বুধবার, অক্টোবর ৩১, ২০১৮

ব্রেকিংনিউজ সম্পাদকের সহধর্মিনী চিরনিদ্রায় শায়িত

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডির প্রকাশক ও সম্পাদক মো. মাইনুল ইসলামের সহধর্মিনী সাবিরা সুলতানা। 

বুধবার (৩১ অক্টোবর) রাত পৌনে আটটায় টাংগাইলের ঘাটাইলের সাগরদিঘী ঈদগাহ ময়দানে মরহুমার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় মরহুমার আত্মীয় স্বজন ছাড়াও টাংগাইল-৩ আসনের আওয়ামী সমর্থিত সাবেক সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মী অংশ নেন।   

এর আগে, ঢাকার বাসাবোর ছায়াবিথী মসজিদে মরহুমার প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। প্রথম নামাজে জানাজায় মরহুমার অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী ছাড়াও অংশ নেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান, সাবেক সংসদ সদস্য শামসুজ্জামান দুদু ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফাসহ অনেক নেতাকর্মী। 

বুধবার রাত সাড়ে আটটায় পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন সাবিরা সুলতানা। দাফন সম্পন্ন হলে মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া করা হয়। 

বুধবার ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

  1. [message]


  • মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৬ বছর। স্বামী ও কলেজপড়ুয়া একমাত্র ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আমান বিল্ডার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বপালন করছিলেন।


উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর বাসাবোর বাসায় অসুস্থ বোধ করলে তাকে রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থা অবনতি হলে গত শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র-আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল।

ঘাটাইলে গিফট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত


টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গুডনেইবারস বাংলাদেশ ঘাটাইল সিডিপি’র উদ্যোগে গিফট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(৩১ অক্টোবর) অফিস প্রাঙ্গণে গুডনেইবারস বাংলাদেশ ঘাটাইল সিডিপি’র ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, দেউলাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম খান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, গুডনেইবারস স্কুলের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজার ১৬৮ জন শিশুর মাঝে একটি স্কুল ব্যাগ, দুইটি খাতা, তিনটি কলম ও এক প্যাকেট করে এনার্জি বিস্কুট বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, আইজি অফিসার সুবল নকরেক।

ঘাটাইলের বাল্যবিয়ের সহযোগী যখন ইউপি চেয়ারম্যান!

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীর বিয়ে হলো ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ঘাটাইল ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামে।
জানা যায়, পাশ্ববর্তী সংগ্রামপুর ইউনিয়নের আমুয়াবাইদ গ্রামের আবু হানিফের মেয়ে ছাবিনা (১২)। সে স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণীতে পড়তো। গত ২০ অক্টোবর সাবিনাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসানো হয়, শাহাপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে এরশাদ এর (১৯) সাথে।
স্থানীয়রা জানান, এ বাল্য বিয়েতে সার্বিক সহযোগীতা করেন ২ নং ঘাটাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হায়দার আলী। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান হয়দার আলীর সাথে তার মোবাইলে (০১৭১১০৪৯…) একাধিকবার কল করলে রিং বাজলেও সে রিসিভ করেননি।
সাবেক একজন ইউপি মেম্বার জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদকে বাল্যবিয়ের বিষয়টি জানালে তিনি কোন ব্যবস্থা না নিয়ে একটি দরখাস্ত দিতে বলেন।

ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডির সম্পাদক মাইনুল ইসলামের সহধর্মিনীর মৃত্যুবরণ

ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডির প্রকাশক ও সম্পাদক, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. মাইনুল ইসলামের সহধর্মিনী সাবিরা সুলতানা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (৩১ অক্টোবর) ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৬ বছর। স্বামী ও কলেজপড়ুয়া একমাত্র ছেলেসহ অসংখ্য অাত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আমান বিল্ডার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বপালন করছিলেন।
মরহুমার প্রথম নামাজে জানাজা দুপুরে বাদ যোহর রাজধানীর বাসাবোর ছায়াবিথী জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার মরদেহ নেয়া হবে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী গ্রামের নিজ বাসায়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর বাসাবোর বাসায় অসুস্থ বোধ করলে তাকে রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থা অবনতি হলে গত শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র-আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল।

মঙ্গলবার, অক্টোবর ৩০, ২০১৮

ঘাটাইলে উন্নয়ন র‌্যালি ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত

 মঙ্গলবার সকালে ’সৃজন উন্নয়নে বাংলাদেশ’ শীর্ষক উন্নয়ন র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন এ র‌্যালির আয়োজন করে। উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে আবার উপজেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ,উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা আহমেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহীদুল ইসলাম লেবু, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মজিবুর রহমান , মাসুদুর রহমান আজাদ, ওসি মোঃ মাকছুদুল আলম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম শামছুল হক, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আঃ কুদ্দুছ, কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস, সমাজ সেবা কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিল্পী রানী দে প্রমুখ।

নিবন্ধন বাতিল, যা বলল জামায়াত

নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করায় বিস্ময় প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর নিবন্ধন লাভ করে। ২০০৯ সালে তরিকত ফেডারেশনের দায়ের করা এক রিট মামলার প্রেক্ষিতে শুনানীর জন্য মহামান্য হাইকোর্টের ৩ জন বিচারপতির সমন্বয়ে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠিত হয়।
ওইা বেঞ্চে শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৩ সালের ১ আগস্ট বিভক্ত রায় প্রদান করেন। প্রিজাইডিং জজ জামায়াতের নিবন্ধন বহাল রাখার পক্ষে ও অপর দু’জন বিচারপতি নিবন্ধনটি আইন সম্মত হয়নি মর্মে রায় প্রদান করেন। একইসাথে মামলাটির সাথে সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত বিধায় বিচারপতিগণ আপীলের জন্য সার্টিফিকেট প্রদান করেন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল (আপিল নং ১৩৯/২০১৩) দায়ের করা হয়। জামায়াতের নিবন্ধন মামলাটি আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে, এ অবস্থায় মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারির কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাচন কমিশনের এ প্রজ্ঞাপন জারি উচ্চ আদালতের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের শামিল। আমরা নির্বাচন কমিশনের এ ভূমিকায় বিস্মিত। তিনি প্রজ্ঞাপন জারির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের ডেমরা দক্ষিণ থানার উদ্যোগে অসহায় ও এতিম শিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শূরা সদস্য ও ডেমরা দক্ষিণ থানা আমির এন এইচ নাঈমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন দলের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকির, জামায়াত নেতা মোহাম্মদ হেলাল, আলী জাফর প্রমুখ।

সখীপুরে ঘাটাইলের ২ জন সহ ৪ ডাকাত আটক

টাঙ্গাইলের সখীপুরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের নামে বিভিন্ন থানায় ডাকাতির একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার শিরির চালা গ্রামের ছাকেত আলীর ছেলে আবু হানিফ, একই উপজেলার মালির চালা গ্রামের ছায়েদ আলীর ছেলে মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার লংছিরা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস ছালামের ছেলে আলী আকবর এবং একই জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙামাটিয়া গ্রামের মক্কু মিয়ার ছেলে ছালাম কানা ওরফে কালাম।
তাদের নামে সখীপুর থানার এসআই আবদুল জব্বার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে উপস্থাপন করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবদুল জব্বার বলেন, আদালত চার জনের মধ্যে তিনজনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে একজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এসএম তুহিন আলী জানান, আদালত গ্রেপ্তারকৃত চার ডাকাতের মধ্যে আবু হানিফ, মকবুল হোসেন ও আলী আকবরকে তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সখীপুর থানায় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

ধান পরিস্কারের কাজে ব্যস্ত সবাই


চিঠি চালাচালি: রাজনীতিতে শীতল হাওয়া

গতকয়েক সপ্তাহ যাবত রাজনীতির নানা সমীকরণে চলছিল উত্তেজনা। মানুষের মধ্যে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছিল। যুক্তফ্রন্ট, ঐক্য প্রক্রিয়াসহ নানা জোট নানা পক্রিয়ায় ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ নামে মিলিত হয়ে সিলেট ও চট্টগ্রামে সমাবেশ করেছে। ৭ দফা দাবিও উপস্থাপন করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নানা সমীকরণকে সরল রুপে সাজয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশ দলীয় জোটের নানা সময়ে সংলাপের কথা নাকচ করে দিলেও হঠাৎ করে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ এর সংলাপকে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে রোববার (২৮ অক্টোবর) বিএনপিকে নিয়ে জোট করা প্রবীণ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে পৃথক চিঠি দেন।

সেই চিঠির বিষয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অনির্ধারিত আলোচনা হয়। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী সংলাপের বিষয়ে সম্মতি দেন।

মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন। আমন্ত্রণপত্রে ড. কামালকে ধন্যবাদও দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

ড. কামালের বেইলি রোডের বাসায় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।

