মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৬

ঘাটাইলে ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

হামিদপুর (ঘাটাইল) প্রতিনিধিঃ
মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে গত মঙ্গলবার মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ-হামিদপুর শাখার উদ্দোগে ট্রাক মালিক সমিতির কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রেজাউল করিম খান রাজুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরষিদ  কেন্দ্রীয় কমিটির  সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আবদুর রহমান। এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক  মীর তাওহীদ সৈকত।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্ঠা সৈয়দ বদরুদ্দোজা রেজভী। মীর সাদ্দাম হোসেন, ফাহাদ হোসেন, ছাব্বির হোসেন প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক জীবন সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন সা¤্রাজ্যবাদ ও আদিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের একজন সিপাহসালার। তিনি আজীবন সাধারন মানুষের শোষন-বঞ্চনার বিরোদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। পরিশেষে মওলানা ভাসানী হুজুরের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

ঘাটাইলে ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

হামিদপুর (ঘাটাইল) প্রতিনিধিঃ
মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে গত মঙ্গলবার মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ-হামিদপুর শাখার উদ্দোগে ট্রাক মালিক সমিতির কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রেজাউল করিম খান রাজুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরষিদ  কেন্দ্রীয় কমিটির  সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আবদুর রহমান। এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক  মীর তাওহীদ সৈকত।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্ঠা সৈয়দ বদরুদ্দোজা রেজভী। মীর সাদ্দাম হোসেন, ফাহাদ হোসেন, ছাব্বির হোসেন প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক জীবন সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন সা¤্রাজ্যবাদ ও আদিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের একজন সিপাহসালার। তিনি আজীবন সাধারন মানুষের শোষন-বঞ্চনার বিরোদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। পরিশেষে মওলানা ভাসানী হুজুরের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

