মঙ্গলবার, মে ৩০, ২০১৭

ঘাটইলে শিক্ষার্থীদের মাঝে মশারী বিতরণ

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, সিডিপির উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকালে ৫১০ জন স্পন্সর শিশুদের মাঝে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের জন্য  মশারী বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নে গুড নেইবারস  বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ঘাটাইল সিডিপির ম্যানেজার লুটাস পুলক সরকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম। অন্যান্যের  মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, গুড নেইর্বাস বাংলাদেশ, ঘাটাইল সিডিপির এডমিন এন্ড এইচ আর অফিসার ভিক্টর তিগ্যা, হেলথ অফিসার মোঃ শাহীন আলম প্রমুখ। এছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলী, জন প্রতিনিধি, সাংবাদিকবৃন্দ ।


আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঘাটাইলে কোম্পানির নিঃসৃত গ্যাসের দুর্গন্ধে লেখাপড়া ব্যাহত



কোম্পানির নিঃসৃত গ্যাসের দুর্গন্ধে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিদ্দিখালি নিঃসৃত মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়সহ চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লেখাপড়া মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শ্রেণিকক্ষসহ চারিদিকে  দুর্গন্ধের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এ নিয়ে  শিক্ষক-শিক্ষার্থী , অভিভাবক ও এলাকার সাধারণ জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এলাকাবাসি জানায়, সিদ্দিখালী  নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দক্ষিণপাশে ‘প্যারাগণ ’ নামে একটি কোম্পানি গড়ে উঠেছে। এ কোম্পানিটি বিগত ছয় মাস ধরে মুরগির বিষ্ঠা ও মৃত মুরগি দিয়ে জৈব সার তৈরি করে আসছে। জৈব সার তৈরির সময় এক ধরনের দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস নিঃসৃত হয় যা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে  সিদ্দিখালী, দুলালিয়া ও উত্তর লক্ষিন্দর এলাকার মানুষ রোগ-বালাইসহ বিভিন্ন্ ধরণের সমস্যার সম্মুক্ষিন হচ্ছে।
এ ছাড়া সিদ্দিখালী নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় , সিদ্দিখালী এবতেদায়ী মাদরাসা , মেধা সিঁড়ি কিন্ডারগার্টেন ও আদর্শ কিন্ডানগার্টেনের প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর লেখা-পড়া মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে ক্লাস করার জন্য উপস্থিত হলেও কোম্পানির  ঐ নিঃসৃত গ্যাসে মনোযোগ হারিয়ে ফেলে তারা।
শিক্ষকগণ বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য শিক্ষার্থীদের চাপ সৃষ্টি  করলেও সন্তোষজনক সাড়া পাচ্ছেন না।  দুর্গন্ধের প্রতিকার চেয়ে প্যারাগণ কোম্পানির নিকট আবেদন করলেও কোন সাড়া মিলেনি।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিন্দ্র চন্দ্র দাসসহ স্থানীয় জনগণ দুর্গন্ধ বন্ধের প্রতিকার ও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন করেছেন।
প্যারাগন কোম্পানির সহকারী পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘জৈব সার তৈরির সময় নিঃসৃত গ্যাস দুর্গন্ধ ছড়ায় । তবে বর্তমানে অনেকটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।’
 উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম জানান, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি । লেখাপড়ার সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখতে  দ্রুত ঐ কোম্পানি অপসারণ করা দরকার।’
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঈদ সংখ্যা: লেখা ও বিজ্ঞাপন পাঠানোর আহ্বান

আমাদেরঘাটাইল ডটকম: আকর্ষণীয় কলেবরে ঈদ সংখ্যা ৮ পৃষ্ঠার পত্রিকা বের করতে যাচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আমাদেরঘাটাইল ডটকম। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আকর্ষণীয় লেখায় সমৃদ্ধ হবে পত্রিকাটি। আগ্রহী হলে আপনিও লেখা পাঠাতে পারেন। আগামী ০৯ দিনের মধ্যে (৮ জুন) আপনার সবশেষ লেখাটি পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।

আকর্ষণীয় পত্রিকাটি সমৃদ্ধ করতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করছি। এতে উক্ত প্রতিষ্ঠান ও পণ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

লেখা ও বিজ্ঞাপন পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুন:

ঘাটাইল প্রেস ক্লাব, মেইন রোড, ঘাটাইল, টঙ্গাইল।

ই-মেইল news.daghatail@gmail.com 

ফোন: 017 64 - 26 64 75
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঈদ সংখ্যা: লেখা ও বিজ্ঞাপন পাঠানোর আহ্বান

আমাদেরঘাটাইল ডটকম: আকর্ষণীয় কলেবরে ঈদ সংখ্যা ৮ পৃষ্ঠার পত্রিকা বের করতে যাচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আমাদেরঘাটাইল ডটকম। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আকর্ষণীয় লেখায় সমৃদ্ধ হবে পত্রিকাটি। আগ্রহী হলে আপনিও লেখা পাঠাতে পারেন। আগামী ০৯ দিনের মধ্যে (৮ জুন) আপনার সবশেষ লেখাটি পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।

আকর্ষণীয় পত্রিকাটি সমৃদ্ধ করতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করছি। এতে উক্ত প্রতিষ্ঠান ও পণ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

লেখা ও বিজ্ঞাপন পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুন:

ঘাটাইল প্রেস ক্লাব, মেইন রোড, ঘাটাইল, টঙ্গাইল।

ই-মেইল news.daghatail@gmail.com 

ফোন: 017 64 - 26 64 75
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

রমজানে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুতের দাবি ঘাটাইলবাসীর


এম.এস.এস.সৌরভ ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ
 পবিত্র মাহে রমজানে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুতের দাবি জানিয়েছে ঘাটাইলের সাধারন জনগন ৷ যাবতীয় কালে ভয়াবহ লোডশোডিংয়ের কবলে সমস্ত ঘাটাইল ৷ গ্রীষ্মের এই তাপদাহে পৌরসভা থেকে শুরু করে গ্রাম অঞ্চলের মানুষ লোডশোডিংয়ে অতিষ্ঠ ৷ এরই মাঝে চলে এসেছে মুসলিম জাহানের অত্যন্ত পবিত্রতার মাস মাহে রমযান ৷ গ্রীষ্মের এই রৌদ্রজ্জল দিনে রোযা রেখে ক্লান্ত হয়ে পড়ে জনজীবন ৷ সারাদিন রোযা রেখে ইফতারের সময় স্বস্তিবোধের জন্য দরকার একটু কৃত্বিম হাওয়া এবং এই গরমে তারাবীহ নামাযের সময় ও সেহেরির সময় প্রয়োজন বিদ্যুৎ ৷ সেজন্য সরকার প্রথম রমযান থেকেই বিদ্যুতের যাবতীয় সকল সমস্যা সমাধান করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানের ঘোষনা দেন ৷ তবে এই রমযানের প্রথম দিনেই তারাবীহ নামাযের সময় ছিল সমস্ত ঘাটাইল অন্ধকারচ্ছন্ন ৷ ঘাটাইলের কোথাও ছিল না বিদ্যুৎ ৷ এমতবস্থায় বিদ্যুৎ অফিসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, লোডশোডিংটা টাঙ্গাইল থেকে করা হয়েছে এতে তাদের হাত নেই ৷ তারপর ঐদিনই রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক ভাবে ঘাটাইলে চালু করা হয় ৷ তবে সেদিন কোনো কারন ছারাই সংযোগ বন্ধ রাখা হয় ঘাটাইলের সবচেয়ে বড় পাহাড়ি অঞ্চলের লাইন ৷ তারপর সকাল ৯টার দিকে পাহাড়ি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় ৷ এ নিয়ে সাধারন জনগনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা জানান, কোনো কারন ছারাই যেমন ঝড় বৃষ্টি বিভিন্ন প্রকৃতিক দুর্যোগ ছারাই অতিরুক্ত লোডশোডিং দেয়া হয় ৷ এছারাও নিয়মিত লোডশোডিংয়ে জনমনে অস্বস্তি বিরাজ করছে ৷ এই গরমে সারাদিন শ্রম ঝড়িয়ে রাতে যেমন ঘুমাতে পারে না শ্রমজীবী মানুষ তেমনি ছাত্রছাত্রীরাও গরমে পড়তে পারে না ৷ সন্ধ্যার পর থেকেই লোডশোডিংয়ের প্রাদুর্ভাব বেশি থাকে ৷ সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কোনো কোনো স্থানে প্রতিদিন লোডশোডিং থাকে ৷ বিদ্যুতের এমন আচরনে ক্ষুদ্ধ জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ ছাত্র সংসদের নেতারাও ৷ জিবিজি কলেজ শাখা ছাত্র সংসদের এজিএস রঞ্জু আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, চলতি সময় জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি পরিক্ষা চলছে কিন্তু অতিরুক্ত লোডশোডিংয়ে পরিক্ষার্থীদের পরিক্ষা দিতে অনেক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে , সেজন্য যেন দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয় ৷ নয়তো আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব ৷ এই ভয়াবহ লোডশোডিংয়ের জন্য ঘাটাইল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি ৷ তারপর এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন কে অবহিত করলে তিনি সকলকে ধৈর্যধারন করতে বলেন এবং খুব শীগ্রই সমাধান করা হবে বলে জানান ৷ ঘাটাইলের সাধারন জনগন সহ বিভিন্ন সংগঠনের দাবি যেন এই পবিত্র রমযান মাসে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ প্রদান করে জনমনে স্বস্থি ফিরিয়ে আনা হয় ৷
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

রমজানে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুতের দাবি ঘাটাইলবাসীর


এম.এস.এস.সৌরভ ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ
 পবিত্র মাহে রমজানে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুতের দাবি জানিয়েছে ঘাটাইলের সাধারন জনগন ৷ যাবতীয় কালে ভয়াবহ লোডশোডিংয়ের কবলে সমস্ত ঘাটাইল ৷ গ্রীষ্মের এই তাপদাহে পৌরসভা থেকে শুরু করে গ্রাম অঞ্চলের মানুষ লোডশোডিংয়ে অতিষ্ঠ ৷ এরই মাঝে চলে এসেছে মুসলিম জাহানের অত্যন্ত পবিত্রতার মাস মাহে রমযান ৷ গ্রীষ্মের এই রৌদ্রজ্জল দিনে রোযা রেখে ক্লান্ত হয়ে পড়ে জনজীবন ৷ সারাদিন রোযা রেখে ইফতারের সময় স্বস্তিবোধের জন্য দরকার একটু কৃত্বিম হাওয়া এবং এই গরমে তারাবীহ নামাযের সময় ও সেহেরির সময় প্রয়োজন বিদ্যুৎ ৷ সেজন্য সরকার প্রথম রমযান থেকেই বিদ্যুতের যাবতীয় সকল সমস্যা সমাধান করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানের ঘোষনা দেন ৷ তবে এই রমযানের প্রথম দিনেই তারাবীহ নামাযের সময় ছিল সমস্ত ঘাটাইল অন্ধকারচ্ছন্ন ৷ ঘাটাইলের কোথাও ছিল না বিদ্যুৎ ৷ এমতবস্থায় বিদ্যুৎ অফিসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, লোডশোডিংটা টাঙ্গাইল থেকে করা হয়েছে এতে তাদের হাত নেই ৷ তারপর ঐদিনই রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক ভাবে ঘাটাইলে চালু করা হয় ৷ তবে সেদিন কোনো কারন ছারাই সংযোগ বন্ধ রাখা হয় ঘাটাইলের সবচেয়ে বড় পাহাড়ি অঞ্চলের লাইন ৷ তারপর সকাল ৯টার দিকে পাহাড়ি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় ৷ এ নিয়ে সাধারন জনগনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা জানান, কোনো কারন ছারাই যেমন ঝড় বৃষ্টি বিভিন্ন প্রকৃতিক দুর্যোগ ছারাই অতিরুক্ত লোডশোডিং দেয়া হয় ৷ এছারাও নিয়মিত লোডশোডিংয়ে জনমনে অস্বস্তি বিরাজ করছে ৷ এই গরমে সারাদিন শ্রম ঝড়িয়ে রাতে যেমন ঘুমাতে পারে না শ্রমজীবী মানুষ তেমনি ছাত্রছাত্রীরাও গরমে পড়তে পারে না ৷ সন্ধ্যার পর থেকেই লোডশোডিংয়ের প্রাদুর্ভাব বেশি থাকে ৷ সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কোনো কোনো স্থানে প্রতিদিন লোডশোডিং থাকে ৷ বিদ্যুতের এমন আচরনে ক্ষুদ্ধ জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ ছাত্র সংসদের নেতারাও ৷ জিবিজি কলেজ শাখা ছাত্র সংসদের এজিএস রঞ্জু আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, চলতি সময় জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি পরিক্ষা চলছে কিন্তু অতিরুক্ত লোডশোডিংয়ে পরিক্ষার্থীদের পরিক্ষা দিতে অনেক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে , সেজন্য যেন দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয় ৷ নয়তো আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব ৷ এই ভয়াবহ লোডশোডিংয়ের জন্য ঘাটাইল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি ৷ তারপর এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন কে অবহিত করলে তিনি সকলকে ধৈর্যধারন করতে বলেন এবং খুব শীগ্রই সমাধান করা হবে বলে জানান ৷ ঘাটাইলের সাধারন জনগন সহ বিভিন্ন সংগঠনের দাবি যেন এই পবিত্র রমযান মাসে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ প্রদান করে জনমনে স্বস্থি ফিরিয়ে আনা হয় ৷
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতায় যেভাবে বন্ধ হলো দুই বাল্যবিয়ে


তখন সময় রাত ১টা। বিয়ের সব অয়োজন সম্পন্ন। আত্মীয়-স্বজনের সমাগমে সরগরম বিয়ে-বাড়ি। ১৬ বছর বয়সী কিশোরী কন্যাকে  সাজানো হয়েছে বধূবেশে। তারাবির নামাজ শেষে চলে এসেছে বরযাত্রীও। কিছুক্ষণের মধ্যেই কন্যা বসবে বিয়ের পিঁড়িতে। এমন সময় সেখানে হাজির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন এবং তার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অন্যান্য ব্যক্তিরা। ব্যাস বন্ধ হয়ে যায় সেই বাল্যবিয়ে।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার দিবাগত রাত ১টায়  টাঙ্গাইলের জামুরিয়া ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতায় বন্ধ হয়ে যায় নুরুল হুদার ১৬ বছর বয়সী মেয়ের বিয়ে। জরিমানা হিসেবে আদায় করা হয় পনেরো হাজার টাকা।
এসময় বিয়ের আসর থেকে বর পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আটক করা হয় বর ও কনে পক্ষের ৪ জনকে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পুলিশ-প্রশাসন সকলের তৎপরতায় বর ও কনে পক্ষ উভয়ের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করে এবং মেয়ের বয়স ১৮ হওয়ার আগে বিয়ে না দেয়ার শর্তে ছাড়া হয়।
এদিকে রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন ও চ্যানেল আই অনলাইনের তৎপরতায় বাল্যবিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায় আরও এক কিশোরী।
ঘটনাটি ঘটে রেববার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বীরসিংহ গ্রামে। বাবা লোকমান হোসেন ও মা শিউলি আক্তারের কন্যা ১৬ বছর বয়সী এ কিশোরী এসএসসি পরীক্ষায় গাজীপুর সদর উপজেলার নয়নপুর গ্রামের ব্রাইট মডেল স্কুল থেকে ৪.৫৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। কিশোরীর স্বপ্ন ছিলো কলেজে পড়ার। কিন্তু এরই মাঝে পারিবারিকভাবে সম্পন্ন করা হয় তার বিয়ের সব অায়োজন।
কিশোরীকে বিয়ে দেয়ার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় দাদাবাড়ি টাঙ্গাইলে। সেখানে তার ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ের কথা ছিল তার। রোববার প্রথম রমজানের দিন ইফতারের পরপরপরই ছিল তার বিয়ের অায়োজন।
বিষয়টি সে তার এক শিক্ষককে জানালে তার শিক্ষক যোগাযোগ করেন চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে। চ্যানেল আই অনলাইনের পক্ষ থেকে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে মেয়ের বাবা-মাকে বুঝিয়ে সক্ষম হন বিয়ে বন্ধ করতে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, তার এলাকায় বাল্যবিয়ে বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অনেক বেশি তৎপর। যে কোন সময় তার কাছে এ ধরণের সংবাদ এলেই তিনি ছুটে যান ঘটনাস্থলে। এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে উভয় পরিবারকে বুঝিয়ে বন্ধ করেন বিয়ে।
এ ধরণের কাজে ঝুঁকিও অনেক অাছে উল্লেখ করে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘একটা বিয়ের সব অায়োজন সম্পন্ন। গরু-খাসি জবাই দিয়ে অনেক টাকা খরচ করে করা হয় অায়োজন। সে অবস্থায় সেখানে যেয়ে উভয় পরিবারকে বোঝানো সত্যিই অনেক কঠিন। অনেকে মানতে চাননা। তারপরও উভয় পরিবারকে বুঝিয়ে মুচলেকা আদায় করে তারপরই দেয়া হয় ছাড়।’
সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

রবিবার, মে ২৮, ২০১৭

অধিবেশনের প্রথম দিনই যোগ দেবেন এমপি রানা

জাতীয় সংসদের ১৬তম ও বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনই যোগ দিবেন কারাবন্দি এমপি রানা। নিজ দল আওয়ামী লীগের নেতাকে হত্যার অভিযোগে বর্তমানে কারাবন্দি রয়েছে এমপি আমানুর রহমান খান (রানা)। তিনি আগামী ৩০ জুলাই অধিবেশনে যোগ দিবেন বলে সংসদের আইন শাখা সূত্রে জানা গেছে। খবর জাগোনিউজ।
জাতীয় সংসদের স্পিকারের অনুমতির পর কারা অধিদফতর তাকে সংসদে যোগ দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। তবে কারাবন্দি থাকায় তিনি মাত্র এক কার্যদিবসই সংসদে উপস্থিত থেকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে পারবেন।
৩০ মে সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। ওইদিন বেলা ১১টায় অধিবেশন বসবে। সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের অনুমতি ছাড়া টানা ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এমপি রানা স্পিকারের কাছে সংসদের কার্যক্রমে উপস্থিত হওয়ার জন্য আবেদন করেন।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান খুনের মামলায় সাত মাস ধরে কারাগারে আছেন।
সূত্র জানায়, এমপির আবেদন পাওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য চিঠি দেয় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কারা অধিদফতরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য চিঠি দেয়।
জানা যায়, আমানুর টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগের নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তখন থেকে তিনি কারাবন্দি। খুনের মামলাটি অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে আছে।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

মাদক নির্মূলে ঘাটাইল থানার ওসি’র জিরো টলারেন্স ঘোষনা

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
মাদক নির্মূলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার নবাগত ওসি মোঃ মহি উদ্দিন পিপিএম জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরনের ঘোষনা দিয়েছেন। গত ২০ মে ঘাটাইল থানায় যোগদানের পর জন প্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবন্দ, ব্যাবসায়ী, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে আলাদা আলাদা মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষনা দেন। গত ২২ মে ঘাটাইল প্রেসক্লাবে তার প্রথম মতবিনিময় সভায় মাদককে উপজেলার প্রধান সম্যসা উল্লেখ করে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
পরের দিন তিনি উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে। সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম খান সামু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন বক্তব্য রাখেন। সভায় ১১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ সকল সদস্য ,স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় নবাগত ওসি উপস্থিত সকল চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাদক বিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করান। সভায় উপস্থিত সকলে মাদক, সস্ত্রাস এবং জঙ্গীবাদ বন্ধে  প্রতজ্ঞিা করনে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ মে ঘাটাইল পৌরসভা মিলনায়তনে পরিচিতি সভা করেন তিনি। পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে সভায় পৌরসভার সকল কাউন্সিলর কর্মকর্তা কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায়ও নবাগত ওসি মাদাকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করে সকলের সহযোগিতা কামনা করে। মাদকসেবী ও মাদক ব্যাবসায়িদের আইনের আওতায় আনলে  তাদের পক্ষ না নেয়ার জন্য তিনি ঘাটাইল বাসীর প্রতি অনুরোধ জানান। সভায় উপস্থিত সকলে মাদকমুক্ত ঘাটাইল পৌরসভা ঘোষনার দৃঢ় প্রত্যায় ব্যাক্ত করেন। 
গতকাল ২৬ মে শুক্রবার ওসি মোঃ মহউিদ্দনি পপিএিম ঘাটাইল বাসষ্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় সদর জামে মসজিদে মাদক বিরোধী সভা করেন। জুম্মার নামাজে খুদবার আগে তিনি মুসল্লীদের মাদকমুক্ত ঘাটাইল গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। জুমার নামাজে উপস্থতি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তবর্গ সহ সর্বস্তরের মানুষরে সাথে মাদক, জুয়া ও সস্ত্রাসবেিরাধী এবং জঙ্গীবাদ বন্ধে  প্রতজ্ঞিা করনে । স্থানীয় জনগণ মাদক, সন্ত্রাসী ও জঙ্গীবাদ বন্ধে পুলশিকে র্সবাত্মক সহযোগতিা করার আশাবাদ ব্যক্ত করনে।পড়ে মসজিদে আগত সকল মুসল্লীরা হাত তোলে মাদকবিরোধী অবস্থান নিতে শপথ করেন।



আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

মাদক নির্মূলে ঘাটাইল থানার ওসি’র জিরো টলারেন্স ঘোষনা

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
মাদক নির্মূলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার নবাগত ওসি মোঃ মহি উদ্দিন পিপিএম জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরনের ঘোষনা দিয়েছেন। গত ২০ মে ঘাটাইল থানায় যোগদানের পর জন প্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবন্দ, ব্যাবসায়ী, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে আলাদা আলাদা মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষনা দেন। গত ২২ মে ঘাটাইল প্রেসক্লাবে তার প্রথম মতবিনিময় সভায় মাদককে উপজেলার প্রধান সম্যসা উল্লেখ করে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
পরের দিন তিনি উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে। সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম খান সামু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন বক্তব্য রাখেন। সভায় ১১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ সকল সদস্য ,স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় নবাগত ওসি উপস্থিত সকল চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাদক বিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করান। সভায় উপস্থিত সকলে মাদক, সস্ত্রাস এবং জঙ্গীবাদ বন্ধে  প্রতজ্ঞিা করনে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ মে ঘাটাইল পৌরসভা মিলনায়তনে পরিচিতি সভা করেন তিনি। পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে সভায় পৌরসভার সকল কাউন্সিলর কর্মকর্তা কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায়ও নবাগত ওসি মাদাকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করে সকলের সহযোগিতা কামনা করে। মাদকসেবী ও মাদক ব্যাবসায়িদের আইনের আওতায় আনলে  তাদের পক্ষ না নেয়ার জন্য তিনি ঘাটাইল বাসীর প্রতি অনুরোধ জানান। সভায় উপস্থিত সকলে মাদকমুক্ত ঘাটাইল পৌরসভা ঘোষনার দৃঢ় প্রত্যায় ব্যাক্ত করেন। 
গতকাল ২৬ মে শুক্রবার ওসি মোঃ মহউিদ্দনি পপিএিম ঘাটাইল বাসষ্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় সদর জামে মসজিদে মাদক বিরোধী সভা করেন। জুম্মার নামাজে খুদবার আগে তিনি মুসল্লীদের মাদকমুক্ত ঘাটাইল গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। জুমার নামাজে উপস্থতি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তবর্গ সহ সর্বস্তরের মানুষরে সাথে মাদক, জুয়া ও সস্ত্রাসবেিরাধী এবং জঙ্গীবাদ বন্ধে  প্রতজ্ঞিা করনে । স্থানীয় জনগণ মাদক, সন্ত্রাসী ও জঙ্গীবাদ বন্ধে পুলশিকে র্সবাত্মক সহযোগতিা করার আশাবাদ ব্যক্ত করনে।পড়ে মসজিদে আগত সকল মুসল্লীরা হাত তোলে মাদকবিরোধী অবস্থান নিতে শপথ করেন।



আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

শনিবার, মে ২৭, ২০১৭

বাবার হত্যার বিচার চাওয়ায় প্রাণনাশের ভয়ে পরিবার

ঘাটাইলে ব্যবসায়ী খুনের নেপথ্যে

স্টাফ রিপোর্টার :
‘বাবা মানুষের দুঃখকষ্টে পাশে দাড়াতেন। দুর্দিনে টাকাপয়সা ধার দিতেন। ধার দেয়া টাকা চাইতে গিয়ে ওরা আমার বাবাকে মেরে ফেললো। অমানুষিক নির্যাতনে খুন করলো তাকে। ছোট্র মুদির দোকান চালিয়ে কোনোভাবে সংসার চালানো বাবাকে হারিয়ে আমরা সর্বশান্ত। খুনিরা প্রভাবশালী। মামলা তুলে না নেয়ায়  আমাকেসহ পরিবারের সবাইকে গুম করার হুমকি দিচ্ছে। আমি আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।’ আকুতি জানিয়ে ঘাটাইলের দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের শালিয়াজানি টোলাজান গ্রামের নিহত ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদের পুত্র সুমন মিয়া এভাবেই আর্তনাদ করছিলো। গত মঙ্গলবার সরেজমিন খোঁজ নিতে গিয়ে সামাদ হত্যাকান্ডের বিষয়ে কিছু অজানা তথ্য জানা যায়।
ঘাটাইল-গোপালপুর সড়কের শালিয়াজানি বাজাওে সুমনদের বাড়ি। আবাদী জমিজমা নেই। বাবার মুদি দোকানের আয় থেকে সংসার চলতো। এখন বাবা নেই। আয়ও নেই। তাই পেট চালাতে মাছের ব্যবসা করছেন সুমন। কিন্তুজামিনে থাকা খুনিদের হুমকির মুখে তার মাছের ব্যবসা বন্ধ হতে যাচ্ছে। হুমকির ঘটনায় গত ১৭ মে ঘাটাইল থানায় জিডি করেছেন। কিন্তু থানা পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।
সুমন পিতৃ হত্যায় দায়ের হওয়া মামলার বরাত দিয়ে আমাদের ঘাটাইল ডটকমকে জানান, ঘটনার দিন গত ১৩ জানুয়ারী আসামী জব্বর ও মিনারা বেগম বাড়িতে এসে পাওনা টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন। টাকা নেয়ার জন্য কুতুবপুর গ্রামে সুকোমল দত্তের মুরগী ফার্মে যাওয়ার জন্য বলেন। আসামী জব্বরের নিকট এক লক্ষ টাকা পাওনা ছিল। জব্বর ও মিনারা ওই ফার্মের কর্মচারি। পাওনা টাকার আশায় ওই দিন দুপুরে সুকোমল দত্তের ফার্মে গিয়ে সামাদ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। খুনের অভিযোগ উঠে ফার্ম মালিক সুকোমল দত্ত, খামারের তিন কর্মচারি এবং হারুবাড়ি গ্রামের কয়েক দুবৃর্ত্তের বিরুদ্ধে। যাদের সাথে লেনদেন ছিল নিহত সামাদের।
