রবিবার, জুলাই ০৭, ২০১৯

ঘাটাইল পৌরসভার বাজেট ঘোষনা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভার ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ৪৩ কোটি ৪ লাখ ৫২ হাজার  ৪ শত ৬৫ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। আজ (৭ জুলাই) রোববার দুপুরে পৌরসভা মিলনায়তনে নতুন কোন কর আরোপ না করে পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান এ বাজেট ঘোষনা করেন।

ঘোষিত বাজেট  উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ২৭ হাজার ৫ শত ৮৩ টাকা এবং রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৫৭ লাখ ১৬ হাজার ৭ শত ৫৭ টাকা।  মূলধন ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৮ লাখ ৮ হাজার এক শত পচিঁশ টাকা।
এ সময়  পৌর কাউন্সিলির মো. আবু হায়দার লিটন, মিসেস রওশন আরা রুবি, হেকমত আলী, কাজী জাহাঙ্গীর, মো. সাইফুল ইসলামসহ সকল কাউন্সিলর বৃন্দ,  পৌর সচিব মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হক, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, উপ-সহকারী মো. মনিরুজ্জামান তালুকদারসহ  শিক্ষক , সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

কোচিংয়ে সরাসরি, রাতে ফোনে যৌন হয়রানি করতেন শাফিন

উঠতি মডেল, সমাজসেবী এবং ইউটিউবার শাফিন আহম্মেদ। ‘সমাজসেবার’ ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে অনেকের কাছেই জনপ্রিয় তিনি। পাশাপাশি মিরপুর-১১ নম্বরে শাফিনস ইংলিশ লার্নিং ইনস্টিটিউটের মালিক ও শিক্ষক তিনি।

সম্প্রতি শেফস টেবিল নামে একটি রেস্টুরেন্টে ‘সুপের সঙ্গে ব্যাটারি’ পাওয়ার ভিডিও ভাইরাল করে আলোচিত-সমালোচিত হন তিনি। তবে সম্প্রতি যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ‘আট বছর ধরে নিজের ইনস্টিটিউটের ছাত্রী, শিক্ষিকা ও অফিস সহকারীদের যৌন হয়রানি, শারীরিক লাঞ্ছনার মতো কুকীর্তি করেছেন শাফিন, -এমনটিই বলছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়েও হুমকি পেয়েছেন এক তরুণী। শুক্রবার ঢাকার পল্লবী থানায় একটি জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করেছেন তিনি। জিডিতে তিনি (তরুণী-১) উল্লেখ করেন, আমিসহ কয়েকজন ২০১২ সাল থেকে মো. শাফিন আহম্মেদের শাফিনস ইংলিশ লার্নিং একাডেমিতে পড়তাম। সেখানে সাফিন আমাকেসহ অনেক ছাত্রীকে খারাপ প্রস্তাব দিত। আমি শাফিনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। গত ২৩ জুন তার হয়রানির প্রতিবাদ করে ফেসবুকে একটি লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং করি। সে কারণে শাফিন ও তার অফিস সহকারী ফেসবুকে বিভিন্ন ফেক আইডি দিয়ে আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও মিথ্যা মামলার হুমকি দিচ্ছে। তারা আমার বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে এ আশংকায় আমি জিডি করি।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘জিডিটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কারও যদি যৌন হয়রানির অভিযোগ থাকে তাহলে তারা থানায় এসে মামলা করতে পারেন।’

জিডিটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন পল্লবী থানার এসআই আরিফ হোসেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘জিডির তদন্ত চলছে। আমরা বাদীর সঙ্গে কথা বলবো এবং অভিযোগ তদন্ত করে দেখবো।’

ওই তরুণী ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরও কয়েকজন তরুণী শাফিনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন।
শনিবার রাতে শাফিনকে নিয়ে একটি রোস্টিং ভিডিও আপলোড করেন ইউটিউবার তাহসিন (তাহশিনেশন)। ভিডিওতে তার সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড ছাড়াও উঠে আসে যৌন হয়রানির বিষয়টি।

সেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাফিনের এক শিক্ষার্থী (তরুণী-২) বলেন, “শাফিন মেয়েদের হয়রানি করে। সে কোচিং সেন্টারের মেয়েদের শরীরে ইচ্ছাকৃতভাবে হাত দেয়। আমার এক বান্ধবীকে সে রাতে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করেছে, 'আচ্ছা তুমি কি করছ? ঘুমিয়েছ? আচ্ছা আমি যদি তোমার পাশে থাকতাম কি করতা তুমি?' রমজান মাসে এক মেয়েকে তার গাড়িতে ধর্ষণের চেষ্টাও করেছে শাফিন।”

ভিডিওতে সাক্ষাৎকারপ্রদানকারী শাফিনের কোচিং সেন্টারে কর্মরত আরেকজন (তরুণী-৩) বলেন, “একদিন কোচিং সেন্টারের এক কোণে সে আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে। আমার সংবেদনশীল জায়গায় স্পর্শ করে। আমাকে বাজে বাজে কথা বলে। আমি প্রতিবাদ করলে সে বলে, 'মজা নাও’।”
কোচিংয়ের একাধিক মেয়ের সঙ্গে সে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করতো বলে মন্তব্য করেন তিনি (তরুণী-৩)।

আরেক শিক্ষার্থী ও কোচিংয়ে কর্মরত তরুণী (তরুণী-৪) বলেন, ২০১৬ সালের দিকে আমি ও আমার কয়েকজন বান্ধবী তার সেন্টারে স্পোকেন কোর্সে ভর্তি হই। ভর্তি হওয়ার প্রথম দিকে সে মধ্যরাতে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ফোন দিত। আমি বিষয়টা স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে সে ফোনে অশ্লীল কথাবার্তা বলতে লাগলো। সে বলতো, 'তুমি কি রাতে একা ঘুমাও, লাইট কি অফ? একা ঘুমাতে ভয় লাগে না?'
পরবর্তীতে তার কথাবার্তা খারাপের দিকে যায়। এরপর আমি তাকে বলি, 'আপনি এসব কী বলছেন? এসবের মানে কী?' শাফিন স্পষ্টভাবে উত্তর দেয়, 'ফোনসেক্স'- যোগ করেন তিনি (তরুণী-৪)।

হয়রানির শিকার (তরুণী-৫) বলেন, “শাফিন আমাকে, আমার বান্ধবীদের এবং আমার এক এসএসসিপড়ুয়া বোনকে রাতে ম্যাসেঞ্জারে কল করে একই কথা বলেছে। সে বলে, 'আমাকে কাছে পেলে কী করবা? আমাকে কাছে পেলে কী হট হয়ে যাবা? তুমি কী তোমার আম্মুর সঙ্গে ঘুমাও নাকি? একা ঘুমালে আমি চলে আসবো নাকি?' আমাদের একই ব্যাচের ৬-৭টা মেয়ের সঙ্গে একই কাজ করেছে। আমি বুঝি না উনি এতো সাহস, এতো কনফিডেন্স কোথা থেকে পায়? আমি চাই না। আর কোনো আন্ডার এজ মেয়ে তার দ্বারা হয়রানির শিকার হোক,” যোগ করেন তিনি (তরুণী-৫)।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শাফিনের ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাফিনস ইংলিশ লার্নিং ইনস্টিটিউটের ০১৬১২-৫৭০৮৭০ নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলে কেউ রিসিভ করেনি। তবে সম্প্রতি ফেসবুক লাইভে শাফিন দাবি করেন, তিনি কাউকে ‘সেক্সুয়ালি হ্যারেজ (যৌন হয়রানি)’ করেনি

কোথায় এরশাদ জামানার সুবিধাভোগীরা?

অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা পুরোদস্তুর আমলা ছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বও পালন করেন।

কর্মঠ ও মেধাবী মানুষটিকে এক ডাকেই পাশে পেলেন এইচ এম এরশাদ। বানালেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। এরশাদের প্রস্তাব আশীর্বাদ হিসেবে নিয়ে দলে ভেড়েন জিয়াউর রহমান সরকারের মন্ত্রী মওদুদ আহমদও। দল ভাঙার কারিগর বলে পরিচিতি মওদুদ আহমদ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বর্তমানে। এরশাদ জামানার শেষ বেলায় উপ-রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন।



