সোমবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮

নির্বাচনে টাঙ্গাইল থেকে যারা নৌকা প্রতিকে বিজয়ী হয়েছেন

টাঙ্গাইল 8টি আসন থেকে নৌকা প্রতিকে নির্বাচিত।এরা হচ্ছেন, টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক (নৌকা) প্রতীকে দুই লাখ ৮০ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি (ধানের শীষ) সরকার সহিদ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪০৬ ভোট।

রোববার ভোট গণনার পর দুই উপজেলার দুই সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস (মধুপুর) এবং আরিফা সিদ্দিকা (ধনবাড়ী) বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেছেন।



২০০১ সাল থেকে এ আসনের এমপি আব্দুর রাজ্জাক। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হয়ে সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় তৃতীয় মেয়াদে এমপি হয়ে অর্থমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের নির্বাচনে আড়াই লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো এ আসন থেকে জয়ী হলেন।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির (নৌকা) প্রতীক নিয়ে দুই লাখ ৯৬হাজার ৪৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির ধানের শীষ সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু পেয়েছেন ১১ হাজার ১৪৯ ভোট।

ভোট গণনা শেষে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং গোপালপুল উপজেলা সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা বিকাশ বিশ্বাস রোববার রাতে এ ফলাফল ঘোষনা করেন।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতাউর রহমান খান (নৌকা) প্রতীক দুই লাখ ৪২ হাজার ৪ শত ৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি’র প্রার্থী (ধানের শীষ) লুৎফর রহমান খান আজাদ পেয়েছেন নয় হাজার ১২২  ভোট।



টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে আওয়ামী লীগের হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী (নৌকা) প্রতীক দুই লাখ ২৪ হাজার ১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ঐক্যফ্রন্ট কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রার্থী (ধানের শীষ) ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৮৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মোঃ ছানোয়ার হোসেন (নৌকা) প্রতীক এক লাখ ৬১ হাজার ৮০০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৩৫৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে আওয়ামী লীগের আহসানুল ইসলাম টিটু (নৌকা) প্রতীক দুই লাখ ৮৫ হাজার ৩০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) এডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী পেয়েছেন ৪০ হাজার ৩২৪ ভোট।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের একাব্বর হোসেন (নৌকা) প্রতীক এক লাখ ৬১ হাজার ৫১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (ধানের শীষ) প্রতীক পেয়েছেন ৮৪ হাজার ১৫৪ ভোট।



ভোট গণনা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল মালেক রোববার রাতে এ ফলাফল ঘোষনা করেন।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের নৌকা প্রতীক নিয়ে দুই লাখ সাত হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তমের মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী পেয়েছেন ৭১ হাজার ১৪৪ ভোট। রাতে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা আমিনুর রহমান এ ফলাফল ঘোষনা করেন।

বিএনপির ভরাডুবির সংবাদ জেনেছেন খালেদা জিয়া

কারাগারে বসে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল জেনেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সোমবার সকালে একটি পত্রিকার সংবাদ পড়ে তিনি নির্বাচনের ফলাফল জেনেছেন। তবে সংবাদ পড়ে তিনি তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি বলে নিশ্চিত করেছে কারাগারের একাধিক সূত্র।

কারাসূত্র  নিশ্চিত করেছেন, ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দী হিসেবে কারাগারে খালেদার জন্য একটি টিভি ও টিভিতে বিটিভি দেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু খালেদা বিটিভি দেখেন না, তাই রাতে নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে জানতেন না। সকালে পত্রিকা পড়ে তিনি ফলাফল জেনেছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী (হেসে হেসে)  বলেন, ‘উনি তো বাংলাদেশেই আছেন না কি? এ বিষয়ে আমি আর কোনো মন্তব্য করব না।’

কারাসূত্র জানায়, প্রতিদিন বই পড়ে, নামাজ পড়ে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া। একটি বাংলা পত্রিকার মাধ্যমে তিনি নির্বাচনী খবর জানতে পেরেছেন। গত ১৬ ডিসেম্বরের পর পরিবারের কেউ তার সঙ্গে দেখা করেননি।

নির্বাচনের পরদিন এ বিষয়ে আলাপ করতে কারাগারে কেউ খালেদার সঙ্গে দেখা করেননি, দেখা করার আবেদনও করেননি। এ বিষয়ে সিনিয়র জেল সুপার বলেন, ‘দুপুর ১টা পর্যন্ত এখনো কারও আবেদন আমি হাতে পাইনি।’

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজা ঘোষণার দিন থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে আছেন খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে এই সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন উচ্চ আদালত।

এছাড়াও একই সঙ্গে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাত বছরের সাজা খাটছেন তিনি। আদালতের অনুমতি নিয়ে খালেদার সঙ্গে থাকছেন তার গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম (৩৫)। কারাগারে খালেদার সঙ্গে একই সেলে থাকছেন ফাতেমা।

শেখ হাসিনাকে চীনের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং।

সোমবার ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং ঝু প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে এ শুভেচ্ছা জানান।


এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে নৌকার রেপ্লিকা তুলে দেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে দলটি ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা নতুন রেকর্ড করে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে। এতে ২৫৯টি আসন পেয়েছে আওয়ামী লীগ। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি (জাপা) পেয়েছে ২০টি আসন। বিএনপি পেয়েছে ৫টি আসন। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি পেয়েছে তিনটি আসন। জাসদ, বিকল্পধারা ও গণফোরাম পেয়েছে দুটি করে আসন।

এ ছাড়া তরিকত ফেডারেশন ও জেপি পেয়েছে একটি করে আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন তিনটি আসন।

প্রাপ্তফল ২৫৪ আসন: নৌকা ২৩৬, ধানের শীষ ৪, লাঙ্গল ১২, অন্যান্য ২

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পর শেষ পর্যায়ে গণনা। বেশিরভাগ কেন্দ্র থেকে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়ে গেছে। এরই মধ্যে ২৫৪ আসনের ফল পাওয়া গেছে। এসব আসনের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থীরা নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়েছেন ২৩৬, আসনে, ক্ষমতাসীন দলের মহাজোট ভুক্ত জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকে জয়ী হয়েছে ১২ আসনে এবং বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী হয়েছে ৪ আসনে আর একটি পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।



বিজয়ী প্রাথীর হলেন-

ঢাকা বিভাগ

গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী একাংশ) : লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

গোপালগঞ্জ-২ (সদর ও কাশিয়ানী একাংশ) : শেখ ফজলুল করিম সেলিম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া) : শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ফরিদপুর-১ (মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) : মনজুর হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালথা ও সদরপুর আংশিক) : সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ফরিদপুর-৩ (সদর) : ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

শরীয়তপুর-১ (পালং ও জাজিরা) : ইকবাল হোসেন অপু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া ও সখিপুর) : এ কে এম এনামুল হক শামীম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, গোসাইরহাট ও ভেদরগঞ্জ আংশিক) : নাহিম রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর ও সিরাজদীখান) : মাহী বি চৌধুরী (মহাজোট, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, নৌকা)

মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী) : সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া) : মৃণাল কান্তি দাস (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর ও ধনবাড়ী) : ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)



টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভুঞাপুর) : তানভীর হাসান ছোট মনির (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) : আতাউর রহমান খান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) : মো. হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) : মো. ছানোয়ার হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর ও দেলদুয়ার) : আহসানুল ইসলাম টিটু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) : একাব্বর হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর ও বাসাইল) : জোয়াহেরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) : সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া) : নূর মোহাম্মদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-৩ (তাড়াইল ও করিমগঞ্জ) : মুজিবুল হক চুন্নু (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) : রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) : আফজাল হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-৬ (কুলিয়ারচর ও ভৈরব) : নাজমুল হাসান পাপন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-১ (সদর আংশিক) : মো. নজরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদর আংশিক) : ডা. আনোয়ারুল আশ্রাফ খান দিলীপ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-৩ (শিবপুর) : জহিরুল হক ভূইয়া মোহন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী ও বেলাবো) : নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) : রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মানিকগঞ্জ-১ (দৌলতপুর, ঘিওর ও শিবালয়) : নাঈমুর রহমান দুর্জয় (আওয়ামী লীগ, নৌকা)



মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর, হরিরামপুর ও সদর আংশিক) : মমতাজ বেগম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মানিকগঞ্জ-৩ (সদর আংশিক ও সাটুরিয়া) : জাহিদ মালেক স্বপন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) : গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্র‌তিক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) : নজর‌ুল ইসলাম বাবু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নারায়ণগঞ্জ- ৩ (সোনারগাঁ): লিয়াকত হো‌সেন খোকা (জাতীয় পাটি, লাঙ্গল)

নারায়ণগঞ্জ-৪ ((ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) এ কে এম শামীম ওসমান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নারায়ণগঞ্জ- ৫ (সদর-বন্দর): এ কে এম সে‌লিম ওসমান (জাতীয় পাটি, লাঙ্গল)

চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) : ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) : সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী (মহাজোট, তরীকত ফেডারেশন, নৌকা)

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) মাহফুজুর রহমান মিতা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ডু ও চসিক ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড) : দিদারুল আলম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-৫ (চসিক ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড) : আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) : ড. হাছান মাহমুদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-১০ (চসিক ৮- ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড) : আফসারুল আমিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) : সামছুল হক চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা ও কর্ণফুলী) : সাইফুজ্জামান চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়াও লোহাগড়া) : আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)



ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) : বি এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) : র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) : অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) : এবাদুল করিম বুলবুল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) : এ বি তাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পার্বত্য বান্দরবান : বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পার্বত্য খাগড়াছড়ি : কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) : ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) : নুরুল আমিন রুহুল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) : ডা. দীপু মনি (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : মোহম্মদ শফিকুর রহমান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি) : মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর-উত্তম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) : আনোয়ার হোসেন খান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) : এ কে এম শাহজাহান কামাল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) : মেজর (অব.) আবদুল মান্নান (মহাজোট, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, নৌকা)

খুলনা বিভাগ

খুলনা-১ (বটিয়াঘাটা ও দাকোপ) : পঞ্চানন বিশ্বাস (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-২ (খুসিক ১৬ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড) : শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-৩ (খুসিক ১-১৫ নম্বর ওয়ার্ড ও দিঘলিয়া আংশিক) : বেগম মন্নুজান সুফিয়ান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া আংশিক) : আবদুস সালাম মুশের্দী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-৫ (ফুলতলা, ডুমুরিয়া ও গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা) : নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-৬ (কয়রা ও পাইকগাছা) : আকতারুজামান বাবু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সাতক্ষীরা-১ (তালা ও কলারোয়া) : মুস্তফা লুৎফুল্লাহ (মহাজোট, ওয়ার্কার্স পার্টি, নৌকা)

সাতক্ষীরা ২ (সদর) : মীর মোস্তাক আহমেদ রবি (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি, দেবহাটা ও কালিগঞ্জ আংশিক) : ডা. আ ফ ম রুহুল হক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সাতক্ষীরা ৪ (শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ আংশিক) : এস এম জগলুল হায়দার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) : ফরহাদ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মেহেরপুর-২ (গাংনী) : সাহিদুজ্জামান খোকন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) : আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)



কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর ও ভেড়ামারা) : হাসানুল হক ইনু (১৪ দল, জাসদ-ইনু, নৌকা)

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) : মো. মাহবুব-উল-আলম হানিফ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী ও খোকসা) : সেলিম আলতাফ জর্জ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-১ (শার্শা) : শেখ আফিল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-২ (ঝিকরগাছা ও চৌগাছা) : নাসির উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-৩ (সদর) : কাজী নাবিল আহমেদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও সদর আংশিক) : রণজিত কুমার রায় (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-৫ (মনিরামপুর) : স্বপন ভট্টাচার্য (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-৬ (কেশবপুর) : ইসমাত আরা সাদেক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মাগুরা-১ (সদর আংশিক ও শ্রীপুর) : সাইফুজ্জামান শিখর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মাগুরা-২ (মোহাম্মদপুর, শালিখা ও সদর আংশিক) : বীরেন শিকদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নড়াইল-১ (কালিয়া ও সদর আংশিক) : কবিরুল হক মুক্তি (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নড়াইল-২ (লোহাগড়া ও সদর আংশিক) : মাশরাফি বিন মুর্তজা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) : হাবিবুন নাহার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) : আবদুল হাই (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর) : শফিকুল আজম খান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ঝিনাইদহ-৪ (সদর আংশিক ও কালীগঞ্জ) : আনোয়ারুল আজীম আনার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চুয়াডাঙ্গা-১ (আলমডাঙ্গা ও সদর আংশিক) : সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা, জীবননগর ও সদর আংশিক) : আলী আজগার টগর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

রাজশাহী বিভাগ

নওগাঁ-১ (পোরশা, সাপাহার ও নিয়মতপুর) : সাধন চন্দ্র মজুমদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-২ (পত্নীতলা ও ধামইরহাট) : শহিদুজ্জামান সরকার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-৩ (বদলগাছি ও মহাদেবপুর) : ছলিম উদ্দীন তরফদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-৪ (মান্দা) : ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-৫ (সদর) : নিজাম উদ্দিন জলিল জন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) : ইসরাফিল আলম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নাটোর-৩ (সিংড়া) : জুনাঈদ আহমেদ পলক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) : আব্দুল মান্নান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) : শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)



সিরাজগঞ্জ-১ (সদর আংশিক ও কাজীপুর) : মোহাম্মদ নাসিম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর আংশিক ও কামারখন্দ) : হাবিবে মিল্লাত (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) : আবদুল আজিজ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) : তানভীর ইমাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি ও চৌহালী) : আবদুল মমিন মণ্ডল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহাজাদপুর) : হাসিবুর রহমান স্বপন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-১ (সাঁথিয়া ও বেড়া আংশিক) : শামসুল হক টুকু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-২ (সুজানগর ও বেড়া) : আহমেদ ফিরোজ কবীর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর) : আলহাজ মকবুল হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া) : শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-৫ (সদর) : গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) : ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিলেট বিভাগ

সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা, তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ) : ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) : জয়া সেন গুপ্তা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সুনামগঞ্জ-৩ (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) : এম এ মান্নান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) : পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) : মহিবুর রহমান মানিক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) : মো. শাহাব উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মৌলভীবাজার -২ (কুলাউড়া) : সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ (ঐক্যফ্রন্ট, গণফোরাম, ধানের শীষ)

মৌলভীবাজার-৩ (সদর ও রাজনগর) : নেসার আহমদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) : উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

বরিশাল বিভাগ

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর ও কাঠালিয়া) : বজলুল হক হারুন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ঝালকাঠি-২ (সদর ও নলছিটি) : আমির হোসেন আমু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) : মো. শাহজাহান মিয়া (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) : আ স ম ফিরোজ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা ও দশমিনা) : এস এম শাহজাদা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী) : মো. মহিববুর রহমান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পিরোজপুর-১ (সদর, নেছারাবাদ ও নাজিরপুর) : শ ম রেজাউল করিম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পিরোজপুর-২ (কাউখালি, ভাণ্ডারিয়া) : আনোয়ার হোসেন (মহাজোট, জাতীয় পার্টি - জেপি, বাইসাইকেল)

পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) : মো. রুস্তম আলী ফরাজী (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

রংপুর বিভাগ

রংপুর-৩ (সদর ও রসিক) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) : ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নীলফামারী-১ (ডোমার ও ডিমলা) : আফতাব উদ্দিন সরকার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নীলফামারী-২ (সদর) : আসাদুজ্জামান নূর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) : মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ) : আহসান আদেলুর রহমান (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

ময়মনসিংহ বিভাগ

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) : জুয়েল আরেং (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) : শরীফ আহমেদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) : নাজিম উদ্দিন আহমেদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-৪ (সদর) : রওশন এরশাদ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) : কে এম খালিদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) : মো. মোসলেম উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ ৭ (ত্রিশাল) : মো. রুহুল আমিন মাদানী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) : ফখরুল ইমাম (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) : আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) : ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) : কাজিম উদ্দিন আহামেদ ধনু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা) : মানু মজুমদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-২ (সদর ও বারহাট্টা) : মো. আশরাফ আলী খান খসরু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া ও কেন্দুয়া) : অসীম কুমার উকিল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-৪ (মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী) : রেবেকা মমিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) : ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (বীরপ্রতীক) (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ) : আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-২ (ইসলামপুর) : মো. ফরিদুল হক খান দুলাল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-৩ (মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ) : মির্জা আজম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) : ডা. মুরাদ হাসান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-৫ (সদর) : মো. মোজাফফর হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

আপডেট চলবে....

অস্তিত্বের সংকটে বিএনপি: কি করবে?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপর্যয় ঘটেছে। এই নির্বাচনে যে বিএনপি বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জয়ের কোন সম্ভাবনা নেই, তা আগেই অনুমান করা গিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনে বিএনপি যে এতো খারাপ করবে তা সম্ভবত আওয়ামী লীগও অনুমান করতে পারেনি। যেমনটি আশঙ্কা করা হয়েছিল যে, শেষ পর্যন্ত হয়তো বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে, তেমনটি ঘটেনি। বিচ্ছিন্ন ভাবে বিএনপির অনেক প্রার্থী ভোট বর্জন করলেও দলীয় ভাবে শেষ পর্যন্ত বিএনপি ভোটের লড়াইয়ে থেকেছে।  যেমনটি অন্য সব নির্বাচনে ঘটে, হারার পর পরাজিত দল কারচুপির নানা অভিযোগ করে, বিএনপি এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টও তেমনটা বলেছে। কিন্তু বিএনপি যেমন ভোট বিল্পব ঘটাতে পারেনি তেমনি তাদের ভাষায় নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধেও বড় আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে বলেও মনে করার কোন কারণ নাই। তারপরও সাধারণ মানুষ জানতে এবং বুঝতে চায় বিএনপি এখন কি করবে। বিএনপির সামনে যে পথগুলো খোলা আছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সেগুলো হলো:

১. আপত্তি স্বত্ত্বেও বিএনপি নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবে। সংসদে বসবে। বিরোদী দল হিসেবে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে সংসদকে কার্যকর এবং প্রাণবন্ত করবে। আগামী ৫ বছরের বিএনপি নিজেদেরকে পুনঃগঠন করবে। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করে বিএনপি আগামী নির্বাচনের জন্য দলকে প্রস্তুত করবে।

২. বিএনপি এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করবে। সংসদে যোদ দিবে না, শপথও নেবে না। আবার দীর্ঘ মেয়াদী আন্দোলনের জন্য দল গুছাবে। এর মধ্যে যারা নির্বাচনে নেবার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছিল তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। বিএনপিতে দেখা দেবে গৃহবিবাদ এবং শেষ পর্যন্ত বিএনপি হয়ত ভাঙ্গনের পথেই যাবে।

৩. নির্বাচনকে প্রত্যাখান করা স্বত্ত্বেও বিএনপি সংসদের যাবে। সংসদে গিয়ে তাদের ভাষায় ভোট কারচুপির প্রতিবাদ করবে। সংসদের ভিতরে এবং বাইরে আন্দোলন গড়ে তুলবে।

৪. বিএনপি পুরো নির্বাচনকালীন সময়ের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে। ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করবে। দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা ডেকে তাদের করণীয় ঠিক করবে।

তবে, বিএনপি যেটাই করুক না কেন, এই নির্বাচন বিএনপিকে অস্তিত্বের সংকটে ফেলেছে। এই সংকট কাটিয়ে বিএনপি কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে নাকি ইতিহাসের অতলে বিলীন হয়ে যাবে তা সময়ই বলে দেবে।

টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ

টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে নৌকার প্রার্থীরা। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ২৩৪টি আসনে বেসরকারি ভাবে জয়লাভ করেছে। বিএনপি ৫টি আসনে জয়লাভ করেছে। জাতীয় পার্টিসহ অন্যরা ৫টি আসনে জয়লাভ করেছে।

মোট ২০০টি আসনের বেসরকারি ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নৌকা ১৯৬, ধানের শীষ ৫ এবং জাতীয় পার্টিসহ অন্যরা ৩টি আসনে জয়লাভ করেছে। বগুড়া-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোশাররফ হোসেন জয়লাভ করেছে এবং বগুড়া ৬ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জয়লাভ করেছে।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী যারা :

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, গোপালগঞ্জ-১ ফারুক খান, কুষ্টিয়া-২ হাসানুল হক ইনু, কুষ্টিয়া-১ আ ক ম সারোয়ার জাহান, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুবুল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৪ সেলিম আলতাফ জর্জ, মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ ড. বীরেন শিকদার, নড়াইল-১ কবিরুল হক, নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর-২ মো. শহিদুজ্জামান, খুলনা-৪ আবদুস সালাম মুর্শেদী, নড়াইল-১ কবিরুল হক, যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-২ নাসির উদ্দিন, যশোর-৩ কাজী নাবিল, যশোর-৪ রণজিত কুমার রায়, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য্য, নওগাঁ-২ শহিদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দীন তরফদার, নওগাঁ-৪ ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ নিজাম উদ্দিন জলিল, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ আলী আজগার, বরগুনা-২ শওকাত হাসানুর রহমান রিমন, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, চাঁদপুর-১ মহিউদ্দিন খান আলমগীর, বগুড়া-৫ হাবিবর রহমান, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক চাঁন, ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-৫ কে এম খালিদ, ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মানু মজুমদার, নেত্রকোনা-২ আশরাফ আলী খান খসরু, নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মমিন, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান, রংপুর-৬ শিরিন শারমিন চৌধরী, লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, কুড়িগ্রাম-১ আছলাম হোসেন সওদাগর, কুড়িগ্রাম-৩ এম এ মতিন, কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, পঞ্চগড়-মাজহারুল হক প্রধান, পঞ্চগড়-২ নুরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, রাজশাহী-৫ মনসুর রহমান, নাটোর-১ শহিদুল ইসলাম বকুল, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর-৪ আবদুল কুদ্দুস, পাবনা-১ শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ আহমেদ ফিরোজ কবির, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ শামসুর রহমান শরীফ, পাবনা-৫ গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, বগুড়া-৫ হাবিবর রহমান, জয়পুরহাট-১ সামছুল আলম দুদু, জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, টাঙ্গাইল-২ তানভীর হাসান, টাঙ্গাইল-৬ আহসানুল ইসলাম টিটু, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুর ইসলাম বাবু ও ফরিদপুর-৩ খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে লাঙ্গল প্রতীকে বিজয়ী :

রংপুর-৩ আসনে হু‌সেইন মুহম্মদ এরশাদ, ময়মন‌সিংহ-৪ বেগম রওশন এরশাদ, লালমনিরহাট-৩ জি এম কা‌দের, রংপুর-১ ম‌সিউর রহমান রাঙ্গা, নীলফামারী-৩ ‌মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রানা মোহাম্মদ সো‌হেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ প‌নির উদ্দিন আহ‌মেদ, গাইবান্ধা-১ ব্যা‌রিস্টার শা‌মিম হায়দার পা‌টোয়ারী, বগুড়া-২ শ‌রিফুল ইসলাম জিন্না, ব‌রিশাল-৬ নাস‌রিন জাহান রতনা, পি‌রোজপুর-৩ ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, ময়মন‌সিংহ-৮ ফকরুল ইমাম, কি‌শোরগঞ্জ-৩ মু‌জিবুল হক চুন্নু, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হো‌সেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফি‌রোজ রশীদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হো‌সেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ সে‌লিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান মেজবাহ, ফেনী-৩ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মাসউদ উদ্দিন চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী যারা :

বগুড়া-৬ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বগুড়া-৪ মোশাররফ হোসেন ও ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী

বগুড়া-৭ আসনে ফেরদৌস আরা খান।

এক নজরে একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট: নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এবার ১০ কোটি ৪২ লাখেরও বেশি ভোটেরর এ নির্বাচনে লড়াইয়ে রয়েছেন ১৮৬১ জন। এরমধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১৭৩৩ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১২৮ জন।

নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, ৭ লাখের মতো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৭ লাখের মতো ভোটগ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তা এবং কেন্দ্রীয় ও স্থানীয়ভাবে সাংবাদিক, পর্য্যবেক্ষকসহ প্রায় ১ লাখের মতো লোকবল মিলিয়ে ১৫ লাখ লোক নির্বাচনী কাজে সম্পৃক্ত রয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর ২৯৯ আসনে ভোট হবে। এক প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোট হবে ২৭ জানুয়ারি।

জানা যায়, ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি কেএম নূরুল হুদা। ১২ নভেম্বর পুনতফসিল করা হয়। রিটার্নিং অফিসার ৬৬ জন ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার ৫৮২ জন। ভোটকেন্দ্র ৪০,১৮৩, ভোটকক্ষ ২,০৭,৩১২ ভোটার সংখ্যা ১০, ৪২, ৩৮, ৬৭৭ জন। পুরুষ ৫,২৫,৭২,৩৬৫, মহিলা ৫,১৬,৬৬,৩১২ এবার রাজনৈতিক দল ৩৯টি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী- ২৯৯ নির্বাচনী এলাকায় ১৮৬১ জন। রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১৭৩৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ১২৮ জন।

ভোটেকেন্দ্রে নিয়োজিত ফোর্স এর সংখ্যা প্রায় ৬,০৮,০০০। এরমধ্যে পুলিশ ১,২১,০০০; আনসার ৪,৪৬,০০০; গ্রাম পুলিশ ৪১,০০০। সেনাবাহিনী (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন): ৪১৪ প্লাটুন (৩৮৯ উপজেলায়)। নৌবাহিনী (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন): ৪৮ প্লাটুন (১৮ উপলোয়)। কোস্টগার্ড (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন): ৪২ প্লাটুন (১২ উপলোয়)। বিজিবি (প্রতি প্লটুনে ৩০ জন): ৯৮৩ প্লাটুন। র‌্যাব (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন): ৬০০ প্লাটুন।

মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সংখ্যা র‌্যাবসহ প্রায় ২০০ প্লাটুন (প্রায় ৬৫ হাজার জন)। তাছাড়া সারাদেশে জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের টহল দল নিয়োজিত রয়েছে।

ইসি কর্মকর্তরা জানান, নির্বাচনী মাঠে নির্বাহী হাকিম ১৩২৮ জন। (আচরণবিধিতে ৬৫২ জন; আইন-শৃঙ্খলা ফোর্সের নেতৃত্বে ৬৭৬ জন)। নির্বাচনী তদন্ত কমিটির: ১২২টি (২৪৪ জন)।

প্রিজাইডিং অফিসার: ৪০,১৮৩ জন। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার: ২,০৭,৩১২ জন। পোলিং অফিসার: ৪,১৪,৬২৪ জন।

পর্যবেক্ষক, দেশি: ৮১টি প্রতিষ্ঠানের ২৫,৯০০ জন। বিদেশি পর্যবেক্ষক: ৩৮ জন (ফেমবোসা, এএইএ, ওআইসি ও কমনওয়েল্থ থেকে আমন্ত্রিত)।

কূটনৈতিক বিদেশি মিশনের কর্মকর্তা: ৬৪ জন। দূতাবাস ও বিদেশি সংস্থায় কর্মরত বাংলাদেশি: ৬১ জন।

এবার ৬টি আসনে ইভিএম ভোটার ২১ লাখ ২৪ হাজার ৫৫৪ জন; কেন্দ্র ৮৪৫টি, ভোটকক্ষ ৫,০৪৫টি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ৪৮ জন। রংপুর-৩ ভোটার ৪,৪১,৬৭১ জন। খুলনা-২ ভোটার ২,৯৪,১১৬ জন। সাতক্ষীরা-২ ভোটার ৩,৫৬,২৪৬ জন। ঢাকা-৬ ভোটার ২,৬৯,৩১৫ জন। ঢাকা-১৩ ভোটার ৩,৭২,৭৭৫ জন। চট্টগ্রাম ৯ ভোটার ৩,৯০,৪৩১ জন।

ইভিএম এতো সহজ, ভাবিনি

মোহম্মদপুরের একটি কেন্দ্রে স্মার্ট কার্ড হাতে নিয়ে কৌতুহলী চোখ নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন মো. কামরুল হাসান। কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট নেওয়া হয়। তাই লাইনে দাঁড়ানো অপর ব্যক্তিদের কাছে ইভিএম সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করেন। 

কিছু প্রশ্নের উত্তর পান, কিছু অজানা থাকায় তার কৌতুহল আরও বেড়ে চায়। কিন্তু ভোট দেওয়া শেষে কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে কামরুলের মুখে তৃপ্তির হাসি। বললেন, ইভিএম এতো সহজ, আগে ভাবিনি।

কামরুল হাসান  বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিতে তার তিন মিনিট সময় লেগেছে। কাগজ ভাঁজ করার ঝামেলা না থাকায় খুব কম সময়ে ভোট দিতে পেরেছেন তিনি।

ঢাকা-১৩ আসনের বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিয়ে এসে রোববার এভাবেই নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (ঢামেক) কর্মরত এই ভোটার।

তবে কয়েকজন ভোটার ভোট দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েন। আঙুলের ছাপ নিয়ে বিপত্তি দেখা দেওয়ায় বিরক্তি দেখা যায় কয়েকজনের মুখে। ভোট দিতে কয়েকবার আঙ্গুলের ছাপ দিতে হয়েছে অনেককে। 

বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হিরন বড়ুয়া অভি বলেন, বেশিরভাগ ভোটার স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিতে পেরেছেন। যে ২-১ জন সমস্যায় পড়েছিলেন তাদের আমরা সর্বোচ্চ সহায়তা করেছি।

রাজধানীর দুটি আসনে ইভিএমে ভোট নেওয়া হয় রোববার। একটি এই ঢাকা-১৩, অপরটি ঢাকা-৬। মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর থানার একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৩ আসন। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদেক খান ও বিএনপি প্রার্থী আবদুস সালাম।

আবারও বন্ধ থ্রিজি ও ফোরজি

মোবাইলে ইন্টারনেটের থ্রিজি ও ফোরজি সেবা রোববার চালু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার তা বন্ধ করতে বলেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার পর সব মোবাইল অপারেটরকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর থেকে ফোরজি ও থ্রিজি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রোববার সন্ধ্যা সোয়া ৬ টার দিকে ফিরে আসে মোবাইলে টুজি, থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর থেকে দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল বিটিআরসি।

রবিবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮

টাঙ্গাইল-২ আসনে তানভীর হাসান বিজয়ী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ মহাজোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির।

ছোট মনির নৌকা প্রতীকে ২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৩৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্ধী বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের মনোনিত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু পেয়েছেন মোট ১১ হাজার ৯২৬ ভোট।

উল্লেখ্য, ভূঞাপুর-গোপালপুর উপজেলা নিয়ে ১টি আসন। যার মধ্যে গোপালপুর উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র ৭৫, এই উপজেলায় পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১ হাজার ৯৫ জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ১ হাজার ১৯৩ জন।

ভূঞাপুর উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র ৫৭টি, এতে পুরুষ ভোটার ৭৪ হাজার ১৩৯ জন ও মহিলা ভোটার ৭২ হাজার ২৪৩ জন। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭০ জন।

ঘাটাইলে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে নৌকার বিজয়

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল(৩) ঘাটাইল আসনে সবচাইতে আলোচিত ব্যাক্তি সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার পিতা আতাউর রহমান খান বিপুল ভোটের ব্যাবধানে নৌকা মার্কা প্রতিক বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন ।

সকাল ৮টা থেকে টানা ৪টা পর্যন্ত ১১৯ টি কেন্দ্রে শান্তিপুর্ণভাবে ভোট গ্রহন চলে। এ আসনটি থেকে মোট ৬জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন।



আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আতাউর রহমান খান তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ২লাখ ৩৮হাজার ৯৫১ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লুৎফর রহমান খান আজাদ পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৭০ ভোট।

ঘাটাইলে ধানের শীষ প্রার্থীর ভোট বর্জন

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে  ধানের শীষ প্রার্থী লুতফর রহমান খান ভোট বর্জন। তার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নৌকা প্রতীকের আতাউর রহমান খান।

বিস্তারিত আসছে..

ওই সাংবাদিক আইছে, বাইরে চইলা আয়

বেলা ১২টা। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে যেতেই চোখে পড়ল ভোটার শূন্য মাঠ। কেন্দ্রের ভেতর গিয়ে দেখা গেল নারী ভোটারদের কক্ষে সাত থেকে আটজন যুবক। তারা প্রকাশ্যে সিল মারছেন। একজন বাইরে থেকে চিৎকার করে বললেন, ‘ওই সাংবাদিক আইছে, বাইরে চইলা আয়।’ যুবকেরা দ্রুত বের হয়ে গেলেন। তারা পাশেই পুরুষ ভোটারদের কক্ষের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে গেলেন। আশপাশ থেকে আরও কয়েকজনকে ডেকে দাঁড় করিয়ে লাইন লম্বা করলেন।

শুধু এলেঙ্গা হাইস্কুল কেন্দ্র নয়, এই আসনের এলেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কুড়িঘড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে একই চিত্র পাওয়া যায়। 

এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ইস্কান্দার মির্জা জানান, তার কেন্দ্রে মোটর ভোটার তিন হাজার ৮৬৯জন। দুপুর ১২টার মধ্যে দুই হাজারের বেশি ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। 

দুপুর দেড়টার দিকে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের গোপালপুর উপজেলার জগতপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সামনেই আওয়ামী লীগ কর্মীদের সিল মারতে দেখা যায়। 

ঐক্যজোট ও বিএনপি প্রার্থীদের অভিযোগ, টাঙ্গাইলের বিভিন্ন আসনে ভোটের আগের রাতেই ব্যালটে সিল মেরে রাখা হয়েছিল। এ জন্য ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও ভোট গ্রহণের হার বেশি ছিল। দুপুরের পর এসব কারণে জেলার পাঁচজন বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানান। এরা হচ্ছেন, টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের সরকার শহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের প্রার্থী কারাবন্দী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে তার ভাই জেলা বিএনপির সভাপতি শামছুল আলম, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে লিয়াকত আলী, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে গৌতম চক্রবর্তী। 
এদিকে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিউল্লাহ আল মুনির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে ব্যাপক ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছেন। 
তবে জেলার আটটি আসনের কোথাও গোলযোগের ঘটনা ঘটেনি। সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশের টহল ছিল পুরো জেলা জুড়ে।

ঘাটাইলে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন

রবিবার টাঙ্গাইল(৩)ঘাটাইল আসনে শান্তিপুর্ন ভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। পৌরসভার বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোটাররা সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাড়িয়ে ভোট ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন। ভোট প্রদান শেষে তারা হাসিমুখে কেন্দ্র থেকে বের হচ্ছেন।এছাড়া ঘাটাইল উপজেলার কোথাও কোন ধরনের নির্বাচনী সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।এই আসনে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে কোন অভিযোগও পাওয়া যায়নি। অনেকেই।সকাল থেকে ঘাটাইল পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে ভোট শুরু হওয়ার এক-দেড় ঘন্টা পর সাড়ে নয়টার দিকে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে। বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ভোটারের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটারের সংখ্যাই বেশি দেখা গেছে। এছাড়া তরুন ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত ভোট প্রদান করেছেন।সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘাটাইল হাই স্কুল, রতনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুকুল একাডেমী হাই স্কুল কেন্দ্রে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পুরুষ ভোটাররা ধীরে সুস্থে আসছেন। বুথের সামনে বারান্দায় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন ভেতরে প্রবেশের জন্য। এ কেন্দ্রগুলোতে পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটারের সংখ্যাধিক্য দেখা গেছে।

কেন্দ্রের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় রয়েছেন। পুলিশ, রিজার্ভ ও অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি আনসার বাহিনীর সদস্যরা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ভোটারদের স্লিপ দেখে তাদের ভেতরে প্রবেশ এবং নম্বর অনুযায়ী বুথের অবস্থান জানিয়ে দিচ্ছেন। রবিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহন কার্যক্রম চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এরপর ভোট গণনা শেষে ঘোষণা করা হবে ফলাফল। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ জানান, ঘাটাইলে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোন নির্বাচনী সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।



টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আতাউর রহমান খান, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে রয়েছেন লুৎফর রহমান খান আজাদ। এ ছাড়া এই আসনে আরো ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন, ন্যাশনাল পিপলস পাটির প্রার্থী এসএম চাঁন মিয়া (আম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থীর রেজাউল করিম (হাত পাখা), জাকের পার্টিও প্রার্থী খলিলুর রহমান (গোলাপ ফুল), বিএনএফ এর প্রার্থী আতাউর রহমান খান (টেলিভিশন)।
এ আসনে পৌরসভা ১টি, ইউনিয়ন ১৪টি, ভোট কেন্দ্র ১১৯টি। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৭৭ জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৯ জন, মোট ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৬ জন।

অলির কথাই শুনল বিএনপি কর্মীরা (ফোনালাপ ফাঁস)

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশজুড়ে চলছে বিএনপি নেতা-কর্মীদের তাণ্ডব। এ পর্যন্ত নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, সিরাজগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী ও রাঙ্গামাটির বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিএনপি কর্মীদের হামলার খবর পাওয়া গেছে। এই হামলায় বহু আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত এবং আহত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও কর্মীদের বসত বাড়িতে হামলাসহ তাঁদের নির্বাচনী ক্যাম্পে বিএনপি কর্মীরা গতকাল (২৯ ডিসেম্বর) রাত থেকেই হামলা চালাচ্ছে বলে জানা যায়। এ পর্যন্ত সারা দেশে ৫ জন আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত এবং অসংখ্য কর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

নির্বাচনে বানচাল করতে বিএনপি এমন হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে বলে মনে করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে এসবের সত্যতাও নিশ্চিত করেছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

গতকাল রাতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মুখপাত্র, এলডিপির চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের সঙ্গে মাহমুদুল হক নামে জনৈক দলীয় কর্মীর কথোপকথন ফাঁস হওয়ার পর বিএনপি কর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠে।

ওই ফোনালাপে অলি জনৈক মাহমুদুল হককে নির্বাচনের সময় লাঠি-সোটা নিয়ে মাঠে নামতে বলেন। এই ফোনালাপ ছড়িয়ে যায় গোটা দেশে। বিএনপির এমন কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয় অলির কথা খুব ভাল ভাবেই আমলে নিয়েছেন তারা।

জনৈক মাহমুদুলের সঙ্গে কর্নেল অলির ফোনালাপ ছিল এরকম-

অলি : হ্যাঁ, বাবুল।

বাবুল : বড়দা, আসসালামু আলাইকুম।

অলি : ওয়ালাইকুম। 

বাবুল : বড়দা মাহমুদুল হকের সঙ্গে কথা বলেন।

মাহমুদুল : আসসালামু আইকুম।

অলি : মাহমুদুল হক, মিল্লাত আছে না?

মাহমুদুল : হ্যাঁ, মিল্লাত আঙ্কেল।

কর্নেল অলি : তুমি আর মিল্লাত লাঠি নিয়ে রেডি থেকো। সম্মান-ইজ্জত তোদের হাতে। নিজের ইজ্জত নিজে বাঁচাও।

মাহমুদুল হক : জ্বি।

কর্নেল অলি : আর কোনো কথা বলিস না। লাঠি-সোটা নিয়ে নাম।

মাহমুদুল হক : লাঠি-সোটা নিয়ে নামছি। তবে হামলা দিলে ভালো হবে বেশি।

কর্নেল অলি : না না, তোরা হামলা দিবি কেন? আমি দিতে পারি না? আমার বাড়ি চন্দনাইস, আবার বাড়ি বহুত দূর। প্রধানমন্ত্রী শুধু দেশের শক্রু।

মাহমুদুল হক : আপনার কথা ঠিক আছে।

কর্নেল অলি : কথা না, লাঠি নাও, লাঠি চাচো। দরকার হলে পয়সা দিয়ে আরও লোক নাও।

মাহমুদুল হক : আচ্ছা বাবাজি।

-- বাংলা ইনসাইডার

গোপালপুরে বিএনপি নেতা নিহত

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দুর্বৃত্তের হামলায় স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নিহত হয়েছেন।

আজ রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নগদা শিমলা ইউনিয়নের বাইসকাইল এলাকা থেকে তার লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত বিএনপি নেতার নাম হাজী আব্দুল আজিজ (৬৫)। তিনি নগদা শিমলা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, হাজী আব্দুল আজিজ শনিবার রাত থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। রবিবার সকালে স্থানীয় লোকজন নগদা শিমলা এলাকায় আব্দুল আজিজের লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়।

তিনি আরো জানান, পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ঘাটাইলে দুই ভাইয়ের লড়াই

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন দুই ভাই। আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার পিতা টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান। আর বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক প্রতি মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ। আসনটিতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী থাকলেও মূলত লড়াই হবে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীককে ঘিরেই।



ঘাটাইল আসনে সংসদ সদস্য রানার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে তার পিতা আতাউর রহমান আছেন অনেকটা শক্ত অবস্থানে, এমনটাই মনে করেন তার দলের নেতাকর্মীরা। অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী প্রচারণায় বাঁধা দেওয়া, গায়েবী মামলা, হামলার ও পুলিশি হয়রানীর অভিযোগ জানাচ্ছেন টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে।



টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় ঘাটাইলের দুইবারের এমপি রানা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। ঘাটাইলে রানার ব্যাপক জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে আসনটি ধরে রাখতে তৎপর আওয়ামী লীগ। প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়া আতাউর রহমান খানের বড় ভাই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠনক প্রয়াত শামছুর রহমান খান শাহজাহান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৭০, ১৯৭৩ ও ১৯৮৬ সালে এমপি নির্বাচিন হন।



অন্যদিকে, এখানে বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদেরও ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগে ঘাটাইল থানার ওসি মাকসুদুুল আলম ও ঘাটাইলের ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিরুল ইসলামকে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি দলীয় প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ। শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। এ আসনে লুৎফর রহমান খান আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শামসুর রহমান খান শাহজাহানকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন।



নির্বাচনী এলাকার শহর গ্রাম গঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও তার কর্মী সমর্থকরা স্বতঃস্ফূর্ত নৌকা প্রতীকের পক্ষে প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই। আতাউর রহমান ঘাটাইলের দ্বিধাবিভক্ত আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করে আলাদা একটা ইমেজ তৈরি করতে সমর্থ হয়েছেন। অপরদিকে, ঘাটাইলে বিএনপি প্রার্থী নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন দ্বিধাবিভক্তি না থাকলেও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া একাধিক ইউপি চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগে যোগদানের ঘটনা বিএনপি প্রার্থীকে বেশ বেকায়দায় ফেলেছে বলে মনে করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।



আগামীকাল রোববার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এখন কার গলায় উঠবে বিজয়ের মালা তাই দেখার অপেক্ষায় শান্তিপ্রিয় রাজনৈতিক সচেতন ঘাটাইলবাসী।



এই আসন থেকে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী আবু হানিফ (ফুলের মালা) আওয়ামী লীগকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন। এ ছাড়া এই আসনে আরো ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। এরা হলেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী এসএম চাঁন মিয়া (আম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী রেজাউল করিম (হাত পাখা), জাকের পার্টির প্রার্থী খলিলুর রহমান (গোলাপ ফুল), বিএনএফ এর প্রার্থী আতাউর রহমান খান (টেলিভিশন)।



টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) অাসনে পৌরসভা ১টি, ইউনিয়ন ১৪টি, ভোট কেন্দ্র ১১৯টি, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৭৭ জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৯ জন, মোট ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৬ জন।

শনিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮

ঘাটাইলে রাত পোহালেই ভোট, সরঞ্জাম যাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রে

রাত পোহালেই শুরু হবে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের(৩) ঘাটাইল আসনের ভোট। সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। তাইতো ভোটের উপলক্ষে উপজেলার ১১৯ কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্স।

ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে পুলিশ আনছার বাহিনীর সদস্যরা । প্রতিটি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার ১জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ৪জন,পোলিং অফিসার ৮জন। ১৪জন আনছার ১জন  চৌকিদার ও ১জন পুলিশ সর্বদাই ভোট চলাকালীন সময়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে উপস্থিত থাকবে ।

১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন উপজেলায় ৩লাখ ১০হাজার ৬৬৫জন ভোটার রয়েছে।

ভোটকেন্দ্রে ভোটারের সঙ্গে যা থাকতে হবে

রোববার (৩০ ডিসেম্বর) ভোটের দিন। এদিন সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবার ভোট দিতে যাওয়ার ব্যাপারে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় প্রত্যেক ভোটারকে এই নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে-

ভোটের স্লিপ: ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের আগে ভোটারকে ভোটের স্লিপ সংগ্রহ করতে হবে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস অথবা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে এটা সংগ্রহ করা যাবে। তবে কেন্দ্রে প্রবেশের আগেও এটা সংগ্রহ করা যাবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ভোট দিতে অসুবিধা নেই, তবে সঙ্গে রাখাটাই উত্তম। ইভিএমে ভোট দিতে জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে থাকা দরকারি। তা না হলে আঙুলের ছাপ দিয়ে ভোট প্রদান করতে হবে।

