বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৩০, ২০১৮

ঘাটাইলের মাদক ব‌্যবসায়ী ইয়াবাসহ মধুপুরে গ্রেফতার

মধুপুর নিউজ ডেস্ক:  গতকাল বুধবার (২৯ আগস্ট)  টাঙ্গাইলের মধুপুর নয়াপাড়া এলাকায় বিসমিল্লাহ্ মটরসের সামনে ইয়াবা ট‌্যাবলেট বিক্রির সময় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মধুপুর থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, টাঙ্গাইরের ঘাটাইল  ‍উপজেলার উত্তর খিলগাতী গ্রামের আঃ বাছেদ এর ছেলে  মোঃ মনির হোসেন (২০), অপরজন হলেন একউ গ্রামের আঃ হামিদ এর ছেলে  মোঃ রাব্বি (২০)।

এসময় তাদের নিকট হইতে ১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ৩,০০০/- টাকা সহ গ্রেফতার করা হয়। আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করিয়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ক্রিকেটাররা একাধিক বিয়ে করলে আমাদের কিছু করার নেই: পাপন

সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্রিকেটারের আচরণে নষ্ট হয়েছে দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি। কয়েকজন ক্রিকেটারের বিরুদ্দে শৃঙ্খলা ভঙের অভিযোগ উঠেছে।


সম্প্রতি স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। এই ঘটনার দিন কয়েক পর ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইন ৩ ও ৪ ধারায় অভিযোগ করেন মোসাদ্দেকের স্ত্রী সামিয়া শারমিন।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনেক বিষয় আছে। সে বিষয়ে বিসিবির বলার কিছু নেই। কোনো ক্রিকেটার যদি তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দেয় অথবা একাধিক বিয়ে করে তাহলে আমারদের কিছু করার নেই।

তবে ক্রিকেটাররা যেহেতু দেশের আইডল সেহেতু তাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। এমনটি জানিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, ক্রিকেটাররা যেহেতু দেশের মানুষের কাছে আইডল। তাদের অনেকে অনুসরণ করে, তাই তাদের আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। সে জন্য বিসিবি চেষ্টা করে তাদের ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে।

শারীরিক সম্পর্কে আনন্দ ও আকর্ষণ বৃদ্ধি করবেন যেভাবে

দাম্পত্যের রসায়ন ঠিকমত জমাতে হলে, যৌনতার বিকল্প কিছু নেই। যৌন জীবনের এই সফলতার উপর অনেকাংশে নির্ভর করছে আপনার বিবাহিত জীবনের অগ্রযাত্রা। আর এজন্য আপনার কিছু কৌশল ও পরিকল্পনা প্রয়োজন অবশ্যই। যৌনতার আনন্দ ও আকর্ষণ বৃদ্ধিতে, গবেষকদের পর্যালোচনার আলোকে চলুন জেনে নেয়া যাক প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো।

১. গড়ে তুলুন রোম্যান্টিক আবহ: প্রত্যাশিত আনন্দ পেতে হলে, আপনাকে পরিকল্পিত উপায়ে অগ্রসর হতে হবে। নিজের বেডরুমটিকে দুজন মিলে সাজিয়ে তুলুন। হালকা আলোয় চমৎকার একটি রোম্যান্টিক আবহ গড়ে তুলুন। সাজানো-গোছানো পরিবেশে দুজনেরই মনস্তাত্ত্বিক যোগাযোগ আরো নিবিড় হয়ে উঠবে। এজন্য উত্তেজক সাজগোজ এবং পোশাক-পরিচ্ছদেও গুরুত্ব দিতে হবে দুজনকে। চাইলে এয়ার ফ্রেশনার দিয়ে সুগন্ধও ছড়িয়ে দিতে পারেন চারপাশে।

২. মেতে উঠুন গল্প আর খুনসুটিতে: যৌনতা মানেই ঝাঁপিয়ে পড়া নয়। পারস্পরিক বোঝাপড়ার বিষয়টিকে মজবুত করতে তাই কিছুক্ষণ গল্প করুন সঙ্গীর সাথে। মেতে উঠুন আড্ডা আর খুনসুটিতে। এতে করে দুজনেরই ভাললাগা ও অনুভূতিগুলো আরো ঘনীভূত হয়ে উঠবে।

৩. শেয়ার করুন আপনার যৌন ফ্যান্টাসিগুলো: মনে মনে আপনি হয়তো যৌবনকে উপভোগ করার নানান চিন্তা ও পরিকল্পনা সাজিয়েছেন। সঙ্গীর সাথে সেগুলো শেয়ার করতে ভুলবেননা। এতে করে আপনার চাহিদা সম্পর্কে তার ভেতরে ধারনা তৈরী হবে। ঠিক একইভাবে সঙ্গীর চাহিদাগুলোও মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করুন। শুধু নিজেকে নয়; তাকেও আনন্দ দেয়ার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই।

