রবিবার, জানুয়ারি ৩১, ২০১৬

ঘাটাইলে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে ১ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:
টাংঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে ছানা মিয়া (৫৫) নামে এক রাজ মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে গতকাল শনিবার বিকেলে ছানা মিয়া অন্যান্য মিস্ত্রিদের সাথে নিয়ে খায়ের পাড়া বাজার জামে মসজিদের ছাদে রড বসানোর কাজ করছিলেন।
ছাদে রড বসানোর এক পর্যায়ে বিকেল ৪টার দিকে মাটি থেকে রড ছাদে তোলার সময় অসাবধানতা বশত  উপর দিয়ে যাওয়া পল্লী বিদ্যুতের লাইনের সাথে রডের ছোঁয়া লাগলে বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এতে করে ছানা মিয়া বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে মারাত্বক আহত হয়।
পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাংঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে ঢাকা মেডিক্যাল-এ প্রেরণ করে। পরে মির্জাপুর পর্যন্ত তাকে নেয়া হলে মৃত্যুবরণ করে।
আপডেটঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ০৭:৫০ আপরাহ্ন

ঘাটাইলে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

খাদেমুল মামুন, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রবিবার দুপুর ২টায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজুল হক ছানার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এবং জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাইনুল ইসলাম।  মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সাবেক সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মো. সাইদুর রহমান খান (মোহন)। 

প্রধান অতিথি বক্তব্যে মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘এ সরকার ভোটবিহীন সরকার। তাদের কোন ভোটার ভোট দেয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপিকে নির্মূলের লক্ষে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।’

প্রধান বক্তা এমপি মোহন  বলেন, ‘এ সরকারের কথায় যা বলে কাজে তা নয়। এ দেশের মানুষ এ সরকারকে চাই না। তাই মধ্যবর্তী একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।’

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির বিশেষ সম্পাদক আ খ ম মাসুদুল হক মাসুদ, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা শাহ আলম চৌধুরী, লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. হায়দার আলী তালুকদার, ঘাটাইল সদর ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. ফিরোজ হোসেন খান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাসুদ খান তোতা, সাবেক সভাপতি কুরপান আলী, উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ খান বাদল, ঘাটাইল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি বেল্লাল হোসেন, পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র হাবিবুর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা শামছুল আলম লাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সভাপতি আবু হায়দার, সাবেক জিএস ছাইফুল ইসলাম লাল, বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম তালুকদার আনোয়ার প্রমুখ।

মতবিনিমিয় সভায় বক্তারা ঘাটাইল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধের লক্ষ্যে মো. মাইনুল ইসলাম, সাবেক এমপি সাইদুর রহমান খান মোহন ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল হক ছানার নেতৃত্বে দলকে চাঙ্গা করতে সকল নেতাকর্মীরা একমত পোষণ করেন।
প্রকাশঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ০৬:৩৩:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:
রবিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রামে বীরসিংহ ক্রিটেক লীগ ৪৫ প্রতিযোগিতার উদ্দ্যোগে বিএল ভিক্টোরিয়া ও মাশরাফি ওয়ারিজ মাঝে আন্ত: ফাইনাল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বীরসিংহ ৪৫ ক্রিকেটলীগ আয়োজিত ক্রীড়া শিক্ষক আঃ মতিন মিয়ার সভাপতিত্বে বীরসিংহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফাইনাল প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন- লোকেরপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবু, আঃ জলিল মাস্টার, আবু জাফর ইকবাল, দুই দলের অধিনায়ক শামীম আল মামুন, ওসমান গণি সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ।

শেষে রানার্সআপ ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।
প্রকাশঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ০৪:০২:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলের মেয়ে ফারজানা শারমিন মিতু, সাফ এশিয়া গেমস ২০১৬ তে অংশগ্রহণ করবে

মোঃ আরিফ খান, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:

ফেব্রুয়ারি তে ভারতে পর্দা উঠছে ১২ মত সাফ এশিয়া গেমস ২০১৬। বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবে মিতু।বর্তমানে সে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তে কর্মরত আছেন।ইতিমধ্যে জুডো, চাইনিজ মার্শাল অার্ট, উশু, বক্সিং কুস্তী তে নিজ বাহিনী ও বিভিন্ন দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে নিজ যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে। তার সফলতার ঝুলিতে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন পদক।১২ তম সাফ এশিয়ান গেমসে স্বর্নপদকের জন্য লরবে ঘাটাইলের মেয়ে মিতু।তার কিছু সফলতার গল্প শুনাবো আজ।
তার ডাকনাম মিতু কাগজে কলমে, ফারজানা শারমিন মিতু। ৩ নং জামুরিয়া ইউনিয়নের সাধুর পারা গলগন্ডা গ্রামের আনোয়ারা হোসেনের মেয়ে।ছোট বেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ছিলো তার। ইস্কুল ও কলেজ জীবনে অংশগ্রহণ করেছে বিভিন্ন খেলায় ( দৌর, উচ্চলম্ফন, দীর্ঘলম্ফ, চাতকী নিক্ষেপ, খেলায় বরাবরি প্রথম স্থান অধিকার করতা।মধুপুর শহীদ স্মৃতি ইস্কুল এন্ড কলেজে দৌর ও চাতকি নিক্ষেপে প্রথম হয়েছিলো।
তার স্বপ্ন ছিলো যে কোন একটা বাহিনীতে চাকুরী করবে সে, সে আশা পুরন হয় তার ভাষ্যমতে ২০০৮ সালে সারি কাজী চাচার অনুপ্রেরণা আর সহযোগীতায় চাকুরী হয় আনসার ব্যাটেলিয়ানে ট্রেনিং শেষে ২০১০ সাল থেকে খেলাধুলার সাথে জরিত হয়,একি বছর জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতায় ৬৩ কেজি ওজন শ্রেণীতে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। তারপর থেকে শুরু হয় একের পর এক সাফল্য।২০১০ সালে চাইনিজ মার্টশাল আর্ট উশু, ৬৫ ওজন শ্রেণীতে স্বর্ণ পদক পায়। ২০১১ সালে স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস, জুডো প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ পদক লাভ করে। ২০১২ সালে উশু খেলাতে স্বর্ণ পদক।ওয়ালটন ৪ র্থ সিনিয়র কুস্তি প্রতিযোগিতা স্বর্ন পদক।২০১২ সালে আন্তর্জাতিক ইন্দো বাংলা কুস্তি প্রতিযোগিতা ভারতে ৬৭ কেজি ওজন শ্রেণীতে রৌপ পদক লাভ করে বাংলাদের পক্ষে।
২০১৩ সালে দেশে বিদেশ বাংলাদের পক্ষে বিশেষ অবদানের জন্য স্বীকৃতি স্বরুপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে " প্রেসিডেন্ট আনসার সেবা পদক " লাভ করে।
২০১৩ সালে ৮ ম বাংলাদেশ গেমসে একক ভাবে তিনটি ইভেন্টে স্বর্ন পদক লাভ করে,৬৫ কেজি ওজন শ্রেণীতে উশু তে স্বর্নপদক, কুস্তিতে ৬৩ কেজি শ্রেণীতে স্বর্ন পদক বক্সিং ৬০ কেজি শ্রেণীতে স্বর্ন পদক।বাংলাদেশ প্রথম মহিলা বক্সিংএর সূচনা তেও ছিলো ঘাটাইলে মেয়ে মিতু।সাফল্য যখন হাতের মুঠায় তখনি ডাক আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তে ২০১৪ সালে প্রথম মহিলা সৈনিক পদে যোগদান করে সৈয়দপুর ইএম সেন্টার এন্ড কলেজে ট্রেনিং শেষে পোস্টিং হয় ঘাটাইল সেনানিবাসে।সেনাবাহিনী তে যোগদানের পর ৫ ম মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতা আবারো স্বর্ন পদক লাভ করে শধু তাই নয় ১০১৪ সালে সার্ভিসেস কুস্তি প্রতিযোগিতা স্বর্ন পদক লাভ করে মিতু।
তার লক্ষ এখন বিভিন্ন অান্তর্জাতিক ইভেন্টে
সাফ গেমস কে সামনে রেখে ২০১৫ সালের ১৭ আগষ্ট থেকে বাংলাদেশ দলের সাথে কঠিন প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের সিলনের তারপর ১৫ /২১ তারিখ ব্যাংকক যাবে দলের সাথে।
অনলাইন দৈনিক আমাদের ঘাটাইল পরিবারের পক্ষ থেকে ফারজানা শারমিন মিতু আপার জন্য অনেক অনেক দো'আয়া ও শুভ কামনা রইলো।আমরা আশা করি ১২ তম সাফ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশর হয়ে স্বর্ন পদক অর্জন করবে ঘাটাইলে মেয়ে মিতু। তার ও তার পরিবারের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

প্রকাশঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ১২:৩৩:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে জাল দলিল চক্রের ২ সদস্যকে আটক

pageনিউজ ডেস্ক, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমির বিপুল পরিমান জাল দলিল, খতিয়ান, পরচা, জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অন্যান্য নথি ও ম্যাজিস্ট্রেট, ভূমি অফিস, সরকারী বিভিন্ন কর্মকর্তার জাল কম্পিউটার সিলসহ দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাব-১২।
৩১ জনুয়ারী রোববার ভোরে ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের হাতিমারা গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো ওই গ্রামের মৃত আইনউদ্দিনের ছেলে আকবর হোসেন (৪৫) ও মো: আব্দুর বারেকের ছেলে মো: রিপন মিয়া (১৬)।
টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানী (সিপিসি-৩) এর কোম্পানী কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী জানান, আটককৃতরা দির্ঘদিন ধরে ভূমি অফিস সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তফসিল অফিস, ভূমি অফিসের সমস্ত কাজ তাদের নিজের বাড়িতে করে আসছিলো। তারা জাল দলিল, নাম জাড়ি খতিয়ান, জমাবা খতিয়ান, পরচা সহ জমির অন্যান্য কাগজপত্র তৈরী করে তাতে ম্যাজিস্টেটের ভুয়া স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিক্তিতে তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান জাল দলিল, নাম জাড়ি খতিয়ান, জমাবা খতিয়ান সহ অন্যান্য খতিয়ানের খালি ফরম, জমির উপর আদালতের আদেশ কপি, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, কানুনগো সহ বিভিন্ন কর্মকর্তার ভূয়া সিল উদ্ধার করা হয়। ভূমি সংশ্লিষ্ট এই কাজগুলোয় প্রাপ্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে দেয়ার নিয়ম থাকলেও, আটককৃতরা নিজ বাড়িতে বসে এই কাজগুলো করে ফৌজদারি আইনে অপরাধ করেছে।
সূত্রঃ টাঙ্গাইল নিউজ বিডি
প্রকাশঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ০১:৩৩:০০ অপরাহ্ন

শুক্রবার, জানুয়ারি ২৯, ২০১৬

ঘাটাইলে মিনহাজের মাদক ব্যবসার ট্রানজিট


আঃ রশিদ তালুকদার, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৯ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইলঃ
মাদক ধ্বংস করছে যুব সমাজ। মাদকের ছোবলে এলাকার উঠতি বয়সের তরুণরা জাড়িয়ে পড়ছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও বিভিন্ন অপরাধে। টাঙ্গাইলে জীবন ধ্বংসকারী এ মাদক ব্যবসার প্রধান হোতা মিনহাজ উদ্দিন ওরফে মিনহাজ ট্রানজিট। মিনহাজ জেলার ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামে বাস করছেন। কিন্তু সেখানে বসেই পুরো জেলার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  জানা গেছে, দীর্ঘদিন ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান তালুকদারের ছেলে মো. মিনহাজ উদ্দিন (৩৮) মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ঘাটাইল ও ভূঞাপুর থানায় ৮টি মামলা রয়েছে। কিন্তু তিনি আদালত থেকে জামিন নিয়ে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই তার অবৈধ হেরোইন ও ইয়াবার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসার ‘ট্রানজিট’ খেতাব অর্জন করেছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মিনহাজ মাদক ব্যবসা করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। মাদক সেবীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এলাকায়। সেই সাথে বাড়ছে চুরি, ছিনতাই ও যৌন নির্যাতনসহ অনেক অপরাধের ঘটনা। অভিযোগ রয়েছে, গত ৪ বছরের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা মো. জয়নাল আবেদিন তালুকদারসহ কয়েক জনের ২৮টি গরু চুরি ও ৪টি দোকান চুরিসহ এলাকার কয়েকটি বাড়িতে চুরির ঘটনাও ঘটেছে। এর সাথে ট্রানজিট মিনহাজ ও তার সহযোগিরা জড়িত। 
এলাকার গণ্যমান্যরা মিনহাজকে মাদক ব্যবসায় বাধা দিলে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল আদালতে ১০৭ ধারার পৃথক ৩টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন মিনহাজ। 
সূত্র বলছে, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ কয়েকটি জেলায় মিনহাজের মাদক ব্যবসার ট্রানজিট খেতাব ছড়িয়ে পড়েছে। 
এ বিষয়ে মিনহাজসহ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে এলাকাবাসী বার বার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যবস্থা নেয়নি মাদক ট্রানজিট চক্রের বিরুদ্ধে। 
সূত্র মতে, মিনহাজের ব্যবসায়ী সহযোগীরা হচ্ছেন- একই গ্রামের নুরু ভূইয়ার ছেলে স্বপন ভূইয়া (৩৪), নস্কর ভূইয়ার ছেলে মো. বাবু ভূইয়া (২৮), মিনহাজের ছোট ভাই মো. সুবাশ তালুকদার (৩৪)সহ আরও অনেকে। 
এলাকাবাসীর দাবি, সমাজ ও জাতিকে ধ্বংসের মুখ থেকে বাঁচাতে অবিলম্বে এ মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
উল্লেখ্য, ভ্রাম্যমাণ আদালত মিনহাজ উদ্দিন তালুকদারকে ২ বার ৬মাস করে কারাদণ্ড দেন। একই অপরাধে তার ছোট ভাই মো. সুবাশ তালুকদারকে ৬ মাস সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু তারা আপিল করে জামিনে এসে তারা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মাদক ব্যবসায়ী ট্রানজিট প্রধান মিনহাজ উদ্দিন বলেন, ‘আপনার কোন কথা থাকলে বলুন, আমি প্রশাসনকে টাকা দিয়ে থাকি। আপনিও নিবেন? সংবাদ প্রকাশের দরকার নেই।’
ঘাটাইল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিনহাজের গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় রয়েছি। 
প্রকাশঃ ২৯ জানুয়ারী ২০১৬, ০৬:২৩:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে ২৪ প্রহর ব্যাপি শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যষ্ণানুষ্ঠান শুরু

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৯ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইলঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় শুক্রবার সন্ধ্যায় অধিবাসের মধ্য দিয়ে ২৪ প্রহর ব্যাপি  শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যষ্ণানুষ্ঠান শুরু হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার পৌর এলাকার হিন্দু সম্প্রদায় আয়োজিত শান্তিনগর সার্বজনীন হরিমন্দির প্রাঙ্গনে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যষ্ণানুষ্ঠান উপলক্ষ্যে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, তারকব্রহ্ম মহানাম যষ্ণানুষ্ঠান, অষ্টকালীণ লীলা কীর্ত্তন, নগর সংকীর্ত্তন, কুঞ্জ ভঙ্গ, দধি মঙ্গল মহন্ত বিধায় অনুষ্ঠিত হবে। দেশের খ্যাতিনামা দল মহানাম সুধা পরিবেশন করবেন খুলনার নিত্যানন্দ সম্প্রদায়, ফরিদপুরের প্রভুপ্রাত সম্প্রদায় মাদারিপুর মুক্তিলতা সম্প্রদায়, পিরোজপুর আদি ঠাকুর সম্প্রদায়, সীতক্ষীরা মামা ভাগ্নে সম্প্রদায়, ঘাটাইল হরিসভা সংঘ। লীলা কীর্ত্তন পরিবেশন করবেন ঢাকার শ্রী শ্রী প্রীতম মন্ডল, সাতক্ষীরার শ্রী ধর্মদাস এবং যশোরএর কৃষ্ণাপাল। অধিবাস অনুষ্ঠানে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করিবেন অমূল্য চন্দ্র দেবনাথ।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ  হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ঘাটাইল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চন্দ্র দত্ত আমাদের সংবাদকর্মীকে জানান, প্রতিবছরের ন্যায় আমরা এবারও সমস্ত আয়োজন শেষ করেছি এবং প্রশাসনকে অবগত করেছি যাতে আমরা নির্বিঘেœ  সুশৃঙ্খলভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারি।
ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কামাল হোসেন বলেন, সনাতন ধর্মালম্বীরা যাতে নির্বিঘেœ তাদের কীর্ত্তনুষ্ঠান পালন করতে পারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সে বিষয়ে সদা প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।   

প্রকাশঃ ২৯ জানুয়ারী ২০১৬, ০১:৫২:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইল-ভূয়াপুর সড়কে ৫২ বাঁকে হাজারো গর্ত


মোঃ নজরুল ইসলাম, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৯ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল:

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-ঘাটাইল সংযোগ সড়ক দৈঘ্য ১৩ কিলোমিটার বাঁক অর্ধশত হাজারো গর্ত। এটাই এখন বহু প্রতিক্ষিকত ভূঞাপুর-ঘাটাইল সংযোগ সড়কের বর্তমান অবস্থা। বাঁক থাকার কারনে পূর্ব থেকেই এ সড়কে যান চলাচল ছিল ঝুকিপূর্ন। বর্তমানে সড়কটির অর্ধশত বাঁকের মরণ ফাঁদের সাথে যোগ হয়েছে হাজারো গর্ত। দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারের অভাবে সারা সড়ক জুড়েই সৃষ্টি হয়েছে খানা খন্দের। দেখা দিয়েছে বড় বড় গর্তের। এক সময়ের প্রতিক্ষিত এলাকাবাসীর সড়কটি এখন সাধারন মানুষের গলার কাটায় পরিনত হয়েছে।ভূঞাপুরের শিয়ালকোল থেকে ঘাটাইলের কলেজ মোড় পর্যন্ত ১৩ কিলোমিাটারের সড়কটি ঘাটাইল ও ভ’য়াপুর এই দুই উপজেলার চারটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষের যাতায়তের  অন্যতম  সড়ক এটি।  দুই উপজেলার মানুষসহ মধুপুর, জামালপুর ও ময়নসিংহ অঞ্চলের মানুষ স্বল্প সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে উত্তর বঙ্গের সাথে যাতায়তের জন্য অনেক সময় বেছে নেয় এই সড়কটি। এই সড়কে ছোট-বড় ৫২টি বাঁক থাকার পরেও প্রায় ৩৫ কিলোমিটার রাস্তা কমে যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতো বিভিন্ন ধরণের যানবাহন। কিন্তু বিগত ৪বছর ধরে ওই রাস্তাটির কোন প্রকার সংস্কার কাজ করেনি কর্তৃপক্ষ। যার ফলে সড়ক জুড়ে খানাখন্দের সৃষ্টিসহ তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সড়কটি হয়ে পড়েছে যান চলাচলের অনুপোযোগী।  নানা সময়ে এলকাবাসী  সড়কটির সংস্কার কাজের দাবী জানালেও কোন ফল হয়নি। এ রাস্তায় যাতায়াতকারী অনেক যাত্রীই সড়কটিকে আক্ষেপ করে  ৫২ বাঁকের হাজারো গর্তের সড়ক বলে।
ঘাটাইল উপজেলার চেংটা গ্রামের জাহাঙ্গীর তালুকদার বলেন,এই সড়কটিকে আর সড়ক না বলাই ভাল। এটি এখন ৫২ বাঁকের হাজারো গর্তের কষ্ট। আগে প্রতি সপ্তাহেই ছুটিতে বাড়ি আসতাম এখন রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রতি সপ্তাহে আসতে মন চায় না। এ সড়কে একদিন যাতায়ত করলে পরেরদিন রেস্ট নিতে হয়।
ভূঞাপুর উপজেলার পলিশা গ্রামের সিএনজি চালক মালেক বলেন, ঘাটাইল-ভূঞাপুর রোডের আগে ভাড়া ছিল বিশ টাকা আর এখন ভাড়া ৪০-৫০টাকা। তাইলে বুঝেন কেমন রাস্তা!
ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু বলেন, সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলীকে সমন্বয় কমিটির সভাসহ বিভিন্ন সময়ে এই সড়কটির সংস্কার ও বাঁক অপসারণ করে জনগণের ভোগান্তী লাগবের অনুরোধ করে আসলেও তিনি এবিষয়ে কোন প্রকার কর্ণপাত করেণ না। মূলত নি¤œ মানের উপকরণ দিয়ে কাজ করায় দ্রুত সড়কটি নষ্ট হয়ে গেছে এবং  তার স্বদিচ্ছার অভাবেই প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এখন জনগণের গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে।

প্রকাশঃ ২৯ জানুয়ারী ২০১৬, ১০:৫২:০০ অপরাহ্ন

কুড়িপাড়া গন উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ সবুজ সরকার, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল),২৯ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইলঃঐতিহ্যবাহী কুড়িপাড়া গন উচ্চ বিদ্যালয়ে আসন্ন এস.এসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় এবং নবাগত ছাত্রছাত্রীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে| বৃহস্পতিবার সকাল ১১ঘটিকার সময় মিলাদ মাহফিলে মুখোরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন৷ মিলাদ মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক শহিদুজ্জামান শহিদ(ভিপি শহিদ)| উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশুতোষ দেব এবং সিনিয়র ও সহকারি শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ ৷আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও অবিভাবক বৃন্দ ৷মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন রফিকুল ইসলাাম |মিলাদ মাহফিলে বিদায়ী ছাত্রছাত্রীদের জন্য উজ্জল ভবিষ্যত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয় ৷ এবং নবাগত ছাত্রছাত্রীতের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় ৷

প্রকাশঃ ২৯ জানুয়ারী ২০১৬, ১০:০১:০০ অপরাহ্ন

বুধবার, জানুয়ারি ২৭, ২০১৬

ঘাটাইলে মাদক বিরোধী সাইকেল র‌্যালি

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল), ২৭ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল :
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় মাস ব্যাপি মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার সকালে  স্কুল কলেজের ও সুশীল সমাজের লোকজনদের নিয়ে একটি সাইকেল র‌্যালি অনুুষ্ঠিত হয়েছে। সাইকেল র‌্যালিটি উপজেলা চত্বর থেকে পৌর এলাকার বাজার রোড হয়ে শেষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ডিসাইড মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র এর সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস আয়োজিত উপজেলা অডিটরিয়ামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর টাংগাইল শাখার পরিচালক আবুল হাশেম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছমা আরা বেগম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিবিজি কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম মণি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন এর টাংগাইল জেলা সভানেত্রী নাছরিন জাহান (বিউটি), ঘাটাইল থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা মন্ডল, জেলা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ মামুন, টাংগাইল ডিসাইড মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক লায়ন ইঞ্জিনিয়ার হাসান উদ্দিন লিটন , জিবিজি কলেজের সাবেক ভিপি শহিদুজ্জামান খান প্রমুখ।

প্রকাশঃ ২৭ জানুয়ারী ২০১৬, ০১:৫৫:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে অবৈধ কাঠ পোড়ানোর দায়ে বিভিন্ন ইটভাটায় ২ লাখ টাকা জরিমানা


উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল), ২৭ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল :
টাঙ্গাইল ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় অবৈধ কাঠ পোড়ানো লাইসেন্স বিহীন ইটভাটা পরিচালনা পরিবেশর অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অপরাধে মঙ্গবার বিকেলে ২ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করেছেন যৌথ অভিযানে অংশগ্রহন করা ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছমা আরা বেগম ও উপজেলা সহকারী কমিনার (ভূমি) প্রভাংশু সোম মহান।  ভ্রাম্যমান আদালত এ সময় ঘাটাইলে অবস্থিত আর. এস. এম. ব্রিক ফিল্ড কে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, এস.কে.বি ব্রিক ফিল্ড কে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা, লিটন ব্রিক ফিল্ড ৩০ হাজার টাকা, এস.বি. ব্রিক ফিল্ড ৩০ হাজার করে মোট ৪টি ইটভাটায় জরিমানা করেন।
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে আছমা আরা বেগম জানান-ঘাটাইল উপজেলায় বেশিরভাগ ইটভাটায় কোন প্রকার লাইসেন্স নেই ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বিহীন অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করছেন। যারা কাগজপত্র ছাড়া ইটভাটা পরিচালনা করিতেছেন তাদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

প্রকাশঃ ২৭ জানুয়ারী ২০১৬, ০১:৪৮:০০ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৬, ২০১৬

ঘাটাইলে বন বিভাগের গাছ কেটে করাত কল ও বাসা বাড়ী তৈরী


ঘাটাইলের ধলাপাড়া বিট কর্মকর্তার ঘুষ বানিজ্য  

মোঃ রবিউল ইসলাম বাদল ও মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৬ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল: 

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া বিট কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বনের গাছ রক্ষা করার বদলে  নিজেই বনের গাছ বিক্রি করে দিচ্ছে এলাকার কাঠচোরদের কাছে। সেই সাথে মোটা টাকায় পকেট ভরে  বনবিভাগের গেজেটভূক্ত জমি একে একে তুলে দিচ্ছেন ভূমি দস্যুর হাতে। ফলে একদিকে হারিয়ে যাচ্ছে বন, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে তার রাজস্ব সেই সাথে প্রকৃতি হারাচ্ছে তার পরিবেশ। 
সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, ধলাপাড়া রেঞ্জের আওতাধীন ধলাপাড়া বিটকর্মকর্তা খলিলুর রহমান ঘাটাইলে যোগদানের পর থেকেই এলাকার কাঠচোর ও ভূমি দস্যুর সাথে সখ্য গড়ে তোলে। প্রতিদিন ডিউটির নাম করে কাঠচোর ও ভূমি দস্যুর সাথে আড্ডায় মেতে থাকে। আর সুযোগ বুঝে বিটকর্মকর্তা  কাঠচোরদেরকে গাছকাটার সুযোগ করে দেয়। পরে কাটা গাছের গুড়ি উপরে ফেলে বনের জমি অলিখিতভাবে তুলে দিচ্ছে ভূমি দস্যুদের হাতে। ফলে বনবিভাগের গেজেট ভূক্ত জমিতে দিন দিন গড়ে উঠেছে পোলট্টি ফার্ম, করাত কল, হ্যাচারী, কোচিং সেন্টার, মাদ্রাসা, কারখানা, গুদাম ও বাসাবাড়ী। এভাবেই বেদখল হয়ে পড়ছে বন বিভাগের জমি। সরেজমিনে গিয়েও এর সত্যতা পাওয়া যায়।  
জানা যায় ধলাপাড়া বিটের আওতাধীন মুরাইদ, মধুরচালা, দুলালিয়া, শাপলাপাড়া, নয়াপাড়া, সিংহচালা, শালিয়াবহ ও আকন্দেরবাইদ মৌজায় বনবিভাগের রোপনকৃত গাছের ৭০ ভাগই চুরি হয়ে গেছে । সরকারী কাগজে কলমে বনবিভাগের বাগান থাকলেও ভূমি দস্যুরা সেইসব জমিতে তুলা, আলু ও আনারসের চাষ করেছেন। সেই সাথে গড়ে তুলছেন অবৈধ স্থাপনা। 
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুরাইদ মৌজায় ৩২৮ দাগে-১৫.৪০ একর জমির উপর বনবিভাগের রোপনকৃত গাছ নাই বললেই চলে। ঐ গ্রামের নিয়ামুদ্দিনের ছেলে মোস্তফা মিয়া বনের গাছ কেটে গড়ে তুলছেন নিজের  বাসাবাড়ী, পোল্ট্রি ফার্ম ও করাত কল। মুরাইদ গ্রামের মোস্তফা মিয়া মাদরাসার নামের নিজস্ব জমি নিজে ভোগ করে বন বিভাগের জমিতে গড়ে তুলছেন মাদরাসা। পুরো জমিতে চাষ করেছেন আনারস।  একই মৌজায় ১৪৭৮ নং দাগে ১৩.৭০ একর জমিতে মোস্তফা মিয়া বনের গাছ কেটে  তার মেয়ের জামাই জাহিদ কে দিয়ে তুলা চাষ করাইয়াছেন। সলিং বাজারের বাসিন্দা আবু হানিফ জানায় মুরাই মৌজায় বনবিভাগের ১০৯৪, ১৪৭৮ ও ৩২৮ দাগের ৬৪.৬০ একর জমির উপর বনবিভাগের রোপনকৃত গাছ মোস্তফা মিয়া ও  তার সহযোগী রফিক তরফদার গোলাপ হোসেন, ইউসুফ, হযরত, কদ্দুস ও ছাত্তার গংরা বিটকর্মকর্তা খলিলুর রহমানকে টাকা দিয়ে সরকারের প্রায় কোটি টাকা মূল্যের গাছ কেটে বিভিন্ন করাত কলে বিক্রি করে দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন বীটকর্মকর্তা খলিলুর রহমান আর কিছুদিন ঘাটাইলে থাকলে ধলাপাড়া বীটে বন বলতে কিছু থাকবে না। বনবিভাগের জমিতে কিভাবে মুরগীর ফার্ম, করাত কল স্থাপন করছেন এ বিষয়ে মোস্তফা মিয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন বীট কর্মকর্তার পরামর্শে আমার নিজের জমিতেই সবকিছু স্থাপন করেছি। বন বিভাগের জমি কিভাবে আপনার নিজস্ব হয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে অপারগতা প্রকাশ করেন।  

প্লটের মালিক ও মুরাইদ গ্রামের বাসিন্দা ফজর আলী জানায় একই মৌজায় ৩৩৫ দাগে ৩.২৫ একর বন বিভাগের জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো থাকলেও মুরাইদ গ্রামের মোতালেব, সুরুজ ও ফজলু মিয়া গত ১লা নভেম্বর প্লটের ৭টি সেগুন গাছ সহ অন্যান্য ৬৪টি গাছ কেটে গারোবাজার করাত কলে বিক্রি করে দেয়। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন প্লটের গাছ কাটার সময় বিটকর্মকর্তা খলিলুর রহমানকে সংবাদ দিলেও  তিনি গাছ জব্দ না করে তাদের সাথে দেখা করে চলে যান। মুরাইদ গ্রামের জহুরুল ও লতিফ জানায়  আমরা বিভিন্ন সময় চোরাই গাছ জমা করে  বীট কর্মকর্তাকে সংবাদ দিয়েছি তিনি বরাবরই গাছ জব্দ না করে চোরদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে চলে গেছেন।  বনের গাছ কাটা ও মুরগীর ফার্ম স্থাপন করার বিষয়ে ধলাপাড়া বিট কর্মকর্তা খলিলুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাবলিক বলে আমার জমি, আমরা বলি সরকারের জমি এ নিয়ে ঝামেলায় আছি ভাই। তবে নেতা মেম্বার সাহেব কে বলেছি তিনি কাগজপত্র দেখে একটা ফয়সালা দিবেন । বনবিভাগের জমি নেতা কিভাবে ফয়সালা দিবেন জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে মোবাইলের লাইন কেটে দেন। 
ধলাপাড়া বিটের গাছ চুরি ও জমি বেদখল হওয়ার বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন- গাছ চুরি ও জমি বেদখল হয়ে যাওয়া এটা তারা কোন বিষয়ই মনে করেন না, তারা সবসময় নিজেদের পকেট ভারী করতে গরিবের নামে মামলা দিয়ে ধনীদের বাঁচাতে বেশি ব্যস্ত থাকে। 
এ বিষয়ে ধলাপাড়া রেঞ্জার আবু জাফরের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন সংক্রান্ত কোন বিষয় হলে আমাকে জানাবেন আমি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। 

প্রকাশঃ ২৬ জানুয়ারী ২০১৬, ০২:০৮:০০ অপরাহ্ন


ঘাটাইলে তোড়জোড় শুরু হয়েছে ইউপি সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের

মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৬ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল:
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে  টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের। উপজেলায় বর্তমানে মোট ১৪ টি ইউনিয়ন থাকলেও তিনটি ইউনিয়ন নতুন হওয়াতে এবার ১১টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
স্থানীয় সরকার আইন সংশোধিত হওয়ায় প্রার্থীরা এখন দলীয় প্রতীক পাওয়ার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে।
এবার সারাদেশে পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিপুল বিজয়ের কারণে সরকার দলীয় প্রতীক পেতে তৎপর হয়ে উঠেছে অধিকাংশ প্রার্থী। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতাদের সমর্থন আদায়ে জোর লবিং শুরু করেছে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা। তবে অধিকাংশ এলাকাতেই একাধিক প্রার্থী থাকায় কার ভাগে ছিঁকে ছিড়বে তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় অনেকেই।
অন্যান্য দলের মধ্যে বিএনপি সমর্থক প্রার্থীরাও দলীয় মনোনয়ন পেতে লবিং শুরু করেছেন। তবে বিএনপিতে একক প্রার্থী থাকবে বলে দলীয় সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে।
তবে জামায়াত বিএনপির সাথে একটা সমঝোতায় যাবে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে সর্বত্র ভোটারদের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয়ে গেছে। অনেক প্রার্থী তাদের সাথে দেখা সাাৎ করছেন। তাদের দোয়া চাইছেন, সমর্থন আাদায়ের চেষ্টা করছেন।

প্রকাশঃ ২৬ জানুয়ারী ২০১৬, ১২:০৮:০০ অপরাহ্ন

শনিবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১৬

ঘাটাইলে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

মোঃ নজরুল ইসলাম, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৩ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল :

শিশুদের জন্য পিঠা উৎসবশিশুদের মধ্যে শীতের পিঠার পরিচয় করিয়ে দিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শুক্রবার পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। উইজডম ভ্যালি নিজস্ব ক্যাম্পাসে এ উৎসবের আয়োজন করে। সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত চলে এ উৎসব। শিশুদের অভিভাবকরা নানা রকমের পিঠার পসরা সাজিয়ে রাখেন টেবিলে। আর এসব পিঠার বেশির ভাগ ক্রেতাই ছিল শিশু। তবে বড়রাও পিঠা খাওয়ায় পিছিয়ে ছিল না।ঘাটাইল উপজেলার মধ্যে প্রথমবারের মতো এরকম পিঠা উৎসবের আয়োজন করায় শিশু, অভিভাবকরাসহ স্থানীয়রা দারুণ খুশি।

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তামান্না আক্তার আশা সকালেই উৎসবে এসেছে। সে গোলাপ ও ঝাল পিঠাসহ কয়েক রকমের পিঠা কিনে খেয়েছে।
তামান্না আক্তার আশা বলে, খুব ভালো লাগছে। আগে কখনও এ রকম পিঠা কিনে খাইনি। নতুন নতুন অনেক পিঠা আছে এখানে। একই শ্রেণির আছিয়া আজাদ কমাও পিঠা কিনে খাচ্ছিল। সে বলে, পিঠাগুলো খুব মজার। আমার মনে হচ্ছে পিঠা মেলায় আসছি। কত রকমের পিঠা!
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র সাদমান মুনিম ও তার ছোট ভাই প্রথম শ্রেণির ছাত্র সালমান মুহিদ এসেছে তাদের মায়ের সঙ্গে। তারা দুই ভাইও কয়েক রকমের পিঠা খেয়েছে বলে জানায় বাংলা ট্রিবিউনকে।
শিশুদের জন্য পিঠা উৎসবহেলনাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে সন্ধা’র পিঠা স্টলের স্বত্বাধিকারী শাহিনা আক্তার পিঠা উৎসবে ৩৬ প্রকারের পিঠা তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, ঘাটাইলে এই প্রথম এ রকম পিঠা উৎসব হচ্ছে। এ প্রজন্মের শিশুদের গ্রাম বাংলার বিভিন্ন ধরনের পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এরকম আয়োজন অব্যাহত রাখা দরকার। একই মত ব্যক্ত করেন পিঠাঘরের ডেইজি লাকী। তার স্টলেও ২১ ধরনের পিঠা শোভা পাচ্ছে।

উৎসবের আয়োজক উইজডম ভ্যালি’র অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামাল হোসেন আমাদের ঘাটাইল ডটকমকে বলেন, চিনিসূতী, পাতাবাহারী, তালপিঠা, বৌসোহাগী, গোলাপ ফুল, ডালপাটা, সাতখোলা, ভাজাপুলি, খাস্তা, দুধকুলি, আন্তসা, ঝড়কা, সিমফুলসহ শতাধিক প্রকারের পিঠা উৎসবে প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া পিঠাকে নাগরিক জীবনে ফিরিয়ে এনে এ প্রজন্মের শিশুদের মাঝে পরিচিত করতেই এ উৎসবের আয়োজন। প্রতি বছর এরকম আয়োজন করা হবে  জানান তিনি। পরে সন্ধা’র পিঠা, পিঠাঘর ও বয়াংসি পারমাকালচার স্টলকে সেরা হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।

প্রকাশঃ ২৩ জানুয়ারী ২০১৬, ১০:৫২:০০ অপরাহ্ন


বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২১, ২০১৬

১৬ মাস পলাতক এমপি রানা বহিষ্কার দাবি আওয়ামী লীগের

আতিকুর রহমান, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২১ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল:টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদ হত্যার তিন বছর পেরিয়ে গেল সোমবার। তার হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবিতে জেলা ও থানা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ প্রতিবাদ সভা করেছে। ডিবি পুলিশ জানায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি শহরের কলেজপাড়া এলাকায় নিজ বাসার কাছে এই প্রভাবশালীর নেতার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহম্মেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবিতে দেওয়া হয়। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এ হত্যাকাণ্ডে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা এবং তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তত্কালীন মেয়র শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকন ও ছাত্রলীগের তত্কালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা জড়িত উল্লেখ করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন গ্রেফতার দুই আসামি। এর পর থেকে এমপি আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাই ১৬ মাস ধরে পলাতক। এমপি রানাকে গ্রেফতার করতে না পারায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনগুলো এমপি রানাকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা আবু সাঈদ রুবেল বলেন, ‘এমপি রানা ১৬ মাস ধরে পলাতক। আওয়ামী লীগ থেকে তাকে বহিষ্কার দাবি করছি।’ উপজেলা যুবলীগ নেতা মাহবুব আলম বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদ হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে এমপি রানাকে দল থেকে বহিষ্কার করে ঘাটাইলবাসীকে কলঙ্কমুক্ত করা হোক।’ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম খান লেবু বলেন, ‘ফারুক হত্যায় জড়িত এমপি রানা ১৬ মাস ধরে এলাকাছাড়া। তার এই পলাতক থাকার কারণে ঘাটাইলবাসী যেমন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি ঘাটাইল আওয়ামী লীগে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাকে দল থেকে এমপি রানাকে বহিষ্কারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিবেদন করছি।’প্রকাশঃ ২১ জানুয়ারী ২০১৬, ০৮:২২:০০ অপরাহ্ন

বুধবার, জানুয়ারি ২০, ২০১৬

ঘাটাইলের লাউয়া গ্রামে ইভটিজিংয়ের দায়ে জুয়েল মিয়া নামে একজনকে জরিমানা

ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২০ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল : টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া মডেল ইউনিয়নের লাউয়া গ্রামের জুয়েল মিয়াকে (৩৫) মঙ্গলবার বিকেলে তার পাশের বাড়ির এক মেয়েকে ইভটিজিং করার দায়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও আছমা আরা বেগম। এ বিষয়ে ওই মেয়ে বাদী হয়ে ইউএনও বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পরে এই জরিমানা করা হয়।ইউএনও আছমা আরা বেগম জানান, ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া মডেল ইউনিয়নের সোহরাব হোসেনের ছেলে জুয়েল মিয়া (৩৫) তার পাশের বাড়ির এক মেয়েকে বিভিন্ন সময় রাস্তাঘাটে ইভটিজিং করতেন। পরে ওই মেয়ে বিষয়টি অভিভাবককে জানালে ছেলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ জুয়েলকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করলে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে। পরবর্তীতে আর কোন সময় রাস্তাঘাটে কোন মেয়েকে ইভটিজিং করবে না মর্মে মুচলেকা দেয়।

প্রকাশঃ ২০ জানুয়ারী ২০১৬, ০১:৫২:০০ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৯, ২০১৬

ঘাটাইলে জিয়াউর রহমানের ৮০তম জন্ম দিন পালিত


মোঃ নজরুল ইসলাম,ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ১৯ জানুয়ারি,

আমাদের ঘাটাইল :মঙ্গলবার যথাযথ মর্যাদায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮০তম জন্মদিন পালিত হয়।  এ উপলক্ষে উপজেলা বি.এন.পির নিজ কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।  উপজেলা, পৌর বি.এন.পি, যুবদল, ছাত্রদল যৌথ ভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।উপজেলা বি.এন.পির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম ভূইয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বি.এন.পির সাধারন সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিম, যুগ্ম সম্পাদক হেলালুর রহমান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম খান, পৌর বি.এন.পির সভাপতি ও মেয়র মঞ্জুরুল হক মঞ্জু , সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম সরকার, যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক আহম্মেদ সাগর,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক খুররম মাসুদ সিদ্দিকী ও কলেজ শাখা ছাত্র দলের আহবায় মোঃ আফজাল হোসেন।

প্রকাশঃ ১৯ জানুয়ারী ২০১৬, ০৭:৫২:০০ অপরাহ্ন

সোমবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৬

ঘাটাইলে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

নিউজ ডেস্ক, ১৮ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল : 

সোমবার ঘাটাইল উপজেলায় সারাদেশের ন্যয় বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভূক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের শর্তহীনভাবে ৮ম জাতীয় স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করা হয়। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঘাটাইল উপজেলা শাখা আয়োজিত ৫২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহ¯্রাধিক শিক্ষক ও কর্মচারী ঘাটাইল গণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা চত্বরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি খন্দকার তাহাজজত হোসেন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান,  সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব সরকার প্রমুখ। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর শিক্ষক নেতৃবৃন্দ একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। 

প্রকাশঃ ১৮ জানুয়ারী ২০১৬, ০১:৫২:০০ অপরাহ্ন

রবিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০১৬

ঘাটাইলে মানবকণ্ঠ পত্রিকার সেতুবন্ধনের প্রস্তুতি সভা

বরুণ কুমার,ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ১৭ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল :ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ ওরে আমার কাঁচা, আধ মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার অমর কথাগুলো সবারই জানা। যুগে যুগে তরুণরাই পর্বতসম কঠিন কাজকে বরফের মতো গলিয়ে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে। তাই তো এরই রেশ ধরে কিছু সংখ্যক তারুণ্যদীপ্ত তরুণদের নিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় গত রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের বাসায় মানবকণ্ঠ পত্রিকার সেতুবন্ধনের আহ্বায়ক কমিটি করার জন্য প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিভাবে আর্তমানবতার সেবায় তারুণ্যকে সম্পৃক্ত করা যায়। সেতুবন্ধন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সংখ্যা, কার্যাবলির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা যাতে সবাই উপস্থিত থাকে সে বিষয়ে মত প্রকাশ করা হয়। সেতুবন্ধনের বিভাগীয় সম্পাদক জ্যোতিষ সমাদ্দার বাবু ভাইকে প্রস্তুতি সভার বিষয়ে ফোন করে অবহিত করে মতামত চাওয়া হয়। উনার সম্মতিতে আলোচনা শুরু হয়। এ সময় প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন ৬নং পৌর এলাকার কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মাজহারুল ইসলাম, রাজন চন্দ্র বসু, বিজয় কুমার পণ্ডিত, মো. রিপন মিয়া, পলাশ মিত্র, আলহাজ জালাল উদ্দিন, রাজন চন্দ্র দাস। ভালো কাজের সঙ্গে থেকে বন্ধুরা কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আহ্বায়ক কমিটি করার পরিকল্পনা নিয়ে সার্বিক আলোচনা করা হয়। পরিশেষে চা চক্রের মাধ্যমে প্রস্তুতির সমাপ্তি টানা হয়।   সমন্বয়ক, সেতুবন্ধন, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল প্রকাশঃ ১৭ জানুয়ারী ২০১৬, ০৭:৫২:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে মানবকণ্ঠ পত্রিকার সেতুবন্ধনের প্রস্তুতি সভা

বরুণ কুমার,ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ১৭ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল :ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ ওরে আমার কাঁচা, আধ মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার অমর কথাগুলো সবারই জানা। যুগে যুগে তরুণরাই পর্বতসম কঠিন কাজকে বরফের মতো গলিয়ে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে। তাই তো এরই রেশ ধরে কিছু সংখ্যক তারুণ্যদীপ্ত তরুণদের নিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় গত রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের বাসায় মানবকণ্ঠ পত্রিকার সেতুবন্ধনের আহ্বায়ক কমিটি করার জন্য প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিভাবে আর্তমানবতার সেবায় তারুণ্যকে সম্পৃক্ত করা যায়। সেতুবন্ধন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সংখ্যা, কার্যাবলির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা যাতে সবাই উপস্থিত থাকে সে বিষয়ে মত প্রকাশ করা হয়। সেতুবন্ধনের বিভাগীয় সম্পাদক জ্যোতিষ সমাদ্দার বাবু ভাইকে প্রস্তুতি সভার বিষয়ে ফোন করে অবহিত করে মতামত চাওয়া হয়। উনার সম্মতিতে আলোচনা শুরু হয়। এ সময় প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন ৬নং পৌর এলাকার কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মাজহারুল ইসলাম, রাজন চন্দ্র বসু, বিজয় কুমার পণ্ডিত, মো. রিপন মিয়া, পলাশ মিত্র, আলহাজ জালাল উদ্দিন, রাজন চন্দ্র দাস। ভালো কাজের সঙ্গে থেকে বন্ধুরা কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আহ্বায়ক কমিটি করার পরিকল্পনা নিয়ে সার্বিক আলোচনা করা হয়। পরিশেষে চা চক্রের মাধ্যমে প্রস্তুতির সমাপ্তি টানা হয়।   সমন্বয়ক, সেতুবন্ধন, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল প্রকাশঃ ১৭ জানুয়ারী ২০১৬, ০৭:৫২:০০ অপরাহ্ন

বুধবার, জানুয়ারি ১৩, ২০১৬

ঘাটাইলে স্বাস্থ্য কার্ডের রেজিস্ট্রেশন ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু

নিউজ ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল :

আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে টাঙ্গাইলের তিন উপজেলায় স্বাস্থ্য কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিনামূল্যে আধুনিক চিকিৎসাসেবা দিতে এই কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। টাঙ্গাইলের মধুপুর, কালিহাতী ও ঘাটাইলে আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচীর পাইলট প্রকল্প শুরু হবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচীর স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এতে সভাপতিত্বে করেন।সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দরিদ্রবান্ধব সরকার। দেশ থেকে দারিদ্র্য বিমোচনে সরকার সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচী গ্রহণসহ নানাবিধ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। ফলে গত কয়েক বছরে দেশে দারিদ্র্যের হার অনেক কমেছে। তিনি বলেন, সরকার গরিব মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে যেসব কর্মসূচী হাতে নিয়েছে তার সুফল জনগণ পাচ্ছে। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে অতি দরিদ্র মানুষ যেন জটিল রোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করতে পারে সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচীর কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।সভায় জানানো হয়, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, মধুপুর ও কালিহাতীতে অতি দারিদ্র্য সীমার নিচে অবস্থানকারী জনগোষ্ঠীর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ঐ তিন উপজেলায় প্রায় এক লাখ মানুষ সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার চিকিৎসা সুবিধা দিতে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ করা হবে। এই কার্ডধারী ব্যক্তিগণ কয়েকটি নির্দিষ্ট জটিল রোগের চিকিৎসাসেবা পাবেন উপজেলা, জেলা পর্যায়ের সরকারী হাসপাতাল থেকে। পরিবার প্রতি একজন এই কার্ড পাবে।সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ দীন মোঃ নুরুল হক, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক আসাদুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।পরে ভারতের বিখ্যাত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আইএএমএসএমই অব ইন্ডিয়া এবং এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সের ৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন। আইএএমএসএমই-এ চেয়ারম্যান রাজীব ঢাওলা এবং এশিয়ান ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান পদ্মভূষণ ডাঃ নরেন্দ্র কুমার পান্ডে এই দলের নেতৃত্ব দেন।ভারতীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের গরিব ও সাধারণ মানুষের জন্য সহজে ও কম খরচে বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদানের জন্য হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানান।

প্রকাশঃ ১৩ জানুয়ারী ২০১৬, ০৪:৩১:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে স্বাস্থ্য কার্ডের রেজিস্ট্রেশন ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু

নিউজ ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল :

আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে টাঙ্গাইলের তিন উপজেলায় স্বাস্থ্য কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিনামূল্যে আধুনিক চিকিৎসাসেবা দিতে এই কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। টাঙ্গাইলের মধুপুর, কালিহাতী ও ঘাটাইলে আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচীর পাইলট প্রকল্প শুরু হবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচীর স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এতে সভাপতিত্বে করেন।সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দরিদ্রবান্ধব সরকার। দেশ থেকে দারিদ্র্য বিমোচনে সরকার সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচী গ্রহণসহ নানাবিধ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। ফলে গত কয়েক বছরে দেশে দারিদ্র্যের হার অনেক কমেছে। তিনি বলেন, সরকার গরিব মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে যেসব কর্মসূচী হাতে নিয়েছে তার সুফল জনগণ পাচ্ছে। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে অতি দরিদ্র মানুষ যেন জটিল রোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করতে পারে সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচীর কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।সভায় জানানো হয়, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, মধুপুর ও কালিহাতীতে অতি দারিদ্র্য সীমার নিচে অবস্থানকারী জনগোষ্ঠীর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ঐ তিন উপজেলায় প্রায় এক লাখ মানুষ সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার চিকিৎসা সুবিধা দিতে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ করা হবে। এই কার্ডধারী ব্যক্তিগণ কয়েকটি নির্দিষ্ট জটিল রোগের চিকিৎসাসেবা পাবেন উপজেলা, জেলা পর্যায়ের সরকারী হাসপাতাল থেকে। পরিবার প্রতি একজন এই কার্ড পাবে।সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ দীন মোঃ নুরুল হক, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক আসাদুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।পরে ভারতের বিখ্যাত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আইএএমএসএমই অব ইন্ডিয়া এবং এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সের ৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন। আইএএমএসএমই-এ চেয়ারম্যান রাজীব ঢাওলা এবং এশিয়ান ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান পদ্মভূষণ ডাঃ নরেন্দ্র কুমার পান্ডে এই দলের নেতৃত্ব দেন।ভারতীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের গরিব ও সাধারণ মানুষের জন্য সহজে ও কম খরচে বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদানের জন্য হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানান।

প্রকাশঃ ১৩ জানুয়ারী ২০১৬, ০৪:৩১:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলের সাইটশৈলা গ্রামে এক প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষিত


ঘাটাইল (টাঙ্গাইল), ১২ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল :টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রতিবন্ধী এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত সোমবার উপজেলার সাইটশৈলা গ্রামে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।  মঙ্গলবার কিশোরীর মা বাদি হয়ে এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

পুলিশ ও ধর্ষিতার পরিবার জানায়, ১৬ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ধর্ষিতা কিশোরী ঘাটাইল উপজেলার সাইটশৈলা গ্রামে। সোমবার দুপুরে সে তার নিজ বাড়িতে রান্না করছিল। এ সময় পাশের বাড়ির শাহজাদা খান নামক ষাট বছর বয়স্ক এক লোক তাকে জলপাই দেয়ার কথা বলে ডেকে নেয়। পরে ওই ব্যক্তি তার বাড়িতে নিজের ঘরে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করে। কিশোরী মেয়েটি বাড়িতে এসে তার মাকে ঘটনা জানায়। পরে তার মা এলাকাবাসীকে ঘটনাটি জানায়। এলাকার লোক ঘটনাটি টের পাওয়ায় আগেই ধর্ষক কৌশলে পালিয়ে যায়।মামলার পর আজ মঙ্গলবার পুলিশ মেয়েটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্য পাঠায়। ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে মেয়েটির জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়। পরে মেয়েটিকে তার মায়ের হেফাজতে দেয়া হয়। ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান,  মঙ্গলবার ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

প্রকাশঃ ১৩ জানুয়ারী ২০১৬, ১২:০১:০০ অপরাহ্ন

রবিবার, জানুয়ারি ১০, ২০১৬

চাঁদাবাজি মামলায় দেউলাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সোহবার হোসেনকে গ্রেপ্তার


শনিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কলেজ মোড় থেকে ১নং দেউলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সোহরাব হোসেন (৫৫) কে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ। তাকে টাংগাইল জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। 
পুলিশ জানায় ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ঐ গ্রামের  মোঃ নূরুল ইসলাম এর মেয়ে এ্যাডভোকেট শামীমা ইসলাম (৩৫) এর জায়গা জোরপূর্বক দখল করে এবং ৬ লক্ষ টাকার চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত মঙ্গলবার লোকজন নিয়ে জমির  ধান ও পুকুর জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ ডিসেম্বর  এ্যাডভোকেট শামীমা ইসলাম বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী এ্যাডভোকেট শামীমা ইসলাম জানান, চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন আমার জমি জবরদখল করে রেখেছে এবং আমার কাছে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে, আমি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে আমি তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছি।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক এস.আই তাইজুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন-তার বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদা চাওয়ার অপরাধে থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। 

উল্লেখ্য তার বিরুদ্ধে পাহাড় কাটা, গাছ কাটা সহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।