রবিবার, নভেম্বর ১১, ২০১৮

ঘাটাইল আসনেই আ.লীগের মনোনয়নপত্র কিনলেন ১০ প্রার্থী

নানান কারনেই টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন টাঙ্গাইলের অন্যতম আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন যাবত কারাগারে রয়েছেন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য এ আসনে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন অন্তত ১০ জন।

শুক্রবার থেকে আজ রোববার (১১ নভেম্বর) পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকায় তারা এই মনোনয়নপত্র কিনেন।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে যারা মনোনয়ন পত্র কিনেছে- 

এ আসন থেকে ১০ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব ডাঃ কামরুল হাসান খান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিল্পপতি সৈয়দ আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ তুহিন, ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শহিদুল ইসলাম, তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও সমৃদ্ধ ঘাটাইল ঢাকার আহ্বায়ক ড. অধীর চন্দ্র সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আকবর খান, সাবেক এমপি প্রয়াত ডা. মতিউর রহমানের ছেলে তানভীর রহমান, সোনালী ব্যাংক লিঃ পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ড. নুরুল আলম তালুকদার, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কোহিনূর হোসেন খান।

মধুপুরে পরীক্ষার ফল ভাল না হওয়ায় স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরীক্ষা খারাপ করায় কাজী হিমেল নামের এক স্কুলছাত্র শনিবার (১০ নভেম্বর) ঘুমের ওষুধ ও বিষাক্ত পদার্থ সেবন করে আত্মহত্যা করেছে। সে মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ ম্যাধমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ব্যবসা শিক্ষায় বিভাগের ছাত্র।

হিমেল পৌরসভার মালাউড়ীর (কাজীপাড়া) গ্রামের কাজী আফসার আলীর ছেলে।

জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ীতে ঘুমের ওষুধ ও বিষাক্ত পদার্থ সেবন করলে তাকে দ্রুত মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছর ৯ম থেকে ১০ম শ্রেণীতে পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণে প্রমোশন না দেওয়ায় তার সহপাঠীদের সঙ্গে ১০ম শ্রেণীতে ক্লাস করতে পারে নাই মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ ম্যাধমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র হিমেল। সে আবার ৯ম শ্রেণীতে ক্লাস করে পরের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে ১০ম শ্রেণীতে প্রমোশন পায়। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় হিমেলের ফলাফল ভালোই ছিলো তবে এই বছর নির্বাচনী পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ হলে আবার তাকে নির্বাচনী পরীক্ষায় বাদ দেওয়া এবং চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেওয়া হয়নি। ফলে সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে।

মৌসুমী চৌধুরী জানান, সে সবার নিন্দা,পারিবারিক সমস্যা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অপমানের কারণে মানসিক ভাবে বিষাদগ্রস্থ হয়। যার কারণে সে আত্মহত্যা করে।

হিমেলের বাবা কাজী আফসার আলী জানান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে হিমেলের লাশ নিয়ে আসা হচ্ছে। বাড়ীতে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

মুমিনুলের সেঞ্চুরি, অপেক্ষায় মুশফিক

ঢাকা টেস্টেও বাজে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের। খারাপ শট খেলে উইকেট দিয়ে এসেছেন ব্যাটসম্যানরা। এই মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম ব্যাটসম্যানদের কাছে চিরচেনা। সেখানেই কিনা সিলেটের বিভীষিকা ফিরল। ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর খুব দ্রুতই নেই আরও দুই উইকেট। ২৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে আরও একবার ধুঁকছিল বাংলাদেশ।  

তবে মুমিনুল হক আর মুশফিকুর রহিমের সৌজন্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুমিনুল।  এ প্রতিবেদন লেখার সময় এই দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশ ৫৫.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান তুলেছে। মুমিনুল ১০৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। ১৫০ বলে তিনি সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। চার মেরেছেন ১২টি। সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন মুশফিকও। তিনি ৭০ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৩ রানে নিজের রানের খাতা না খুলেই বিদায় নেন ইমরুল কায়েস। জার্ভিসের বলে চাকাভাকে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর ৯ রান করে নেই লিটস দাস।