৪. বৈচিত্র্য আনুন আসনে: একঘেয়ে-ক্লান্তিকর পদ্ধতি পরিত্যাগ করুন। মনে রাখবেন, যতো বেশি বৈচিত্র্য ও পরিবর্তন আনতে পারবেন; ততোই উপভোগ্য হবে আপনাদের যৌনসম্পর্ক। বিভিন্ন প্রকার মৈথুন ও আসন সম্পর্কে ধারনা নিলে উপকৃত হবেন যথেষ্ট। এক্ষেত্রে বইপত্র বা ইন্টারনেট থেকেও সহায়তা নিতে পারেন। তবে পর্নগ্রাফিকে অবশ্যই না বলবেন। কারণ উত্তেজিত হওয়ার জন্য পর্ন নির্ভরতা খুবই নেতিবাচক; যা আপনার দাম্পত্য সম্পর্ককে অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্থ করবে।

৫. মনোযোগী হোন সঙ্গীর প্রতি: স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে না বুঝলে বিরাট সমস্যা। তাই সঙ্গীর মনের ভাব ও ভাষা বোঝার দিকে মনোযোগী হতে হবে আপনাকে। তার ইচ্ছে-প্রত্যাশা-কামনা সবকিছুর প্রতি মনোনিবেশ করুন। এতে করে আপনার সঙ্গীও আপনার প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধা অনুভব করবে মন থেকে। মনে রাখবেন, শারীরীক আকর্ষণই সবকিছু নয়। একটা সম্পর্কের ভিত্তি গঠনে মানসিক ঐক্য থাকা অপরিহার্য।

৬. সম্ভব হলে ঘুরে আসুন কোথাও থেকে: দর্শণীয় ও প্রাকৃতিক সুন্দর জায়গাগুলো থেকে ঘুরে আসুন সম্ভব হলে। এতে দুজনের আনন্দ ও ভালোলাগাগুলো বৃদ্ধি পাবে বহুগুণ। পাহাড়-নদী-সমুদ্রের সান্নিধ্যে আপনার যৌনতার ফ্যান্টাসিগুলোও উপভোগ্য হয়ে উঠবে দারুনভাবে। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

ঔষধ উৎপাদন ও রফতানিতে শীর্ষ অবস্থান বাংলাদেশের

বর্তমানে দেশে উদীয়মান শিল্প ঔষধ। দেশে পোশাক শিল্পের পরই এই ঔষধ শিল্পের অবস্থান। পঞ্চাশের দশকের শুরু থেকে দেশে এই ঔষধ শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। যদিও তখন মোট চাহিদার ২০ভাগ পূরণ করতে সক্ষম ছিল নতুন বাংলাদেশ। দেশের মানুষের জন্য ৮০ ভাগ ঔষধের চাহিদা নির্ভর করতে হতো বৈদেশিক আমদানির ওপর। সেই দেশ আজ দেশের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও অত্যন্ত সুনামের সাথে ঔষধ করছে ঔষধ।

ঔষধ রফতানিকারক ৪৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে বর্তমানে শীর্ষ স্থানে। ঔষধ উৎপাদনের জন্য বর্তমানে দেশে কাজ করে যাচ্ছে দুই শতাধিক ঔষধ উৎপাদনকারী কোম্পানি। এসব কোম্পানিতে প্রতি বছর ২৪ হাজার ব্র্যান্ডের ঔষধ উৎপাদিত হয়ে থাকে। এই ঔষধ উৎপাদনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে দুই লক্ষাধিক কর্মী। বর্তমানে ১৬০টি দেশে বাংলাদেশের তৈরী ঔষধ রফতানি করা হচ্ছে। ঔষধ রফতানি কয়েকদিন পর দেশের পোশাক রফতানি খাতকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন এ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মীগণ। বিগত পাঁচ বছরে এখাতে রফতানি বেড়েছে দ্বিগুণ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী জানা যায়, দেশের উৎপাদিত ঔষধ সব থেকে বেশি রফতানি হচ্ছে মিয়ানমারে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শ্রীলংকা। দেশে বিপুল পরিমাণ ঔষধ উৎপাদন করা হলেও ঔষধ তৈরির কাঁচামাল এখনো আমদানি করতে হয়। এর ফলে খরচ কিছুটা বেশি হয়। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক এ বিষয়ে জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের মাটিতেই কাঁচামাল তৈরী করা সম্ভব। এর ফলে ঔষধ উৎপাদনের খরচও কমবে। খরচ কমার ফলে ঔষধ উৎপাদন আরও বেশি বেড়ে যাবে। উৎপাদন বেড়ে যাওয়ার ফলে বর্তমানের তুলনায় আরো বেশি ঔষধ রফতানি করতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। বর্তমানে ঔষধ রফতানিতে দেশের শীর্ষ কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।

