মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮

ঘাটাইল সরকারী জিবিজি কলেজে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

টাঙ্গইলের ঘাটাইল উপজেলায় মঙ্গলবার সকালে সরকারী জিবিজি কলেজে শিক্ষার মান উন্নয়ন ,শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করন সন্ত্রাস ও নেশামুক্ত শিক্ষাঙ্গন নির্মানের লক্ষে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরকারী জিবিজি কলেজ আয়োজিত কলেজ হল রুমে অধ্যক্ষ শামসুল আলম মনির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল(৩) ঘাটাইল আসন থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমান খান,অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মতিউর রহমান,জুল- ফিকারই হায়দার বেলী খালিদ প্রভাষক ওয়াহিদ শরীফ, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান হেষ্টিং প্রমুখ।

ঘাটাইলে মাদক ব্যবসায়ী আটক

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩। ১০ ডিসেম্বর সন্ধায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।


গ্রেফতারকৃত ঘাটাইল থানাধীন আঠারদানা গ্রামের ওয়াজকরনীর ছেলে মিঠুন (২১)। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘাটাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোছাঃ নুর নাহার বেগম মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ এর ৯ সংযুক্ত টেবিল ৯ (ক) ধারায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মো: হাসান আরাফাত জানান, টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানাধীন আঠারদানা গ্রামস্থ মিয়াপাড়া রোডের সামনে অভিযান পরিচালনা করে ১৯ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

টাঙ্গাইলে প্রাণের পতাকা উড়েছিল ১১ ডিসেম্বর

টাঙ্গাইলের ইতিহাসে ১১ ডিসেম্বর স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জেলাটি হানাদারমুক্ত হয়। মুক্তিসেনারা জেলায় উড়ান প্রাণের লাল-সবুজের পতাকা।

মানুষ মুক্ত বাতাসে নেন স্বস্তির নিঃশ্বাস। অন্য রকম ভোরে শুরু হয় কর্মব্যস্ত দিন। দিনটি স্মরণ করে তাই টাঙ্গাইলবাসী আজও উদ্বেলিত হয়।

টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গঠিত ও পরিচালিত ‘কাদেরিয়া বাহিনী’র বীরত্বগাঁথা স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে।

১৯৭১ সালের মার্চের শুরুতেই ‘টাঙ্গাইল জেলা স্বাধীন বাংলা গণমুক্তি পরিষদ’ গঠন করা হয়। চলতে থাকে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ। ২৬ মার্চ থেকে গ্রামে-গ্রামে যুবকরা সংগঠিত হন।

৩ এপ্রিল মির্জাপুরের গোড়ান-সাটিয়াচড়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের অবরোধ ভেঙে হানাদারবাহিনী টাঙ্গাইল শহরে প্রবেশ করে। মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদ স্থানে চলে যান।

অল্প দিনের মধ্যেই সেদিনের তরুণ-যুবক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিশাল ‘কাদেরিয়া বাহিনী।’ শুরু হয় বিভিন্নস্থানে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ।

খন্দকার আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে গঠিত ‘বাতেন বাহিনী’ও অনেক জায়গায় হানাদারদের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ করে।

কাদেরিয়া এবং বাতেন বাহিনীর আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকবাহিনী। এরই মধ্যে ১০ ডিসেম্বর বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের অদূরে পৌলিতে এসে যুক্ত হন মিত্রবাহিনীর প্রায় ২ হাজার সেনা। এতে হানাদারদের মনোবল একেবারেই ভেঙে পড়ে। তারা ছুটতে থাকে ঢাকার দিকে।

১১ ডিসেম্বর ভোর থেকে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করতে থাকেন। টাঙ্গাইল শহর শত্রুমুক্ত হয়। মানুষ নেমে আসেন রাস্তায়। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহর।

টাঙ্গাইল মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা পৌরসভা মঙ্গলবার দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শান্তির কবুতর ও বেলুন উড়ানো, সূচনা সঙ্গীত ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।

শোভাযাত্রা উদ্বোধন করবেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক। বিকেলে আয়োজন করা হবে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

নতুনে ভরসা বিএনপির

মামলা ও গ্রেপ্তার–আতঙ্কে গতকাল প্রচারণা শুরুর প্রথম দিনে বিএনপির প্রার্থীরা ছিলেন অনেকটা ম্রিয়মাণ। প্রতীক পেয়েই বিক্ষিপ্তভাবে কিছু জায়গায় মিছিল ছাড়া সারা দেশে তেমন উৎসাহের সঙ্গে প্রচারণায় নামেননি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা।