খালেদা জিয়ার রায়, জামায়াত নিষিদ্ধের পক্রিয়াসহ নানা কারণে রাজনীতিতে গুমোট ভাব ছিল। একটা অজানা আতঙ্ক কাজ করছিল মানুষের মাঝে। রাজনীতির এ ভাবনার জট খুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি সংলাপে সম্মত হলেন। দলের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংবাদ সম্মেলন করে সেটি জানিয়ে দিলেন, এবং সর্বশেষ সংলাপের দিনক্ষণ ঠিক করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আজ সকালে চিঠিও পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিশিষ্টজনরাও এ সংলাপকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন। তারা মনে করেন, এতে জনগণও স্বস্তি পাচ্ছে। তারাও (জনগণ) তো চায় রাজনৈতিক সমঝোতা হোক। শান্তিপূর্ণ একটা পথ চলা শুরু হোক।

এদিকে, আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য এটি প্রয়োজন ছিল। সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে (কৌশলে), আপাতত আন্দোলনের পথ বন্ধ হওয়ায় অনেকে যেমন ধরাশায়ী হয়েছেন, আবার সংলাপ সফল হলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের রাস্তাও উন্মুক্ত হতে পারে।

পরে বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওবায়দুল কাদের জানান, ‘আমি আজ আপনাদের ও পুরো জাতিকে সারপ্রাইজ দেব। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার সম্মতিক্রমে এই সুখবর জানাব। এ খবরে রাজনীতির মাঠে শান্তির বাতাস বইবে বলে মনে করি।’

এরপরই তিনি সংলাপের বিষয়ে দলীয় সভাপতির সম্মতির কথা জানান। পরে রাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঐক্যফ্রন্ট নেতা মোস্তফা মহসিন মন্টুকে টেলিফোন করে সংলাপের জন্য ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে মহসিন মন্টু তার জোটের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সময় দিবেন বলে জানান।

রবিবার, অক্টোবর ২৮, ২০১৮

১৯ বছর পর এক মঞ্চে দুই ভাই!

দু’জনেই প্রভাবশালী, সুপরিচিত রাজনীতিক, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ ছিলেন, করেছেন আওয়ামী লীগ, মন্ত্রীও হয়েছিলেন। ঘটনাচক্রে এখন আর কেউই দলে নেই। এদের একজন নিজে আলাদা দল গঠন করে রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন। অন্যজন বলা চলে নিষ্ক্রিয়। তারা আপন দুই ভাই— আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী।
আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। হজ ও ইসলাম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তোপের মুখে প্রথমে মন্ত্রিত্ব হারান। পরে আওয়ামী লীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়। তারও অনেক আগেই আওয়ামী লীগ থেকে সরে এসে নতুন দল গঠন করেন আব্দুল কাদের সিদ্দিকী। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি তিনি।
একই পরিবারে থেকেও দু’ভাইয়ের মধ্যে এতটা দূরত্ব তা হয়তো কারো জানাই ছিল না। রোববার একটি অনুষ্ঠানে ছোট ভাই বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মুখ থেকেই জানা গেল, দীর্ঘ ১৯ বছর তারা কোনো মঞ্চে একসঙ্গে বসেননি।
রোববার (২৮ অক্টোবর) রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ৭৫’র বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধযুদ্ধে জাতীয় মুক্তিবাহিনীর যোদ্ধাদের ‘মিলনমেলায়’ তিনি একথা জানান।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আজ প্রায় ১৯ বছর আমরা দু’ভাই পাশাপাশি কোনো জনসভায় বসিনি। খুব সম্ভবত একটি জানাযায় আমরা একত্রিত হয়েছিলাম।’
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকীর স্যান্ডেল যারা টেনেছে, তারা আজ আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী। যে আওয়ামী লীগের জন্ম দিয়েছে লতিফ সিদ্দিকী। তাকেই বহিষ্কার করা হয়েছে দল থেকে।’
কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, ‘৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সময় আমরা প্রতিরোধ গড়েছিলাম। কিন্তু, সরকারিভাবে আমাদের স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। আমরা শুধু সরকারের স্বীকৃতি নয়, জাতীয় স্বীকৃতি চাই। যদি স্বীকৃতি না দেয়া হয়, তাহলে আজ ঘোষণা করা হোক আমরা সেদিন প্রতিবাদ করে ভুল করেছি। আমাদের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর করা হোক।’
মিলনমেলায় আরো বক্তব্য দেন, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, ছোট ভাই আব্দুল বাবুল সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মহাসচিব হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীরপ্রতীক, অর্থ সম্পাদক আবদুল্লাহ বীরপ্রতীক, কাদের সিদ্দিকীর সহধর্মিনী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান কায়সার চৌধুরী, ভারত থেকে আগত সুধীর চন্দ্র দাস প্রমুখ।

শনিবার, অক্টোবর ২৭, ২০১৮

ঘাটাইল প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দ্বিধা বিভক্ত ঘাটাইল প্রেস ক্লাবকে একত্রিত করে ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে শনিবার ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে টাঙ্গাইল জর্জ কোর্টের পিপি এ্যাডভোকেট এস আকবর খানের সভাপতিত্বে এক সভা উইজডম ভ্যালিতে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন, প্রথম আলোর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর, এটিএন বাংলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের মো. নাসির উদ্দিন, সমকালের আ. রহিম, এনটিভির মহব্বত হোসেন, জনকন্ঠ ও চ্যানেল ২৪ এর ইফতেখার অনুপম।

দীর্ঘ আলোচনা শেষে তারা নজরুল ইসলাম (কালের কন্ঠ) সভাপতি ও নূরুজ্জামান (দৈনিক ইত্তেফাক)কে সম্পাদক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়।

কার্যকরি কমিটির অন্যান্য  হলেন, সহ সভাপতি খান ফজলুর রহমান (যুগান্তর), যুগ্ম সম্পাদক আ. লতিফ (আনন্দটিভি), কোষাধ্যক্ষ মো.মাসুম মিয়া (মানবজমিন), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন সোহেল ( জনতা), দপ্তর সম্পাদক এবি এম আতিকুর রহমান (আমাদের কন্ঠ)।

কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন (পূর্বাকাশ), আনোয়ার হোসেন বকুল (ভোরের ডাক), আতিকুর রহমান (বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ ২৪), আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ( নয়া দিগন্ত)।

ঘাটাইলে উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন


টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের গাড়োবাজার এলাকায় প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনের মাধ্যমে জয়ীদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়। নির্বাচনে মোঃ হাসানুজ্জামান তরুন সভাপতি ও মোঃ আফজাল হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মোঃ লুৎফর রহমান খান আজাদ।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক খুররম মাসুদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক রবিউল আওয়াল মনির পরিচালনায় উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ সময় তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
মোঃ খুররম মাসুদ সিদ্দিকী  জানান, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সরাসরি ভোটে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ঘাটাইল উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছেন। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে অনুমোদনের জন্য জেলায় প্রেরণ করা হবে।

ঘাটাইলের কথার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত


ঘাটাইলের কথার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন উপলক্ষে  শুত্রুবার সন্ধায় ঘাটাইলের কথার কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, আলোচনা শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন করা হয়।

এর আগে আজ বিকালে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত সামাদ আলীকে চিকিৎসা সহযোগিতা প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইলের কথার সন্মানিত সভাপতি রুহুল আমিন রুহুল, সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর মোমিন, সহ সাধারন সম্পাদক আশরাফুল হক সেলিম, কোষাধ্যক্ষ মাহবুব আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ মুক্তাদির খান, ত্রুীড়া সম্পাদক ময়নুল হাসান মুন্না, প্রচার সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, আলোর পথে ফাউন্ডেশনের সদস্য ডাঃ শাহ-আলম কামাল, ঘাটাইল ব্যবসায়ী সমিতির কার্যকরী সদস্য ও দর্জি কারিগর সমিতির সাধারন সম্পাদক আব্বাস আলী তালুকদার,  প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জহিরুল হক সহ ঘাটাইলের কথার সন্মানিত সদস্যববৃন্দ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঘাটাইলের কথাকে শুভেচ্ছা জানান জনাব কাজী জাহান, জামুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জনাব ইখলাক হোসেন খান শামীম।

এছাড়াও আলোর পথে ফাউন্ডেশন, কি আ বুক ক্লাবের সদস্যববৃন্দরা শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে আশেন। আমরা সন্মানিত অতিথি ও সদস্যদের উপস্থিতিতে আনন্দিত। ঘাটাইলের কথার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। অতীতেও ছিলেন, সামনের দিন গুলিতেও  ঘাটাইলের কথার সাথে থাকবেন এই কামনায়। ভাল ও নিরাপদে থাকুন, সাথে থাকার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ

টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতল পাকিস্তান


দুবাইয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। শুক্রবার ইমাদ ওয়াসিমের দারুণ বোলিংয়ে ১১ রানে জিতে সরফরাজ আহমেদের দল। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে পাকিস্তান।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফখর জামানকে হারায় পাকিস্তান। তবে বাবর আজম ও মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাটে শুরুর ধাক্কা সামাল দিয়ে দৃঢ় ভিতের ওপর দাঁড়ায় দলটি।

৩৪ বলে ৪০ রান করা হাফিজকে ফিরিয়ে ৭০ রানের জুটি ভাঙেন বিলি স্ট্যানলেক। খানিক পর ৪৪ বলে ৪৫ রান করা বাবরকে বিদায় করেন ডার্চি শট।

১৪তম ওভারে এক পর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৯৯/১। এরপর পাকিস্তানের মিডল অর্ডারের কেউ আর ব্যাটিংয়ের হাল ধরতে পারেনি, ফলে বড় স্কোরের সম্ভাবনা থাকলেও তা বাস্তবে রূপ পায়নি। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৭ রানে থাকে সরফরাজ আহমেদের দল। কোল্টার-নাইল ১৮ রানে নেন ৩ উইকেট। স্ট্যানলেক ২ উইকেট নেন ৩৬ রানে।

১৪৭ রান তাড়ায় ১৩৬ রানে থমকে যায় অস্ট্রেলিয়া। ইমাদের বাঁহাতি স্পিনে ভুগতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে। মন্থর ব্যাটিংয়ে ১২ বলে ২ রান করা শর্টকে রান আউট করেন ইমাদ। পরে ফিরিয়ে দেন ক্রিস লিনকে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের কেউ যেতে পারেননি দুই অঙ্কে। পাল্টা আক্রমণে ৩৭ বলে ৫২ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। শেষের দিকে তিন ছক্কায় ২৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে চেষ্টা করেন কোল্টার-নাইল। কিন্তু শুরুর মন্থর ব্যাটিংয়ে বেশ পিছিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে জেতাতে পারেননি তারা।

চার ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া ইমাদ জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। এনিয়ে টানা দুই ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

আগামী রবিবার একই ভেন্যুতে হবে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি।

এর আগে এই সফরে টেস্ট সিরিজেও পাকিস্তানের কাছে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া।

যে কারণে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিলেন খাশোগির প্রেমিকা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউজ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটে নিহত সাংবাদিক জামাল খাশোগির বাগদত্তা প্রেমিকা হাতিস চেঙ্গিস। তবে সে আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।

কারণ হিসেবে হাতিস চেঙ্গিস অভিযোগ করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে তৎপর নন। তাই তিনি এই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন।


তুরস্কের একটি টেলিভিশনে তিনি বলেছেন, আমেরিকার জনমতকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে তাকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

এর আগে, গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের সৌদি কনস্যুলেটে খুন হন সৌদি রাজপরিবারের সমালোচক সাংবাদিক জামাল খাশোগি। তার নিহতের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে রয়েছে সৌদি।

চলতি সপ্তাহেই খাশোগির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এদিকে জামাল খাশোগির ছেলে সালাহ বিন জামাল দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন।

খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুবরাজ বিন সালমান জড়িত রয়েছেন বলে খবর বেরিয়েছে। তিনিই খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর বের হয়েছে।

প্রথমদিকে এই হত্যাকাণ্ডের কথা অস্বীকার করলেও পরে সৌদির তরফ থেকে বলা হয় যে, কনস্যুলেটের ভেতরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিলেন খাশোগি। সেখানেই তিনি নিহত হন।

এই হত্যাকাণ্ডকে ভুল বলে স্বীকার করেছে রিয়াদ। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৮ জনকে শনাক্ত করা গেছে। অপরদিকে, ২১ সৌদি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার, অক্টোবর ২৬, ২০১৮

ঘাটাইলে তিন চোরাই গরু উদ্ধার


রেজাউল করিম খান রাজু, নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে তিনটি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে হামিদপুর বাজার এলাকায় ইতিহাস স্যানেটারি কারখানা থেকে তিনটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়।

ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ জহিরুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গরুগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় মেম্বারের সমন্বয়ে হামিদপুরের মো. মুন্না মিয়ার ছেলে শাহআলমের হেফাজতে দিয়ে যান।

ঘাটাইল থানার ওসি মো. মাকছুদুল আলম জানান, হামিদপুর বাজার এলাকার ইতিহাস স্যানেটারি কারখানা থেকে তিনটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রকৃত বর্ণনাসহ গরুর মালিককে বুঝিয়ে দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৫, ২০১৮

`শূণ্য থেকে কোটিপতি' শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


গত ২৪ অক্টোবর আমাদের ঘাটাইল ডটকম, দৈনিক মজলুমের কন্ঠ, ঘাটাইল ডটকম সহো বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় “ঘাটাইলের মাদক স¤্রাট ধরা ছোয়ার বাইরে” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.নজরুল ইসলাম।

মো. নজরুল ইসলাম প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করেছেন, আমি জনগনের ভোটে পরপর দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান।চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমি এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন, মাদক নির্মূল ও সন্ত্রাস দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছি। আমার এ সকল কাজে ইর্ষানিত হইয়া বিরোধী পক্ষ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সমাজের কাছে আমার মান স¤œান ক্ষুন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। আমি মাদক ও জুয়ার ঘোর বিরোধী।সংবাদটি সম্পুর্ণ বানোয়াট, মিথ্যা এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তাই সংবাদটির তীব্র  প্রতিবাদ ও নিন্দ্রা জানাচ্ছি।

সমাজের একটি কুচক্রীমহল  আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষে সংশ্লিষ্ঠ সংবাদ দাতাকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুয়া তথ্য প্রধান করে সংবাদটি পরিবেশন করেছে। কাজেই আমি প্রকাশিত ঐ সংবাদটির  তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

         নিবেদক
  মো.নজরুল ইসলাম
        চেয়ারম্যান
৬ নং দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ
     ঘাটাইল,টাঙ্গাইল

ভূঞাপুরে ড্রেনে তরুণীর মরদেহ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ড্রেন থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা দড়িপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তরুণী ভাসানী (১৮) গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভাদুরিচর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে।


এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের শালদাইর গ্রামের কুদ্দুসের মেয়ে ভাসানী পার্শ্ববর্তী দড়িপাড়া নিকলা গ্রামে নানা রুস্তমের বাড়িতে থাকতো। বুধবার ভাসানী মায়ের সঙ্গে দেখা করে সন্ধ্যায় আবার নানাবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়।

কিন্তু পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশে ড্রেনে ভাসানীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পরিবারের লোকজনের দাবি, ভাসানী প্রতিবন্ধী ছিলো। বুধবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। তাদের ধারণা কেউ তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহটি ওই ড্রেনে ফেলে গেছে।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম মিঞা জানান, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে পরিবার থেকে পাওয়া তথ্যে ধারণা করা হচ্ছে মেয়েটি প্রতিবন্ধী ও মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিল। এ কারণে সে পথেই অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের মা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন।

ঘাটাইলে নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা


বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় টাঙ্গাইলে নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম এর পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে ইউএনও দিলরুবা আহমেদে এর সভাপতিত্বে পরিচিতি ও মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, টাঙ্গাইল জেলা সহকারী কমিশনার মোঃ রোকনুজ-জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম, সরকারী জিবিজি কলেজের অধ্যাক্ষ শামসুল আলম মনি, উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মতিন বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক বিআরডিবি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু, পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান, ঘাটাইল থানা অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মাকছুদুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন, ডেপুটি কমান্ডার শাহনেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।

এ সময় স্থানীয় প্রেস ক্লাব ও বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাবাদিক বৃন্দ, সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা, উপজেলার অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

সোর্স  : উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল ডট কম।

বিএনপির ঘাঁটিতে নৌকার পালে হাওয়া

Amader Ghatail
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান বগুড়ায় এবার নৌকার পালে হাওয়া লেগেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলায় ধানের শীষের পাশাপাশি নৌকাও দুলে উঠবে মনে করছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। বগুড়াকে বলা হয়ে থাকে বিএনপির ঘাঁটি। আর বগুড়া-৬ অর্থাৎ সদর আসনটি বিএপির মূল ঘাঁটি মনে করেন দলের নেতা-কর্মীরা। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এ আসন থেকে রেকর্ডসংখ্যক ভোট পেয়ে বারবার নির্বাচিত হয়ে আসছেন। আওয়ামী লীগ চাইছে এবারের নির্বাচনে বগুড়া সদর আসনটি দখল করতে। অবশ্য ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করায় জেলার সব আসনের মতো এ আসনটিও হাতছাড়া হয় বিএনপির। এ আসনের বর্তমান এমপি জাপার নূরুল ইসলাম ওমর। তিনি আবারও প্রার্থী হবেন। আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের চোখও এ আসনের দিকে। দশম সংসদ নির্বাচনে সমঝোতার কারণে আসনটি ছেড়ে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু এবার স্থানীয় আওয়ামী লীগ সদর আসনটি জাতীয় পার্টি বা কোনো শরিককে ছেড়ে দিতে নারাজ। একইভাবে বিএনপি তাদের হারানো আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া।

বগুড়া সদর আসনের জয়-পরাজয়ই বলে দেয় জেলার অন্য ৬ আসনের রাজনৈতিক শক্তির কথা। সর্বশেষ ২০১৪ সালে বিএনপি সংসদ নির্বাচন বর্জনের পর বগুড়ার সাতটি আসনের মধ্যে দুটি আসনে আওয়ামী লীগ, একটিতে জাসদ ও বাকি ৪টি আসনে জাপার প্রার্থীরা এমপি নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৫টিতে বিএনপি ও দুটি আসনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়েছিল। গতবার সদর আসনে এমপি নির্বাচিত হন বগুড়া জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম ওমর। এর আগে সদর আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে আসছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ, জাসদ ও জাপার সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন, ভোটারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন ভোটারের কাছে গিয়ে দলীয়ভাবে দোয়া কামনা করছেন। উন্নয়নের বিভিন্ন ফিরিস্তি দিচ্ছেন। আবারও নির্বাচিত হলে আগামীতে কী কী উন্নয়ন করবেন সেসব প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন সাধারণ ভোটারদের। জেলা শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, পথের মোড়ে, রাজনৈতিক পাড়ায় আলোচনা চলছে আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে। জাপার একক প্রার্থী, বগুড়া সদর আসনের বর্তমান এমপি নূরুল ইসলাম ওমর বিভিন্ন এলাকায় সভা-সেমিনার করে নিজ দল ও নিজের জন্য ভোট প্রার্থনা করছেন। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট হলেও নূরুল ইসলাম ওমর এ আসনে জোটের প্রার্থী হবেন বলে জাপার নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন। জাসদ কেন্দ্রীয় নেতারা বগুড়ায় এসে জনসভা করে সদরে তাদের প্রার্থী হিসেবে এমদাদুল হক এমদাদের নাম ঘোষণা দিয়ে গেছেন।



আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নেমে নৌকার পক্ষে জনমত গড়ে চলেছেন। আর ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বগুড়ায় গত ১০ বছরে উন্নয়ন বৈষম্যের কথা বলে জনগণের দরজায় কড়া নাড়ছেন। তারা দলের প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি নিজের নির্বাচন করার ইচ্ছাটাও জানিয়ে দিচ্ছেন। এবার সদর আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হচ্ছেন— বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ মমতাজ উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু ও মঞ্জুরুল আলম মোহন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুলতান মাহমুদ খান রনি, বগুড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম রাজ। এ ছাড়া জেলা যুবলীগ সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলুর সমর্থকরা তাদের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম ওমর এমপি এবারও নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। জাসদের প্রার্থী হবেন সরকারি আজিজুল হক কলেজের সাবেক ভিপি ও শ্রমিক জোটের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক এমদাদ। বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু জানান, বগুড়ায় নৌকার পালে হাওয়া লেগেছে। নৌকা মার্কার বিজয় নিশ্চিত করতে নেতা-কর্মীরা কাজ করছেন। বগুড়ায় এবার নৌকা দুলে উঠবে। বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন জানান, আমি বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশ পালন করছি। উন্নয়নের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য গণসংযোগ করছি। এদিকে বেগম খালেদা জিয়া কোনো কারণে প্রার্থী না হলে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম সদর আসনে প্রার্থী হতে পারেন। এ ছাড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বগুড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবর রহমানও ধানের শীষের প্রার্থী হতে মাঠে রয়েছেন। সাইফুল ইসলাম জানান, বগুড়া বিএনপির দুর্গ। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে বগুড়া সদরে বিএনপি নিরঙ্কুশভাবে জয়ী হবে। বগুড়ায় ধানের শীষ জয়ের আনন্দে দুলে উঠবে। – সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

বুধবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৮

ঘাটাইলে সাংবাদিকদের সাথে জেলা তথ্য অফিসারের মত বিনিময়

বুধবার বিকালে ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসারের এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের তথ্য সমূহ সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন এবং তা প্রচারে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা আহমেদ,  জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার কজাী গোলাম আহাদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নূরুল ইসলাম,  ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি মোঃ সাজ্জাদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নূরুজ্জামান মিঞা, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও  সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক  আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সাংবাদিক সাইয়্যিফ মোহাম্মদ হামিদুল্লাহ, নিউজ ২৪ জেলা প্রতিনিধি আতিকুর রহমান, আনোয়ার হোসেন বকুল, বিষ্ণু প্রিয় দীপ, রেজাউল করিম খান রাজু প্রমুখ।

ঘাটাইলে যেভাবে শূণ্য থেকেকোটিপতি ইউপি চেয়ারম্যান

রবিউল আলম বাদল, ভোরের কাগজ: উত্তর টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, কালিহাতী, ভূয়াপুর, গোপালপুর, মধুপুর, ধনবাড়ী উপজেলার টপটেরর মাদক সম্রাট, বিশিষ্ট জুয়ারু, নারী ব্যবসার মহাজন, সুদ ও ঘুষখোরের কথিত সভাপতি, দুর্নীতির মহারাজা, সন্ত্রাসের গডফাদার, সকল অপরাধের হোতা ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অপরাধের অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। তিনি জেলার উত্তর এলাকায় মাদক জুয়া, নারী সুদ, ঘুষ প্রতারনা ও দুর্নীতির ফাঁদ তৈরি করে এলাকায় শত শত পরিবারকে নিঃস্ব ও ধ্বংস করে নিজে সম্পদের পাহাড় গড়লেও তিনি রয়েছেন ধরাছোয়ার বাইরে। তার বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে ঘাটাইল, কালিহাতী ও টাঙ্গাইল থানায় মাদক, জুয়া, নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সহ ১০ থেকে ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। মানুষ তার ভয়ে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও অনেকে গোপনে আইনের কাছে তার শাস্তি দাবী জানিয়েছেন।

গত দুই মাসের অনুসন্ধানে ভূক্তভোগী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, মাতাব্বর, এলাকার যুবক ছাত্র বৃদ্ধ ব্যবসায়ী শিক্ষক শ্রমিক দিনমজুর সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, দিঘলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সকাল বেলায় ঘুম থেকে জাগে জুয়ার টাকা হাতে নিয়ে। দুপুরে ভাত খায় সুদ ও ঘুষের টাকা দিয়ে এবং রাতে ঘুমাতে যায় মাদকের টাকা হাতে নিয়ে। এভাবে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বে-আইনী কর্মকান্ড চালিয়ে আট বছরে শূণ্য থেকে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। অনুসন্ধানে এর সত্যতা পাওয়া গেছে।

ভূক্তভোগী ও এলাকাবাসী জানায়, চেয়ারম্যান নজরুল উত্তর টাঙ্গাইলের মাদক, জুয়া নারী, সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের গডফাদার। তার ইশারায় এলাকায় সকল অপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকে। ২০০৪ ও ২০১৭ সালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফায়দা লুটতে কাশতলা ও নাটশালা গ্রামের মধ্যে মারামারি সৃষ্টি করে শতাধিক দোকানপাট ও হাট ভাংচুর ও লুটতরাজ করে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। তাছাড়াও হামিদপুর গ্রামের রাজ্জাক খার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যে লুটতরাজ করে চেয়ারম্যান নজরুল। শেষে নজরুলকে আসামী করে একাধিক মামলা হয়।

তার অতীত কর্মকান্ডের ফলে উপজেলার দেউলাবাড়ি বাজার থেকে কালিহাতী ব্রীজ পর্যন্ত আশে পাশের মানুষ তার ভয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকে। জানা যায়, নজরুল যেমন উশৃংখল তেমনি বেপরোয়া। সে গায়ের জোরে আইনকেও তোয়াক্কা করে না।

২০১৪ সালে জামায়েত বিএনপির আন্দোলনের সময় দেউলাবাড়ি থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত গাড়ি পোড়ার নেতৃত্ব দেয় চেয়ারম্যান নজরুল। তার নামে পাকুটিয়া গাড়ী পোড়া, বানিয়াপাড়া গাড়ী ভাঙ্গা, গুণগ্রাম গাড়ীপোটা, কদমতলী হুন্ডা পোড়া, হামিদপুরে গাড়ী পোড়া ও টাঙ্গাইলে নাশকতার মামলা রয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের লোক হয়েও তার ইউনিয়নে সরকারী দলের ইউপি সদস্যদের কাজ না দিয়ে উল্টো তাদের কোনঠাসা করে রাখে। ফলে ২০১৭ সালের টিক্কা মেম্বারের নেতৃত্বে সকল ইউপি সদস্য তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অনাস্থা দিলেও তিনি ক্ষমতার বলে আজও রয়েছেন বহাল তবিয়তে।

হামিদপুর বাজারে একাধিক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, নজরুল এলাকায় নাম করা অপরাধ জগতের হোতা। এমন কোন অপরাধ নাই যা তিনি না করে থাকেন। তিনি মাদক বিক্রি থেকে শুরু করে জুয়ার ব্যবসা, সুদের ব্যবসা, ঘুষের ব্যবসা, নারীর ব্যবসা, ছাড়াও প্রতারনা ও দুর্নীতি করে নিজে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। আট বছর আগেও যার লবন আনতে পান্তা ফুরাত, সে আজ নাটশালা গ্রামে দুইতলা পাকা বাড়ীর মালিক। কালিহাতী সদরে জমি ক্রয় করে একতলা রাজপ্রাসাদ তৈরি করে সেখানে বসবাস করছেন। তাছাড়াও তার রয়েছে ময়মনসিংহের বাসা, ঢাকা আশুলিয়ায় বাসা, সাভারে ব্যবসা, পাবনায় পেট্রোল পাম্প, কালিহাতীতে একাধিক রাইচমিল, হামিদপুরের একাধিক রাইচমিল ও ইটভাটা। উত্তরবঙ্গে একাধিক গাড়ী, হামিদপুর কবিরের বাসা ও বাবুল সাহার ব্যাটারীর দোকানে জুয়া খেলা, শতাধিক মাদকের ডিলারের নিকট থেকে টাকা আদায় করা ছাড়াও প্রায় ২০ কোটি টাকা সুদ ব্যবসা এক হাতে পরিচালনা করে আসছে।