বাংলাদেশ পুরো বিশ্বকে কম মূল্যে প্যারাসিটামল তৈরী করে চমক লাগিয়ে দিয়েছে। শুধু তাই নয় হৃদরোগের জন্য অনেক দুর্লভ ঔষধ তৈরী করে তা বিদেশেও রফতানি করছে দেশ। একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ঔষধ শিল্প যুগান্তকারী অবদান রাখছে। পোশাক শিল্পের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলছে দেশের ঔষধ শিল্প। বর্তমান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এই ঔষধ শিল্প এগিয়ে যাবে বহুদূর- এই আশা সংশ্লিষ্ট সকলের।

গ্রাহকদের এসএমএস পাঠাতে হবে বাংলায়

দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে এখন থেকে বাংলা ভাষায় গ্রাহককে এসএমএস পাঠাতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।

বুধবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ সিদ্ধান্ত নিযেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, বিটিআরসির এ সিদ্ধান্ত বুধবার থেকেই কার্যকর হবে। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সকল মোবাইল ফোন অপারেটরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য শিগগির আসছে নতুন প্রকল্প স্ট্যাবলিশিং ডিজিটাল কানেকটিভিটি (ইডিসি)। বুধবার আগারগাওস্থ আইসিটি টাওয়ারে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জু এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার একান্ত বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় তারা পারস্পারিক দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ করে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের ইনফো সরকার তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প, ডাটা সেন্টার প্রকল্প, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের র্মডানাইজশেন অব টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক প্রকল্পসহ চীন সরকার ও সে দেশের বিভিন্ন কোম্পানির অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পসমূহের সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।



এ সময় মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী ও দীর্ঘ পরীক্ষিত বন্ধু। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের আইসিটি, টেলিকমিনিউকেশনসহ বিভিন্ন খাতে অধিকহারে অর্থায়নসহ সহযোগিতার আহবান জানান।

মির্জাপুরে ছাত্রলীগ নেতার পাশে এমপি একাব্বরসহ আ.লীগের দুই নেতা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ক্যানসারে আক্রান্ত ছাত্রলীগ নেতা তাওহিদুজ্জামান রানার চিকিৎসা সহায়তায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় এমপি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাববর হোসেন ও হংকং শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মির্জাপুর উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ লিটন।

রানা মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও মহেড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে রানা সবার ছোট।

বৃহস্পতিবার এমপি একাব্বর হোসেনের পক্ষে তার একমাত্র ছেলে তাহরিম হোসেন সীমান্ত জানান, তার পিতা ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৫০ হাজারসহ আরও কিছু সুহৃদ মিলে রানার চিকিৎসায় দেড় লাখ টাকা সহায়তার ব্যবস্থা তিনি করবেন।

অপরদিকে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ লিটন তার ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে পঁচিশ হাজার এবং সহকর্মীদের মাধ্যমে আরও পঁচাত্তর হাজার টাকাসহ মোট এক লাখ টাকা ব্যবস্থা করে দেবেন বলেন তিনি জানান।

‘বাঁচতে চান ক্যানসার আক্রান্ত ছাত্রলীগ নেতা রানা’ শিরোনামে একটি মানবিক প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার সকালে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকাটাইমসে প্রকাশিত হলে তা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে পড়ার পর তারা এ প্রতিবেদককে ফোন করে আর্থিক সহায়তার কথা জানান।

এছাড়া রানার গ্রাম মহেড়ার বাসিন্দা আবু তাহের ১০ হাজার, রুকন উদ্দিন ১০ হাজার এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক ব্যক্তি বিকাশে পাঁচ হাজার টাকা সহায়তা পাঠিয়েছেন।

এদিকে রানা চিকিৎসা সহায়তা এমপি একাব্বর হোসেন ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাদের জন্য দোয়া করেছেন রানার মা রেখা বেগম। এছাড়া রানাকে নিয়ে মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তিনি অনলাইন নিউজপোর্টাল ঢাকাটাইমস সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন ও মির্জাপুর প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর হোসেনের জন্যও দোয়া করেছেন। 