সেদিন সন্ধ্যায় হয়ে গেলেও সামাদ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। স্থানীয় ইউপি মেম্বার কামরুল ইসলাম রতন এবং এক ডজন পড়শি নিয়ে সুমনরা রাত ১১টায় সুকোমল দত্তের মুরগী ফার্মে হাজির হন। ফার্মের ভিতরে তখন পৌষপার্বন চলছিল। ফার্ম মালিক সুকোমল উপস্থিত ছিলেন। নিখোঁজ সামাদের সন্ধানে মুরগী ফার্মের ভিতরে তল্লাশির কথা বললে সুকোমল ও তার কর্মচারিরা বাধা দেন। ফার্মের কর্মচারি জয়নাল তখন জানান, কিছুক্ষন আগে সামাদ বিড়ি-চুরুট পান করে ফার্ম থেকে বিদায় নিয়ে গেছেন। এক পর্যায়ে জয়নাল ফার্মের পাশের পাটি বেত বাগান খুঁজে দেখার কথা বলেন। এতে সকলের সন্দেহ হয়। ৬০/৭০ জনে মিলে তন্ন তন্ন করে কমল চরনের বেত বাগান খুঁজে দেখেন। কিন্তু সেখানে সামাদকে পাওয়া যায়নি। জয়নালের কথায় সন্দেহ বেড়ে যাওয়ায় ফার্মের আধা পাকা ভবন তল্লাশির প্রস্তাব দেন সুমনরা। কিন্তু ফার্ম মালিক সুকোমল দত্ত রহস্যজনক কারণে ভবন তল্লাশিতে বাধা দেন। তিনি সুমনকে পরদিন সকালে এসে ঘর তল্লাশির কথা বলেন। হতাশ হয়ে ফিরে আসেন সুমনরা।
পর দিন ১৪ জানয়ারী সকালে সুমনরা খবর পান কমল চরনের বেত বাগানে বাবার লাশ পড়ে আছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম রতনকে সাথে নিয়ে অকূস্থলে গেলে ফার্মের কর্মচারি জয়নাল বেত বাগানে পড়ে থাকা সামাদের লাশ দেখিয়ে দেন। লাশের গলায় গামছা পেঁচানো, বাম চোখ উপড়ানো এবং কান দিয়ে রক্ত পড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। দুই পা কলা গাছের ছোবড়া দিয়ে বাধা ছিল। সুমনের অভিযোগ সুকোমলের মুরগী ফার্ম ছাড়া আশপাশের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোথাও কলা গাছ ছিলনা। সুমন ও তার পরিবারের বদ্ধমূল ধারনা আগের দিন রাতে সুকোমলের ফার্মের ভেতরে তার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়। আর খুব ভোরে বেত বাগানে লাশ ফেলে রাখা হয়। শীতের সকালে লাশ উদ্ধার করার সময় শরীরে কোনো কুয়াশা ছিলনা। এতে ধারনা করা হয় ওই ফার্মের ভিতরেই হত্যা করে লাশ লুকিয়ে রাখে। আর সকাল বেলা লাশ বেত বাগানে ফেলে রাখা হয়।
ঘাটাইল থানা পুলিশ অকূস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। ইউপি মেম্বার কামরুল ইসলাম রতন জানান খুনের ঘটনাটি পরিস্কার। এটি পরিকল্পিত। তিনি দোষীদের শাস্তি দাবি করেন। নিহত সামাদের স্ত্রী সুমলা বেগম অভিযোগ করেন, “তার স্বামীকে পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে সুকোমল দত্তের খামারে ডেকে নিয়ে খুন করা হয়েছে। স্বামী নিহত হওয়ার পর সংসারে আয়রোজগার কমে গেছে। ছোট মেয়েটি সাদত কলেজে অর্নাস শ্রেণীতে পড়ে। তার খরচপত্র জোগানো যাচ্ছেনা। বড় মেয়ে স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে ঘাড়ে চেপে বসেছে। এখন সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। এর মধ্যে আসামীরা জামিনে এসে পুত্র সুমনকে প্রানসংহারের হুমকি দিচ্ছে। আমরা বাবা ন্যায় বিচার চাই। আমাদের দিকে খেয়াল রাইখেন বাপজান।”
এদিকে ঘটনার পরদিন সুমন বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আাসামী করা হয় আয়নাল, তামিল, মামুন, রেজাউল, জব্বরসহ অজ্ঞাত তিনচার জনকে। থানা পুলিশ জয়নাল ও মিনারা বেগমকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায়। তবে মূল আসামী গ্রেফতারে এবং প্রভাবশালী ফার্ম মালিক সুকোমল দত্তকে জিজ্ঞাসাবাদে থানা পুলিশ টালবাহানা শুরু করে। থানা পুলিশ মামলার তদন্তেও গড়িমসি শুরু করলে গত মার্চ মাসে টাঙ্গাইল সিআইডিতে মামলা স্থানান্তর হয়। সিআইডির দারোগা আতাউর রহমান আকন্দ মামলার তদন্তভার গ্রহন করেন। তিনি বাদির সহযোগিতায় সম্প্রতি ঢাকা থেকে এজাহারভূক্ত চার নাম্বার আসামী রেজাউলকে পাকড়াও করেন। কিন্তু রেজাউল ১৯ দিন পর আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। জয়নাল ও মিনারা এখন জামিনে রয়েছে। এজাহারভূক্ত ২ ও ৩ নাম্বার আসামী তামিল ও মামুন সম্প্রতি আদালতে হাজিরা দিলে বিচারক তাদেরকে জেলহাজতে পাঠান।
সুমনের অভিযোগ আসামীরা সবাই জামিনে বেরিয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। সুকোমল প্রভাবশালী হওয়ায় এবং বিত্তবৈভবের মালিক হওয়ায় মামলা ভিন্ন পথে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। সুকোমলকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।
এলাকবাসিরা জানান, সুকোমল দত্তের মাছ ও মুরগী খামারটি অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু। অফিসের নামে নির্মাণ করা দুটি আধা পাকা ভবনে জুয়া ও নেশার আসর বসে। কাজেই সেখানে খুনখারাপি বিচিত্র কিছু নয়। এ ব্যাপারে সুকোমল দত্তের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, খুনের সাথে তিনি জড়িত নন। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। তার খামার খোলামেলা জায়গা। সেখানে খুনখারাপি হওয়ার প্রশ্নই আসেনা। ফার্মে কখনো কোনো আপত্তিকর কিছু হয়না। এলাকাবাসি এ ধরনের কোনো অভিযোগ দিতে পারেনা। সিআইডির দারোগা আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, খুনের রহস্য উদঘাটনে নানা সমীকরণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামী তামিল ও মামুনকে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে নতুন তথ্য পাওয়া যাবে। শীঘ্রই ব্যবসায়ী সামাদ হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে বলে তিনি আশাবাদি।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

