ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া হয় না পুরো ভূমির। পরিবেশের ছাড়পত্রও নেই, নেই
লাইসেন্সও। বিধি নিষেধ রয়েছে বন বিভাগের ৩ কি. মি. আর বসত ভিটা ও শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের কাছে ইটভাটা স্থাপনের। সেই সাথে তিন ফসলি জমিতে ইটভাটা স্থাপন
দন্ডনীয়। পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতি হয় এমন স্থানে ইটভাটা করা যাবে না।
ইটভাটা আইনের এমন বিধান থাকলেও সকল বিধি নিষেধকে অমান্য করে টাঙ্গাইলের
ঘাটাইলের বিভিন্ন এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে কমপক্ষে ৬০ টির বেশী ইটভাটা।
আইন থাকলেও প্রয়োগ না হওয়ায় এ ভাবেই চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ ইট ভাটার কার্যক্রম। সেই সাথে প্রতি বছরই স্থাপন করা হচ্ছে নতুন নতুন ইটভাটা। এতে করে একদিকে ফসলি জমি কমছে। অপরদিকে ভাটার কালো ধোয়ায় এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়েছে। আর এর বিরুপ প্রভাবে বিস্তৃর্ন এলাকার ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী ঘাটাইলে ইটভাটা রয়েছে ৬০টির মতো। এর মধ্যে বিভিন্ন অফিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী হাতে গোনা ৩/৪ টি ইট ভাটা বাদে সবগুলোই অবৈধ। সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তর ধলাপাড়া থেকে চাপড়ি পর্যন্ত ১০/১২ টি ভাটা স্থাপন করা হয়েছে। এ ভাটাগুলো স্থাপনে তিন ফসলি আবাদী ভূমির পুরোটাই চলে গেছে ইট ভাটায়। স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঘাটাইলে আবাদী ভূমির পরিমাণ ৩০ হাজার ১৫০ হেক্টর। ৬০টির মতো ইটভাটা স্থাপনেই চলে গেছে কমপক্ষে ৪শ’ একর আবাদী ভূমি। অথচ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোন ভাটারই পুরোপুরি ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া হয় না। এলাকাবাসী টিনিউজকে জানায়, এক সময় এ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপাদন হতো। এখন আর আবাদ করা যায় না। যে ভূমি ফাকা রয়েছে সেগুলোর উপরিভাগের মাটি চলে গেছে ইটভাটার গর্ভে। সন্ধানপুর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায় মেসার্স ফরিদ নামের একটি ভাটা স্থাপন করা হয়েছে এ বছর। যেখানে ভোগা ও তিন ফসলি জমির উপর রয়েছে এ ভাটা। কোন বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই এ ভাটা স্থাপন করা হয়েছে। এভাবে ঘাটাইলের বেলদহ ও মোঘলপাড়ায় আরো দুটি নতুন ইটভাটা স্থাপন করা হচ্ছে। এ দুটি ভাটা প্রতিষ্ঠা হলে অত্র এলাকার কৃষি ভূমির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। ইতিমধ্যে ঐ দুটি ভাটার কার্যক্রম বন্ধের দাবি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করা হয়েছে। অবৈধভাবে ঐ দুটি ভাটার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর অভিযোগে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভাটার মালিক পক্ষের একজনকে আটক করেন। পরে সরকারের অনুমতি ব্যতিত ইটভাটার কাজ করবেন না বলে মোচলেকা দিয়ে মুক্তি পান।
অবৈধভাবে ইট প্রস্তুত করছেন এমন ভাটাগুলো হচ্ছে- কোনাবাড়ি বিলজলঙ্গীর ‘সোনার বাংলা’ ‘ভাই ভাই’ ‘সাথী’ ‘বংশাই’। উত্তর ধলাপাড়া মেধার ‘রুপসা’ ‘জনতা, বড় বেধার ‘পদ্মা’। দিঘড়ের ‘বলাকা’ ‘আদর্শ’ ব্রাক্ষনশাসনের ‘স্বদেশ’ চানতারা ‘মৌ’-১ ও ‘মৌ’-২, পদ্মা, ‘নাঈম’ হরিপূরের ‘নবযুগ’ নন্দনগাতীর ‘এস কে’ ‘এস আর’ ও ‘এশিয়া’ খিলগাতীর ‘এম এস বি’-৩, এস আর এন, পাকুটিয়া ‘এম এস বি’-২, মিতালী, দেউলাবাড়ীর ‘এম এস বি’-১, ‘আর এস এম’, ছয়ানী বকশিয়া ‘কনক’ গানজানার এমআরটি, এসএসবি প্রভূতি। নীতিমালা অনুযায়ী একটি ভাটার আওতায় এক ফসলী ২ একরের বেশি জমি রাখা যাবে না। অথচ ঘাটাইলের কোন ভাটার দখলে ৫/৭ একরের নিচে জমি নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোন ভাটারই পুরোপুরি ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া হয় না।