টাঙ্গাইলের শাহজাহাল (রহ.) মেডিকেল ইনস্টিটিউশন থেকে মেডিকেল অ্যাসিস্টান্ট পাস করা তাওহিদুজ্জামান রানা গলায় ও ঘাড়ে তিন মাস আগে (ননহসকিন লিস্ফোমা) ক্যানসার ধরা পড়ে। বর্তমানে তিনি তার বাবার সঙ্গে ভারতের হায়দ্রাবাদের ‘যশোদা হাসপাতালে’ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে তাকে ক্যামু থ্যারাপি দিতে হবে। তার চিকিৎসায় ব্যয় হবে ২০ লাখ টাকা। এই বিপুল অংকের টাকা রানার পরিবারের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। রানার মা রেখা বেগম তার সন্তানের চিকিৎসায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে আবেদন জানালে তা ঢাকাটাইমসে তুলে ধরার পর প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।

টানা বসে কাজ করলে শরীরে যেসব ক্ষতি হয়

আমাদের শরীরে এক জায়গয়া বসে থাকার জন্য তৈরি হয়নি। সে সব সময় সচল থাকবে এমনই হওয়া উচিত। কিন্তু এমনটা না করে আমরা কাজের জন্য হলেও বহুক্ষণ একভাবে কম্পিউটারের সামনে বসে থাকি। ফলে শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ বিগড়ে যেতে শুরু করে। ফলে একে একে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে একাধিক মারণ রোগ। 

প্রসঙ্গত, একাধিক কেস স্ট্যাডি করে দেখা গেছে কেউ যদি দিনে মোট ১০ ঘণ্টা বসে থাকেন, তাহলে শরীরের যা ক্ষতি হয় তা ১ ঘণ্টা শরীরচর্চা করেও মেটানো যায় না। কিন্তু আজকালকার দিনে যে বেশিরভাগ মানুষকেই বসে কাজ করতে হয়। তাহলে কি তারা চাকরি ছেড়ে বাড়ি বসে থাকবেন? একদমই না। শুধু একটা কথা মাথায় রাখবেন। টানা বসে কাজ করবেন না। ২-৩ ঘন্টা কাজ করার পর কম করে ১০ মিনিট হেঁটে আসবেন। এমনটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর করতে থাকলেই দেখবেন আর কোনও সমস্যা হবে না। আর যদি এমনটা করতে না পারেন তাহলেই দেখা দেবে জটিল সব রোগ। যেমন... 

১. হার্ট: 
বসে থাকার সময় আমাদের শরীরে রক্তচলাচল খুব কমে যায়। ফলে দেহে জমে থাকা ফ্যাটের গলন কম পরিমাণে হতে থাকে। এতে ফ্যাটি অ্যাসিডের কারণে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়। প্রসঙ্গত, আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে যারা দিনে ১০ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় বসে কাজ করেন, তাদের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা, যারা ৫ ঘণ্টার কম সময় বসে থাকেন, তাদের থেকে বেশি হয়। এর থেকে একটা কথাই প্রমাণ হয়ে যায় যে, বসে থাকা মানেই হার্টের ক্ষতি কিন্তু! 

২. প্যানক্রিয়াস: 
মাত্র একদিন বেশি সময় বসে থাকলেই ইনসুলিন ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। তাহলে ভাবুন দিনের পর দিন দীর্ঘ সময় বসে কাজ করলে শরীরের কতটা ক্ষতি হয়। প্রসঙ্গত, একথা তো সকলেই জানেন যে ইনসুলিন যখন ঠিক মতো কাজ করতে পারে না, তখন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই তো বসে কাজ করলে এমন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। সম্প্রতি ডায়াবেটিলোজিয়াতে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুসারে যারা দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি সময় বসে কাজ করেন, তাদের ৯০ শতাংশেরই টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

৩. কোলোন ক্যান্সার: 
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে কোলোন, ব্রেস্ট এবং এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। আসলে বেশি সময় বসে থাকলে শরীরে ইনসুলিনের উৎপাদন বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পায় কোষেদের জন্মহারও। ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। এখানেই শেয নয়, দেহ সচল না থাকলে শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা কমে যায়। সেই কারণেও কিন্তু ক্যান্সার রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে। কারণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এই মারণ রোগকে আটকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

৪. বদ হজম: 
খাওয়ার পর পরই যদি বসে পরেন, তাহলে খাবার ঠিক মতো হজম হতে পারে না। ফলে বদ হজম এবং গ্যাস-অম্বল সহ একাধিক পেটের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। 