সেই জার্ভিসের বলেই ব্রেন্ডন মাভুতার হাতে তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনি। অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুনও রানের খাতা খুলতে পারেননি। ডোনাল্ড ত্রিপানোর বলে ব্রেন্ডন টেলরকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। ১৩ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন কাইল জার্ভিস। ২২ রানে ১ উইকেট শিকার করেছেন ত্রিপানো।

মনোনয়ন কিনলেন সেলিব্রেটিরাও

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে পিছিয়ে নেই সেলিব্রেটিরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা পেতে গতকাল ধানমন্ডি আওয়ামী লীগের অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয় থেকে দলের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তারা। গতকাল যারা মনোননয় কিনেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম সাবেক সংসদ সদস্য ও সিনেমাজগতের মিষ্টি মেয়ে খ্যাত সারাহ বেগম কবরী। তিনি রাজধানীর ভিআইপি আসন খ্যাত ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী হতে চান।

দুইবারের এমপি জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম মানিকগঞ্জ-২ আসনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন কিনেছেন। তিনি এই আসন থেকে গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি ভোট করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল-৬ আসন থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী চলচ্চিত্রজগতের চেনা মুখ অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। এর আগে দুইবার সংরক্ষিত আসনের সদস্য হিসেবে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। এবারই প্রথম সরাসরি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন তিনি। মনোনয়নপত্র কিনেছেন অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী। বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন চিত্রনায়ক শাকিল খান।

গতকাল আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি। এ সময় তার সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। আজকে আরও বেশ কয়েকজন অভিনেতা ও কণ্ঠশিল্পীর মনোনয়ন কেনার বিষয়ে জানা গেছে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়াতে মাঠে নামছেন তারা।

পোস্টারে ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা

রাজধানী ঢাকা এখন ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুনের দখলে। বড় রাস্তা থেকে শুরু করে অলিগলিসহ সব স্থান দখলে নিয়েছে পোস্টার আর ব্যানার। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এরই মধ্যে রাজধানীতে প্রচারণায় নেমেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। পাশাপাশি এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের নামে ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে  ে গছে পুরো নগরী। আছে নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের আহ্বান-সংবলিত পেস্টারের ছড়াছড়ি। পাশাপাশি বিভিন্ন নেতা-নেত্রীর ছবি যুক্ত করে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ফিরিস্তির নানা ফেস্টুন।

সর্বত্রই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাদের নির্বাচনী পোস্টার ছিল চোখে পড়ার মতো। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থী নিজেদের পরিচয় জানান দিতেই ব্যাপকভাবে পোস্টার-ফেস্টুন লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। নির্বাচনী প্রচারণা হিসেবে পোস্টার সাঁটানোর ক্ষেত্রে বাদ পড়েনি রাজধানীর গণপরিবহনগুলো। লোকাল ও সিটিং বাসগুলোর পেছনে লাগানো হয়েছে এসব পোস্টার। তেঁতুলিয়া পরিবহন ও খাজাবাবা পরিবহনের পেছনে দেখা মেলে এসব নির্বাচনী পোস্টারের। আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রত্যেকের ফেস্টুন ও ব্যানারে সরকারের উন্নয়ন, নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান এবং তাদের এমপি হিসেবে দেখতে চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন ঘুরে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনের ছড়াছড়ি লক্ষ করা গেছে। মিরপুর-১ গোলচত্বরে ফুটওভারব্রিজে ঝুলছে ঢাকা-১৪ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার ও ব্যানার। সেখানে মিরপুরের মাজহার আনামের প্রচার-প্রচারণা ব্যাপকভাবে দেখা গেছে। পাশাপাশি বর্তমান এমপি আসলামুল হকের বড় ছবিযুক্ত ফেস্টুনেরও ছড়াছড়ি দেখা যায়। মিরপুর-১৩ ও ১৪ নম্বর এলাকায় বেশি বেশি দেখা গেছে আওয়ামী লীগ নেতা গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চুর ব্যানার ও পোস্টার। তার ব্যানার ও পোস্টারে উল্লেখ আছে ঢাকা-১৫ আসন থেকে এমপি হিসেবে তাকেই দেখতে চান সমর্থকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর মিরপুর-১০, শ্যাওড়াপাড়া, আগারগাঁও, ফার্মগেট এলাকার ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনের দেয়াল, বিভিন্ন দোকানের শাটার, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছে লাগানো হয়েছে নির্বাচনী পোস্টার। নির্বাচনী প্রচারণায় পিছিয়ে নেই ওই এলাকার বর্তমান এমপি কামাল আহমেদ মজুমদারও। একই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী মঈনুল হোসেন খান নিখিলের নামেও বেশ কিছু পোস্টার ও ব্যানার সাঁটানো হয়েছে।