পর্নো-সাইট বন্ধের বিষয়টি পরিস্কার করলেন তারানা হালিম

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি সাইট ব্যবহারকারীদের তালিকা তৈরি করছে সরকার- এমন ভিত্তিহীন সংবাদে বিভ্রান্ত না হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
তিনি বলেছেন, যেকোন ব্যক্তিরই তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কোথাও কোন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে সবার ধারণা স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
“পর্ন সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার প্রশ্নই আসেনা। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।
পর্ন সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার কোন কথা কখনই বলিনি। এটি হবেও না। টেকনিক্যালিও সম্ভব নয়। মানুষের পরিচয় তথা ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা দিতে আমরা বাধ্য ও বদ্ধপরিকর। কিন্তু দুঃখ এটিই যে, এমন তালিকা করা হবে, এ ধরণের ভিত্তিহীন রটনা পড়ে সত্যাসত্য যাচাই না করেই নিজ নিজ ফেসবুক আইডিতে কিছু কিছু ব্যক্তি নেতিবাচক পোস্ট দিতে শুরু করলেন- ট্রল করা শুরু করলেন। সভ্যতা, ভব্যতার মাত্রাও অতিক্রম করলেন অনেকেই। আমরা হয়তো কোন পদে আছি- কিন্তু তারও আগে আমরা মানুষ। আপনাদের সকলের মতো কষ্ট-দুঃখ, মান-অপমানবোধ আমাদেরও আছে। আমরা ভিন গ্রহের বাসিন্দা নই। রক্ত-মাংসের মানবিকবোধসম্পন্ন আবেগময় মানুষ আমরাও। সেটি কি ভাবেন?
মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, আমাদের কাজের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দেবার অধিকারও আছে।কিন্তু সত্য না জেনে কাউকে অপমান করার অধিকার যেমন আমার নেই, তেমনি আপনারও নেই।
সত্য হচ্ছে, আমরা দেশের ভিতরের পর্ন সাইট বন্ধের উদ্দেশ্যে কমিটি করেছি। তারা দেশের ভিতরের পর্ন সাইটগুলোর তালিকা দেবে (কোন ব্যক্তির নয়)। দেশের ভিতরের পর্ন সাইটগুলো বন্ধ করতে ISP ও IIG'রা পদক্ষেপ নিবে। যদিও রিপোর্টটি এখনও হাতে পাই নি।
বাইরে থেকে জেনারেটেড বা ইউটিউবে এসব কন্টেন্ট পুরোপুরি ব্লক করা যায় না- যদি সত্তর ভাগও করা যায়, মানুষ উপকৃত হবে।
আমি কতগুলো কাজের কথা বলেছি, সবই কিন্তু করেছি, করছি। এটাও করতে চাইছি। কারণ একাধিক পত্রিকার খবরে দেখলাম, দেশের জনগোষ্ঠীর একটা অংশ পর্ন-আসক্তির কারণে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু কারো নামের তালিকা প্রকাশের প্রশ্নই আসে না। যারা আমাকে নিয়ে ট্রল করছেন, তাদেরকে অনুরোধ করছি, আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানান:
পর্ন সাইটগুলো নিয়ন্ত্রিত হোক, তা কি আপনারা চান, নাকি চান না?
না চাইলে দৃঢ়ভাবে বলুন, চান না।
ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- এখানে প্রত্যেকেই নিজে নিজ রাজ্যের রাজা। কিন্তু রাজা হলেই জুলুম করা যায় না। কলম থাকলেই সাংবাদিক হওয়া যায় না। দু'একদিন মিছিলে গেলেই রাজনীতিবিদ হওয়া যায় না। জন্ম নিলেই মানুষ হওয়া যায় না। আসুন, আমরা মানুষ হই। কাউকে ছোট করে কিছু লেখার আগে শতবার ভাবি। কারণ, মানুষ হওয়াই সবচেয়ে কঠিন কাজ। চলুন, এ কাজটি করি সবার আগে। সবাইকে ধন্যবাদ।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।
তারানা হালিম
প্রতিমন্ত্রী,
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ,
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়।”

পর্নো-সাইট বন্ধের বিষয়টি পরিস্কার করলেন তারানা হালিম

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি সাইট ব্যবহারকারীদের তালিকা তৈরি করছে সরকার- এমন ভিত্তিহীন সংবাদে বিভ্রান্ত না হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
তিনি বলেছেন, যেকোন ব্যক্তিরই তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কোথাও কোন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে সবার ধারণা স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
“পর্ন সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার প্রশ্নই আসেনা। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।
পর্ন সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার কোন কথা কখনই বলিনি। এটি হবেও না। টেকনিক্যালিও সম্ভব নয়। মানুষের পরিচয় তথা ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা দিতে আমরা বাধ্য ও বদ্ধপরিকর। কিন্তু দুঃখ এটিই যে, এমন তালিকা করা হবে, এ ধরণের ভিত্তিহীন রটনা পড়ে সত্যাসত্য যাচাই না করেই নিজ নিজ ফেসবুক আইডিতে কিছু কিছু ব্যক্তি নেতিবাচক পোস্ট দিতে শুরু করলেন- ট্রল করা শুরু করলেন। সভ্যতা, ভব্যতার মাত্রাও অতিক্রম করলেন অনেকেই। আমরা হয়তো কোন পদে আছি- কিন্তু তারও আগে আমরা মানুষ। আপনাদের সকলের মতো কষ্ট-দুঃখ, মান-অপমানবোধ আমাদেরও আছে। আমরা ভিন গ্রহের বাসিন্দা নই। রক্ত-মাংসের মানবিকবোধসম্পন্ন আবেগময় মানুষ আমরাও। সেটি কি ভাবেন?
মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, আমাদের কাজের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দেবার অধিকারও আছে।কিন্তু সত্য না জেনে কাউকে অপমান করার অধিকার যেমন আমার নেই, তেমনি আপনারও নেই।
সত্য হচ্ছে, আমরা দেশের ভিতরের পর্ন সাইট বন্ধের উদ্দেশ্যে কমিটি করেছি। তারা দেশের ভিতরের পর্ন সাইটগুলোর তালিকা দেবে (কোন ব্যক্তির নয়)। দেশের ভিতরের পর্ন সাইটগুলো বন্ধ করতে ISP ও IIG'রা পদক্ষেপ নিবে। যদিও রিপোর্টটি এখনও হাতে পাই নি।
বাইরে থেকে জেনারেটেড বা ইউটিউবে এসব কন্টেন্ট পুরোপুরি ব্লক করা যায় না- যদি সত্তর ভাগও করা যায়, মানুষ উপকৃত হবে।
আমি কতগুলো কাজের কথা বলেছি, সবই কিন্তু করেছি, করছি। এটাও করতে চাইছি। কারণ একাধিক পত্রিকার খবরে দেখলাম, দেশের জনগোষ্ঠীর একটা অংশ পর্ন-আসক্তির কারণে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু কারো নামের তালিকা প্রকাশের প্রশ্নই আসে না। যারা আমাকে নিয়ে ট্রল করছেন, তাদেরকে অনুরোধ করছি, আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানান:
পর্ন সাইটগুলো নিয়ন্ত্রিত হোক, তা কি আপনারা চান, নাকি চান না?
না চাইলে দৃঢ়ভাবে বলুন, চান না।
ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- এখানে প্রত্যেকেই নিজে নিজ রাজ্যের রাজা। কিন্তু রাজা হলেই জুলুম করা যায় না। কলম থাকলেই সাংবাদিক হওয়া যায় না। দু'একদিন মিছিলে গেলেই রাজনীতিবিদ হওয়া যায় না। জন্ম নিলেই মানুষ হওয়া যায় না। আসুন, আমরা মানুষ হই। কাউকে ছোট করে কিছু লেখার আগে শতবার ভাবি। কারণ, মানুষ হওয়াই সবচেয়ে কঠিন কাজ। চলুন, এ কাজটি করি সবার আগে। সবাইকে ধন্যবাদ।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।
তারানা হালিম
প্রতিমন্ত্রী,
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ,
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়।”

‘বোন’কে বিয়ে করছেন আমন!

বিনোদন ডেস্ক: রিল লাইফে তারা ভাই-বোন। তবে বাস্তব জীবনে হতে চলেছেন স্বামী-স্ত্রী। আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিয়ে করবেন অভিনেতা আমন বর্ম ও অভিনেত্রী বন্দনা লালওয়ানি।
'শপথ' নামের একটি হিন্দি সিরিয়ালে ভাই-বোনের অভিনয় করেছিলেন আমন-বন্দনা। গত ২০ এপ্রিল বিয়ের কথা ছিল তাদের কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত মার্চে গাড়ি দুর্ঘটনায় আমনের বাবা মারা যান। ফলে পিছিয়ে যায় এই শুভ অনুষ্ঠান। সে সময়ে খুব ভেঙেও পড়েন তারা।
২০১৫-র ১৪ ডিসেম্বর দিল্লিতে বন্দনার সঙ্গে এনগেজমেন্ট হয়েছিল আমনের। তবে বাবার মৃত্যুতে বিয়ে পিছিয়ে যায়। এনগেজমেন্টের ঠিক এক বছর পরের দিনটিতে বিয়ে করছেন তাঁরা।
ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আত্মীয়দের উপস্থিতিতেই হবে এই বিয়ের অনুষ্ঠান। কোনও জাঁকজমক করা হচ্ছে না। আমনের কথায়, ‘আগামী ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর মুম্বাইতে ছোট্ট অনুষ্ঠান হবে। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ থেকে কিছু আত্মীয় আসবেন। আমি নিজে মাকে আনতে নয়ডা যাচ্ছি। তবে সবটাই খুব ঘরোয়া ভাবে হবে।’