৫. মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়: 
বহুক্ষণ বসে কাজ করলে ব্রেন ফাংশনও ধিমে তালে হতে থাকে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কে কম পরিমাণ অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছানোর কারণে ব্রেন পাওয়ারও কমতে শুরু করে। ফলে এক সময়ে গিয়ে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি উভয়ই কমে যায়। 

৬. ঘাড়ে এবং কাঁধে যন্ত্রণা: 
কম্পিউটারে কাজ করার সময় আমরা একটু সামনের দিকে ঝুঁকে যাই। ফলে শরীরের উপরিঅংশ, বিশেষত ঘাড় এবং কাঁধ, শরীরের নিচের অংশের থেকে এগিয়ে যায়। এমন পসচারে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে সেরিব্রাল ভাটিব্রার উপর মারাত্মক চাপ পরে। ফলে ঘাড়ে এবং কাঁধে যন্ত্রণা হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। 

৭. পিঠে ব্যথা: 
বসে থাকার সময় শিরদাঁড়ার উপর মারাত্মক চাপ পরে। ফলে দীর্ঘ সময় বসে থাকলে পিঠে ব্যথা হওয়ার মতো রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে পিঠে ব্যথার কারণে যারা কষ্ট পাচ্ছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশেরই দীর্ঘ সময় বসে কাজ করার অভ্যাস রয়েছে। কী কী নিয়ম মানলে বসে কাজ করলেও কোনও রোগ হবে না? এক্ষেত্রে কতগুলি নিয়ম মেনে চললে দারুন উপকার পেতে পারেন। যেমন- 
১. কাজের ফাঁক মাঝে মধ্যেই একটু হেঁটে নিন। একভাবে ২-৩ ঘণ্টার বেশি কাজ করা চলবে না। 
২. লিফ্টের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। 
৩. প্রতিদিন কিছুটা সময় হাঁটার চেষ্টা করুন। 
৪. রিভলভিং চেয়ারের পরিবর্তে কাঠের চেয়ার ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এমনটা করলে শরীরের ক্ষতি কম হয়। 
৫. শরীরকে সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করুন।

নৌকার মনোনয়ন পাচ্ছে অরাজনৈতিক ব্যক্তিরাও

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেতে পারে বেশ কিছু অরাজনৈতিক ব্যক্তিও। এদের মধ্যে দেশের বিভিন্ন সেলিব্রেটিরাও (তারকা) রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের কিছু সিনিয়র নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে কয়েকটি সংস্থার রিপোর্ট জমা পড়েছে। রিপোর্টে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিতর্কিত এমপিদের আমলনামা এবং মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের ভালো-মন্দ দু’টায় ঠাঁই পেয়েছে। দলের কর্মকাণ্ড কিংবা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কোন এমপির কি আমলনামা সবই লেখা রয়েছে সেই রিপোর্টগুলোতে।

তবে এবার রাজনৈতিক নেতা ছাড়া বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় মানুষের তালিকা জমা পড়েছে দলের সভাপতির কাছে। তাদের মধ্যে অভিনয়শিল্পী, আইনজীবী, ক্রিকেটার, কিংবা সমাজসেবীর নামও রয়েছে। তাদের বর্তমান ও অতিতের আমলনামাও জমা পড়েছে।

আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, প্রতিটি আসনে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছে। এ মুহূর্তে প্রকাশ্যে কারো নাম ঘোষণা করা যাবে না। নাম ঘোষণা করলে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। সংঘাতও হতে পারে। নাম ঘোষণার সময় এখনো হয়নি। সময় বলে দেবে কে মনোনয়ন পাবে। যেই মনোনয়ন পাবে তার পক্ষ নিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে। যাদের ব্যক্তি ইমেজ ভালো। দলের সুনাম কুড়াবে। তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

গত (২৯ মে ) মঙ্গলবার একনেকের সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল জানিয়েছিলেন, ‘নড়াইল থেকে নির্বাচন করবে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও নির্বাচন করবে।

একাদশ জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে। এখনো খেলা চালিয়ে যাওয়া এই ক্রিকেটাররা নির্বাচন করলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা অবস্থায় নির্বাচন করার প্রথম উদাহরণ তৈরি হবে। সরাসরি রাজনীতির মাঠে না থাকলেও মাশরাফি নড়াইল এক্সপ্রেস নামের একটি সামাজিক উন্নয়নমূলক সংগঠন দিয়ে নিজ এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করছেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ বিডি২৪লাইভকে বলেন, ‘বিভিন্ন সংস্থা এবং দলের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করছেন। এ সংখ্যা এখন পর্যন্ত একশ। বাকি আসন নিয়ে কাজ শেষ পর্যায়ে।’