অন্যদিকে মিরপুর-১১, পূরবী সিনেমা হল ও ইসিবি চত্বর ছেয়ে গেছে নৌকা প্রতীকের ফেস্টুনে। এসব ফেস্টুনে এখলাছ উদ্দিন মোল্লাকে ওই এলাকার আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেখতে চেয়ে নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়া হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় তারই ছোট ভাই ইলিয়াছ উদ্দিন মোল্লারও ফেস্টুন দেখা গেছে।  ঢাকা-১৮ আসনের সমগ্র উত্তরাজুড়ে শোভা পাচ্ছে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের ছবিযুক্ত পোস্টার আর ব্যানার। সেখানে দক্ষিণখান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন, হাবিব হাসান, জয়নাল আবেদীন ও যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী নাজমা আক্তারের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন চোখে পড়ছে।

বাড্ডা এলাকায় এ কে এম রহমতউল্লাহর সমর্থনে থানা যুবলীগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাস্তায় সারি সারি দড়ি বেঁধে ঝোলানো হয়েছে পোস্টার-ব্যানার। কোনো বাড়ির দেয়াল বাদ যায়নি। এ ছাড়া ভাটারা, নতুনবাজার, শাহজাদপুর, গুলশান, বসুন্ধরা, কুড়িলের প্রায় প্রতিটি সড়কের দুই ধারে ফেস্টুন ও পোস্টার টানানো হয়ছে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীদের নামে। এমনকি বড় বড় পয়েন্টে টানানো হয়েছে তাদের ব্যানার। সরেজমিন দেখা যায়, বাড্ডার শাহজাদপুর থেকে কুড়িল চৌরাস্তা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াকিল উদ্দিনের নামে ফেস্টুন টানিয়েছেন তার সমর্থকরা। এতে ঢাকা-১৭ আসনে ‘এমপি হিসেবে দেখতে চাই’ এবং ‘নৌকায় ভোট দিন’ এমনটা উল্লেখ রয়েছে। ‘আর কোনো অতিথি পাখি নয়, এবার লোকাল মানুষকে এমপি পেতে চাই’ এমন লেখাযুক্ত ব্যানার শোভা পাচ্ছে রাস্তাঘাট, অলিগলিতে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথাও লেখা আছে ব্যানার ও পোস্টারসমূহে। শাহজাদপুর থেকে কুড়িল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে এবং ল্যাম্পপোস্টগুলোতে এই পোস্টার ও ফেস্টুন টানানো হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এসব এলাকার অলিগলিতেও দেখা গেছে তার পোস্টার। শাহজাদপুর, নতুনবাজার, নর্দ্দা ও কুড়িল এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে ফেস্টুন টানিয়েছেন আরেক আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ এম এ কাদের খানের সমর্থকরাও।

