বুধবার, আগস্ট ০৮, ২০১৮

দেশের প্রতিটি ঘরে জ্বলবে বিদ্যুতের আলো

রূপকল্প- ২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে এগোচ্ছে দেশ। রূপকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য দেশের প্রতিটি কোণে চলে যাচ্ছে নাগরিক সেবা। ২০০৯ উৎপাদিত বিদ্যুতের  পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ২৬৮ মেগাওয়াট। এরপর থেকেই দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ  বাড়তে থাকে। সম্প্রতি ২০১৮ সালের ১৯ মার্চ সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ১০ হাজার ৮৪ মেগাওয়াট। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিদ্যুতের চাহিদা মিটানোর জন্য প্রতি বছরই বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের  উৎপাদন। একসময় দেশের মানুষ প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় অসহনীয় লোডশেডিংয়ের যন্ত্রনা সহ্য করতে হতো। স্থবির হয়ে পড়তো জনজীবন। বন্ধ হয়ে থাকতো শিল্প-কারখানার উৎপাদন। শিল্প-কারখানার উৎপাদন আরো ত্বরান্বিত  করতে বাড়ানো হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন।

দেশের সর্বত্র বিদ্যুতের আলো  ছড়িয়ে দিতে স্থাপন করা হয়েছে নতুন নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যার মাধ্যমে আলোকিত হচ্ছে  আমাদের গ্রাম বাংলা। এক সময় সন্ধ্যা নামলেই ঘরে ঘরে জ্বলে উঠতো কুপির আলো। আজ সে সব অজপাড়া গাঁয়ে জ্বলছে বিদ্যুৎ অথবা সৌর বিদ্যুতের  আলো। দেশের প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দিতে নবনির্মিত আটটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও দু’টি গ্রিড সাবস্টেশন এবং ২১টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি। দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দিতে বদ্ধ পরিকর বর্তমান সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলো হল : ঘোড়াশালের কোড্ডায়  ৩৬৫ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র,গাজীপুর ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্, দাউদকান্দি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, ফেঞ্চুগঞ্জ ২০০ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, নোয়াপাড়া ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, মুন্সীগঞ্জের কমলাঘাটে মুন্সীগঞ্জ ৫৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিদ্ধিরগঞ্জে ৩৩৫ মেগাওয়াট সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র (গ্যাস টারবাইন) ও সিদ্ধিরগঞ্জ ২২৫ সমন্বিত বিদ্যুৎকেন্দ্র (দ্বিতীয় ইউনিট)।

নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে দেশের সব ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায় সরকার। ২০২১ সালের ভিতর প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোনো ঘর বিদ্যুতের আলো ছাড়া থাকবে না। বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হবে দেশের প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি ঘর।

নিরাপদ সড়ক আইন পাশ, কতটুকু পূরণ হল শিক্ষার্থীদের দাবি?


২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাসের রেষারেষিতে দুই শিক্ষার্থী নিহতের পর থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে জোর দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। এই দাবির প্রেক্ষিতে সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর খসড়ায় সর্বোচ্চ ৫ বছরের সাজা অনুমোদনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতিফলন হয়েছে। ইচ্ছেকৃত দুর্ঘটনায় চালক বা সংশ্লিষ্টদের যে শাস্তির দাবি শিক্ষার্থীরা করে আসছে তার সবটাই এ আইনে রয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে মৃত্যু হলে এবং তা যদি প্রমাণ হয় ৩০২ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে। সুতরাং এই আইনে তাদের ইচ্ছার পূর্ণ প্রতিফলন হয়েছে।

ড্রাইভারকে মোট ১২ পয়েন্ট দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হবে। একটা অপরাধে এক পয়েন্ট কাটা যাবে চালকের। এভাবে ১২ পয়েন্ট কাটা গেলে তাকে আর ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এ অত্যাধুনিক ব্যবস্থা আগে আমাদের দেশে ছিল না। এবার এ আইনে এটা যুক্ত করা হয়েছে। এ আইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার বিষয়ে এবং মোটরযানের রেজিষ্ট্রেশনসহ যানবাহন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোর শাস্তি ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। বর্তমানে এ অপরাধের শাস্তি চার মাসের কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড। নিবন্ধনহীন যান চালনার শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড। ফিটনেসবিহীন গাড়ির ক্ষেত্রে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। চালকদের লাইসেন্স নিতে ন্যূনতম ১৮ বছর বয়স হতে হবে। আর পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বয়স হতে হবে ২১ বছর। এছাড়া কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণী পাস না হলে কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

আইনে মটোরযান নির্মাণ, যন্ত্রপাতি বিন্যাস, ওজনসীমা নির্ধারণ এবং পরিবেশ দুষণসহ বেশকিছু ইস্যুতে এখানে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও বীমা ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা রাখা হয়েছে এ আইনে। চালক সমিতি, মালিক ও সরকারের প্রতিনিধি নিয়ে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করার নির্দেশনা রয়েছে এ আইনে। এ ট্রাস্টি বোর্ডের কাজ হবে তহবিল তৈরি করা। দুর্ঘটনা ঘটলে ইন্সুরেন্সের সমস্যা সমাধানে যে সময় লাগে সেই সময়ে উক্ত তহবিল থেকে দ্রুত সহযোগিতার ব্যবস্থা করতে পারে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ৯ দফার সব গুলো মেনে নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্ঘটনাস্থলে ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাস নির্মাণে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজকে ৫টি বাস দিয়েছেন। বাসচালক মাসুম বিল্লাহ ও তার সহকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চালককে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। নৌপরিবহনমন্ত্রী ক্ষমাও চেয়েছেন।

এই আইন পাশ হওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সর দাবি পূরণ হয়েছে বলে আশা করা যায়।

জাতীয় ঐক্যের নামে বিএনপি ভাঙতে চান ফখরুল?

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জাতীয় ঐক্যের নামে বিএনপিকে ভাঙার চেষ্টা করছে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি এখন কঠিন সময় অতিক্রম করছে। সৃষ্টির পর থেকে বিভিন্ন সময় নানা বাধা আসলেও দলটি বর্তমান পরিস্থিতির মতো এত সংকটের মধ্যে আর কখনও পড়েনি। প্রায় ১২ বছরের কাছাকাছি ক্ষমতার বাইরে থাকার ফলে বিভিন্ন দল ও নানা মতামতের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের একত্রে রাখা এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফেরারী আসামি তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে বিএপির মধ্যে ভাঙনের কানাঘুষা শুরু হয়। দলের সিনিয়র নেতারা বিকল্প চিন্তা ভাবনা করতে বাধ্য হচ্ছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের বিএনপির বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি কোনো আস্থা নেই। কারণ এরা নিজেদের গা বাঁচিয়ে শুধু মিডিয়ায় দলের প্রচার করে চলছেন। তাই বর্তমান বয়স্ক নেতাদের সরিয়ে দিয়ে তরুণদের হাতে বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারেক রহমান। অতীতে বিএনপির ডাকা আন্দোলনগুলোতে সিনিয়ার নেতাদের ভূমিকায় তারেক রহমান সন্তুষ্ট নন। অনেকের সাথে সরকারের আঁতাত রয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমানের এমন সিদ্ধান্তই বিএনপি ভাঙনের জন্য যথেষ্ট।
এমতাবস্থায় দলের অনেক নেতাই কেটে পড়েছেন। বাকিরাও কেটে পড়ার চিন্তা ভাবনা করছেন। আবার অনেকে দলকে ভাঙার চিন্তাও করছে। সিনিয়র নেতাদের সিন্ধান্তের সাথে তারেকের সিন্ধান্তের অমিল ও সিনিয়র নেতাদের মূল্যায়ন না করার কারণে দল ভাঙছে বলে মনে করেন সিনিয়র নেতারা।
সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়নের প্রতিবাদে সংহতি সমাবেশ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আমাদের জাতীয় ঐক্যের পথ খুলে দিয়েছে।
আন্দোলনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে জাতীয় ঐক্যের নামে নতুন ঐক্যের আভাস ফুটে উঠেছে তার বক্তব্যে। তারেকের বক্তব্যে বয়স্ক নেতাদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে ফখরুল জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।
তাহলে কি জাতীয় ঐক্যের নামে বিএনপি ভাঙতে চান ফখরুল?

শিক্ষার্থীদের সাথে ভুয়া স্কুল ড্রেস পরিহিত এরা কারা?

গত ২৯ জুলাই শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার জের ধরে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে সরকারের বাস্তবায়নের জন্য ৯ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়। যা বাস্তবসম্মত ও যৌক্তিক বলে অভিমত দিয়েছেন।
কুর্মিটোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর প্রতিবাদে সারা দেশে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের মাধ্যমে যে দাবি জানিয়েছে তা ইতোমধ্যে পূরণ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সকল দাবি মেনে নেয়াতে সরকারকে অভিবাদন জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইতোমধ্যে ক্লাসে ফিরেছে শিক্ষার্থীরা।
অন্যদিকে এই আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে স্কুলের পোশাক পরে ঢুকে পড়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা।
এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্কুল ড্রেস বিক্রি বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি টেইলার্সের দোকান থেকে এক দিনেই সাড়ে ৪ হাজার পোশাক বানানো হয়েছে (স্কুল ড্রেস) বলে জানা যায়। একাধিক ভিডিওতে, রাস্তার পাশে ড্রেস পরিবর্তন করতে দেখা যায় কয়েকজন যুবককে। তারা সাধারণ ড্রেস পরিবর্তন করে স্কুল ড্রেস পরে আন্দোলনকারীদের সাথে মিশে যায়। তাদের ব্যাগে ধারালো অস্ত্র থাকার প্রমাণও পাওয়া গেছে। আবার ট্রাকে করে এই ছেলেদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে। মূলত এরাই ছাত্রদের সাথে মিশে গিয়ে নাশকতা করছে।
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে পুঁজি করে এবং এটিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। এদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। এদের কর্মকান্ড কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অংশ হতে পারে না। এদের উদ্দেশ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলা।

ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে সব নাগরিকের কাছে স্মার্টকার্ড পৌঁছে দেয়া হবে: সিইসি

দেশের ২৭ জেলার একটি করে উপজেলায় উন্নত জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার কমিশন সচিবালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রমের ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় আংশিকভাবে স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু হলো।

এদিকে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেন, স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র একটি অত্যন্ত প্রযুক্তি নির্ভর দলিল। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত দলিল বলা যেতে পারে। আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারির মধ্যে সকল নাগরিকের কাছে এটি পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করব।



তিনি বলেন, আমরা আশা করি যে উদ্দেশ্যে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে এবং বিতরণ করা হলো তার যথাযথ মূল্যায়ন হবে।


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৮ জেলার স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। সিইসি কে এম নুরুল হুদা ভোলা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার ময়মনসিংহ, মো. রফিকুল ইসলাম চাঁদপুর, কবিতা খানম নওগাঁ ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী যশোরের কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করেন।

এছাড়া ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ মুন্সিগঞ্জ, অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান মৌলভীবাজার ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম মাদারীপুরের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এই আট জেলার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সিং সিষ্টেম ব্যবহার করা হয়। এই আটটি জেলায় উদ্বোধনকালে সংশ্লিষ্ট জেলার এমপি, ডিসি, এসপি ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনেন।

বৃহস্পতিবার ২৭টি জেলার ২৬টি সদর উপজেলার স্মার্টকার্ড বিতরণ উদ্বোধন করা হয়। জেলাগুলোর মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, টাঙাইল, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষীপুর, চাঁদপুর, ফেনী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, যশোর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, ভোলা ও মৌলভীবাজার। একমাত্র ফরিদপুরের সদর উপজেলা ব্যতিত অন্য উপজেলা ভাঙ্গার স্মার্টকার্ড বিতরণ উদ্বোধন করা হয়।

ঘাটাইলে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনা সভা

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু পরিষদ লীগ টাংগাইল জেলা শাখার উদ্দোগে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনা সভা করেছে । বুধবার সকালে ঘাটাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু পরিসদ লীগ টাংগাইল জেলা শাখার সভাপতি এবং জি,বি,জি কলেজের ভিপি আবু সাইদ রুবেল,সাধাারন সম্পাদক ইকবাল,সহ-সভাপতি গনি মিয়া,সহ-সাধারন সম্পাদক রুবেল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফসান সাইফ সন্ধি প্রমুখ।