সহযোগী: ভোটার অসুস্থ বা শারীরিক প্রতিবন্ধী হলে সঙ্গে একজন সহযোগী নিতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে সহযোগীর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, ভোটকেন্দ্রে ব্যাগ কিংবা বিস্ফোরক ও দাহ্য কোনও পদার্থ নিয়ে যাওয়া যাবে না। মোবাইল সঙ্গে নিলে তা বন্ধ রাখতে হবে।

ঘাটাইলের ওসি ও ধলাপাড়া পুলিশ ইনচার্জের প্রত্যাহার দাবি

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ ঘাটাইল থানার ওসি মাকসুদুুল আলম ও ঘাটাইলের ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ আমিরুল ইসলামকে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগদান এবং বিএনপির এজেন্টদের সার্বিক নিরাপত্তা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। তিনি গতকাল শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি আরো বলেন, ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত জেনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলেছে এবং পুলিশ গ্রেফতার করছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার দাবি জানিয়েও কর্তৃপক্ষ কোন কর্ণপাত করেনি। তিনি বলেন, যে পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব ছিলো নিরপেক্ষ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা আজ তারাই আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়ে সমাজের ক্রাসের রাজত্ব করছে। এ অবস্থায় বিএনপি ও ভোটারদের মধ্যের চরম অনাস্থা ও অবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। 
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পুলিশ নিয়ে নির্বাচনে ধানের শীষের সম্ভাব্য এজেন্টেদের বাড়ি বাড়ি ঘিয়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছে।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকলাম, ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাধরণ সম্পাদক এম রেজাউল করিমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৮

ঐক্যফ্রন্টের অফিস ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর পুরানা পল্টনে প্রিতম জামান টাওয়ারে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের কয়েক ঘণ্টা চেষ্টায় শুক্রবার বিকাল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এর আগে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে ভবনটির নবম তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ১৫তলার ভবটিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্থায়ী কার্যালয় রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের ডিউটি অফিসার শাহাদাত হোসেন জানান, দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে ভবনটির নবম তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

ভবনটির তৃতীয় তলায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্থায়ী কার্যালয়। এ ব্যাপারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণমাধ্যম সমন্বয়ক লতিফুল বারী হামিম বলেন, ঐক্যফ্রন্টের কার্যালয়ে আগুন লাগেনি। তবে আমরা এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারি।

ভবনটির নবম তলায় ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেডের কার্যালয়। এখানেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

ঘাটাইল আসনে এমপি রানার জনপ্রিয়তাই পিতা এগিয়ে

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল(৩) ঘাটাইল আসনটি বর্তমান এমপি রানার জনপ্রিয়াতাই তার পিতা আতাউর রহমান খান কে এগিয়ে রয়েছে।তাইতো খুব অল্প সময়য়ে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারন ভোটারদের মণিকোঠায় তিনি স্থান করে নিতে সমর্থ হয়েছে। এ উপজেলাটি ১টি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়ন ৫১.৩০বর্গ কিঃমিঃ আয়তন নিয়ে গঠিত ।

যার লোক সংখ্যা ৪,৩৪৩০০জন এর মধ্যে পুরুষ ২ লক্ষ ১৩ হাজার ৫শত ২৬।মহিলা ২লক্ষ ২০হাজার ৮০৪ জন নিয়ে গঠিত ্। জেলার অন্যান্য উপজেলা চেয়ে ভিন্ন হওয়ার সবার কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ১৯৭০ সালের গণপরিষদ নির্বাচনে এমএনএ এবং ১৯৭৩ ও ১৯৮৬ সালে এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন প্রয়াত শামসুর রহমান খান শাহজাহান। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮৮ সালে এ আসনের এমপি হন জাতীয় পার্টির সাইদুর রহমান খান মোহন। কিন্তু ১৯৯১, ৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদের কাছে পরাজিত হন শামসুর রহমান। ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী পরিবর্তন করে রাজনীতিতে নতুন মুখ ডা: মতিউর রহমানকে মনোনয়ন দেয় আ’লীগ। এই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদকে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ২১ বছর পর আসনটি আ’লীগকে উপহার দেন ডা: মতিউর রহমান। ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যুতে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ।

এ নির্বাচনে গর আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন পান উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু। তখন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন প্রয়াত শামসুর রহমান খান শাহজাহানের ভাতিজা বর্তমান এমপি আমানুর রহমান খান রানা। তিনি তৎকালীন জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।কিন্তু দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রায় ৪৮ হাজার ভোটের ব্যাবধানে লেবুকে হারিয়ে এমপি নির্বাচিত হন। এর মাঝে তার জনহিতকর কর্মকান্ডে সাধারন জনগনের মাঝে খুব অল্প সময়ের মধ্যে জায়গা করে নেন তিনি।ফলে ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার টিকেটে রানা আবার বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় এমপি নির্বাচিত হন।।

টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় সন্দেহ ভাজন আসামী হয়ে কারাগারে থাকলেও তৃনমুল নেতাকর্মী ও সাধারন জনগন তার দানশীল কর্মকান্ডে তারপ্রতি থাকে অবিচল আস্থা। ফলে রানা জনপ্রীয়তার শির্ষে থাকার কারনে আসনটি তার পিতা সাদা মনের মানুষ (সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা) আতাউর রহমান খানের জন্য মনোনীত করায় দলের সর্বস্তরে নেতাকর্মীরা একাত্ততা প্রকাশ করে কাদেকাধ মিলিয়ে নৌকা কে বিজয়ী করার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। ফলে রাস্তাঘাট বাসাবাড়ি হাটবাজার চায়ের দোকানে সর্বদাই রানার জনপ্রিয়তাকে স্থান পাচ্ছে । সংশোধিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী এ আসনে তিন লাখ ১০হাজার ৬৬৫ জন ভোটার রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০১৮

ঘাটাইলে নৌকার পক্ষে মহিলা জন সমাবেশ

বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে নৌকার পক্ষে উপজেলা মহিলা জন সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পাকুটিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জিবুননেছার সভাপতিত্বে মহিলা জনসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমান খানের সহধর্মীনি ফাতেমা রহমান খান, তার পুত্রবধু ফরিদা রহমান খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খানের সহধর্মীনি ঝুমা খান, ব্রাহ্মন শাসন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহার, উপজেলা মহিলা লীগের আহবায়ক নূরজাহান সিদ্দিকা, নারী নেত্রী নাজমা খাতুন, ওয়ার্ড কাউন্সিরর রওশনারা রুবি, দিঘলকান্দি ইউনিয়ন মহিলা লীগের আহ্বায়ক শাহনাজ সিদ্দিকা অন্জনা সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের মহিলা নেত্রী বৃন্দ।

সমাবেশে দেশের উন্নয়ন ধারাকে অব্যাহত রাখা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে সকলকে নৌকা মার্কা প্রতীকে ভোট দেয়ার দাবি জানান।

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮

ঘাটাইলে সরকারদলীয় লোকদের বিপক্ষে বিএনপি প্রার্থীর নানা অভিযোগ

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের বিএনপি প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ হামলা-মামলা, হয়রানি এবং নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় সরকার দলীয় লোকজনের বাধা দেয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এই অভিযোগ করেন।