এদিকে রাজধানীর মৌচাক ও মগবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বর্তমান এমপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নামে পোস্টার ও ব্যানার। সেখানে তার সমর্থকরা নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সাজিয়েছেন পোস্টার ও ব্যানার। রাজধানী জুড়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের নির্বাচনী প্রচারণা লক্ষ্য করা গেলেও কোথাও বিএনপির কোনো নেতার প্রচারণামূলক পোস্টার-ব্যানার নেই বললেই চলে। তবে নৌকা প্রতীকের বাইরে বনানীর কিছু এলাকায় জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) ব্যানারে ববি হাজ্জাজের নামে পোস্টার টানানো হয়েছে। তবে এসব পোস্টার কার পক্ষ থেকে লাগানো হয়েছে তা উল্লেখ নেই।

রাজধানী জুড়ে বইছে নির্বাচনের হাওয়া। পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে রাজধানীর বিভিন্ন অলিগলি। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও পিছিয়ে নেই পোস্টারিংয়ের দৌড়ে। সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আগেভাগে পোস্টার লাগিয়ে অনেকেই আলোচনায় আসার চেষ্টা করছেন। আকর্ষণীয় এসব পোস্টার-ফেস্টুনে নিজেদের ছবির পাশাপাশি দলের প্রতিষ্ঠাতা, দলীয় প্রধানসহ পছন্দের নেতাদের ছবি ঠাঁই পেয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের পোস্টার চোখে পড়ছে রাজধানীর বিভিন্ন ফ্লাইওভার, ফুটওভারব্রিজের পিলার, গুরুত্বপূর্ণ দেয়াল কিংবা চলাচলরত বাসে। পোস্টার সাঁটানোর এই প্রতিযোগিতায় ক্ষমতাসীন দলের নেতারাই এগিয়ে। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের পোস্টার কিছুটা চোখে পড়লেও বিএনপির নেতা-কর্মীদের পোস্টার কিংবা ব্যানার একেবারেই চোখে পড়ছে না।

ঢাকার বাইরের পোস্টার ব্যানার : এমনকি রাজধানীর বাইরের আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ব্যানারও শোভা পাচ্ছে রাজধানীতে। দলীয় কার্যালয়গুলোর আশপাশে ঢাকার বাইরের নেতাদের পোস্টারিং ও ব্যানার বেশি চোখে পড়ে। রাজধানীর বিজয় সরণির মোড়ে নীলফামারী-৪ আসনের নির্বাচনী প্রচারনার ব্যানার দেখা গেছে বেশ কিছু। বাড্ডার কুমিল্লাপাড়া এলাকায় দেখা গেছে কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর এলাকার বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের পোস্টার। মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার নামে পোস্টার ব্যানার ছড়িয়ে আছে বাড্ডা-গুলশানের নানা স্থানে। ঢাকাস্থ মতলববাসীর পক্ষে রাসেল মাহমুদ, আল আমীন, জোনায়েদ মিয়াসহ নানা নাম উল্লেখ করে মায়া চৌধূরীর ব্যানারও ঝুলছে মোড়ে মোড়ে। ঢাকার বাইরের আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার ব্যানার ঝুলছে গুলিস্তানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে ঢোকার পথেই। সেখানে পোস্টারে-পোস্টারে ছেয়ে আছে দেয়াল। বিভিন্ন সড়কের মাঝে ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগানো হয়েছে ফেস্টুন-ব্যানার। বেশির ভাগ পোস্টারই ঢাকার বাইরের আসনের। সেসব আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে স্থানীয় নেতারা পোস্টার ব্যানারগুলো লাগিয়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে পার্টি অফিসের প্রবেশ মুখেই রঙবেরঙের অন্তত অর্ধশত ব্যানারও টানানো রয়েছে।

১০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত বিএনপির

মাহমুদ আজহার: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন যুদ্ধে ঘুরেফিরে পুরনো প্রার্থীরাই ভোটের মাঠে। অবশ্য গুটিকয়েক আসনে বিএনপির নবীন নেতারা মনোনয়ন চাইবেন। কোথাও পিতার বদলে পুত্র কিংবা অন্য কেউ ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। কোথাও কোথাও বিএনপির মারা যাওয়া নেতাদের পরিবর্তে নতুনদের আনাগানো লক্ষ্য করা গেছে। আবার পরিবারের সদস্যরাও মনোনয়ন চাইছেন।