জানা যায়, চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম প্রতারকের বড় ভাই, তিনি গাছের শিকর কেটে উপরে পানি ঢালে। তিনি একদিকে গোপনে এনজিওর মাধ্যমে ভূয়া সার্টিফিকেট ক্রয় করে এলাকায় শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান বলে প্রচার করে, অপরদিকে তিনি জুয়া, মাদক, নারী ফাঁদে যুবসমাজকে ধ্বংস করে তাদের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে।

কালিয়াগ্রাম, সালেঙ্গা ও হামিদপুর গ্রামের একাধিক যুবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, চেয়ারম্যান নজরুলের মতো এতো বড় মাদক সম্রাট টাঙ্গাইল জেলায় দ্বিতীয় জন নাই। তার যতগুলি মাদকের ডিলার রয়েছে কোন কোন ইউনিয়নে ঐ পরিমান লোক বসবাস করে না।

তারা আরও জানায়, নাটশালা গ্রামের শাজাহান তালুকদারের ছেলে মনিরুজ্জামান ওরফে মনির মেম্বার এবং একই গ্রামের বেল্লাল হোসেনের ছেলে রুবেল এরা উভয়েই মাদকে বড় ডিলার এবং চেয়ারম্যান নজরুলের প্রধান সহযোগী। বর্তমানে মনির মেম্বার পলাতক থাকায় তার ব্যবসা পরিচালনা করছে মনির মেম্বারের স্ত্রী এবং চেয়ারম্যান নিজেই।

মনির এবং রুবেল এর মতো উপজেলায় আরও মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে তারা হলো নাটশালা গ্রামের ময়েজ মিয়ার ছেলে মুক্তার আলী, ভোলা মিয়ার ছেলে কিসলু, সুরুজ আলীর ছেলে কবির হোসেন, হায়দর আলী স্ত্রী বেদেনা (বর্তমান ঠিকানা-হামিদপুর) কালিয়াগ্রামের হাবু মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম, একই গ্রামের আন্তাজ আলীর ছেলে রাজ্জাক ওরফে কানা , জোতনসর গ্রামের বাছেদ মিয়ার ছেলে রঞ্জু, নজুনবাগ গ্রামের ফরহাদ ও শিপন, কোকডহরা গ্রামের শুকুর, ব্রাহ্মণশাসন গ্রামের মাহতাব উদ্দিনের ছেলে আতিক, ধোপাজানী গ্রামের ফজলু তালুকদারের ছেলে মনি মেম্বার, একই গ্রামের করিমের ছেলে মিজানুর রহমান মিঠু, হবিবরের ছেলে কালাম, বেলদহ গ্রামের মিন্নাত আলীর ছেলে জাকির, একই গ্রামের সাবিব্বার হোসেন, হামিদপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে হারুন ও মেয়ে মনি, খালেক মিয়ার ছেলে বারেক, হুমায়ুন, আশরাফ, গারট্ট গ্রামের মৃত-জুলহাস মেম্বারের ছেলে আলমগীর হোসেন বাদশা, একই গ্রামের জাহাঙ্গীর, কাশতলা গ্রামের খলিল ড্রাইভারের ছেলে আরশেদ (তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে সবাই মাদক বিক্রি করে) আঠারদানা গ্রামের বাহাদ আলীর ছেলে রউফ, মোদি মিয়ার ছেলে আলাল, দেলোয়ারের ছেলে মনি, বাগুনডালী গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে ফরহাদ ও রাজু, (রাজুর বর্তমান ঠিকানা মিলকুড়িয়া) মাইজবাড়ি মৃত খালেকের ছেলে হিরা মেম্বার, পুরুলী মাইজবাড়ী গ্রামের মৃত আবুল পুলিশের ছেলে রঞ্জু, একই গ্রামের মীর বাদশাহ এর ছেলে জুয়েল, ওমর আলীর ছেলে এনামুল, মৃত-হাসান সরকারের ছেলে মালেক সরকার, ওমর আলীর ছেলে মিলন সহ এরকম ৭০ জন মাদকের ডিলার রয়েছে। চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তাদের সকলের গডফাদার।

চেয়ারম্যান এসব মাদকের ডিলারের কাছ থেকে সাপ্তাহিক কিংবা মাসিক হিসেবে মাসওয়ারা নিয়ে প্রতি মাসে আয় করে প্রায় কোটি টাকা। মাদক ব্যবসায়ীদের প্রত্যেকের নামেই ৫/১০/২০টি করে মাদক মামলা রয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকের ১০/২০ বার আটক হয়েও আইনের ফাক ফোকরে ছাড়া পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যানের সহযোগীতায় মাদক ব্যবসা করে আসছে।

বাগুনডালী মাইজাবাড়ী গ্রামের এক মাদক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চেয়ারম্যান নজরুলকে চাঁদা না দিয়ে কেউ মাদকের ব্যবসা করতে পারে না। যারা টাকা দেয় না তারাই বার বার পুলিশের হাতে আটক হয়। যারা চেয়ারম্যান নজরুলকে সাপ্তাহিক বা মাসোয়ারা নিয়মিত দেয় তারাই আটকের ভয় না করে অনায়াসে মাদক বিক্রি করে আসছে।

হামিদপুর এলাকার এক ড্রাইভার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায় নজরুল (চেয়ারম্যান) আড়ালে তার নিজস্ব লোক দিয়ে হামিদপুর পেট্রোল পাম্পের দ্বিতীয় তলায় কালো গ্লাসের ভেতরে বসে গোপনে নিজেই হিরোইন ও জুয়ার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এই হিরোইন বিক্রির দায়ে ২০১৪ সালে চেয়ারম্যান সহ তার ব্যবসার সহযোগী বাদে পারশী গ্রামের রহিমের নামে ১ কেজি হিরোইন বিক্রির দায়ে মামলা দেয় ঘাটাইল থানা পুলিশ। সে মামলায় চেয়ারম্যান নজরুল হাইকোর্ট থেকে জামিনে এলেও আঃ রহিম তিনমাস হাজত বাস করে।

এসব অপরাধের বিষয়ে দিঘলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এতকিছু করিনা, মানুষ না জেনে আমার নামে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে।

পুলিশ কেন আপনার নামে মাদক ও জুয়ার মামলা দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ প্রথমে আমাকে সন্দেহ করেছিল পরে ঠিক হয়ে গেছে।

চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক, জুয়া সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মাকসুদুল আলম বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আমি এসব বিষয়ে কিছুই জানি না।

মাদক, জুয়া, সন্ত্রাসী দমন বিষয়ে ঘাটাইল আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ তুহিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে জঙ্গি দমন হয়েছে মাদকেও দমন করা হবে। তবে ঘাটাইল উপজেলায় যত বড় মাদক সম্রাট, জুয়ারু, ঘুষখোর ও সন্ত্রাসী থাকুক না কেন তাদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত বিএনপি

১২ বছর ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে বিএনপি। দলের প্রধান বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে চিকিৎসাধীন। শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত প্রত্যেকটি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা। কারাগারেও বন্দি রয়েছেন অসংখ্য নেতাকর্মী।