উল্লেখিত দুই ব্যক্তিই বেঁচে আছেন। রাজনীতির দ্যুতি ছড়িয়ে যাচ্ছেন অন্য দলে ভিড়ে, নতুবা নতুন দল গড়ে। অন্যদিকে, এরশাদ এখন একাকিত্বের ঘোরে। দেশ থেকে বিদেশে, বাসা থেকে হাসপাতালের বিছানায়। লাইফ সাপোর্ট, কোমায়- সবই এখন এরশাদের সঙ্গী। অথচ সুদিনের সঙ্গীরা কেউ-ই পাশে নেই। এমনকি জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণে থাকা সাবেক এ রাষ্ট্রপতিকে দেখতে পর্যন্ত আসেননি এরশাদ জামানার সু্বিধাভোগীরা।
রাজনীতির দীর্ঘপথ মাড়িয়ে নানা উপাধি মিলেছে এরশাদের। স্বৈরাচার, পল্লীবন্ধু, প্রেমিক, কবিসহ নানা তকমায় পরিচিতি তার। একাধিক নারীসঙ্গ নিয়ে নানা কথাও প্রচার আছে বাজারে।

অথচ জীবন সায়াহ্নে এসে বড়ই একা এরশাদ। স্ত্রী রওশন এরশাদের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ঘরের মধ্যেও বিরাজমান ছিল। বহুকাল আগে থেকে আলাদা আলাদা বসবাস তাদের। প্রেমিক এরশাদকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্মৃতিচারণ করে লিখছেন বিদিশা সিদ্দিক। অথচ হাসপাতালে একটিবারও দেখতে আসেননি এরশাদের সাবেক এ স্ত্রী। মুখ আড়াল করে রেখেছেন অন্যরাও। এমনকি জাতীয় পার্টির মধ্যকার বর্তমান দ্বন্দ্বের জেরে রওশনপন্থীরাও এরশাদের পাশে নেই। রওশন হাসপাতালে এসেছিলেন, ঠিক যেন পরিচিত কোনো রোগীকে দেখার মতো করে।

অথচ কতই না মধুলগ্ন কেটেছে সাবেক এ সেনা প্রশাসকের। ক্ষমতা, উপাধি, ভূষণ- সবই তাকে মহামান্বিত করেছে একসময়। রাজনৈতিক দল গঠন করেও বিশেষ আবেদন তৈরি করেছিলেন তৃণমূলে। সে আবেদন এখনও বর্তমান। বিরোধী দলে থেকেও শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রিসভায় বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োজিত হন। অথচ সবই যেন ইতিহাস হতে চলছে। এরশাদের রাজনৈতিক সতীর্থরা আজ অন্য বনে। ভাইয়ের পাশে ভাই জি এম কাদের ছাড়া আর সবাই যেন অন্তরালে।
১৯৮১ সালের ৩১ মে রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানের হত্যার পর তৎকালীন সেনাপ্রধান লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কর্তৃত্ব সামনে আসতে থাকে। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বিচারপতি আবদুস সাত্তারের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন এরশাদ এক রক্তপাতহীন ক্যু’র মাধ্যমে। ক্ষমতা নিয়েই সামরিক শাসন জারি করেন তিনি। এরপর জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়া চালাতে থাকেন। হানা দেন অন্য রাজনৈতিক দলে।



১৯৮৫ সালের প্রথম দিকে এরশাদ দুটি প্রধান বিরোধী জোটে ভাঙন ধরাতে সক্ষম হন। আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা কোরবান আলী ও বিএনপির জ্যেষ্ঠনেতা আবদুল হালিম চৌধুরীকে মন্ত্রিসভায় জায়গা দেন এরশাদ। ওই সময় ১৫ দলীয় জোটের শরিক দল মিজানুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের একাংশ, পাঁচদলীয় জোটের শরিক ইউপিপির কাজী জাফর আহমদ ও সিরাজুল হোসেন খানের গণতন্ত্রী দল জোট ছেড়ে এরশাদের সঙ্গে যোগ দেয়।

অন্যদিকে বিএনপির একটি অংশের নেতা শামসুল হুদা চৌধুরী ও ড. এম এ মতিন এবং আওয়ামী লীগের সাবেক চিফ হুইফ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন এরশাদের সঙ্গে হাত মেলান। এছাড়া বিএনপির জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মতো আরও কিছু নেতা, মুসলিম লীগের একাংশের নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী এবং দলবিহীন বিশেষ ব্যক্তিত্ব আনোয়ার হোসেন মঞ্জুও এরশাদের আশীর্বাদ পেতে হাত মেলান।