চূড়ান্ত হওয়া তালিকায় থাকা ১০০ আসন হচ্ছে— ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পঞ্চগড়-২) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ঠাকুরগাঁও-১), শামসুজ্জামান (নীলফামারী-২), আসাদুল হাবিব দুলু (লালমনিরহাট-৩), এমদাদুল হক ভরসা (রংপুর-৪), অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী (কুড়িগ্রাম-২), ফয়সাল আলিম (জয়পুরহাট-১), প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা (জয়পুরহাট-২), হারুনুর রশিদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), ব্যারিস্টার আমিনুল হক (রাজশাহী-১), মিজানুর রহমান মিনু (রাজশাহী-২), অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (নাটোর-২), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মান্নান তালুকদার (সিরাজগঞ্জ-৩), হাবিবুর রহমান হাবিব (পাবনা-৪), মাসুদ অরুণ (মেহেরপুর-১), মেহেদী আহমেদ রুমি (কুষ্টিয়া-৪), শামসুজ্জামান দুদু (চুয়াডাঙ্গা-১), মাহমুদ হাসান বাবু (চুয়াডাঙ্গা-২), মশিউর রহমান (ঝিনাইদহ-২), তরিকুল ইসলামের ছেলে অনিন্দ ইসলাম অমিত (যশোর-৩), টি এস আইয়ুব (যশোর-৪), নিতাই রায় চৌধুরী ( মাগুরা-২), নজরুল ইসলাম মঞ্জু (খুলনা-২), রফিকুল ইসলাম বকুল (খুলনা-৩), আজিজুল বারী হেলাল (খুলনা-৪), হাবিবুল ইসলাম হাবিব (সাতক্ষীরা-১), অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন (বরগুনা-২), এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাব হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী-১), এ বি এম মোশাররফ হোসেন (পটুয়াখালী-৪), মেজর (অব.) এম হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (ভোলা-৩), নাজিম উদ্দিন আলম (ভোলা-৪), মজিবর রহমান সরোয়ার (বরিশাল-৫), ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (ঝালকাঠি-১), ফকির মাহবুব আলম স্বপন (টাঙ্গাইল-১), লুত্ফর রহমান আজাদ (টাঙ্গাইল-৩), লুত্ফর রহমান মতিন (টাঙ্গাইল-৪), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (টাঙ্গাইল-২), অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী (টাঙ্গাইল-৬), মাহমুদুল হক রুবেল (শেরপুর-৩), সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স (ময়মনসিংহ-১), ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (ময়মনসিংহ-৪), এ কে এম মোশাররফ হোসেন (ময়মনসিংহ-৫), আখতারুল আলম ফারুক (ময়মনসিংহ-৬), মাহবুবুর রহমান লিটন (ময়মনসিংহ-৭), শাহ নূরুল কবির শাহীন (ময়মনসিংহ-৮), ফকরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১১), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (নেত্রকোনা-১), ড. ওসমান ফারুক বা তার সহধর্মিণী (কিশোরগঞ্জ-৩), অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান (কিশোরগঞ্জ-৪), শরিফুল আলম (কিশোরগঞ্জ-৬), আফরোজা খান রিতা (মানিকগঞ্জ-৩), আমানউল্লাহ আমান (ঢাকা-২), গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), সালাউদ্দিন আহমেদ (ঢাকা-৫), নাসিমা আক্তার কল্পনা (ঢাকা-৭), হাবিব-উন-নবী খান সোহেল (ঢাকা-৮), মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৯), এমএ কাইয়ুম (ঢাকা-১১), এসএ খালেক (ঢাকা-১৪), ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (ঢাকা-১৯), শাহ রিয়াজুল হান্নান (গাজীপুর-৪), একেএম ফজলুল হক মিলন (গাজীপুর-৫), খায়রুল কবীর খোকন (নরসিংদী-১), ড. আবদুল মঈন খান (নরসিংদী-২), আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম (রাজবাড়ী-১), শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (ফরিদপুর-২), সেলিমুজ্জামান সেলিম (গোপালগঞ্জ-১), সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (গোপালগঞ্জ-২), হেলেন জেরিন খান (মাদারীপুর-২), শফিকুর রহমান কিরন (শরীয়তপুর-৩), কলিমুদ্দিন আহমেদ মিলন (সুনামগঞ্জ-৫), তাহসিনা রুশদির লুনা (সিলেট-২), নাসের রহমান (মৌলভীবাজার-৩), প্রকৌশলী খালেদ মাহবুব শ্যামল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (কুমিল্লা-১), শওকত মাহমুদ (কুমিল্লা-৫), আমিন উর রশিদ ইয়াসিন (কুমিল্লা-৬), জাকারিয়া তাহের সুমন (কুমিল্লা-৮), আবুল কালাম (কুমিল্লা-৯), আ ন ম এহছানুল হক মিলন (চাঁদপুর-১), শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ মানিক (চাঁদপুর-৩), হারুনুর রশিদ (চাঁদপুর-৪), ভিপি জয়নাল আবেদীন (ফেনী-২), আবদুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩), ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন (নোয়াখালী-১), জয়নাল আবেদীন ফারুক ( নোয়াখালী-২), বরকত উল্লাহ বুলু ( নোয়াখালী-৩), মো. শাহজাহান ( নোয়াখালী-৪), ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (নোয়াখালী-৫), শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী (লক্ষ্মীপুর-৩), এম মোরশেদ খান (চট্টগ্রাম-৭), ডা. শাহাদাত হোসেন (চট্টগ্রাম-৮), আবদুল্লাহ আল নোমান (চট্টগ্রাম-৯), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১০), জাফরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), সালাহউদ্দিন আহমেদ (কক্সবাজার-১), লুত্ফর রহমান কাজল (কক্সবাজার-৩), আবদুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া (খাগড়াছড়ি) এবং সাচিং প্রু জেরী (বান্দরবান)। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

