শুক্রবার, আগস্ট ২৪, ২০১৮

বান্দরবান জেলার উন্নয়নে সরকারের অবদান

অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর বান্দরবান জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলেছে উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বাধিক উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ অবকাঠামো, বিদ্যুৎসহ নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। ২০০৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিট অফিসের প্রকৌশল বিভাগ যোগাযোগ, শিক্ষা, কৃষি,পানীয়জল সরবরাহ, ভৌত অবকাঠামো এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতি খাতে ৯৬১টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এসব প্রকল্প বাস্তায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজ চলমান রয়েছে।

 লামা উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক মাতামুহুরী ব্রিজের উপরে ১৪০ মিটার গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ কাজ চলছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের যেসব উপজেলায় সরকারি স্কুল-কলেজ নেই সেই উপজেলাগুলোতে একটি করে স্কুল এবং একটি করে কলেজ সরকারীকরণ করেছে। বান্দরবানের লামা উপজেলার মাতামুহুরী কলেজ, নাইখ্যংছড়ির হাজী এম এ কালাম ডিগ্রি কলেজ, রুমা উপজেলার রুমা সাংগু কলেজকে সরকারীকরণ করা হয়েছে। এছাড়া জেলায় নতুন নতুন স্কুল-কলেজ নির্মাণ, সংস্কার করা হয়েছে। জেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলার হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে পার্বত্য বান্দরবান জেলার এই উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করেন জেলার জনগণ।
ভিডিও এখানেঃ

ঘাটাইলে ড. কামরুল হাসানের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্বববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব ড: কামরুল হাসান খান সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও গণসংযোগ করেছেন।

তিনি সমর্থকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ আগস্ট) দিনব্যাপী ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং নৌকার পক্ষে গণসংযোগ করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক গোলজারুল ইসলাম, উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সোয়েব রানা, মমরেজ গলগন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু হানিফ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মজনু খান, দেওপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বাহাদুর আলম খান, জামুরিয়া ইউপি মেম্বার খাদেমুল ইসলাম খান, জিবিজি কলেজের সাবেক এজিএস মিজানুর রহমান মজনু, সাবেক যুবলীগের প্রচার সম্পাদক শাহ আলম প্রমুখ।

এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সম্পাদক সহ বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা গণসংযোগের সময় তার সাথে মিলিত হন।

মন্দিরে ঈদ জামাত, মসজিদে হিন্দু পরিবার!

ভারতের কেরালায় বন্যায় মসজিদ ডুবে যাওয়ায় গত বুধবার (২২ আগস্ট ২০১৮) মন্দিরে মুসলমানদের ঈদের নামাজ পড়ার সুযোগ করে দেয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এবার সেই কেরালায় মসজিদে ১৭ হিন্দু পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছে মুসলমানরা। ওইসব হিন্দু পরিবারের বাড়িঘর পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যা যেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে এনে দাঁড় করিয়েছে।

এদিকে, বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি ঘটায় আক্রান্ত এলাকার মানুষ নিজ নিজ গ্রামের ফিরে যাচ্ছেন। সেই সঙ্গে প্রকাশ পাচ্ছে বেশ কিছু অনন্য সাধারণ মানবিক গল্পের। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ঐক্যের সেসব উদাহরণ সাধারণ মানুষদের আপ্লুত করছে।



কেরালার দক্ষিণ মালাপুরামে আরো একটি ঘটনা প্রকাশ পেল। টাইমস অব ইন্ডিয়া খবরে বলা হয়, সেখানের জুমা মসজিদে আশ্রয় পেয়েছিল বন্যা দুর্গত ১৭টি হিন্দু পরিবার। শিশু, বৃদ্ধ, নারী ও পুরুষসহ গৃহহীন পরিবারগুলো মসজিদে রাত্রিযাপন করেছেন, আহার সেরেছেন। এমনকি বাড়ি ফেরার সময় তাদেরকে দেওয়া হয়েছে গৃহস্থলি কাজের জরুরি কিছু মালামাল।