গতকাল প্রচারণা শুরুর প্রথম দিনেই ঢাকা মহানগর বিএনপির (উত্তর) সহসভাপতি আবদুল আলী নকীকে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নোয়াখালীর কবিরহাট ও নাটোরের লালপুরে ধানের শীষের প্রচার-গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারিতে বিএনপির প্রার্থী ইসহাক চৌধুরীর বাড়িতে বৈঠক করার সময় পুলিশ ঘেরাও করে ১৫ জনকে আটক করেছে।



বিএনপি অনেক আগে থেকেই অভিযোগ করে আসছে, নির্বাচনে এখনো সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয়নি। ‘গায়েবি’ মামলায় গ্রেপ্তার, হয়রানিসহ নানামুখী চাপের ভেতরে তারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এ অবস্থায় ধরপাকড় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে।

বিএনপির সূত্র জানায়, সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনী প্রচার শুরু করবে। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আ স ম আবদুর রব, আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান ও আবদুল আউয়াল মিন্টু কাল সিলেটে যাবেন। তাঁরা সিলেট সদরসহ ফিরতি পথে তিনটি সভা করতে পারেন।

এদিকে ৩০০ আসনে নিজ দল ও দুই মিত্র জোটের কিছু মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ-অসন্তোষ আছে বিএনপিতে। তবে সব ছাপিয়ে আলোচনা এখন দলের নতুন প্রার্থীদের নিয়ে।

দলটির প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবার ভোটযুদ্ধে বিএনপির ভরসার বড় জায়গায় রয়েছে তৃণমূলের একঝাঁক তরুণ ও নতুন মুখ। যার সংখ্যা বিএনপির দলগত মোট প্রার্থীর এক-তৃতীয়াংশের বেশি। যদিও অনেক নতুন প্রার্থী নিয়ে দলে সমালোচনাও আছে।



বিশেষ করে ঢাকা মহানগরী, চট্টগ্রামসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের কিছু আসনে বিতর্কিত ও দুর্বল প্রার্থী দেওয়া নিয়ে কথা উঠেছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীর অন্তত চারটি আসনের প্রার্থী নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা সমালোচনার মুখে আছেন। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে অন্তত পাঁচটি আসনের (২,৪, ৬,৮ ও ১২) প্রার্থী নিয়েও বিতর্ক আছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-৮ আসনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খানকে বাদ দিয়ে তাঁর জায়গায় চট্টগ্রাম মহানগরীর নেতা আবু সুফিয়ানের মনোনয়নে দলের অনেকে বিস্মিত হয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০–দলীয় জোটের শরিকদের ৬০টি আসন ছেড়ে দিয়েছে। ২৪০ টিতে বিএনপির যে প্রার্থী তালিকা, তাতে দেখা যায়, ৮৯টি আসনের প্রার্থী একেবারেই নতুন মুখ। তাঁরা এর আগে কখনো সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হননি। এঁদের বড় অংশ অপেক্ষাকৃত তরুণ। এবার প্রয়াত এবং বিভিন্ন কারণে প্রার্থী হতে না–পারা নেতাদের কারও কারও স্ত্রী-সন্তানদেরও প্রার্থী করা হয়েছে।

বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক নেতা বলেন, দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা সব নির্বাচনেই থাকে। তবে এবার বিএনপি প্রার্থী মনোনয়নে মাঠপর্যায়ের ‘ত্যাগী’ নেতাদের ব্যাপারে উদার ছিল। যে কারণে নতুন মুখের সংখ্যা বেড়েছে। এর মধ্যে বিএনপির উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের নেতা এবং ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অনেক নেতাও আছেন। যেমন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদারকে প্রার্থী করা হয়েছে মাদারীপুর-৩ আসনে। ঢাকা মহানগর যুবদলের দক্ষিণ শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলামকে প্রার্থী করা হয়েছে খালেদা জিয়ার আসনে (ফেনী-১)। তারুণ্য এবং আন্দোলনের সময় ঢাকায় তাঁর ভূমিকাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে মনোনয়ন–প্রক্রিয়ায় জড়িত এক নেতা জানান।



