বুধবার, জুলাই ৩১, ২০১৯

ঘাটাইলে সাবেক মেয়র হাসান আলী ও ডাঃ আব্দুল জলিল মিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল

হেলাল, ঘাটাইল: টাংগাইলের ঘাটাইলে বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সদস্য প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মেয়র হাসান আলী মিয়া এবং ডাঃ আব্দুল জলিল মিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (৩১ জুলাই ) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এতে ঘাটাইল প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি জনাব আলহাজ্ব হাসান আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু।

এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র মোঃ শহিদুজ্জামান খান, ঘাটাইল উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জনাব আসাদুল ইসলাম, প্রবীব হিতৈষী সংঘের সাধারন সম্পাদক অধির চন্দ্রসাহা, সাবেক অধ্যক্ষ শামছুল আলম মনি, সাংবাদিক হায়দার রহমান, ডাঃ ফনিন্দ্র পাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ সাত্তার, রফিক হাসান প্রমুখ।

ঘাটাইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫

মাসুম মিয়া, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সিএনজি ষ্টেশনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। আজ বুধবার (৩১ জুলাই) ঘাটাইল পৌরসভার কলেজ মোড় চত্বরে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সংঘর্ষের ঘটনায় আহতরা হলেন, আঃ মজিদ (৩৫), রেজাউল ইসলাম (২৮) বাদল মিয়া (২৭), ইয়ার মাহমুদ (২৫) ও মোতালেব হোসেন (৩৫)। আহতদেরকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘাটাইল উপজেলা অটোরিক্সা, অটোটেম্পু ও সিএনজি স্ট্যান্ডে দুটি কমিটি গঠিত হয়। একটি কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন লিটন সরকার ও আবু সাইদ রুবেল এবং অপর কমিটির নেতৃত্বে রয়েছে রফিকুল ইসলাম ও কফিলুর রহমান ভুটান। উভয় কমিটির লোকজন আধিপত্য বিস্তার করতে চাইলে আজ মুখোমুখি এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে ঘাটাইলে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ফলে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশ ছাড়াও অতিরিক্ত পুুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মাকছুদুল আলম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার পর অতিরিক্ত পুুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

টানা ৯ দিন ছুটি পাচ্ছে না সরকারি চাকরিজীবীরা

সারা দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ায় ঈদের ছুটিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ঢাকা না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদের পক্ষ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আসন্ন ঈদুল আজহার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্তদেরও এ ছুটিতে ঢাকার বাইরে যেতে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) শেখ মুজিবুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসায় চিকিৎসক স্বল্পতার জন্য যেসব চিকিৎসক ট্রেনিংয়ে আছেন, তাদেরকে ট্রেনিং বাদ দিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও গুজব প্রতিরোধ-সংক্রান্ত একটি পর্যালোচনা সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ডেঙ্গুর প্রার্দুভাবরোধে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের আবাসস্থল ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এডিস মশার বিস্তাররোধে এ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে হবে।

ঘাটাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা উপলক্ষে র‌্যালি

গতকাল ৩০ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে ঘাটাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ মশক নিধন ও পরিচ্ছনতা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ”নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি সবাই মিলে সুস্থ থাকি” এ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে উপজেলা প্রশাসন এই র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। 

র‌্যালি ও উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ পরিষ্কার করার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম । 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. নুর নাহার বেগম, পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা সুলতানা শিল্পী। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আরিফ হোসেন, জামুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শামীম খান, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলম প্রমূখ। 

র‌্যালি ও আলোচনা সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

ঘাটাইলে ছয়জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

ঘাটাইলে কিশোর অটোবাইক চালক শাকিল হত্যা মামলায় ৬ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন ঘাটাইল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আপেল মাহমুদ। অভিযুক্ত আসামিরা হচ্ছে ঘাটাইলের পাড়া কুশারিয়া গ্রামের হারুন, শাহ আলম, শফিক খান, গৌরিশ্বর গ্রামের শফিকুল ইসলাম, নলমা গ্রামের আমির আলী ও জমির উদ্দিন। আসামিদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এরা জেলহাজতে রয়েছে। অপর মূল পরিকল্পনাকারী হারুন পলাতক রয়েছে। একাধিক আসামি স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভিকটিম শাকিলের অটোবাইকটি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও তদন্ত শেষ করতে সাড়ে সাত মাস সময় লেগেছে।

২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর অটোবাইকচালক শাকিল খান বাড়ি থেকে বের হয়ে অটোবাইকসহ নিখোঁজ হয়। ওই অটোবাইকের জন্য আসামিরা তাকে ওই রাতেই মধুপর গড়ের জঙ্গলে নিয়ে যায়। এরপর ৬ জন মিলে শাকিলকে হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখে।

ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন কণ্ঠশিল্পী সালমা

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) ছিল তার জন্মদিন। এদিনই সংবাদমাধ্যমকে আবারও বিয়ের কথা জানিয়েছেন তিনি।

শিবলীর সঙ্গে সালমার ডিভোর্স হয়েছে প্রায় তিন বছর। কিন্তু এতদিন পর কেন এ সিদ্ধান্ত? তার জবাবে তিনি বলেন, পরিবারের সবাই চায়, আমি নতুন জীবন শুরু করি। নিজেও খুব একাকীত্ব বোধ করছি। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, পড়াশোনার জন্য এ বছরেই দেশের বাইরে যাব। এর আগেই বিয়ের কাজটি সেরে ফেলতে চাই। বাসার লোকজনও সে অনুযায়ী এগোচ্ছে। খুব শিগগিরই বিয়ের খবর জানানো হবে।

এদিকে সালমার সঙ্গে বিচ্ছেদের কিছু দিন পরই নতুন জীবন শুরু করেছিলেন শিবলী সাদিক। তবে সালমা ও শিবলীর মেয়ে স্নেহা শিবলীর সঙ্গেই থাকে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় শিবলী সাদিক ও সালমার। পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে ২০১৬ সালের নভেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ হয়।

জানাযার সময় উঠে বসলো মৃতদেহ, দৃশ্য দেখে ইমামের মৃত্যু

সৌদি আরবে জানাযা নামাজ করার সময়ে নড়েচড়ে উঠে বসেন মৃতদেহ। আর তা দেখেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন মৃতব্যক্তিকে দাফনের জন্য আসা ইমাম।​

সৌদি আরবের ‘লাইফ ইন’ নামে একটি ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, হাসাপাতালে চিকিৎসার সময়ে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে জনৈক ব্যক্তিকে।

তবে সে সময়ে তার মৃত্যু হয়নি। তার শ্বাস-প্রশ্বাস ধীর গতিতে হচ্ছিল। তিনি এতটাই ধীর গতিতে শ্বাস নিচ্ছিলেন যে, চিকিৎসক শুধু মৃত বলেই ঘোষণা করেননি, ডেথ সার্টিফিকেটও দিয়েছেন।

এরপর স্বাভাবিকভাবেই ওই মৃত ব্যক্তিকে দাফনের আয়োজন করা হয়। ইমাম এসে জানাযা করার প্রস্তুতিও নিলেন। আর তখনই বাধল বিপত্তিটা। জানাযা করার সময়েই নড়েচড়ে উটে বসেন মৃতদেহ।

আর এই দৃশ্য দেখেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন ওই ইমাম। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।