শনিবার, জুন ২২, ২০১৯

ছয় মাসেও গ্রেফতার হয়নি মূল হোতা

ঘাটাইলে চাঞ্চল্যকর কিশোর অটোবাইক চালক শাকিল খান হত্যার মূল হোতা হারুনকে ৬ মাসেও গ্রেফতার করতে পারেনি ঘাটাইল থানা পুলিশ। সে উপজেলার পাড়াকুশারিয়া গ্রামের করিম মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, কিশোর শাকিল অটোবাইক নিয়ে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর নিজ বাড়ি কামার চালা থেকে বের হয়।

ঘটনার এক মাস পর সন্দিগ্ধ আসামি গৌরিস্বর গ্রামের দৌলত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে ভিকটিম শাকিলের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে মোবাইলের সূত্র ধরে একে একে গ্রেফতার করা হয় নলমা গ্রামের মজিদের ছেলে আমির আলী, পাড়াকুশারিয়া গ্রামের আ. ছালামের ছেলে শাহআলম ও সিরাজ খানের ছেলে শফিক খান। স্থানীয় অটোবাইক ও সিএনজি চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহআলমসহ ৫ যুবক সুপরিকল্পিতভাবে অটোবাইকসহ শাকিলকে অপহরণ করে মধুপুর শালগড়ের ভেতর নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঘাটাইল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আপেল মিয়া জানান, ঘটনার মূল আসামি হারুনকে ধরার চেষ্টা চলছে।

ঘাটাইলে মালামাল লুট আসামিরা প্রকাশ্যে

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি বাজারের জালালপুর এলাকায় প্রকাশ্যে একতা ফুড প্রোডাক্টের ৫টি গুদাম ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট হওয়ার ঘটনায় মামলার চার মাস পেরিয়ে গেলেও ১০ আসামির কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

আসামি ধরার নামে বাদীর কাছ থেকে নানা অজুহাতে কয়েক দফায় টাকা নিলেও কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। উল্টো ওই কর্মকর্তা বাদীকে আসামির খবর দিলে ধরে দেয়ার কথা বলে নানা টালবাহানা করছেন। ২৭ এপ্রিল নিরুপায় হয়ে মামলার বাদী একতা ফুড প্রোডাক্টের মালিক ইউসুফ আলীর ছেলে হায়দার আলী আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও মামলার অগ্রগতি চেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। পরে ঘাটাইলের সাগরদীঘি ফাঁড়ির মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফজলুল হককে মামলার অগ্রগতির নির্দেশনা দেন পুলিশ সুপার। তাতেও কিছু হয়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফজলুল হক বলেন, গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। বাদীকে আসামির খোঁজ পেলে আমাকে জানাতে বলেছি। মামলার বাদী হায়দার আলী বলেন, মামলার চার মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত একজন আসামিকেও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। উল্টো তদন্তকারী কর্মকর্তা নানা টালবাহানা করছেন। এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ওসি মাকছুদুল আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।