আবার ঢাকায় মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস বা যশোরে সদ্য প্রয়াত তরিকুল ইসলামের ছেলে অনিন্দ্য ইসলামের মতো অন্তত ৩০ জনকে প্রার্থী করা হয়েছে, যাঁরা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের স্ত্রী-সন্তান বা আত্মীয়। একজন শেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হজরত আলীর মেয়ে সানসিলা জেবরিনকে শেরপুর-১ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। ঋণখেলাপির অভিযোগে বাবার মনোনয়ন বাতিল হলে তিনি প্রার্থী হন। পেশায় চিকিৎসক সানসিলা জেবরিন নিজেকে বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ বলে দাবি করেছেন।

ঢাকায় দুর্বল প্রার্থী
ঢাকা মহানগরীর ১৫টি আসনের মধ্যে বিএনপি নিজস্ব প্রার্থী দিয়েছে ১০ টিতে,৫টি ছেড়েছে ২০-দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের চার শরিক দলকে। এর মধ্যে তিনটি আসনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে বিতর্ক ও সমালোচনা আছে। জোটের প্রার্থীদেরও অপেক্ষাকৃত দুর্বল মনে করা হচ্ছে। ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামীম আরা বেগম, ঢাকা-১২ আসনে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুল আলম, ঢাকা-১৬ আসনে আহসান উল্লাহ হাসান। এই তিনজনের মধ্যে শামীম আরা সাবেক কমিশনার এম এ কাইয়ুমের স্ত্রী। কাইয়ুম রাজধানীর গুলশানে ইতালির নাগরিক সিজার তাবেলা হত্যা মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘদিন পলাতক, দেশের বাইরে আছেন। তাঁর স্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে কথা উঠেছে। সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আছে। আহসান উল্লাহ হাসানও অনেকগুলো মামলার আসামি, তাঁকে সচরাচর জনসমক্ষে দেখা যায় না।

এ ছাড়া ঢাকা-১৪ আসনটি জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা-১৭ আসনটি বিজেপি, ঢাকা-৬ ও ৭ গণফোরামকে দেওয়া হয়। ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থী জেএসডির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ। তিনি এর আগে কখনো নির্বাচন করেননি, প্রার্থী হিসেবেও তেমন পরিচিত নন। ঢাকা-৬ আসনে সাদেক হোসেন খোকার বিশেষ প্রভাব আছে। তাঁর ছেলে ইশরাক হোসেনকে বাদ দিয়ে গণফোরামের নেতা সুব্রত চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এটা স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা মন থেকে মানতে পারছেন না।

ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান এবং ঢাকা-১৭ আসন বিজেপির আন্দালিব রহমানকে ছেড়ে দেওয়া নিয়েও বিএনপির নেতাদের মধ্যে নানা কথা আছে। তবে এই দুজন জোটের শীর্ষ নেতা হওয়ায় এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলছেন না।



ঢাকার মনোনয়নে দুর্বলতার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘২০-দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের কারণে আমাদের আপস করতে হয়েছে। এটা তো অস্বীকার করা যাবে না।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির যে প্রার্থী মনোনয়ন, তাতে এবার নবীন, নারী প্রার্থী এবং দুর্দিনে দলের ত্যাগী নেতাদের সংখ্যা বেড়েছে। আমি তো মনে করি, এবার মনোনয়ন অনেক ভালো হয়েছে। প্রবীণদের পাশাপাশি অনেক ভালো মুখও এসেছে।’

ঘাটাইলে এমপি প্রার্থী ৭ জন, দেখেনিন কে কে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে সাত প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম তার কার্যালয়ে নির্বাচনের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন।

প্রতীক পাওয়ার পরই প্রার্থীরা নেমে পড়েছেন প্রচার-প্রচারণায়।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে সাত জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এরা হলেন—

আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতাউর রহমান খান (নৌকা), বিএনপি প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ (ধানের শীষ), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী এসএম চাঁন মিয়া (আম), বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী আবু হানিফ (ফুলের মালা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী রেজাউল করিম (হাত পাখা), জাকের পার্টির প্রার্থী খলিলুর রহমান (গোলাপ ফুল), বিএনএফ এর প্রার্থী আতাউর রহমান খান (টেলিভিশন)।

রোববার (৯ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইল-৩ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী মাইনুল ইসলাম ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী আব্দুর রশিদ মিয়া তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন।