বুধবার, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৮

এসএসসি’র বৃত্তিতে টাঙ্গাইলে সেরা ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ

৩ ডিসেম্বর ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার বৃত্তির ফলাফলে ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করেছে।

ঘোষিত ফলাফলে এই কলেজের একশত ২২ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ জন বৃত্তি লাভ করেছে। এর মধ্যে ১২ জন মেধা এবং ৫১ জন সাধারণ বৃত্তি লাভ করেছে।

এ ছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা শাথা হতে ২৭জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৭ জনই বৃত্তি লাভ করেছে। এ শাখার শিক্ষার্থী অভিজিত সূত্রধর ও নুরিয়া সুলতানা ছেলে-মেয়েদের মধ্যে পৃথকভাবে টাঙ্গাইল জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

প্রতিষ্ঠানের এ অভাবনীয় সাফল্যে অধ্যক্ষ লেঃ কর্নেল জিএম সারওয়ার পিবিজিএমএস, ইঞ্জিনিয়ার্স-সহ শিক্ষকমন্ডলীর অবদান সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

ঘাটাইলে দেওপাড়া ইউনিয়ন আ.লীগের নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নির্বাচনী প্রস্তুতি মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) বিকালে দেওপাড়া গন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে দেওপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে ও আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান মাস্টারের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বজলুর রহমান রিপন, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিং, সাবেক পৌর মেয়র হাসান আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, দেওপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, দেওপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বাহাদুর আলম খান, দেওপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম তালুকদার, ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ সরকার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সুজন মাহমুদ তালুকদার, দেওপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, দেওপাড়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি যুবলীগ নেতা মতিউর রহমান মতিন প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দেওপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি অনিক আহমেদ নাজিম, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, দেওপাড়া ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রোকন তালুকদার, সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান সবুজ, সহ-সভাপতি শাহআলম সিকদার, ছাত্রলীগ নেতা আইয়ুব, সুমন সিকদার, রাজিব, রহিম, আরিফ সহ দেওপাড়া ইউনিয়ন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য: ওই আলোচনা সভায় সকলের ঐক্যমতে বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিল মাস্টারকে ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

ঘাটাইলে স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠিত

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল : টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বুধবার সকালে ১ ডিসেম্বর টঙ্গি গাজিপুর ইজতেমা ময়দানে নিরীহ মুসুল্লিদের ও মাদ্রাসা ছাত্রদের উপর হামলার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দিলরুবা আহমেদ এর স্মারকলিপি প্রদান করেন ঘাটাইল উপজেলা দাওয়াতে তাবলীগ ও ওলামায়ে কেরাম এর সদস্য বৃন্দ।

স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা শামছুদ্দীন, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জলিল মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাধারন সম্পাদক মাওলানা শহিদুল ইসলাম,ঘাটাইল জামে মসজিদের ইমাম শাহীন ইসলাম প্রমুখ।

নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বী আ’লীগের সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের আ’লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদের এমপি মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁনের মুখোমুখি বহিস্কৃত সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।



আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন ব্যতিত যে কাউকে দলীয় মনোনয়ন দিতে কালিহাতী উপজেলা আ’লীগের পক্ষ থেকে একাধিকবার অনুরোধ করলেও তা বিবেচনা করা হয়নি। ফলে উপজেলা আ’লীগের নেতারাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

জানাগেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আবদুল লতিফ সিদ্দিকী কালিহাতী থেকে ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, ১৯৭৩, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে মন্ত্রীত্ব লাভ করেন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন। ওই বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হজ্ব ও তাবলিগ জামাত নিয়ে বক্তব্য দেন তিনি। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিভিন্ন সংগঠন লতিফ সিদ্দিকীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে।

এ সময় তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে ২২টি মামলা হয়। পরে তিনি দেশে এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। একপর্যায়ে তিনি মন্ত্রিত্ব হারান এবং দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। পরে তিনি জাতীয় সংসদে ঐতিহাসিক বক্তব্য দিয়ে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তারপর থেকে তিনি রাজনীতিতে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। হঠাৎ করেই তিনি আবার নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইলের কালিহাতী সদরে তাঁর নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, তিনি স্বতন্ত্র প্রতীকে নির্বাচন করবেন। নিজেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগের বাইরের কেউ নই। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এই আসনটি উপহার দেয়ার জন্যই নির্বাচনে লড়ব। আমি যখন পদত্যাগ করি তখনো বলেছিলাম, আমি একজন মুসলিম, আমি একজন আওয়ামী লীগার।

আওয়ামী লীগ জনস্বার্থের দল আর আমি জনগণের সেবক। জনগণ আমাকে চায়। সেই জন্য আমি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাই। মানুষের ভালবাসা ও চাওয়া থেকেই নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে অাবদুল লতিফ সিদ্দিকী সংসদ থেকে পদত্যাগ করলে উপ-নির্বাচনে ওই আসনে দলীয় ব্যানারে এমপি নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন।

অপরদিকে, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়নের জন্য উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতা আবু নাসেরের নাম প্রস্তাব করে কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান সংসদের সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন ব্যতিত অন্য যে কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের কাছে লিখিতভাবে অনুরোধ করা হয়। ওই অনুরোধপত্রে এমপি মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁনের নানা অপকর্মের ফিরিস্তিও তুলে ধরা হয়। কিন্তু কালিহাতী উপজেলা আ’লীগ তথা তৃণমূলের অনুরোধ উপেক্ষা করে এমপি মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁনকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়। এতে কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও তৃণমূলের কর্মীরা চরমভাবে হতাশ হয়।

উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী ক্ষুব্ধ হয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রণ্টের মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় যোগদান করে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ও জেলা আ’লীগের নেতা আবু নাসের স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রাজ্ঞ রাজনীতিক আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর প্রতি মৌন সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন।

এ কারণে ৫-৭জন ব্যতিত উপজেলা, দুইটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের অধিকাংশ নেতাকর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের অবস্থান দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। তৃণমূলের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতারা বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ করি, লতিফ সিদ্দিকীও আওয়ামী লীগই করেন; তাই লতিফ সিদ্দিকীকে বিজয়ী করতে কাজ করছি।

তারা আরো বলেন, বর্তমান এমপি মিথ্যাবাদী ও প্রতারক, বিএনপি- জামায়াতের লোকজন নিয়ে চলাফেরা করেন।

টাঙ্গাইল-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী টুকুর বিরুদ্ধে ১০ বছরে ১৩৯ মামলা

ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-২ আসন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে ১০ বছরে মামলার সংখ্যা বেড়েছে বহুগুণ।


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে বিগত ১০ বছরে ১৩৯টি মামলা হয়েছে বলে তার হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এরমধ্যে বর্তমানে ৬১টি মামলা তদন্তনাধীন এবং ৭৮টি মামলা বিচারাধীন। এছাড়া ৪টি মামলায় অব্যাহতি ও ২৯টি মামলা স্থগিত করা হয়েছে। বিগত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে মামলা ছিল ৩টি। ফলে ১০ বছরে মামলা বেড়েছে ১৩৬টি। এ ছাড়া বিগত ১৯৯৬-৯৯ সালে দায়েরকৃত মামলাগুলোতে খালাস পেয়েছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় ৩.৫ কাঠা অকৃষি জমি এবং ১৪৪ বর্গফুট দোকান আছে বলে উল্লেখ করলেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে হলফনামায় তার কোনো জমি বা দোকান নেই বলে উল্লেখ করেছেন। সে সময় তার কাছে নগদ টাকা না থাকলেও বর্তমানে টুকুর কাছে নগদ ২ লাখ টাকা আছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

অন্যদিকে ১০ বছরে তার স্ত্রীর স্বর্ণের পরিমাণ বেড়েছে। গত ১০ বছরে ৪০ ভরি স্বর্ণ বেড়েছে। যা ২০০৮ সালে হলফনামায় বিবাহে উপহার হিসেবে স্বর্ণের পরিমাণ উল্লেখ করা হয় ৪০ ভরি।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নাশকতা মামলায় দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি রয়েছেন। তাই তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় যেতে পারছেন না। এছাড়া এই আসনে তার ভাই জেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ শামছুল আলম তোফাকেও দলের মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়েছে।

ঘাটাইলে কে পাচ্ছেন ধানের শীষ প্রতীক?

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমানের মনোনয়ন চূড়ান্ত। এ আসনটি পুনরুদ্ধারের জন্য ঘাটাইলবাসী দীর্ঘদিনের দাবি ছিল বিএনপি নতুন প্রার্থীর। সর্বশেষ ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী কে হচ্ছেন? এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা।

এই আসনে বিএনপির দুজনকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পর সাবেক এমপি লুৎফর রহমান খান আজাদ ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি কোষাধ্যক্ষ মাইনুল ইসলাম তাদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের বৈধতা পেয়েছেন। অপরদিকে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আ. রশিদ মিয়ার মনোনয়নও বৈধতা পেয়েছেন।

জানা যায়, বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত না হওয়ায় গণ সংযোগ বাদ রেখে লবিংয়ের ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। অন্যদিকে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আ. রশিদ মিয়ার গণ সংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তিনি ঘাটাইল ইউনিয়নে সাবেক পাঁচ বার ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র হওয়ায় জনগণের কাছে ক্লিন ইমেজ হিসেবে পরিচিত। তিনি এক সময় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সক্রিয় নেতা ছিলেন। পরবর্তীতে বঙ্গবীরে কাদের সিদ্দিকীর হাত ধরে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগে যোগদান করেন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে এলাকায় তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।

এ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক সাবেক এমপি লুৎফর রহমান খান আজাদ, জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মাইনুল ইসলাম ও ঐক্যফ্রন্ট থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আঃ রশিদ মিয়ার মধ্যে যে কেউ পেতে পারেন বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এদিকে আগামি ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে দল ও জোটকে তাদের একক প্রার্থী ঘোষণার তথ্য জানাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন।