রবিবার, নভেম্বর ২৫, ২০১৮

স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন লতিফ সিদ্দিকী

আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সভাপতিমÐলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে স¦তন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার অনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছেন।

রোববার লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে তার নিজ বাসায় সাংবাদিকদের ব্রিফিং এর মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন। 

এ সময় তার সমর্থকসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। 

তবে এর আগেই জানা যায়, লতিফ সিদ্দিকী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। এ লক্ষে তিনি ২৫ নভেম্বর রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেবেন। পূর্বঘোষিত নিধারিত তারিখে আজ রোববার তিনি আনুষ্ঠানিতভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। সে লক্ষ্যে লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী-সমর্থকরা মোট ভোটারের এক শতাংশ স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন।

টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে নৌকার টিকেট পেলেন যারা

আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করে তাদের হাতে মনোনয়নের চিঠি বিতরণ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। প্রাথমিকভাবে ২৩০টি আসনের প্রার্থীর নাম জানা গেছে। বাকিগুলোর কিছু আসন শরিকদের জন্য রাখা হয়েছে, কিছু আসনে মনোনয়ন এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
রবিবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই চিঠি বিতরণ শুরু হয়। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের চিঠি বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন। আগামীকাল সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হবে।
 
এর মধ্যে টাঙ্গাইলের আটটি আসনের টিকেট পেয়েছেন পুরাতন এমপি ও নতুন কিছু মুখ তারা হলেন-
আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১)                            , তানভীর হাসান ছোট মনির (টাঙ্গাইল-২)
আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩),                     হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪),
ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫),                          আহসানুল ইসলাম টিটৃু (টাঙ্গাইল-৬),
একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭),                           মো. জোয়াহেরুল ইসলামা (টাঙ্গাইল-৮)

ঘাটাইলে ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুর রশিদ মিয়া

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন সাবেক মেয়র মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ মিয়া।

জানা যায়, ঘাটাইল পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মেয়র মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ মিয়া গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেও তাকে বিএনপির মনোনয়ন না দেয়া হলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। কিন্তু নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ভোটাররা ভোট দান থেকে বঞ্চিত হলে তিনি সহ অন্যান্য প্রার্থীরা সে সময় নির্বাচন বয়কট করেন। এখন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি নৌকা প্রতীকের আতাউর রহমানের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সে ক্ষেত্রে বাদ পরতে পারেন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক মন্ত্রী ও বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ, মাইনুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা।

এদিকে আব্দুর রশিদ মিয়ার কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন প্রত্যাশার সংবাদে ঘাটাইলে সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংবাদটি ঘাটাইলে আলোচনা ও বিশ্লেষণের বিশেষ খোঁড়াক দিচ্ছে।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঘাটাইলে এমপি আমানুর রহমানের বাবা আতাউর রহমানকে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করলে ঘাটাইলের রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন প্রাপ্তি যোগ করেছে। এখন আবার রশিদ মিয়ার আলোচনা আসাতে সেসবকে যেন আরও বহুগুণে উস্কে দিয়েছে।

জানা গেছে, আব্দুর রশিদ মিয়া ইতোমধ্যে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিয়েছেন। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকি বীরউত্তমের গ্রিনসিগন্যাল বা নিশ্চয়তা পেয়েই তিনি আবেদন করেন।



এ বিষয়ে আব্দুর রশিদ মিয়া জানান, আমি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করেছি। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী দেশ ও ঘাটাইলের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, সার্বিক বিবেচনায় আমাকে তিনি নিশ্চয়তা দিয়েছেন। তিনি ঐক্যফ্রন্ট এবং বিএনপির উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দর সাথে আলোচনা করবেন। আলোচনা সাপেক্ষে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাবে ঐক্যফ্রন্ট। তবে ঐক্যফ্রন্টে নেতৃবৃন্দর সাথে আলোচনা শেষ না হলে মনোনয়ন প্রাপ্তি বিষয়ে অগ্রিম কোন কিছু এখনও বলা যাচ্ছে না, চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, ঘাটাইলের গত কয়েক দশকের রাজনীতিতে ঘাটাইলের স্থানীয় বা পৌরসভার কোন মানুষ সংসদ সদস্য হয়ে সংসদে যেতে পারেনি। সে ক্ষেত্রে আমার প্রতি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ এবং দলমত নির্বিশেষে একটি বিশেষ ভালোবাসা রয়েছে। আমাকে ঐক্যফ্রন্ট ধানেরশীষ প্রতীক দিলে আমি সকল জনগণের সমর্থনে বিজয়ী হয়ে ঘাটাইল তথা দেশের জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করতে সক্ষম হবো।

এ বিষয়ে স্থানীয় জাহিদ হাসান বলেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়নে আতাউর রহমান একটি চমক হিসেবে ঘাটাইলবাসীর নিকট আবির্ভূত হয়েছেন। কারন তার মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়ে কেউ কিঞ্চিৎ পরিমাণে ধারণা বা অনুমান করতে পারেননি, এমনকি তিনি আলোচনাতে কখনও ছিলেন না। এখন রশিদ মিয়া যদি ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে আসেন তাহলে লড়াইটা বেশ জমজমাট হবে। - তথ্যসূত্র : ঘাটাইল ডটকম।

আতাউর রহমানের পক্ষে মনোয়ন কিনলেন ঘাটাইল আ‘লীগের নেতাকর্মীরা

 টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমান খানের পক্ষে মনোয়ন কিনলেন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতারা।

রোববার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ মনোনয়ন কেনা হয়।

এর আগে ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সহকারী রিটার্নিং কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেন, সাবেক পৌরমেয়র হাসান আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কানিজ ফাতেমা, সিদ্দিকুর রহমান খান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান, রানা এমপির পিএস আসিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহাবায়ক মোতালেব হোসেন, রফিকুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ সুজন তালুকদার, ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কফিলুর রহমান ভুটান প্রমুখ।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন যোগ্য এবং সৎ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা সকলে মিলে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে জয়যুক্ত করবো।

এছাড়া আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন প্রত্যাশী লুৎফর রহমান খান আজাদ, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী আব্দুর রশিদ মিয়া, ইসলামী আন্দোলনের রেজাউল করিম মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেনে। - নিউজ৭১অনলাইন।

টাঙ্গাইলে এইচএসসি পাস করেও তিনি এমবিবিএস ডাক্তার!

পড়াশোনার দৌড় এইচএসসি পর্যন্ত! অথচ তিনি বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তার। পাস করেছেন টাঙ্গাইলের বাঘিল উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও এমএম আলী কলেজ থেকে এইচএসসি। এত দিন তিনি টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়স্থ ক্যাপিটাল হসপিটালে রোগীদের সেবা দিয়ে এসেছেন।

শনিবার সন্ধ্যার দিকে টাঙ্গাইলে ইউসুফ আলী নামের এই ভুয়া ডাক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়স্থ ক্যাপিটাল হসপিটাল থেকে তাকে আটক করা হয়।

শনিবার রাত ১১টার দিকে টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সায়েদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ওসি  বলেন, শনিবার সন্ধ্যার দিকে পুলিশ খবর পেয়ে ইউসুফ আলী নামের এক ভুয়া ডাক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তিনি আমাদের কাছে স্বীকার করেন, তিনি কোনো এমবিবিএস ডাক্তার না। তিনি টাঙ্গাইলের বাঘিল উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও এম এম আলী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।

এ ছাড়া তার আর কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন। ক্যাপিটাল হসপিটালের যে পরিচালক ও ব্যবস্থাপক তারা বিষয়টি জানেন এবং তাকে ব্যবহার করে লাভবান হন।

তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

নৌকার তরুণ তুর্কি যারা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর মনোনীতদের চিঠি দেওয়া শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া শুরু করেছে দলটি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চিঠি বিতরণ করছেন।


এবার আওয়ামী লীগ থেকে বেশ কয়েকজন তরুণ এবার দলীয় মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন- জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল (ময়মিনসিংহ-১০), মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা (নড়াইল-২), মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩)।

প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৮ নভেম্বর; কার্যত তার আগেই জোট-মহাজোটগুলোর আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করতে হবে।

‘চুপিসারে’ মনোনীতদের হাতে নৌকার চিঠি তুলে দিচ্ছে আওয়ামী লীগ

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই অনেকটা চুপিসারে রোববার সকাল থেকেই মনোনয়ন ফরম মনোনীত প্রার্থীদের হাতে তুলে দিতে শুরু করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহের জন্য আগ থেকেই কেন্দ্র থেকে নির্দশনা ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকাল ১০টার আগে থেকেই ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ভীড় করে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।


তবে, মনোনীতদের চিঠি দেওয়ার বিষয়টি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মিডিয়াকে জানানো হয়নি।

এখন পর্যন্ত ডাক পাওয়ারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষা করছেন৷ পর্যায়ক্রমে একে একে ভেতরে ডেকে নেওয়া হচ্ছে। তবে সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে কিছুক্ষণে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করার সম্ভবনা রয়েছে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে তিনি সচিবালয় যান। সেখান থেকো এখন ধানমন্ডি ৩/এ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে অবস্থান করছেন। তবে সচিবালয়ের পাশেই কেন্দ্রীয় কার্যালয় হলেও তিনি মনোনয়ন ফরম বিরতণে অংশ নেননি। চিঠি দিয়েই কেন্দ্রীয় কার্যালয় ত্যাগ করেন তিনি।

৯ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা নেওয়া শুরু করে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত চলে। এই চারদিন দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে বাসে ভরে বাদ্যযন্ত্র সহযোগে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে হাজির ছিলো বিপুল সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪ হাজার ২৩টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে। যা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিক্রি হওয়া পরিসংখ্যানে প্রায় ১৪০০’র মতো বেশি।

ইতোমধ্যে দলীয় মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন: শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুর-৬), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), আসাদুজ্জামান খাঁন (ঢাকা-১২), সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক (ঢাকা-১৪), নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল (ময়মিনসিংহ-১০), শেখ জুয়েল (খুলনা-২), মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা (নড়াইল-২), মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), ড. আব্দুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), এনামুল হক (রাজশাহী-৪)।

ঘাটাইলে আ’লীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেল আতাউর রহমান খান


একাদশ জাতীয় সংষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেলেন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার বাবা আলহাজ আতাউর রহমান খান। তিনি মহাজোটেরও প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করবেন।

রোববার সকালে তিনি মনোনয়নে চিঠি হাতে পান বলে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি মহান আল্লাহতালার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি এবং দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আগামী নির্বাচনে এই আসনে বিপুল ভোটে নৌকার জয়ের মধ্যে দিয়েই সরকারের উন্নয়ণ ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো

আতাউর রহমান খান অবসরপ্রাপ্ত একজন ব্যাংকার। তাঁর বড় ভাই প্রয়াত এডভোকেট শামসুর রহমান খান শাহজাহান এ আসন থেকে তিনবার এমপি নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদকও ছিলেন।

আলহাজ আতাউর রহমান খানের ছেলে আমানুর রহমান খান রানা ২০১২ সালে উপ নির্বাচনে এমপি এবং ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় এমপি হন। বর্তমানে তিনি টাঙ্গাইলের আলোচিত আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামী হয়ে কাশিমপুর কারাগারে অন্তরীন রয়েছেন।