বাবার হত্যার বিচার চাওয়ায় প্রাণনাশের ভয়ে পরিবার

ঘাটাইলে ব্যবসায়ী খুনের নেপথ্যে

স্টাফ রিপোর্টার :
‘বাবা মানুষের দুঃখকষ্টে পাশে দাড়াতেন। দুর্দিনে টাকাপয়সা ধার দিতেন। ধার দেয়া টাকা চাইতে গিয়ে ওরা আমার বাবাকে মেরে ফেললো। অমানুষিক নির্যাতনে খুন করলো তাকে। ছোট্র মুদির দোকান চালিয়ে কোনোভাবে সংসার চালানো বাবাকে হারিয়ে আমরা সর্বশান্ত। খুনিরা প্রভাবশালী। মামলা তুলে না নেয়ায়  আমাকেসহ পরিবারের সবাইকে গুম করার হুমকি দিচ্ছে। আমি আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।’ আকুতি জানিয়ে ঘাটাইলের দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের শালিয়াজানি টোলাজান গ্রামের নিহত ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদের পুত্র সুমন মিয়া এভাবেই আর্তনাদ করছিলো। গত মঙ্গলবার সরেজমিন খোঁজ নিতে গিয়ে সামাদ হত্যাকান্ডের বিষয়ে কিছু অজানা তথ্য জানা যায়।
ঘাটাইল-গোপালপুর সড়কের শালিয়াজানি বাজাওে সুমনদের বাড়ি। আবাদী জমিজমা নেই। বাবার মুদি দোকানের আয় থেকে সংসার চলতো। এখন বাবা নেই। আয়ও নেই। তাই পেট চালাতে মাছের ব্যবসা করছেন সুমন। কিন্তুজামিনে থাকা খুনিদের হুমকির মুখে তার মাছের ব্যবসা বন্ধ হতে যাচ্ছে। হুমকির ঘটনায় গত ১৭ মে ঘাটাইল থানায় জিডি করেছেন। কিন্তু থানা পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।
সুমন পিতৃ হত্যায় দায়ের হওয়া মামলার বরাত দিয়ে আমাদের ঘাটাইল ডটকমকে জানান, ঘটনার দিন গত ১৩ জানুয়ারী আসামী জব্বর ও মিনারা বেগম বাড়িতে এসে পাওনা টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন। টাকা নেয়ার জন্য কুতুবপুর গ্রামে সুকোমল দত্তের মুরগী ফার্মে যাওয়ার জন্য বলেন। আসামী জব্বরের নিকট এক লক্ষ টাকা পাওনা ছিল। জব্বর ও মিনারা ওই ফার্মের কর্মচারি। পাওনা টাকার আশায় ওই দিন দুপুরে সুকোমল দত্তের ফার্মে গিয়ে সামাদ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। খুনের অভিযোগ উঠে ফার্ম মালিক সুকোমল দত্ত, খামারের তিন কর্মচারি এবং হারুবাড়ি গ্রামের কয়েক দুবৃর্ত্তের বিরুদ্ধে। যাদের সাথে লেনদেন ছিল নিহত সামাদের।
সেদিন সন্ধ্যায় হয়ে গেলেও সামাদ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। স্থানীয় ইউপি মেম্বার কামরুল ইসলাম রতন এবং এক ডজন পড়শি নিয়ে সুমনরা রাত ১১টায় সুকোমল দত্তের মুরগী ফার্মে হাজির হন। ফার্মের ভিতরে তখন পৌষপার্বন চলছিল। ফার্ম মালিক সুকোমল উপস্থিত ছিলেন। নিখোঁজ সামাদের সন্ধানে মুরগী ফার্মের ভিতরে তল্লাশির কথা বললে সুকোমল ও তার কর্মচারিরা বাধা দেন। ফার্মের কর্মচারি জয়নাল তখন জানান, কিছুক্ষন আগে সামাদ বিড়ি-চুরুট পান করে ফার্ম থেকে বিদায় নিয়ে গেছেন। এক পর্যায়ে জয়নাল ফার্মের পাশের পাটি বেত বাগান খুঁজে দেখার কথা বলেন। এতে সকলের সন্দেহ হয়। ৬০/৭০ জনে মিলে তন্ন তন্ন করে কমল চরনের বেত বাগান খুঁজে দেখেন। কিন্তু সেখানে সামাদকে পাওয়া যায়নি। জয়নালের কথায় সন্দেহ বেড়ে যাওয়ায় ফার্মের আধা পাকা ভবন তল্লাশির প্রস্তাব দেন সুমনরা। কিন্তু ফার্ম মালিক সুকোমল দত্ত রহস্যজনক কারণে ভবন তল্লাশিতে বাধা দেন। তিনি সুমনকে পরদিন সকালে এসে ঘর তল্লাশির কথা বলেন। হতাশ হয়ে ফিরে আসেন সুমনরা।
পর দিন ১৪ জানয়ারী সকালে সুমনরা খবর পান কমল চরনের বেত বাগানে বাবার লাশ পড়ে আছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম রতনকে সাথে নিয়ে অকূস্থলে গেলে ফার্মের কর্মচারি জয়নাল বেত বাগানে পড়ে থাকা সামাদের লাশ দেখিয়ে দেন। লাশের গলায় গামছা পেঁচানো, বাম চোখ উপড়ানো এবং কান দিয়ে রক্ত পড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। দুই পা কলা গাছের ছোবড়া দিয়ে বাধা ছিল। সুমনের অভিযোগ সুকোমলের মুরগী ফার্ম ছাড়া আশপাশের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোথাও কলা গাছ ছিলনা। সুমন ও তার পরিবারের বদ্ধমূল ধারনা আগের দিন রাতে সুকোমলের ফার্মের ভেতরে তার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়। আর খুব ভোরে বেত বাগানে লাশ ফেলে রাখা হয়। শীতের সকালে লাশ উদ্ধার করার সময় শরীরে কোনো কুয়াশা ছিলনা। এতে ধারনা করা হয় ওই ফার্মের ভিতরেই হত্যা করে লাশ লুকিয়ে রাখে। আর সকাল বেলা লাশ বেত বাগানে ফেলে রাখা হয়।
ঘাটাইল থানা পুলিশ অকূস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। ইউপি মেম্বার কামরুল ইসলাম রতন জানান খুনের ঘটনাটি পরিস্কার। এটি পরিকল্পিত। তিনি দোষীদের শাস্তি দাবি করেন। নিহত সামাদের স্ত্রী সুমলা বেগম অভিযোগ করেন, “তার স্বামীকে পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে সুকোমল দত্তের খামারে ডেকে নিয়ে খুন করা হয়েছে। স্বামী নিহত হওয়ার পর সংসারে আয়রোজগার কমে গেছে। ছোট মেয়েটি সাদত কলেজে অর্নাস শ্রেণীতে পড়ে। তার খরচপত্র জোগানো যাচ্ছেনা। বড় মেয়ে স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে ঘাড়ে চেপে বসেছে। এখন সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। এর মধ্যে আসামীরা জামিনে এসে পুত্র সুমনকে প্রানসংহারের হুমকি দিচ্ছে। আমরা বাবা ন্যায় বিচার চাই। আমাদের দিকে খেয়াল রাইখেন বাপজান।”
এদিকে ঘটনার পরদিন সুমন বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আাসামী করা হয় আয়নাল, তামিল, মামুন, রেজাউল, জব্বরসহ অজ্ঞাত তিনচার জনকে। থানা পুলিশ জয়নাল ও মিনারা বেগমকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায়। তবে মূল আসামী গ্রেফতারে এবং প্রভাবশালী ফার্ম মালিক সুকোমল দত্তকে জিজ্ঞাসাবাদে থানা পুলিশ টালবাহানা শুরু করে। থানা পুলিশ মামলার তদন্তেও গড়িমসি শুরু করলে গত মার্চ মাসে টাঙ্গাইল সিআইডিতে মামলা স্থানান্তর হয়। সিআইডির দারোগা আতাউর রহমান আকন্দ মামলার তদন্তভার গ্রহন করেন। তিনি বাদির সহযোগিতায় সম্প্রতি ঢাকা থেকে এজাহারভূক্ত চার নাম্বার আসামী রেজাউলকে পাকড়াও করেন। কিন্তু রেজাউল ১৯ দিন পর আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। জয়নাল ও মিনারা এখন জামিনে রয়েছে। এজাহারভূক্ত ২ ও ৩ নাম্বার আসামী তামিল ও মামুন সম্প্রতি আদালতে হাজিরা দিলে বিচারক তাদেরকে জেলহাজতে পাঠান।
সুমনের অভিযোগ আসামীরা সবাই জামিনে বেরিয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। সুকোমল প্রভাবশালী হওয়ায় এবং বিত্তবৈভবের মালিক হওয়ায় মামলা ভিন্ন পথে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। সুকোমলকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।
এলাকবাসিরা জানান, সুকোমল দত্তের মাছ ও মুরগী খামারটি অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু। অফিসের নামে নির্মাণ করা দুটি আধা পাকা ভবনে জুয়া ও নেশার আসর বসে। কাজেই সেখানে খুনখারাপি বিচিত্র কিছু নয়। এ ব্যাপারে সুকোমল দত্তের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, খুনের সাথে তিনি জড়িত নন। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। তার খামার খোলামেলা জায়গা। সেখানে খুনখারাপি হওয়ার প্রশ্নই আসেনা। ফার্মে কখনো কোনো আপত্তিকর কিছু হয়না। এলাকাবাসি এ ধরনের কোনো অভিযোগ দিতে পারেনা। সিআইডির দারোগা আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, খুনের রহস্য উদঘাটনে নানা সমীকরণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামী তামিল ও মামুনকে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে নতুন তথ্য পাওয়া যাবে। শীঘ্রই ব্যবসায়ী সামাদ হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে বলে তিনি আশাবাদি।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঘাটাইলে অপহৃত স্কুল ছাত্র উদ্ধারের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ॥
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে অপহৃত স্কুল ছাত্র সৈকতকে উদ্ধারের দাবীতে  মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান ,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ,জামুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শামীম খান প্রমূখ। মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অপহৃত আসাদুর রহমার সৈকত উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের চানতারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শেণির ছাত্র।
উল্লেখ্য যে, গত ১৮ মে প্রতিদিনের ন্যায় সকালে নিজ বাড়ি চানতার হতে স্কুলে  যায়। তার পর থেকেই সে নিখোঁজ রয়েছে। তার বাবা স্কুল শিক্ষক মোঃ হানিফ উদ্দিন এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন । দীর্ঘ ১০ দিনেও তার কোন সন্ধান মেলেনি।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