আরো ১০ বছর পর ইভিএম চান মাহবুব তালুকদার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় বিরোধিতা করে নোট অব ডিসেন্ট(আপত্তিপত্র) দিয়েছেন বলে জানালেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আরপিও সংশোধন নিয়ে বৈঠক শেষে সংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভোটারদের মধ্যে ইভিএম ব্যবহারে অনিহা রয়েছে। আগামী নির্বাচনে এটি সম্ভব নয়। আমি মনে করি ভোটারদের অভ্যস্ত করতে না পারলে ইভিএম সফল হবে না।

তিনি আরো বলেন, ইভিএম নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতৈক্যে পৌঁছাতে পারেনি। অল্প সময়ের মধ্যে ইভিএম প্রকল্পের বরাদ্দ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারার সক্ষমতা, বিনা টেন্ডারে কেনা ইভিএমের কারিগরি পরীক্ষায় ঘাটতি, ইভিএম ব্যবহারে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব, ইভিএম নিয়ে ভোটারদের অনভ্যস্ততা ও ইভিএম ব্যবহারে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কার কারণে ইভিএম ব্যবহারে আরপিও সংশোধনে ইসির উদ্যোগ সমর্থন করছি না।

মাহবুব তালুকদার বলেন, ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের জন্য যে প্রস্ততি থাকা দরকার তা আমাদের নেই।

তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেভাবে ইভিএম ব্যবহার হচ্ছে তাতে করে আগামী ৫ থেকে ৭ বছরে ভোটাররা এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন বলেও মনে করেন এ নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, আমি আশা করি আগামী ১০ বছর পর ইভিএম ব্যবহারে নির্বাচনে অনিবার্য হয়ে পড়বে।  

এর আগে সকাল ১১টা ইসি সচিবালয়ের সভা কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে.এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে আরপিও সংশোধন নিয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
পরে সভা শুরুর ১০ মিনিট পর বের হয়ে ইভিএমের বিপক্ষে মত দিয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ প্রদান করেন মাহবুব তালুকদার।

এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে মাইকেল জ্যাকসনের ভূত


পপসাম্রাজ্যের বাদশাহ খ্যাত মাইকেল জ্যাকসন গান, নাচ ও ফ্যাশনে ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে সফল সেলিব্রেটি।

আফ্রো-আমেরিকান পরিবারে ১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট জন্মেছিলেন তিনি। ব্যক্তিজীবনে বিতর্কিত পপসম্রাট বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে চার দশকেরও বেশি সময় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বৈশ্বিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। ১৯৮০-এর দশকে তার জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া।



কিন্তু হঠাৎই কোন এক অজ্ঞাত কারণে আচমকা মৃত্যু বরণ করেন মাইকেল জ্যাকসন। অনেকে তার মৃত্যুর জন্য দীর্ঘ মেয়াদে পেইন কিলার সেবনকে দায়ী করেছেন। কেউ কেউ আবার এটাকে হত্যাকাণ্ড বলেও দাবি করেছেন।

কিন্তু এবার বেরিয়ে এল নতুন এক তথ্য যেখানে দাবি করা হচ্ছে এখনো ঘুরে বেরাচ্ছে মাইকেলের আত্মা। যেটা রয়েছে তার বাড়ি নেভারল্যান্ড র‌্যাঞ্চে।

এ দাবি বাড়ির গৃহপরিচারিকা থেকে শুরু করে বাড়িতে আনাগোনা আছে এমন সবারই।

মাইকেলের মৃত্যুর পর বাড়িটির নিলাম নিয়ে বেঁধে যায় এক অদ্ভুত ঘটনা। মাইকেল জ্যাকসনের সম্পত্তি কিনতে আগ্রহী ব্যক্তিরা কিনতে গিয়েও ফিরে আসতে থাকে। কারণ আর কিছুই নয় ভূতের ভয়। এক মার্কিন শিল্পপতি প্রায় কিনেই ফেলেছিলেন বাড়িটি। কিন্তু এলাকার স্থানীয় মানুষদের কথা শুনে পিছিয়ে আসেন সেই শিল্পপতি।



এক মার্কিন ওয়েবসাইট জানিয়েছে, সিসি টিভি ফুটেজে নাকি মৃত্যুর পরেও মাইকেল জ্যাকসনের ছায়া দেখা গেছে। ১৯৯৮ সালে বাড়িটি কিনেছিলেন মাইকেল জ্যাকসন।

স্থানীয়রা জানায়, নেভারল্যান্ড র‌্যাঞ্চে এখনো মাইকেল জ্যাকসানের আত্মা ঘুরে বেড়ায়। মাইকেল জ্যাকসনের বাড়ির উল্টো দিকে বাস করা এক ব্যক্তি জানায়, মৃত্যুর পরেও মাইকেল এখনো ওই বাড়িতে ভূত হয়ে ঘোরে। মাঝে-মাঝেই রাতে নাকি জ্যাকসনের ঘর থেকে অদ্ভুত আওয়াজ আসে।

ঘাটাইলে গৃহবধূ মৃত্যুর পাঁচ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন


রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল : টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আলুপাকুটিয়া গ্রামে গত ২৮ মার্চ ‘ঝড়ে ছিঁড়ে পড়া’ বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে গৃহবধূ মৃত্যু ঘটনার পাঁচ মাস গতকাল কবর থেকে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা হয়েছে। বুধবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে আদালতের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলরুবা আহম্মেদ এর উপস্থিতিতে আলুপাকুটিয়া গ্রামের কবর থেকে ওই গৃহবধূ ফুলজান বেগমের (৪৫)  লাশ উত্তোলন করা হয়। মৃত্যুর এ ঘটনার পর নিহতের ছেলে সুমন বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ পত্র দায়ের করেন।

এ সময় উপজেলার দিগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন, ঘাটাইল থানার এসআই আব্দুল মান্নান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

‘ঝড়ে ছিঁড়ে পড়া’ বিদ্যুতের তারে গৃহবধুর মৃত্যুর এ ঘটনায় ঘাটাইলডটকম, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম সহ গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ফুলজান বেগমের মৃত্যুতে তার ছেলে সুমন ও মেয়ে খাদিজা আক্তার বিদ্যুৎ লাইন ত্রুটিপূর্ণ থাকায় এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন। এদিকে এ মৃত্যু ঘটনার প্রতিবাদ করায় গত ১৮ জুন (সোমবার) মেহেদী হাসান মঞ্জু (৩৪)  নামের এক ব্লগার  ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টকে পিটিয়ে আহত করে স্থানীয় কয়েকজন।

প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ ঝড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে থাকার তিন দিন পর (২৮ মার্চ) ওই তারে জড়িয়ে মারা যান উপজেলার দিগর ইউনিয়নের আলুপাকুটিয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিনের (৫০) স্ত্রী ফুলজান বেগম (৪৫)। এলাকাবাসীর অভিযোগ জানায়, “সিমেন্টের খুঁটিতে হালকাভাবে লাগিয়ে রাখা অত্যাধিক উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তার ছিড়ে পড়া এরকম একটা তারে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান ফুলজান বেগম। এই গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় নিয়ম অনুযায়ী তার ও খুঁটি না দিয়ে নিম্নমানের তার ও বাঁশের খুঁটি ব্যবহার করার ফলে অল্প বাতাসে তার ছিঁড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।”

ফুলজান বেগমের মৃত্যুর পর তার ছেলে সুমন ও মেয়ে খাদিজা আক্তার বিদ্যুৎ লাইন ত্রুটিপূর্ণ বলায় স্থানীয় মোস্তফা ও আজমত তাদেরকে মারতে উদ্যত হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তখন  মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আপানারা যা খুশি লেখেন, তাতে আমার কিছু করতে পারবেন না।”

এদিকে মেহেদির অভিযোগ, ঘটনার পরদিন মামলা করার জন্য তিনি এবং তার এক চাচাত ভাই ঘাটাইল থানায় যান। সেখানকার সেকেন্ড অফিসার এসআই ফরিদ হোসেনের কাছে গেলে তিনি বলেন, “মৃত ব্যক্তির দাফন হয়ে গেছে। এখন আর কিছু করা যাবে না। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে আপনাদের বিপদ হবে।” এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই ফরিদ হোসেন বলেন, “কেউ এ রকম অভিযোগ নিয়ে এসেছে, আর আমি ফিরিয়ে দিয়েছি তা আমার মনে পড়ছে না। এই ঘটনায় তো সংশ্লিষ্টদের ‘নেগলিজেনসি’ আছে।

এ ঘটনায় ঘাটাইলডটকম, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম সহ গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এলাকার জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

এদিকে ফুলজান বেগম মৃত্যু ঘটনার প্রতিবাদ করায় গত গত ১৮ জুন (সোমবার) মেহেদী হাসান মঞ্জু (৩৪)  নামের এক ব্লগার  ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টকে পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয় কয়েকজন। আহত মেহেদী হাসান মঞ্জুর শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটলে তাকে কালিহাতী হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেহেদী ঈদের ছুটিতে (ইদুল ফিতর) নিজ বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গেলে সোমবার দুপুরে তাদের গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি গোলাম মোস্তফা ও তার ছেলে এবং ভাই-ভাতিজাসহ আরো অনেকে তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত পরে। এ ঘটনায় ঘটনার দিন বিকেলে মেহেদীর পিতা নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

দিগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন, ময়নাতদন্তর জন্য আদালতের নির্দেশে ওই কিশোরীর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলরুবা আহম্মেদ জানান, ‘লাশ ময়না তদন্তের জন্য উত্তোলন করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে’।

সাংবাদিক সুবর্ণা হত্যার প্রতিবাদে ঘাটাইলে মানববন্ধন

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল:  আনন্দটিভি’র পাবনা জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সুবর্ণা নদীকে নৃশংস হত্যার প্রতিবাদ ও দোষিদের শাস্তির দাবিতে আনন্দ টিভি পরিবার ও ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সহযোগীতায় মানববন্ধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) ১১ টায় ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন ঘাটাইলের কর্মরত সাংবাদিকরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান শহীদ,  আতা খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম বাদল,  উত্তম কুমার আর্য্য,  এস. কে. সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা হায়দার আলী হীরা,  মিজানুুর রহমান আকন্দ, ঘাটাইল ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ সারোয়ার জাহান, আনন্দ টিভির গোপালপুর প্রতিনিধি সোহেল রানা, আনন্দ টিভির ঘাটাইল প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ডেপটি কমান্ডার শাহনেওয়াজ, ঘাটাইল মানবাধিকর কমিশনের সভাপতি মো. হুমায়ুন খান, ঘাটাইল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, প্রেসক্লাবের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন, মো. রিপন খান প্রমুখ সহ বিভিন্ন স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডায়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

এসময় বক্তারা বলেন, এসময় স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা আনন্দ টিভির প্রতিনিধি সুবর্ণা আক্তার নদীর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। বিগত দিনে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের কোন সুষ্ঠু বিচার হয়নি। সাগর-রুনিসহ সকল সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার হলে সুবর্ণা নদীকে প্রাণ হারাতে হত না। অবিলম্বে সুবর্ণা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সারাদেশে সাংবাদিকদের হত্যা ও নির্যাতনকারীদের বিচারের দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ২৮ আগষ্ট রাত সোয়া ১০টায় আনন্দ টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি সুবর্ণা আক্তার নদীকে দুর্বৃত্তরা তার নিজ বাসার সামনে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাংবাদিক নদীকে মৃত ঘোষনা করেন।

ঘাটাইলের হামিদপুর হাটের জায়গা প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল : টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার শত বছরের পুরনো হামিদপুর হাটের জায়গা অবৈধ দখলে নিয়ে দোকান করে রেখেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এ জায়গার মালিকানা ঠিক রাখার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ছোট-বড় প্রায় অর্ধশতাধিক দোকানঘর। হাটের জায়গা দখল হয়ে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার ওপর চলছে কেনাবেচা। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেছে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর।

অভিযোগে প্রকাশ, এই উপজেলার হামিদপুর সপ্তাহে সোমবার ও বৃহঃস্পতিবার হাট বসে। এ হাটে হামিদপুর, কাশতলা, কালিয়াগ্রাম, সালেংকা, নাটশালা, কদমতলি ও আশপাশের আরও ১০ গ্রামের হাজারো মানুষ সমবেত হয়। উপজেলার হামিদপুর হাটই কেনাবেচার প্রধান হাট। এছাড়া কৃষিপ্রধান ঘাটাইল উপজেলার সবচেয়ে বড় ধানের হাট এ হামিদপুর।

স্থানীয় কৃষক বছরজুড়ে টন টন ধান বেচাকেনা করেন এ হাটে। অথচ এ জনগুরুত্বপূর্ণ হাটের মূল জায়গায় কমপক্ষে অর্ধশতাধিক দোকানঘর করে দখল করে রেখেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এ কারণে হাটের মালামাল দোকান বিছিয়ে বসার জায়গা না থাকায় অনেকে বসে পড়েছেন অন্যের জায়গা এবং হাটের সঙ্গে পাকা রাস্তার ওপর।

হাটের ইজারাদার মো.স্বপন মিয়া জানান, দোকানিদের দোকান নিয়ে বসার জায়গা প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে থাকায় হাটের কেনাবেচা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। সেইসঙ্গে সরকারের রাজস্ব কমে এসেছে।

এ হাটের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করার জন্য ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা আহমেদ বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি উল্লেখ্য করেন।