এই অবস্থায় সামনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সংবিধান অনুয়ায়ি বর্তমান সরকারের অধীনেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যদিও একই পরিস্থিতিতে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকরা।
Amader Ghatail
তাই এবার নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায়ে সরকারকে বাধ্য করতে যুক্তফ্রন্ট, গণফোরামকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছে বিএনপি। আজ সিলেটে হতে যাচ্ছে এই জোটের প্রথম মহাসমাবেশ। রাজপথের আন্দোলনের জন্য এই জোট গঠন করা হলেও ২০ দলীয় জোটের মতো ঐক্যফ্রন্টও নির্বাচনী জোটে পরিণত করতে চায় দলটি। চাওয়া-পাওয়া ভুলে বৃহত্তর স্বার্থে শরিকদের বড় ধরণের ছাড় দিয়ে হলেও বর্তমান সরকারের বিদায়ের পক্ষে দলটির নেতাকর্মীরা। দলটি সূত্রে জানা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে কোন মূল্যে বর্তমান সরকারের বিদায়ের জন্য বার্তা পাঠিয়েছেন কারাবন্দি অবস্থা থেকে। একইরকম নির্দেশনা দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। চাওয়া-পাওয়া, ভাগাভাগি, দাবি-দাওয়াতে মনোযোগ না দিয়ে গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থে নেতাকর্মীদের কাজ করতে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতির এই চরম দুর্দিনে জাতি মুক্তির পথ খুঁজছে, সকলে পরিবর্তন দেখতে চান, এই সরকারের পতন দেখতে চান। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চান। যিনি তার সারাটা জীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। এজন্যই তাকে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কারাবন্দি করা হয়েছে। তিনি জেলে যাওয়ার আগে বলে গিয়েছিলেন, দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচাতে হলে, দেশের স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। সকল দল, মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে রাজনৈতিক দল, সংগঠন, ব্যক্তি সবাইকে এই স্বৈরাচার ও দখলদার সরকারকে সরাতে হবে। এজন্য ঐক্য হচ্ছে একমাত্র পথ। এর কোন বিকল্প নাই। কারাগার থেকেও খালেদা জিয়া খবর পাঠিয়েছেন, আমার কি হবে সেটি নিয়ে পরোয়া করিনা। যে কোন মূল্যে এই দুঃশাসন থেকে মুক্ত হতে, স্বৈরাচার সরকারকে সরাতে হবে। জোট গঠন এবং জোটের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানা রকম সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনের আসন, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর পদ কে পাবেন কিংবা মন্ত্রী ইত্যাদি। তবে এসব কিছুকেই গণমাধ্যমের অনুমানভিত্তিক বলে মনে করছেন দলটির নেতারা। তারা মনে করেন এখন কোন চাওয়া পাওয়া নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং খালেদা জিয়ার মুক্তি তাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী কেন আলোচনা করে শীর্ষ নেতারা যে কোন বড় ধরণের ত্যাগও স্বীকার করতে রাজি আছেন। যার দৃষ্টান্ত ইতোমধ্যে ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে দেখিয়ে দিয়েছে বিএনপি। ফ্রন্টের সভায় ৭ নম্বর চেয়ারে বসেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। যে দাবি এবং লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম চলছে সেই দাবি আদায় হলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকল দল ও জোটকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন ও কনকল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার ব্যাপারেও আশাবাদ প্রকাশ করেছেন তারা। এক্ষেত্রে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে ছাড় এবং ত্যাগ স্বীকার করতেও প্রস্তুত নেতাকর্মীরা। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে এগিয়ে নিতে বিএনপি সর্বোচ্চ ছাড় দিতে রাজি।

বিএনপি সর্বোচ্চ ছাড় দিতে প্রস্তুত। ঐক্যফ্রন্টের সভায় আমাদের মহাসচিব বসেন ৭ নম্বর চেয়ারে। সভাপতির পাশের চেয়ারগুলোয় বসেন আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, মোস্তফা মহসীন মন্টুও বসেন। আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বসেন আরও দূরে। আমরা মেনে নিয়েছি। কারণ বড় দল হিসেবে আমাদের অবশ্যই ছাড় দিতে হবে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জাতীয়তাবাদী দল সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক সহশীলতা দেখিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছে। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে, মানুষের কথা বলার অধিকার, ন্যায়-বিচার, আইনের শাসন ফিরিয়ে আনার স্বার্থে সর্বোচ্চ ছাড় দেবে বিএনপি। তবে এখন দল ও দেশের মানুষের কাছে মূল প্রাধান্য বিষয় হচ্ছে একটি নির্দলীয় নির্বাচনকালী সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন। বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা জানান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন যে কোন মূল্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী সকল দল ও ব্যক্তিকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার এবং তাদের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার এই আন্দোলনে সফল হলে যারা শরিক থাকবেন তাদেরকে নিয়েই দেশকে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক এবং জনকল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশনা তারা দিয়েছেন। এর আগে ২০০১ এবং ২০০৮ সালে জোটগতভাবেই জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছে বিএনপি। পরবর্তীতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে জোটগতভাবেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। চলতি বছরের শেষে কিংবা আগামী বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে পারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি দল আওয়ামী লীগ প্রচারণায় নামলেও বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বলে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে বিএনপি। এছাড়া নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, তফসিল ঘোষণার আগে সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাহী ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন, ইভিএম (ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহার বাতিলসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে রাজপথের প্রধান বিরোধী দলটি। এসব দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তফ্রন্ট ও গণফোরামকে নিয়ে গঠিত হয়েছে জাতীয় ঐকফ্রন্টও। ২০ দলীয় জোটের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনকে রাজনৈতিক কৌশলে বিজয়ী হিসেবে দেখছেন বিএনপির শীর্ষ থেকে তৃণমূল নেতারা। রাজপথে এই জোটের নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি পূরণ হবে বলে মনে করেন তারা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এখন যে জোট গঠন করা হয়েছে তা ৭ দফার ভিত্তিতে আন্দোলনের জন্য। এটি নির্বাচনী জোট নয়। আগে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন আদায় করাই আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ। এটি হলে পরবর্তীতে আমরা নির্বাচনী জোট ঘোষণা করবো। তখন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে। জাতীয় ঐক্য গঠন হয়েছে, ছোটখাটো কোন বিষয় নিয়ে কোন কিছু আটকে থাকবে না। বড় দল হিসেবে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বার্থে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, অতীতে কোন সময় নির্বাচনে যাওয়ার ক্ষেত্রে জোটের মধ্যে কোন সমস্যা হয়নি। ছোটখাট কিছু বিষয় থাকে কিন্তু সেগুলো বড় করে দেখার সুযোগ নাই। বড় দল হিসেবে বিএনপি সব সময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। আগামীতেও করবে। ৭ দফা দাবি পূরণ হলে বিএনপি এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। দলের সবারই ছাড় দেয়ার মন মানসিকতা রয়েছে। তাই এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেন, এখনো নির্বাচন নিয়ে কোন কথা হচ্ছে না। আমাদের দলের অবস্থান হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া কোন নির্বাচন হবে না। তাকে মুক্ত করেই, নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে বিএনপি। নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হলেই তখন আসন বন্টন, ভাগাভাগি অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হবে। জোটগত নির্বাচনে বিএনপির অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের আরেক সদস্য আতাউর রহমান ঢালী বলেন, অতীতে বিএনপি দুইবার জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।

সেসময় আসন কিংবা দাবি দাওয়া নিয়ে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। ফলে আগামীতেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে এই বিষয়টা বড় কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। কারণ বড় দল হিসেবে অন্যদেরকে ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকতে হয় এবং বিএনপির সেটি আছে। শুধু কেন্দ্রীয় নেতারা নয়, তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরাও দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনা মেনে যেকোন সিদ্ধান্ত মেনে নিতে প্রস্তুত আছে জানিয়ে ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন বলেন, আমরা চাই দেশে একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসুক। মানুষ তাদের নিজের ভোট নিজে দেয়ার অধিকার ফিরে পাক। জাতির স্বার্থে, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বিএনপি সবধরণের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছে। পরিস্থিতি বিবেচনায়, বৃহত্তর স্বার্থে দলের চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে নির্দেশনা দেবেন দলের প্রতিটি নেতাকর্মী তা মেনে নেব। আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত যে কোন ছাড় দেয়ার জন্য। যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা, মামলা, নির্যাতনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। স্বাধীন দেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের কোন নিরাপত্তা নেই, কথা বলার অধিকার নেই, আইনের শাসন নেই।

 ফলে তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাবনা হচ্ছে দেশকে, দেশের জনগণকে প্রথমে স্বৈরাচারমুক্ত করা। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে স্বস্তির পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। এজন্য ২০ দলীয় জোট কিংবা ঐক্যফ্রন্টসহ আরও যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপির সাথে যুক্ত হবে তাদেরকে যে কোন বিষয়ে ছাড় দিতে হলেও কোন আপত্তি থাকবে না। আড়াইহাজার বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদুর রহমান সুমন বলেন, দেশে এখন অগণতান্ত্রিক, স্বৈরশাসন চলছে। দেশের মানুষ দিশেহারা, বাকস্বাধীনতা নাই, সব সেক্টর ভেঙে পড়েছে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। এ থেকে উত্তোরণের জন্য জাতীয় ঐক্য হয়েছে। তৃণমূল বিএনপি এই ঐক্যকে স্বাগত জানায় এবং আশা করে এই নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি জাতীয় নেতৃবৃন্দ সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়েই দিকনির্দেশনা দেবেন। এতে বিএনপি, দলের নেতাকর্মীদের যে কোন রকম ছাড় বা ত্যাগ স্বীকার করতে হলেও তা করতে প্রস্তুত। কারণ এখন সবার আগে প্রয়োজন এই স্বৈরশাসকের বিদায়, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।