একাকিত্ব ভোলাতে জড়িয়ে ধরার চাকরি, ঘণ্টা প্রতি খরচ...

আপনি কি একা? সঙ্গী দূরে থাকে? মন খারাপ হলে আলিঙ্গন করার কেউ নেই? তা হলে এই পরিষেবা শুধুই আপনার জন্য। প্রথমে নিউ ইয়র্ক দিয়ে শুরু হলেও এখন আমেরিকা তো বটেই অস্ট্রেলিয়া-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই পরিষেবা।

প্রথমে একাকী মহিলাদের জন্য চালু হলেও পরে তা পুরুষ ও মহিলা দুই ক্ষেত্রেই চালু হয়। সম্পর্কে থাকলেও যারা একা, স্বামী বা স্ত্রী কাজের জন্য বাইরে, কিংবা সম্পর্কে নেই, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই ‘কাডলিং সার্ভিস’ শুরু।

সমাজতাত্ত্বিক, মনোবিদরা বলছেন, আলিঙ্গন মনখারাপ কিংবা একাকিত্ব দূর করার সবচেয়ে বড় ওষুধ।

বছর দু’য়েক আগে এই পরিষেবা প্রথম চালু হয় নিউ ইয়র্কে। তখন দর ছিল ঘণ্টা প্রতি ৫৮০০ টাকা। অস্ট্রেলিয়াতে এর খরচও মোটামুটি একই। এই পরিষেবা নেওয়া গ্রাহক বছর একচল্লিশের মহিলা সাসকিয়া ফ্রেডেরিকস বলেন, মাসে মাত্র কয়েক দিন তাঁর স্বামী সঙ্গে থাকেন। একাকিত্ব বোধ করেন। তাই স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ করেই এমনটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

