নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর হাটের টেন্ডার বিষয়ে মঙ্গলবার(১২ এপ্রিল) শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) প্রভাংশু সোম মহান-এর কার্যালয়ে ওই শুনানী অনুষ্ঠিত হবে।
জানাগেছে, ঘাটাইল উপজেলার ১৪টি সরকারি হাট-বাজার ইজারা দিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি(স্মারক নং-০৫.৩০.৯৩০০.২৮.০০০.১০.০০১.১৫-১৫৫/১০০) দরপত্র আহ্বান করা হয়। গত ৩, ১৬ ও ২৮ মার্চ দরপত্র দাখিলের তারিখ নির্ধারন করা হয়। অভিযোগে জানা যায়, দরপত্রের ৬ নং ক্রমিকের হামিদপুর হাটের সরকারি দর ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০টাকার বিপরীতে ইজারা নিতে স্থানীয় নাটশালা গ্রামের মো. স্বপন মিয়া ১৩ লাখ ৮ হাজার ৮৮৮ টাকা মূল্য উল্লেখ করে যথারীতি পে-অর্ডার কেটে দরপত্র জমা দিতে গেলে স্থানীয় প্রশাসনের ও কতিপয় সরকার দলীয় নেতার মদদে শহিদুল ইসলাম (ঘুঠু)কে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকায় হাটের ইজারা পাইয়ে দেয়ার জন্য কয়েক ব্যক্তি বাধা দেয় এবং তিনি দরপত্র দাখিল না করে ফিরে আসতে বাধ্য হন। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে তিনি টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি উপযুক্ত রাজস্ব নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে স্থানীয় সরকার বিভাগ বিষয়টি অনুধাবন করে খতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়।
সে মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে সহকারী কমিশনার(ভূমি) প্রভাংশু সোম মহান-এর কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সহ উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রকাশ, অভিযোগকারী মো. স্বপন মিয়াকে হাটটি ইজারা দেয়া হলে সরকারের রাজস্ব খাতে ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৪.৫৬ টাকা জমা হতো এবং শহিদুল ইসলামকে (ঘুঠু) হাটটি দেয়া হলে সরকারি রাজস্বের ৭ লাখ ১৫ হাজার ৫৫৪.৫৬ টাকা ক্ষতি সাধিত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
জানাগেছে, ঘাটাইল উপজেলার ১৪টি সরকারি হাট-বাজার ইজারা দিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি(স্মারক নং-০৫.৩০.৯৩০০.২৮.০০০.১০.০০১.১৫-১৫৫/১০০) দরপত্র আহ্বান করা হয়। গত ৩, ১৬ ও ২৮ মার্চ দরপত্র দাখিলের তারিখ নির্ধারন করা হয়। অভিযোগে জানা যায়, দরপত্রের ৬ নং ক্রমিকের হামিদপুর হাটের সরকারি দর ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০টাকার বিপরীতে ইজারা নিতে স্থানীয় নাটশালা গ্রামের মো. স্বপন মিয়া ১৩ লাখ ৮ হাজার ৮৮৮ টাকা মূল্য উল্লেখ করে যথারীতি পে-অর্ডার কেটে দরপত্র জমা দিতে গেলে স্থানীয় প্রশাসনের ও কতিপয় সরকার দলীয় নেতার মদদে শহিদুল ইসলাম (ঘুঠু)কে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকায় হাটের ইজারা পাইয়ে দেয়ার জন্য কয়েক ব্যক্তি বাধা দেয় এবং তিনি দরপত্র দাখিল না করে ফিরে আসতে বাধ্য হন। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে তিনি টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি উপযুক্ত রাজস্ব নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে স্থানীয় সরকার বিভাগ বিষয়টি অনুধাবন করে খতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়।
সে মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে সহকারী কমিশনার(ভূমি) প্রভাংশু সোম মহান-এর কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে কাগজপত্র ও প্রমাণাদি সহ উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রকাশ, অভিযোগকারী মো. স্বপন মিয়াকে হাটটি ইজারা দেয়া হলে সরকারের রাজস্ব খাতে ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৪.৫৬ টাকা জমা হতো এবং শহিদুল ইসলামকে (ঘুঠু) হাটটি দেয়া হলে সরকারি রাজস্বের ৭ লাখ ১৫ হাজার ৫৫৪.৫৬ টাকা ক্ষতি সাধিত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