ইট ভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা টিনিউজকে বলেন, ধলাপাড়ার কোনাবাড়ীর ‘স্বর্ণা ব্রিক্স’ ঘোনার দেউলির ‘আকাশ’ বন্ধকুলিয়া ‘সচল’ লাউয়াগ্রামের ‘লিটন’ দিগড়ের ‘বলাকা’ ‘নাঈম’ ‘কে এস বি’ নামে ভাটা গুলোর বৈধ কোন কাগজপত্র নেই। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া এ ভাটাগুলো কিভাবে চলছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি টিনিউজকে বলেন, অনেকেই উচ্চ আদালতে রিট করে ভাটা পরিচালনা করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বছরের পর বছর অবৈধভাবে এ ভাটাগুলো পরিচালিত হলেও অজ্ঞাত কারণে এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জায়গাটি ভাটা স্থাপনের উপযোগী কিনা তারজন্য প্রথমে স্থানীয় চেয়ারম্যান অনাপত্তি পত্র দেন। পরে অনাবাদী ও পতিত হিসেবে ইট ভাটা স্থাপনের অনুমতিপত্র প্রদান করে থাকে কৃষি অফিস। এগুলো হয়ে থাকে বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে। ফলে তিন ফসলি ভূমিকে অনাবাদী হিসেবে প্রত্যয়ন করতে দ্বিধাবোধ করে না তারা। ‘বাংলা’ ভাটার মালিক হোসেন আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি টিনিউজকে বলেন, বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ রক্ষার জন্য প্রত্যেক ভাটার মালিক সমিতিকে টাকা দিয়ে থাকি। আবার আমরা নিজেরাও যোগাযোগ করি। তাছাড়া কোন ভাটারই সঠিক কাগজপত্র নাই বলে তিনি স্বীকার করেন। ঘাটাইলে উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মিজানুর রহমান আকন্দ টিনিউজকে বলেন, ইট তৈরীর জন্য উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ফসলী জমির উপরিভাগের উর্ভর মাটি কেটে আনায় ফসল উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে এবং পাড়ারী বনাঞ্চলের টিলার মাটি কেটে ইট ভাটায় নিয়ে যাওয়ায় বন ধ্বংস হচ্ছে সেই সাথে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হুমকীর মধ্যে পড়েছে। তিনি আরও টিনিউজকে বলেন, অর্থের বিনিময়ে ইট ভাটার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সন্তুষ্ট করে এ কাজগুলো করা হয়। এতে করে পরিবেশ বিনষ্টসহ কোন কোন এলাকায় কৃষি উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
এসব বিষয়ে টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম খানের সাথে বারবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইলে বারবার রিং বাজলেও তিনি রিসিভ করেননি।
আইন থাকলেও প্রয়োগ না হওয়ায় এ ভাবেই চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ ইট ভাটার কার্যক্রম। সেই সাথে প্রতি বছরই স্থাপন করা হচ্ছে নতুন নতুন ইটভাটা। এতে করে একদিকে ফসলি জমি কমছে। অপরদিকে ভাটার কালো ধোয়ায় এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়েছে। আর এর বিরুপ প্রভাবে বিস্তৃর্ন এলাকার ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী ঘাটাইলে ইটভাটা রয়েছে ৬০টির মতো। এর মধ্যে বিভিন্ন অফিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী হাতে গোনা ৩/৪ টি ইট ভাটা বাদে সবগুলোই অবৈধ। সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তর ধলাপাড়া থেকে চাপড়ি পর্যন্ত ১০/১২ টি ভাটা স্থাপন করা হয়েছে। এ ভাটাগুলো স্থাপনে তিন ফসলি আবাদী ভূমির পুরোটাই চলে গেছে ইট ভাটায়। স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঘাটাইলে আবাদী ভূমির পরিমাণ ৩০ হাজার ১৫০ হেক্টর। ৬০টির মতো ইটভাটা স্থাপনেই চলে গেছে কমপক্ষে ৪শ’ একর আবাদী ভূমি। অথচ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোন ভাটারই পুরোপুরি ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া হয় না। এলাকাবাসী টিনিউজকে জানায়, এক সময় এ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপাদন হতো। এখন আর আবাদ করা যায় না। যে ভূমি ফাকা রয়েছে সেগুলোর উপরিভাগের মাটি চলে গেছে ইটভাটার গর্ভে। সন্ধানপুর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায় মেসার্স ফরিদ নামের একটি ভাটা স্থাপন করা হয়েছে এ বছর। যেখানে ভোগা ও তিন ফসলি জমির উপর রয়েছে এ ভাটা। কোন বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই এ ভাটা স্থাপন করা হয়েছে। এভাবে ঘাটাইলের বেলদহ ও মোঘলপাড়ায় আরো দুটি নতুন ইটভাটা স্থাপন করা হচ্ছে। এ দুটি ভাটা প্রতিষ্ঠা হলে অত্র এলাকার কৃষি ভূমির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। ইতিমধ্যে ঐ দুটি ভাটার কার্যক্রম বন্ধের দাবি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করা হয়েছে। অবৈধভাবে ঐ দুটি ভাটার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর অভিযোগে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভাটার মালিক পক্ষের একজনকে আটক করেন। পরে সরকারের অনুমতি ব্যতিত ইটভাটার কাজ করবেন না বলে মোচলেকা দিয়ে মুক্তি পান।
অবৈধভাবে ইট প্রস্তুত করছেন এমন ভাটাগুলো হচ্ছে- কোনাবাড়ি বিলজলঙ্গীর ‘সোনার বাংলা’ ‘ভাই ভাই’ ‘সাথী’ ‘বংশাই’। উত্তর ধলাপাড়া মেধার ‘রুপসা’ ‘জনতা, বড় বেধার ‘পদ্মা’। দিঘড়ের ‘বলাকা’ ‘আদর্শ’ ব্রাক্ষনশাসনের ‘স্বদেশ’ চানতারা ‘মৌ’-১ ও ‘মৌ’-২, পদ্মা, ‘নাঈম’ হরিপূরের ‘নবযুগ’ নন্দনগাতীর ‘এস কে’ ‘এস আর’ ও ‘এশিয়া’ খিলগাতীর ‘এম এস বি’-৩, এস আর এন, পাকুটিয়া ‘এম এস বি’-২, মিতালী, দেউলাবাড়ীর ‘এম এস বি’-১, ‘আর এস এম’, ছয়ানী বকশিয়া ‘কনক’ গানজানার এমআরটি, এসএসবি প্রভূতি। নীতিমালা অনুযায়ী একটি ভাটার আওতায় এক ফসলী ২ একরের বেশি জমি রাখা যাবে না। অথচ ঘাটাইলের কোন ভাটার দখলে ৫/৭ একরের নিচে জমি নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোন ভাটারই পুরোপুরি ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া হয় না।
ইট ভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা টিনিউজকে বলেন, ধলাপাড়ার কোনাবাড়ীর ‘স্বর্ণা ব্রিক্স’ ঘোনার দেউলির ‘আকাশ’ বন্ধকুলিয়া ‘সচল’ লাউয়াগ্রামের ‘লিটন’ দিগড়ের ‘বলাকা’ ‘নাঈম’ ‘কে এস বি’ নামে ভাটা গুলোর বৈধ কোন কাগজপত্র নেই। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া এ ভাটাগুলো কিভাবে চলছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি টিনিউজকে বলেন, অনেকেই উচ্চ আদালতে রিট করে ভাটা পরিচালনা করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বছরের পর বছর অবৈধভাবে এ ভাটাগুলো পরিচালিত হলেও অজ্ঞাত কারণে এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জায়গাটি ভাটা স্থাপনের উপযোগী কিনা তারজন্য প্রথমে স্থানীয় চেয়ারম্যান অনাপত্তি পত্র দেন। পরে অনাবাদী ও পতিত হিসেবে ইট ভাটা স্থাপনের অনুমতিপত্র প্রদান করে থাকে কৃষি অফিস। এগুলো হয়ে থাকে বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে। ফলে তিন ফসলি ভূমিকে অনাবাদী হিসেবে প্রত্যয়ন করতে দ্বিধাবোধ করে না তারা। ‘বাংলা’ ভাটার মালিক হোসেন আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি টিনিউজকে বলেন, বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ রক্ষার জন্য প্রত্যেক ভাটার মালিক সমিতিকে টাকা দিয়ে থাকি। আবার আমরা নিজেরাও যোগাযোগ করি। তাছাড়া কোন ভাটারই সঠিক কাগজপত্র নাই বলে তিনি স্বীকার করেন। ঘাটাইলে উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মিজানুর রহমান আকন্দ টিনিউজকে বলেন, ইট তৈরীর জন্য উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ফসলী জমির উপরিভাগের উর্ভর মাটি কেটে আনায় ফসল উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে এবং পাড়ারী বনাঞ্চলের টিলার মাটি কেটে ইট ভাটায় নিয়ে যাওয়ায় বন ধ্বংস হচ্ছে সেই সাথে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হুমকীর মধ্যে পড়েছে। তিনি আরও টিনিউজকে বলেন, অর্থের বিনিময়ে ইট ভাটার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সন্তুষ্ট করে এ কাজগুলো করা হয়। এতে করে পরিবেশ বিনষ্টসহ কোন কোন এলাকায় কৃষি উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
এসব বিষয়ে টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম খানের সাথে বারবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইলে বারবার রিং বাজলেও তিনি রিসিভ করেননি।