নিউ ইয়র্কে তিনি, আর স্বামী কানেকটিকাটে দ্য ন্যাশনাল গার্ডের এক জন পুলিশ অফিসার। তাই মাসে দু’বার কাডলার সার্ভিসের সাহায্য নিচ্ছেন সাসকিয়া।

সাসকিয়ার স্বামী বিষয়টিকে স্বাভাবিক ভাবেই দেখছেন কারণ সংস্থার শর্ত অনুযায়ী এতে কোনওরকম যৌনতা নেই। সাসকিয়া বলেন, আলিঙ্গনের কোনও বিকল্প নেই। মাথায় হাত রাখলে কিংবা পাশে কেউ তাঁকে জড়িয়ে ঘুমোতে গেলে তিনি নিরাপদ বোধ করেন।

কাডল সেশনের জন্যই তিনি অবসাদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছেন, জানান তিনি। কারণ এতে তাঁর শরীরও নাকি ‘ফিট’ থাকছে। টাকা দিচ্ছেন বলে এতে গ্রাহকের কোনও অস্বস্তিবোধও নেই বলে জানিয়েছে সংস্থা। তাদের দাবি, আমেরিকার চাকুরিরতা মহিলাদের মধ্যে এর চল বাড়ছে।

সাসকিয়া বলেন, তাঁর স্বামী আশাবাদী, তাঁর সহকর্মীরাও বিষয়টিকে খারাপ ভাবে দেখবেন না। নিউ ইয়র্কের এই সংস্থার সিইও অ্যাডাম বলেন, দু’ঘণ্টার বেশি একদিনে এই পরিষেবা মিলবে না। সপ্তাহে তিন দিনের জন্য এটি চালু করা হচ্ছে।

মহিলা ছাড়াও পুরুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এমনকি একেবারে তরুণ প্রজন্মও এসেছে এই কাডলিং সার্ভিস নিতে। পরিণত মনের মানুষরা এই চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তাই কাডলিংয়ের ক্ষেত্রে যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা আসাটা স্বাভাবিক হলেও পেশাদারিত্বের কারণেই তা অন্য ভাবে দেখছেন কর্মীরা।

অ্যাডাম বলেন, একই মানসিকতার মানুষের ক্ষেত্রে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনও জরুরি, সে কথা মাথায় রেখেই এই পরিষেবার ভাবনা। আমেরিকার অন্য শহরেও এই পরিষেবা ছড়িয়ে দেওয়ার ভাবনা ছিল সংস্থা। স্পেনের সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, বর্তমানে আমেরিকার ১৯টি শহরে রয়েছে এই পরিষেবা।

পেশাদার কাডলার ইয়ান বলেন, এই পরিষেবা মনকে ভারমুক্ত করছে। নিজেকে মানুষ হিসাবে মেলে ধরার জন্যই এই পরিষেবা নিচ্ছেন আরও অনেকেই।

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

ঢাকা টেস্টে জয় ছাড়া কোনো উপায় নেই বাংলাদেশের। এরই লক্ষ্যে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এর আগে সিলেট টেস্টে ১৫১ রানের বড় ব্যবধানে হেরে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।

মিরপুর শের ই বাংলায় ম্যাচটি শুরু হবে সকাল ৯:৩০ মিনিটে। এ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে অভিষেক হচ্ছে ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন ও ফাস্ট বোলার খালেদ আহমেদ।

বাংলাদেশ একাদশ (সম্ভাব্য): ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মুমিনুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন/নাজমুল হোসেন শান্ত, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, আরিফুল হক, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, নাজমুল ইসলাম/খালেদ আহমেদ।

জিম্বাবুয়ে একাদশ (সম্ভাব্য): হ্যামিল্টন মাসাকাদজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান চারি, ব্র্যান্ডন টেইলর, শেন উইলিয়ামস, সিকান্দার রাজা, পিটার মুর, রেগিস চাকাভা, ব্র্যান্ডন মাভুতা, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, কাইল জারভিস, তেন্দাই চাতারা।