১৯৮৫ সালের শেষের দিকে এরশাদ তার জনদল, বিএনপির একাংশ, ইউপিপি, গণতান্ত্রিক পার্টি ও মুসলিম লীগের সমন্বয়ে গঠন করেন জাতীয় ফ্রন্ট। একপর্যায়ে কাজী জাফর স্বেচ্ছায় ইউপিপি ভেঙে দিয়ে এরশাদের দলে যোগ দেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি ‘সরকারি রাজনৈতিক দল’ জাতীয় পার্টির আত্মপ্রকাশ ঘটে। নবগঠিত পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হন এইচ এম এরশাদ এবং মহাসচিব হন এম এ মতিন।

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই জাতীয় পার্টির মধ্যে নানা টানাপোড়েন দেখা দেয়। তার মন্ত্রিসভার অনেকেই আওয়ামী লীগ-বিএনপিতে ভিড়তে থাকেন। সময়ের ব্যবধানে জাতীয় পার্টি চারটি দলে বিভক্ত হয়। দলটির মধ্যে এখনও টানাপোড়েন বিদ্যমান।

‘সরকারের বিরোধিতা করলেই কি দেশদ্রোহী?’

মোদি সরকার নিয়ে ফের সরব বলিউডে জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবানা আজমি। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে এক অনুষ্ঠানে শাবানা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে যেই কথা বলছে, তাকেই দেশদ্রোহী তকমা বসিয়ে দেয়া হচ্ছে। কোন দেশের সরকার নির্ভুল হতে পারেনা। তাকে সমালোচনা শোনার ক্ষমতা রাখতে হবে। কিন্তু ভারতের বর্তমান সরকার সেই সমালোচনা সহ্য করতে পারে না।’

বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী বলেছেন, ‘দেশের স্বার্থে প্রশ্ন তোলা উচিত। সেই প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য সরকার। কিন্তু মানুষের স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে। স্বাধীনভাবে কথা বলার জায়গাটা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে সুকৌশলে। যদি কেউ কেন্দ্র সরকারের ত্রুটি বা ভুল নিয়ে কথা বলে, তবে কি সে দেশদ্রোহী?


তবে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করেননি। কৌশলে নিজের বক্তব্যে বুঝিয়ে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের দিকেই তার অভিযোগের আঙ্গুল। আগেও একাধিকবার মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তাকে সরব হতে দেখা গেছে।

শাবানা আজমি আরও জানান, দেশপ্রেম দেখানোর জন্য কোনও দলের সার্টিফিকেটের দরকার নেই তার। সাধারণ মানুষের কাছে তার অনুরোধ, ভয় না পেয়ে সত্যটা সামনে আনুন। প্রয়োজনে একজোট হয়ে কথা বলুন, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। কারণ গণতন্ত্রের মৌলিক অধিকার হলো মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা।

ভারতের মত দেশের নিজেকে গর্বিত মনে করা এই বলিউড অভিনেত্রী বলেন, তিনি ভাগ্যবতী এ কারণে যে তার জন্মস্থানের নাম ভারত। কারণ এ রকম সুন্দর দেশ গোটা বিশ্বের আর কোথাও নেই। তবে রাজনৈতিক ক্ষুদ্র স্বার্থের কাছে মানবিকতা ও মানুষের প্রয়োজন হারিয়ে যাচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া পোস্টের শিকার হন শাবানা আজমি। নরেন্দ্র মোদি সরকার ফের ক্ষমতায় আসলে দেশ ছাড়বেন এমন কথা তার নামে প্রচার হয়। তবে সেটি যে ভুল পরে তা জানা যায়।

ইন্ডিয়া ট্যুডের ফ্যাক্ট চেকিংয়ে জানা যায়, শাবানা আজমিকে নিয়ে ভাইরাল হওয়া এই পোস্টটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শাবানা আজমি নিজেও সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি এমন কোনও মন্তব্য করেননি। তার নামে অপপ্রচার করা হচ্ছে। এ ছাড়া তার যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছিল সেটিও এক বছরের পুরোনো।