শুক্রবার, মে ২৬, ২০১৭

সাগরদিঘীতে পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা ও ভাঙচুরের চেষ্টা

 ঘাটাইল, টাঙ্গাইল :
পুলিশের উপস্থিতিতেই প্রান্তিক পর্যায়ের বিক্ষুব্ধ পোল্ট্রি খামারীরা টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের সাগরদিঘীর সিপি বহুমাত্রিক কোম্পানীতে হামলা ও ভাঙচুরের চেষ্টা করেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সিপিসহ বহুমাত্রিক কোম্পানীদের দৌরাত্ম ও ষড়যন্ত্র বন্ধ এবং বানিজ্যিকভাবে ডিম ও মুরগী উৎপাদন বন্ধের দাবিতে ঘেরাও সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল এর আয়োজন করে স্থানীয় পোল্ট্রি খামারীরা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন প্রান্তিক খামারী মো. আব্দুল মালেক। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক একেএম আব্দুল আউয়াল, কার্যকরি সভাপতি মো. শওকত মোল্লা, ঢাকা বিভাগীয় নবীণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন স্বপনসহ অনান্য খামারীরা।
পরে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি সাগরদিঘী দিঘীর পাড় জার্মান প্রজেক্ট থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিপি বহুমাত্রিক কোম্পানীর সামনে গেলে অংশ নেওয়া পোল্ট্রি খামারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে এবং হামলা ও ভাংচুরের চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ ও পোল্ট্রি শিল্প সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিনি নিয়ন্ত্রনে আসে।
সূত্র : টাঙ্গাইল ২৪ ডটকম।


আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

সাগরদিঘীতে পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা ও ভাঙচুরের চেষ্টা

 ঘাটাইল, টাঙ্গাইল :
পুলিশের উপস্থিতিতেই প্রান্তিক পর্যায়ের বিক্ষুব্ধ পোল্ট্রি খামারীরা টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের সাগরদিঘীর সিপি বহুমাত্রিক কোম্পানীতে হামলা ও ভাঙচুরের চেষ্টা করেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সিপিসহ বহুমাত্রিক কোম্পানীদের দৌরাত্ম ও ষড়যন্ত্র বন্ধ এবং বানিজ্যিকভাবে ডিম ও মুরগী উৎপাদন বন্ধের দাবিতে ঘেরাও সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল এর আয়োজন করে স্থানীয় পোল্ট্রি খামারীরা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন প্রান্তিক খামারী মো. আব্দুল মালেক। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক একেএম আব্দুল আউয়াল, কার্যকরি সভাপতি মো. শওকত মোল্লা, ঢাকা বিভাগীয় নবীণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন স্বপনসহ অনান্য খামারীরা।
পরে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি সাগরদিঘী দিঘীর পাড় জার্মান প্রজেক্ট থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিপি বহুমাত্রিক কোম্পানীর সামনে গেলে অংশ নেওয়া পোল্ট্রি খামারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে এবং হামলা ও ভাংচুরের চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ ও পোল্ট্রি শিল্প সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিনি নিয়ন্ত্রনে আসে।
সূত্র : টাঙ্গাইল ২৪ ডটকম।


আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার, মে ২৫, ২০১৭

ঘাটাইলে উইজডম ভ্যালি’র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
টঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার অন্যান্য শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উইজডম ভ্যালির প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্প্রতিবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ২০১৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত ২৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন। তিনি কৃতি শিক্ষাথীদের মাঝে ক্রেস্ট তুলে দেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামাল হোসেন । বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কাজী রেজাউল হকের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান (ভিপি শহিদ) উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা, উপজেলা রির্সোস সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর মশিউর রহমান খান, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুবি খান প্রমূখ।

উল্লেখ্য যে, আমরা গড়বো সুন্দর আগামী এই প্রত্যয় নিয় ২০০০ সাল থেকে  অন্যান্য শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে।  ২০১৬ সালে ২৫ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল সহ ২৭ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিক বৃত্তি পেয়ে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ঘাটাইল উপজেলায় প্রথম ও  টাঙ্গাইল জেলায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা কবিতা আবৃতি ও সংগীত পরিবেশন করে।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

রসুলপুরে ১ কোটি ৪২ লক্ষ বরাদ্দের রাস্তার কাজ হচ্ছে ভাঙ্গা আদলা দিয়ে

রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ঃ 
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় রসুলপুর ইউনিয়নে সানবান্ধা রাস্তা নি¤œমানের কাজে  ইটভাটার বাতিলকৃত   (ভাঙ্গা আদলা) ইটের খোয়া এবং নি¤œমানের ভিটবালু ও নামে মাত্র খোয়া দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঠিকাদার জলিল ট্রেডার্সের এসব অনিয়মের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ দিলেও কোন মাথা ব্যাথা নেই উপজেলা প্রকৌশলীর। ফলে এ নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
   
অফিস ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের লক্ষিন্দর গ্রামে এলজিইডির অর্থায়নে সানবান্ধা পাকা রাস্তা হতে সিদ্দিখালী বাজার পর্যন্ত ২.৩ কিঃ কাঁচা রাস্তা বিধি অনুযায়ী পাকা করতে ঠিকাদার জলিল ট্রেডার্স এর নামে ১ কোটি ৪২ লক্ষ বরাদ্দ পায়। সে অনুযায়ী ঠিকাদার রাস্তার মাটি খুঁড়ে বিধি অনুযায়ী বক্স করে ১নং ভিট বালু দিয়ে ১০ ইঞ্চি বালুর ফিলিং কাজ করার কথা। সেই সাথে  বালুর ফিলিং এর উপর ম্যাকাডাম করতে ১নং পিকেট ইটের খোয়া ও সমপরিমাণ বালু দিয়ে ১ ফুট উঁচু করার কথা। গত ২০ ও ২৩ মে সরেজমিনে দেখা যায় নিয়মের সাথে কাজের কোন মিল পাওয় যায় নাই। ঠিকাদার আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভিট বালুর পরিবর্তে চিকন দানার বেলে মাটি দিয়ে বালু ফিলিং এর কাজ শেষ দিয়েছে এবং ১নং পিকেট ইটের খোয়া দিয়ে বালুর উপরে ম্যাকাডামের কাজ করার কথা থাকলেও  ইটভাটার বাতিলকৃত ২নং এবং ৩নং ভাঙ্গা ইটের আদলা খোয়া দিয়ে কাজ করছে। সেই সাথে বালু এবং খোয়া সমপরিমাণ দেওয়া কথা থাকলেও-দুই ভাগ নি¤œমানের ভিট বালু এবং একভাগ আদলা ইটের খোয়া দিয়ে রাস্তা মেকাডমের কাজ করা হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান যে নিয়মে ইট বালু দিয়ে কাজ করছে তাতে ভারী যানবাহনের চাপ পড়লে রাস্তা অল্প দিনেই দেবে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদার জলিল ট্রেডার্সের ম্যানেজার লক্ষিন্দর গ্রামের শাহজাহানের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি ১ নাম্বার ২ নাম্বার বুঝিনা যা করছি সব ১ নাম্বার।

নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী তোরাব আলীর কাছে জানতে চাওয়া হলো তিনি বলেন, রাস্তার কাজে ১নং ইট-বালি ছাড়া ঠিকাদারকে কাজ করতে দেয়া হবে না। আমাদের অজান্তে কোন দুই নাম্বার সামগ্রী নিয়ে থাকলে তা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। 

রাস্তা নির্মাণের কাজে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করার বিষয়ে ঠিকাদার আঃ জলিল এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সবাই যে নিয়মে কাজ করছে আমিও সেই নিয়মেই কাজ করছি। আদলা ইটের খোয়া থাকলেও এর চাইতে ভাল ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণের কাজ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। প্রয়োজনে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেব।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী হেদায়েত উল্ল্যাহ নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন-আমার লোক প্রকল্প কাজে গিয়েছিল, আদলা টেস্টে পাঠিয়েছি। টেস্টে না টিকলে কাজ বন্ধ করে দেব।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ঘাটাইলে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে আজ ২৪ মে  বুধবার বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫৬ জন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।এ সময় স্থানীয় ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন, জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম মনি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম শামসুল হক, একাডেমিক সুপারভাইজার মাসুমা খানম , মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি  ও মুকুল একাডেমী উচ্চ বিদ্যারয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার তাহাজজত হোসেন, প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ,সাহিদুর রহমান রতন ,মোঃ ইদ্রিস আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ঘাটাইলে ট্রাক চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
 টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে তাদের তিন বছরের শিশু পুত্র। গতকাল বুধবার  সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহসড়কে ঘাটাইলের মোগলপাড়া নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হল গোপালপুর উপজেলার ডাকুরী গ্রামের সুলতান মাহমুদ খান (৩৮) ও তার স্ত্রী রওশনারা বেগম (২৮)। এ ঘটনায় আহত হয় তাদের শিশু পুত্র  রাব্বী (৩)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মোটর সাইকেলে সুলতান মাহমুদ তার স্ত্রী ও তিন বছরের পুত্রকে নিয়ে কালিহাতী যাচ্ছিলেন। মোটর সাইকেলটি মোগলপাড়া পৌঁিছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুর ট্রাক মোটর সাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই পাকা সড়কে পড়ে গেলে দ্রুতগ্রামী ট্রাকটি তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। মাথা থেতলে গিয়ে  ঘটনাস্থলেই সুলতান মাহমুদ মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্ত্রী রওশনারাকে ঢাকা নেওয়ার পথে মারা যান। মোটরসাইকেল সহ সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে আহত হয় তাদের শিশু পুত্র রাব্বি। নিহত সুলতান মাহমুদ খান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয় বোর্ড কালিহাতিতে কর্মরত। আহত শিশু রাব্বিকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ঘাটাইলে ট্রাক চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
 টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে তাদের তিন বছরের শিশু পুত্র। গতকাল বুধবার  সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহসড়কে ঘাটাইলের মোগলপাড়া নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হল গোপালপুর উপজেলার ডাকুরী গ্রামের সুলতান মাহমুদ খান (৩৮) ও তার স্ত্রী রওশনারা বেগম (২৮)। এ ঘটনায় আহত হয় তাদের শিশু পুত্র  রাব্বী (৩)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মোটর সাইকেলে সুলতান মাহমুদ তার স্ত্রী ও তিন বছরের পুত্রকে নিয়ে কালিহাতী যাচ্ছিলেন। মোটর সাইকেলটি মোগলপাড়া পৌঁিছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুর ট্রাক মোটর সাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই পাকা সড়কে পড়ে গেলে দ্রুতগ্রামী ট্রাকটি তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। মাথা থেতলে গিয়ে  ঘটনাস্থলেই সুলতান মাহমুদ মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্ত্রী রওশনারাকে ঢাকা নেওয়ার পথে মারা যান। মোটরসাইকেল সহ সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে আহত হয় তাদের শিশু পুত্র রাব্বি। নিহত সুলতান মাহমুদ খান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয় বোর্ড কালিহাতিতে কর্মরত। আহত শিশু রাব্বিকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বুধবার, মে ২৪, ২০১৭

ঘাটাইলে মা সমাবেশ

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিশ্ব মা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে ঘাটাইল এস.ই পাইলট পালিকা  উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্র্তা কার্যলয় ঘাটাইল এর উদ্যোগে এ  সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঘাটাইল মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিল্পী দের সভাপতিত্বে মা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ঘাটাইল পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,ঘাটাইল সমাজসেবা অফিসার সানজিদা সুলতানা, ঘাটাইল প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক আতা খন্দকার, ঘাটাইল এস.ই.পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুলবুুলি বেগম প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্জালনা করেন এস ই পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খন্দকার রোমানা ফেরদৌসী ।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ঘাটাইলে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে ওসি’র মতবিনিময় সভা

ঘাটাইল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন ঘাটাইল থানার নবাগত ওসি’ মো. মহি উদ্দিন পিপিএম। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন  উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম খান সামু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন ,উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহীদুল ইসলাম লেবু, ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহি উদ্দিন (পিপিএম) ,জামুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শামীম খান, রসুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন সেন্টু , ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান মো. হায়দার আলী, দিঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, আনেহলা ইউপি চেয়ারম্যান তালুকদার শাহজাহান , দিগড় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। সভায় ১১টি ইউনিয়নের সকল সদস্য ,স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ঘাটাইল উপজেলা থেকে সম্পূর্ণরূপে মাদক নির্মূল, আইন শৃংখলার উন্নতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মঙ্গলবার, মে ২৩, ২০১৭

ঘাটাইলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
“উন্নত আগামীর জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি”- এই শ্লোগানে মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানের বিকাশ ও আবিষ্কারের অভিজ্ঞাতা অর্জনের লক্ষ্যে দুই দিন ব্যাপী ৩৮ তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর এ অনুষ্ঠানের  আয়োজন করে।
উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান  অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন সভাপতিত্বে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) আম্বিয়া সুলতানা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম শামসুল হক, পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান, সাবেক মেয়র হাসান আলী, জিবিজি কলেজ অধ্যক্ষ শামসুল আলম মনি, ইঞ্জিঃ মাসুদুর রহমান আজাদ, হায়দার আলী প্রমূখ।

এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষকগণ,আমন্ত্রিত অতিথী বৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সঞ্জালনা করেন,উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার সানজিদা সুলতানা। মেলায় ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের (৪০ ) প্রকল্প নিয়ে (১০০) জন শিক্ষার্থী ১১ টি স্টল রয়েছে। এর মধ্যে (৪০) জন ছাত্র ও (৬০) জন ছাত্রী অংশ নেয়। শেষে মেলার স্টল গুলো পরিদর্শন করেন অতিথীবৃন্দ। ৩৮ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০১৭ ইং উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগীতামুলক অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫শতাধিক  শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষনা উন্নয়ন সম্প্রসারণ ও সফল ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নতি সাধন, ঘাটাইলের নাগরিক এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিজ্ঞান মনস্ক ও উৎসাহী হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এ মেলা উদ্বোধনা করা হয়।


আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।