সোমবার, অক্টোবর ২২, ২০১৮

মঙ্গলবার দিনটি যেমন কাটবে আপনার

আজ আপনার জন্ম দিন হলে পাশ্চাত্য মতে আপনার রাশি বৃশ্চিক। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ: বুধ ও মঙ্গল। ২৩ তারিখে জম্ম হবার কারণে আপনার ওপর বুধের প্রভাব প্রবল।
আপনার শুভ সংখ্যা: ৫, ১৪, ২৩।
আপনার শুভ বর্ণ: লাল ও সবুজ।
শুভ গ্রহ ও বার: মঙ্গল ও বুধ।
শুভ রত্ন: পান্না, প্রবাল।
চন্দ্রের অবস্থান: আজ চন্দ্র মীন রাশিতে অবস্থান করবে। ১৪শী তিথি, রাত: ১০:৩০ থেকে পূর্ণিমা তিথি চলবে।
মেষ রাশি (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল): মেষ রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি সকালের দিকে ব্যয় বহুল ও ঝামেলাপূর্ণ থাকবে। ভ্রমণে ব্যয় বৃদ্ধিও আশঙ্কা। আপনার কোনো মূল্যবান ডকুমেন্ট আসতে দেরি হতে পারে। আইনগত বা আয়কর সংক্রান্ত ঝামেলায় ভুগতে পারেন। প্রবাসীদের কাজে-কর্মে ব্যস্ততার যোগ। ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায় ভালো আয়ের যোগ রয়েছে।
বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল - ২০ মে): বৃষ রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। ব্যবসায় বন্ধুর সাহায্য পেয়ে যাবেন। ঠিকাদারী ব্যবসায় কোনো অর্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভাই এর সাহায্য আশা করতে পারেন। বন্ধুর সাহায্য আশা করা যায়। কোনো ভাই-বোনের কাছ থেকে কিছু অর্থ ধার করতে পারেন। চাকরিজীবীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির যোগ প্রবল।
মিথুন রাশি (২১ মে - ২০ জুন): আজ মিথুন রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। কর্মস্থলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে আশানুরুপ অগ্রগতি হবে। পিতার সাহায্য পেতে পারেন। কোনো পদস্ত কর্মকর্তার সহায়তায় রাষ্ট্রীয় ট্রেনিং-এ অংশ নেবার সুযোগ পেয়ে যাবেন। নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনায় ব্যস্ত হতে পারেন।
কর্কট রাশি (২১ জুন- ২০ জুলাই): কর্কট রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। উচ্চ শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে অগ্রগতি আশা করা যায়। বৈদেশিক কাজে আশানুরুপ সফলতা পেতে পারেন। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক কাজে আশানুরুপ সাফল্য পেতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিছু বাধার সম্মুখীন হতে পারেন। জীবিকার জন্য বিদেশ যাত্রা শুভ।
সিংহ রাশি (২১ জুলাই- ২১ আগস্ট): আজ সিংহ রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি মিশ্র যাবে। সকালের দিকে কোনো পাওনাদারের মুখোমুখী হতে পারেন। ব্যাংক ঋণ যোগ প্রবল। রাস্তাঘাটে সাবধান থাকতে হবে। পুলিশি হয়রানির সম্মুখীন হতে পারেন। ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কোনো দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন। চিকিৎসক ও ক্যামিকেল ব্যবসায়ীদের দিনটি শুভ।
কন্যা রাশি (২২ আগস্ট - ২২ সেপ্টেম্বর): কন্যা রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। সকালের দিকে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত আলাপ আলোচনায় অগ্রগতি হবে। জীবন সাথীর সাহায্য পেতে পারেন। ব্যবসায়ীক কোনো কাজে দূরে ভ্রমণের যোগ প্রবল। অবিবাহিতদের বিবাহের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করতে পারেন। যৌথ কোনো বিনিয়োগে ক্ষতি হতে পারে।
তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর - ২১ অক্টোবর): তুলা রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি বলবান থাকবে না। সকালের দিকে কর্মস্থলে কিছু ঝামেলা দেখা দিতে পারে। অধিনস্ত কর্মচারীর কোনো অপকর্ম ধরতে পারেন। চাকরিজীবীদের কর্মহানির আশঙ্কা প্রবল। বাসাতে কোনো প্রকার চুরির সম্মুখীন হতে হবে। গোপন শত্রুতা বৃদ্ধি পেতে পারে। শরীর ভালো যাবে না।
বৃশ্চিক রাশি (২২ অক্টোবর - ২০ নভেম্বর): বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি শুভাশুভ মিশ্র। সৃজনশীল কাজে অগ্রগতি হবে। চারুকলার শিক্ষার্থীরা কোনো বৃত্তি পেতে পারেন। শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। প্রেমিকার সাথে কোনো কারণে ভুল বোঝাবুঝি দেখা দেবে। আজ সন্তানের পড়াশোনায় কিছুটা গাফিলতির আশঙ্কা প্রবল। নতুন রোমান্টিক সম্পর্কের শুরু হতে পারে।
ধনু রাশি (২১ নভেম্বর - ২০ ডিসেম্বর): ধনু রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি তুলনামূলক ভালো যাবে। গৃহশান্তি ফিরে পাবেন। যানবাহন লাভের স্বপ্ন পূরণ হতে পারে। কোনো আত্মীয়র সাহায্য আশা করতে পারেন। কর্মস্থলে আপনার প্রত্যাশা পূরণের যোগ প্রবল। আজ গৃহের জন্য আসবাব পত্র ক্রয় করার সুযোগ আসতে পারে। মায়ের শরীর কিছুটা দুর্বল থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর - ২০ জানুয়ারি): মকর রাশির জাতক-জাতিকাদের দিনটি ভালো যাবে। সকালের দিকে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন। বৈদেশিক অর্ডার লাভের যোগ প্রবল। সাংবাদিকদের কাজের ব্যস্ততা বাড়তে পারে। ছোট ভাই-বোনের সাথে সাংসারিক কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। কোনো অসুস্থ আত্মীয়কে সাহায্য করার উদ্যোগে ভালো সারা পাবেন।
কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি -১৮ ফেব্রুয়ারি): কুম্ভের জাতক-জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। বকেয়া টাকা আদায়ের যোগ রয়েছে। খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায় সকালের দিকে ভালো বেচা-কেনা হবে। হোটেল মোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা শুভ। বিনিয়োগে ভালো মুনাফার যোগ রয়েছে। ব্যাংকের ক্যাশিয়ার ও হিসাব নিরিক্ষকদের একটু ধৈর্য্য সহকারে কাজ করতে হবে।
মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি - ২০ মার্চ): মীনের জাতক-জাতিকার দিনটি মিশ্র যাবে। আপনার ক্ষমতা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। তবে জীবন সাথীর সাথে কিছু ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা রয়েছে। রাজনৈতিক ও কর্মক্ষেত্রে আপনার সম্মান বৃদ্ধির যোগ প্রবল। বিদেশ থেকে কোনো অর্থ লাভের সম্ভাবনা। বন্ধু ও ব্যবসায়ীক অংশীদারের সাহায্য পেতে পারেন। নতুন বিনিয়োগে ঝুঁকি রয়েছে।
নিউজটি ভাল লাগলে একটি লাইক দিন :

বিমানে ত্রুটি, শাহজালালে জরুরি অবতরণ

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বোয়িং ৭৭৭ বিমান জরুরি অবতরণ করেছে। কাতারের কিউআর ৬৩৫ ফ্লাইটি ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে দোহারের উদ্দেশে যাত্রা করে সোমবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে।
এরপর রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা হওয়ায় জরুরি অবতরণ করে বিমানটি।
এ বিষয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা বলেন, কাতার এয়ারওয়েজের বিমানটি নিরাপদে জরুরি অবতরণ করেছে। কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

রবের বাসা থেকে মইনুল গ্রেপ্তার

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা মইনুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। ফ্রন্টের আরেক নেতা আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় গোয়েন্দারা। সোমবার রাত ১০টার দিকে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাকে আটক করা হয়।

গত ১৩ অক্টোবর ড. কামাল হোসেন, বিএনপি, নাগরিক ঐক্য এবং জেএসডিকে নিয়ে গঠিত ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেন মইনুল হোসেনও। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার অনুমোদন দেন তিনিই।

গত ১৬ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তরের একটি অনুষ্ঠানে এসে নারী সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে এক প্রশ্নের জবাবে ‘আপনাকে আমি চরিত্রহীন হিসেবে দেখতে চাই’ মর্মে বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত হন।
মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে ২১ অক্টোবর মামলা করেন মাসুদা ভাট্টি। জারি হয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। একই দিন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় জামালপুরেও। তবে একই দিন উচ্চ আদালতে পাঁচ মাসের আগাম জামিন পান মইনুল। আর পরদিন এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।
তবে মইনুলের বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু মামলা হয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।
সন্ধ্যার পর মইনুল হোসেন উত্তরায় জেএসডি নেতা রবের বাসায় যান। আর এরপর বাসাটি ঘিরে রাখার কথা জানান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার।
আ স ম আব্দুর রবের উত্তরার বাসা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ভিতরে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন রয়েছেন। আজ রাতে মইনুল আটক হতে পারেন বলে ধারণা কর হচ্ছে।
 
আরও আসছে...

ঘাটাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

উত্তম আর্য্য, নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘নিজের নিরাপত্তা সর্বাগ্রে, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করণ আমাদের দায়িত্ব’- এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সোমবার (২২ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে।

ঘাটাইল সরকারী গণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত, উপজেলা মুল ফটকের সামনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম শামসুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

এ সময় বিদ্যালয়টির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার, অক্টোবর ২১, ২০১৮

ঘাটাইলে বিদ্যুৎ বিভাগে নানা অনিয়মের অভিযোগ, জিম্মি গ্রাহকরা

মাসুম মিয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বিতরণ বিভাগে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন যা অফিস জানে না, ভূতুড়ে বিলসহ নানা ভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এ বিভাগ। সেবার নামে কিছু দুর্নীতিবাজদের হাতে জিম্মি হয়ে আছে গ্রাহকরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কিছু দিন আগে উপজেলার এনায়েত বাড়ি গ্রাম থেকে বিদ্যুৎ অফিসের লোক পরিচয় দিয়ে গভীর রাতে তিনটি অটোরিক্সা চার্জ দেওয়ার যন্ত্র স্টেবুলাইজার অফিসে নিয়ে আসে এমনটি জানান অটোরিক্সা চালক আলম। অবৈধ সংযোগে নাকি অটো চার্জ দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ এনে এ কাজ করেন তারা। প্রতিজন অটোরিক্সা চালকের কাছ থেকে আট হাজার করে টাকা নিয়ে স্টেবুলাইজার ফেরত দেন তারা। এর আগেও এ গ্রাম থেকে চারটি স্টেবুলাইজার বিদ্যুৎ বিভাগের লোক নিয়ে আসে আর এরও রফাদফা হয় একই রূপে। বিষয়টি গ্রামের সবাই অবগত। অথচ সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান জানান বিষয়টি অফিসের কেউ জানে না।

জানা যায়, মিটার রিডিং না দেখেই ঘরে বসে বিল করে অফিস। ফলে গ্রাহক যে পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তার চেয়ে কয়েক গুন বেশী বিল ধরিয়ে দেয় গ্রাহকের হাতে। ফলে আবাসিক বিল হয়ে যায় বানিজ্যিক। এ যেন বিল বেশী করার রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে মোট ৩০ হাজার গ্রাহকের প্রায় অর্ধেক গ্রাহকের সাথে একই ধরনের অনিয়মের কাজটি করে আসছে সংশ্লিষ্টরা। প্রতিকার পেতে ভুক্তভোগীদের বারবার অফিসের দরজায় কড়া নাড়তে হচ্ছে। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া মিলছে না সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।

উপজেলার মোগলপাড়া গ্রামের রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা রাসেল সুমন জানান, আমার মিটার লক হয়ে আছে পাঁচ মাস যাবত। কিন্তু পাঁচ বার অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও কোন শুরাহা হচ্ছে না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমার অভিযোগ মনে হয় বোকা বাক্সতেই বন্দী হয়ে আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ লাইনে কোন সমস্যা হলে মেরামত বাবদ লাইনম্যানকে ৩শ থেকে ৫শ টাকা ঘুষ দিতে হয়। তা না হলে তারা কাজ করেন না।

কুশারিয়া গ্রামের আবু হানিফ জানান, আমি সর্বমোট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছি ১৪শ ইউনিট আর লেজার খাতায় উঠানো ৫হাজার ইউনিট। অভিযোগ নিয়ে অফিসে গেলে তারা বলেন পরের মাস থেকে সমন্বয় করে দেব। যা বিল আসছে তা আপনাকে পরিশোধ করতে হবে। সে সমন্বয় আর হচ্ছে না, তার আগেই প্রিপেইড মিটার লাগানোর পায়তারা করতেছে অফিস।

উপজেলার জামালপুর গ্রামের সঞ্জয় চন্দ্র সাহা জানান, ডিজিটাল মিটার খুলে যখন প্রিপেইড লাগানো হল তখন আমি তাদের কাছে ৭শ ইউনিট বিদ্যুৎ পাওনা ছিলাম, সে টাকা গেল কোথায়?

এনায়েত বাড়ি গ্রামের রাসেল জানায়, ৫শ ইউনিট বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে পাওনা থাকা অবস্থায় প্রিপেইড মিটার লাগিয়ে যায়। বিষটি নিয়ে বারাবর অফিসে গেলেও কোন কাজ হচ্ছে না। ডিজিটাল মিটারের কোন বিল বাকি থাকলে প্রিপেইড মিটারের উপর তার প্রভাব পরে এবং লক হয়ে যায়। কিন্তু ডিজিটাল মিটারের হাজার হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে গ্রাহকের পাওনা থাকলে তার কোন হিসেব পাওয়া যাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে ঠিক মত বিদ্যুৎ বিলের কপিও পৌছানো হয়না গ্রাহকের হাতে। যার দরুণ গুনতে হচ্ছে বাড়তি জরিমানার টাকা। অথচ গ্রাহক প্রতি এ বাবদ প্রতি মাসে ৪শত টাকা চার্জ নিয়ে থাকে অফিস।

এ ছাড়া গ্রাহকদের অভিযোগ প্রিপেইড মিটার নাকি টাকা গিলে খাচ্ছে। তাদেরকে কোন প্রকার নোটিশ না করেই নাকি ডিজিটাল মিটার খুলে লাগানো হয়েছে প্রিপেইড মিটার।

প্রিপেইড মিটারের গ্রাহক উপজেলার চানতারা গ্রামের আঃ খালেক জানান, আগে মাসে ৫-৭শ টাকার মতো বিল আসতো আগের মতোই বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এখন দুই হাজার টাকার উপরে রিচার্জ করতে হচ্ছে।

এসব বিষয়ে ঘাটাইল পিডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম খান বলেন, গ্রাহকের সব অভিযোগ সঠিক না। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করি তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য।

প্যান্টের জিপ খুলে ফেলেন, আমার চুল ধরে ওর কোলের ওপর...


একদিকে নামী সব অভিনেত্রীরা অভিযোগ করছেন অন্যদিনে ফেঁসে যাচ্ছেন গুণী সব পরিচালক- প্রযোজক ও অভিনেতারা। চারদিকে শুধু অভিযোগ আর অভিযোগ। মেয়েদের যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক মুখ খুলছেন অভিনেত্রীরা।

#মিটু-র জেরে এরই মধ্যে নানা পাটেকার, সাজিদ খান, অলোকনাথের পর যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল আনু মালিকের বিরুদ্ধেও। শিল্পী সোনা মহাপাত্র ও শ্বেতা পণ্ডিতের পর এবার আরও এক নারী মালিকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনলেন।

আনু মালিকের বিরুদ্ধে মুখ খুলে এক নারী মিড ডে-কে জানিয়েছেন তাঁর সঙ্গে আনুর দেখা হয় ১৯৯০ সালে মুম্বইয়ের মেহবুব স্টুডিওতে। সেখানেই আনু তাঁকে চেপে ধরেন। পরে ক্ষমা চেয়ে নেন। এখানেই শেষ নয়।

আনু মালিকের সঙ্গে তাঁর একটি হয়রানির ঘটনা ঘটে সুরকারের নিজের বাড়িতে। ওই নারীর অভিযোগ, ‘নিজের বাড়িতে তাঁর পাশেই সোফাতে বসেছিলেন আনু। বুঝতে পারছিলাম ফাঁদে পড়েছি। কারণ ওইদিন আনুর বাড়ির কেউ ছিলেন না। উনি আমার স্কার্ট তুলে ধরেন। ওকে ঠেলে সরানোর চেষ্টা করছি এমন সময় দরজার বেল বেজে উঠল। ওই ঘটনার পর এনিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নিষেধ করেন আনু।’

ওই ধরনের যৌন হয়রানির ঘটনা আরও ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ওই নারী। তিনি জানিয়েছেন, ‘একবার সন্ধ্যে সাড়ে আটটা নাগাদ আনু মালিক তাঁকে নিয়ে একটি ফাঁকা মাঠের মধ্যে গাড়ি থামিয়ে দেন। ভয়ে জিজ্ঞাসা করলাম কোথায় এসেছি। সেসব কথায় কান না দিয়ে উনি প্যান্টের জিপ খুলে ফেলেন। আমি গাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উনি আমার চুল ধরে ওর কোলের ওপর আমার মাথা চেপে ধরেন।‘

প্রসঙ্গত, #মিটু-র অভিযোগের যখন গোটা বলিউড নড়ে- চড়ে বসেছে তখন এ তালিকা থেকে বাদ যাননি দীপিকা পাডুকোন, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের মতো অভিনেত্রীরাও। এছাড়া এ তালিকায় আরও রয়েছেন বঙ্গকন্যে তনুশ্রী দত্ত, অনন্যা বিশ্বাস, কারিশমা শর্মা, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, কঙ্গনা রানাউত, নয়নী দীক্ষিত, সোনা মহাপাত্র, আলোকনাথ, কঙ্গনা রানাউত, কেট শর্মা মতো অনেকেই।

এরই মধ্যে এক অভিনেত্রী শাহরুখের ঘনিষ্ট বন্ধু করিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। তারপরেই অভিযুক্ত অভিনেতাদের তালিকায় নাম উঠে ভাইজান নামে খ্যাত সালমান খানের। ভাইজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে পূজা মিশ্রা নামের এক মডেল-অভিনেত্রী। তার অভিযোগ সালমান খান তাকে অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করেন। একাধিকবার তিনি এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন।

এছাড়া পরিচালক বিপুল অমৃতলাল শাহ’র বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুললেন ইরানি অভিনেত্রী ইলনাজ নরৌজি। তাঁর অভিযোগ, ছবিতে সুযোগ দেওয়ার কথা বলে কখনও জড়িয়ে ধরা, কখনও বা চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেছেন পরিচালক।