আশ্রয় দেওয়া চালাইয়ার গ্রামের পঞ্চায়েত ওসমান বলেন, ‌‌মসজিদে অবস্থান করা মোট ৭৮ জনের অধিকাংশই ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী। পরবর্তীতে তাদের সাহায্যের জন্য সেখানে রিলিফ ক্যাম্পও খোলা হয়। হিন্দু-মুসলিম বিভেদ ভুলে পারস্পরিক এমন একাত্মতার গল্প নিশ্চয়ই ভারতবাসী অনেকদিন মনে রাখবেন।

ভারতের কেরালা রাজ্যে গত একশ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যায় পাঁচশ’র বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গৃহহীন হয়েছেন প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ।

এদিকে, কেরালার এই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অধিকাংশ মসজিদ। এ কারণে ঈদুল আজহায় ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি কেরালার অধিকাংশ মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ। তবে ওই দিনই সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন থৃসুর জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মালায় জেলার পুরাপ্পিল্লিকাভু রক্তেশ্বরী মন্দিরের দরজার তারা খুলে দিয়েছিলো মুসলিমদের জন্য।



মসজিদ মহল্লা কমিটির প্রধান খালিদ বলেন, মসজিদে পানি না নেমে যাওয়ায় আমরা মন্দির কমিটির সাথে কথা বলি। তারা সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যায় ও আমাদের মন্দিরে নামাজ আদায় করতে বলে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের দিন সকালেও বন্যাকবলিত ওই অঞ্চলের অধিকাংশ মসজিদই জলাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। কিন্তু মন্দির কর্তৃপক্ষের কারণে নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে তাদের। এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদ মহল্লা কমিটির পি.এ খালিদ বলেন,’ আমরা আশা করেছিলাম পানি নেমে যাবে। বুধবার মসজিদেই আমরা ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবো। কিন্তু বুঝতে পারলাম এটা কোন ভাবেই পানি নামবে না। তখন সবার মনেই কষ্ট নেমে আসলো এবার হয়তো ঈদের নামাজ আদায় করা হবে না। এরপরে আমরা মন্দির কমিটির একজনের সঙ্গে কথা বললাম। তিনি সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরে নামাজ আদায়ের জন্যে আমন্ত্রণ জানালেন।’

অপরদিকে, ঈদের খরচ কমিয়ে ভারতের মুসলিমরা কেরালার মানুষদের অর্থ সহায়তাও প্রদান করেছেন বলেও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ঘাটাইলে বজ্রপাতে একজন নিহত

বৃহস্পতিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগর ইউনিয়নে কাশতলা গ্রামে মোঃ আজাহের আলী (৩৬) নামে এক ব্যক্তি বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।

তিনি কাশতলা গ্রামের ওমেদ আলীর ছেলে।

দিগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে ওমেদ আলীর ছেলে আজাহের (৩৬) বিলে মাছ ধরতে সেখানে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

ঘাটাইলে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহতর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে হোসেন সরকার নামে এক দোকান ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে  জয়নাল, জাহাঙ্গীর ও তার লোকেরা। এ ঘটনার প্রতিবাদ, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবীতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার হামিদপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার রাতে উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় হামিদপুরের আবুল হোসেন এর ছেলে জয়নাল (৩৮) ও জাহাঙ্গীর (৩৫) এর নেতৃত্বে ৪/৫ জনের একটি গ্রুপ হোসেন সরকারের দোকানে ঢুকে তার ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ৩ লাখ টাকা নিয়ে চলে যায় তারা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হোসেন সরকারকে উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্বজনরা।

আহত হোসেন সরকার(৫০) উপজেলার সালেংকা গ্রামের মৃত শমসের আলীর ছেলে।



এ ঘটনার প্রতিবাদ, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবীতে হামিদপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে করে ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী। এসময় বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম খান ,শাজাহান মিয়া, মিনিবাস মালিক সমিতি হামিদপুর শাখার সভাপতি মো. সজল মিয়া,আওয়ামী লীগ নেতা সাহেদ মিয়া, ভোলা খান, জামাল হোসেন, মিলন সরকার, রাসেল মিয়া, শফি মাষ্টার, খরসু মিয়া প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন হাজারো গ্রামবাসী।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো.আশরাফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় চার জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।