আসতেন তিনি।
এসআই আবুল বাশার আরো বলেন, তার মোবাইল ফোনে অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তার সাথে আরো অনেকেই জড়িত রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার ওসি সায়েদুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার রাতে শহরের ডিস্ট্রিক গেইট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় কারারক্ষী (জেল পুলিশ) আব্দুল জলিলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ৩৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল শহরে মাদক সরবরাহ করে আসছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল কারাগারের কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেলার আবুল বাশার বলেন, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কারাগারে মাদকের সরবরাহের বিষয়টি সঠিক নয়। আবুল জলিল অনেক কিছুই বলতে পারেন। আব্দুল জলিল টাঙ্গাইল কারাগারের একজন কারারক্ষী ও কনস্টেবল।

