রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬

শেষ পর্যন্ত জেলেই যেতে হলো সাংসদ আমানুরকে

শেষ পর্যন্ত জেলেই যেতে হলো সাংসদ আমানুর রহমান রানাকে। দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় পলাতক থাকার পর তিনি আজ রবিবার টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। সকালের দিকে তিনি আদালত প্রঙ্গনে প্রবেশ করেন এবং সকাল নয়টার দিকে তিনি আদালত কক্ষে ঢুকে আত্মসমপর্ণ করে জামিন আবেদন করেন।

মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার এই প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক মো. আবুল মনসুর মিয়া।

সকাল ১০টায় জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম খান পরে সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পালিয়ে থাকেন। রবিবার সকাল ১০টায় তিনি জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

আদালতের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া তাঁর জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।

আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আব্দুল বাকী, ফায়জুর রহমান, খন্দকার ফায়কুজ্জামান নাজিম।

শুনানির সময় পুরো আদালত চত্বর নিরাপত্তায় ঢাকা ছিল। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় আদালতের আশেপাশে। এরপরও উভয় পক্ষের সমর্থকরা ভিড় করে আদালতে আশে পাশে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