টাঙ্গাইল-৩ ( ঘাটাইল ) আসনের বিএনপি প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, তার নির্বাচনী এলাকায় সরকারদলীয় কয়েক হাজার বহিরাগতরা অবস্থান নিয়েছে। তারা গ্রামে গ্রামে অবস্থান নিয়ে বিএনপির সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতাউর রহমান খানের ছেলে ও টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামি সহিদুর রহমান খান মুক্তিসহ অন্যান্য ফেরারি আসামিরা নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর ও সাধারণ ভোটারদের হুমকি প্রদর্শন করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সমর্থকরা নিজেদের অফিস নিজেরাই ভাংচুর করে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর দোষ চাপাচ্ছে ও তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করছে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিনে তার নির্বাচনী এলাকায় একাাধিক গায়েবি মামলায় বিএনপির অন্তত চারশ’ নেতাকর্মীকে আসামি করেছে। তারা ঘরে থাকতে পারছে না। দিনের বেলায় সন্ত্রাসীদের হামলা আর রাতের বেলায় পুলিশ ঘরে ঘরে তল্লাশি৬ চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ঘাটাইলে পিইসি পরীক্ষায় উইজডম ভ্যালি’র ঈর্ষনীয় সাফল্য

“আমারা গড়বো সুন্দর আগামী” এই প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ঘাটাইলের উইজডম ভ্যালি  প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় বরাবরের মতো এবারও ফলাফলে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঘাটাইলে শিক্ষার গুণগত মানকে এগিয়ে নিতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের নিয়মানুবর্তীতা ও শিক্ষকদের আন্তরিকতায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ ওআদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে।

তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৯১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৫জন। বাকী ১৬ জন এ গ্রেডসহ শতভাগ পাশের কৃতিত্ব অর্জন করেছে । ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর উইজডম ভ্যালি এ অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।


শুভ বড়দিন আজ

আজ ২৫ ডিসেম্বর। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন। এই দিনে খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্ট বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, সৃষ্টি-কর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে প্রভু যিশুর এই ধরায় আগমন ঘটেছিল। অন্যসব দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিস্টধর্মানুসারীরাও যথাযথ ধর্মীয় আচার, আনন্দ-উৎসব ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করবেন।



জেরুজালেমের বেথলেহেম শহরের এক গোয়াল ঘরে আজ থেকে দুই হাজার ১৮ বছর আগে জন্ম নিয়েছিল এক শিশু। নাম তার যিশু, অর্থ ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে। । তবে এ দিনটিই যিশুর প্রকৃত জন্মদিন কিনা তা ঠিক জানা যায় না। আদিযুগীয় খ্রিস্টানদের বিশ্বাস মতে, এই তারিখের ঠিক ৯ মাস আগে মাতা মেরির গর্ভে প্রবেশ করেন যিশু। সম্ভবত, এই হিসাব অনুসারেই ২৫ ডিসেম্বর যিশুর জন্মতারিখ ধরা হয়। অন্যমতে, একটি ঐতিহাসিক রোমান উৎসব অথবা উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ অয়নান্ত দিবসের অনুষঙ্গেই ২৫ ডিসেম্বর যিশুর জন্মজয়ন্তী পালনের প্রথাটির সূত্রপাত হয়।

যিশুর মায়ের নাম মারিয়া। তিনি প্রসব করলেন সন্তান। কিন্তু তিনি তখনও কুমারী। স্বয়ং ঈশ্বরের ইচ্ছায় এই অকল্পনীয় ঐশ্বরিক ব্যাপারটি ঘটলো। কারণ, ঈশ্বর চান একদিন এই শিশুটি পৃথিবীর পাপী-তাপী মানুষের জন্য আলোর মশাল হাতে ধর্মের বাণী পৌঁছে দেবেন। শান্তির বাণী প্রচার করবেন। ঈশ্বরকে চেনাবেন। আর ঈশ্বরের দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন সকল মানুষের মুক্তির জন্য।

মারিয়ার স্বামী কাঠমিস্ত্রী যোসেফ। যিশুর তিনি পালক পিতা। পালক পিতার ঘরে শিশু যিশু ধীরে ধীরে বড় হতে থাকলেন। বড় হয়ে পাপের শৃঙ্খলে আবদ্ধ মানুষকে মুক্তির বাণী শোনালেন। তিনি বললেন, ‘ঘৃণা নয়, ভালোবাসো। ভালোবাসো প্রতিবেশীকে, তোমার শত্রুকেও ভালোবাসো, ভালোবাসো সবাইকে। মানুষকে ক্ষমা করো, তাহলে ক্ষমা পাবে তুমিও। কেউ তোমার এক গালে চড় মারলে তার দিকে অপর গালটিও পেতে দাও।

তিনি আরও বললেন, পাপকে ঘৃণা কর, পাপীকে নয়। গরিব-দুঃখীদের সাধ্যমতো সাহায্য কর আর ভয় কর ঈশ্বরকে ।

যিশুর কথা শুনে অনেকে তাদের মন ফেরাল। ঈশ্বরের নামে অসুস্থদের সুস্থ করে তুললেন তিনি, মৃত মানুষকে জীবিত করলেন। যিশুখ্রিষ্ট হয়ে উঠলেন মানুষের মনের রাজা।

রাষ্ট্রীয়, ধর্মীয় এবং সমাজনেতারা এসব সহ্য করতে পারলেন না। যিশুখ্রিষ্টকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে বন্দি করে ক্রুশে বিদ্ধ করে হত্যা করলো তারা। মৃত্যুর তৃতীয় দিনে যিশু কবর থেকে উঠে প্রমাণ করলেন, তিনি সত্যি ঈশ্বরের পুত্র ছিলেন।



সারা বিশ্বের খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের মতো বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ও দিনটি পালন করে থাকে আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে। বড়দিনের বেশ কিছুদিন আগ থেকেই শুরু হয়ে যায় যিশুকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি। প্রস্তুতি দুই ধরনের—আধ্যাত্মিক ও বাহ্যিক।

আধ্যাত্মিক প্রস্ততি হলো ঈশ্বরের কাছে পাপের ক্ষমা চেয়ে পাপের জন্য অনুতাপ করা এবং কারও সঙ্গে বিরোধ থাকলে তা মিটিয়ে ফেলে নিজেকে প্রস্তুত করা।

বাহ্যিক প্রস্তুতি হল উৎসবের আয়োজন। গির্জা ও ঘরবাড়ি সাজানো, বিভিন্ন ধরনের পিঠা বানানো, কেক বানানো আর নতুন জামাকাপড় বানানোর ধুম। বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব চার্চ ও তারকা হোটেলগুলোকে ক্রিসমাস ট্রি রঙিন বাতি, বেলুন আর ফুল দিয়ে সাজানো হয়। এ ছাড়া আছে বড়দিনের কীর্তনের রিহার্সেল, নাটকের রিহার্সেল আর বড়দিনের বিশেষ ম্যাগাজিন ছাপার কাজ।

বড়দিনের আগের রাতে এবং বড়দিনের সকালে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠান (খ্রিষ্টযোগ) হয়। এদিন সব বাড়িতেই বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু ও উন্নতমানের খাবারদাবারের আয়োজন থাকে। বেড়ানো, অতিথি আপ্যায়ন আর আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় তাদের সবচে’ আনন্দের দিন, বড়দিন পালন করে থাকে।

রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও ক্যাথলিক গির্জায় বড়দিনের বিশেষ প্রার্থণার আয়োজন করা হয়েছে। গির্জা ও এর আশপাশে জ্বালানো হয়েছে রঙিন বাতি। প্রচুর জরি লাগিয়ে গির্জার ভেতর সুসজ্জিত করা হয়েছে। ভেতরে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি।

বড়দিন উপলক্ষে বাংলাদেশ খ্রিস্টান এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিও এবং মহাসচিব হেমন্ত আই কোড়াইয়া এক যুক্ত বিবৃতিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনকে প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশে এদিন সরকারি ছুটির দিন। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আলাদা বাণী দিয়েছেন।

বড় দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।