সোমবার, জুন ২৭, ২০১৬

ঘাটাইলে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎস পবিত্র ঈদ উল ফিতর। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার মার্কেটগুলো জমে উঠেছে। সব বয়সী নারী-পুরুষসহ শিশুরা তাদের পছন্দের কেনাকাটায় শপিংমল ও বিপনী বিতানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা শহরে পারুল প্লাজা, দিলারা শপিং কমপ্লেক্স, রাজু ফ্যাশন, কাদের কমপ্লেক্স, নিউ মার্কেটসহ অবস্থিত দোকানগুলো এবং ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্টের সুপার মার্কেটমুখরিত হয়ে উঠেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এবার বাজারে নরসিংদী, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তাঁতের কটন, সিল্ক, এন্ডি কটন, এন্ডি সিল্ক, হাফ সিল্ক, মসলিন, ইন্ডিয়ান জামদানী, কাতান কাপড়ের চাহিদা বেশি। বিতানগুলোতে ছেলেদের শাট, টি শার্ট, শর্ট পাঞ্জাবি ও পাঞ্জাবি সেট সবার নজর কাড়ছে। বুটিক হাউজগুলোতে তোলা হয়েছে মেয়েদের জন্য দেশী-বিদেশী আপডেট ডিজাইনের বাহারি পোশাক।
এছাড়াও ভারতীয় চ্যানেলে প্রচারিত সিরিয়াল ও নিন্দি সিনেমার নামে নতুন ফ্যাশন প্রতিবারের মতো এবারও বাজারে এসেছে। এসব ফ্যাশনের নাম দেওয়া হয়েছে ভারতের সফল ব্যবসা সফল ছবি ‘বাহুবলী’ ও ‘বাজিরাও মাস্তানি’। এ সব পোশাক তরুণীদের মন কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছে।
এর বাহিরে ঝলক, সাহারা, নন্দিনী, ইচ্ছামতি পোশাকেরও প্রভাব রয়েছে। ঈদ পোশাকের বাজারে এসব পোশাকের দাম দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে। তবে মার্কেট ভেদে এর দাম পার্থক্য রয়েছে।
গতকাল সোমবার বিভিন্ন শপিং মলের চিত্র বলে দেয় পুরো ধমে জমে উঠেছে ঈদ কেনা-কাটা। এর মধ্যে তরুণ-তরুণী ও নারীদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়।
ঈদের কেনাকাটা করতে আসা তরুণী মারুফা নাসির জানান, এবারের ঈদ কালেকশনগুলো বেশ চমৎকার। ডিজাইনেও রয়েছে বৈচিত্র। কিন্তু বিক্রেতারা গত ঈদের চেয়ে এবার দাম চাইছেন দুই থেকে তিনগুন বেশি। তাই পছন্দ হলেও বাজেটে না থাকায় কেনা যাচ্ছে না।
পারুল প্লাজার একাধিক ব্যবসায়ী জানান, এবছর ১০ রমজানের পর থেকেই মার্কেটে ক্রেতাদের সমাগম হচ্ছে। দিন যত এগুচ্ছে বিক্রিও তত বাড়ছে। বর্তমানে ঈদ বাজার জমজমাট। অন্যবছর থেকে এবার বেচা-বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।

ঘাটাইলে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎস পবিত্র ঈদ উল ফিতর। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার মার্কেটগুলো জমে উঠেছে। সব বয়সী নারী-পুরুষসহ শিশুরা তাদের পছন্দের কেনাকাটায় শপিংমল ও বিপনী বিতানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা শহরে পারুল প্লাজা, দিলারা শপিং কমপ্লেক্স, রাজু ফ্যাশন, কাদের কমপ্লেক্স, নিউ মার্কেটসহ অবস্থিত দোকানগুলো এবং ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্টের সুপার মার্কেটমুখরিত হয়ে উঠেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এবার বাজারে নরসিংদী, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তাঁতের কটন, সিল্ক, এন্ডি কটন, এন্ডি সিল্ক, হাফ সিল্ক, মসলিন, ইন্ডিয়ান জামদানী, কাতান কাপড়ের চাহিদা বেশি। বিতানগুলোতে ছেলেদের শাট, টি শার্ট, শর্ট পাঞ্জাবি ও পাঞ্জাবি সেট সবার নজর কাড়ছে। বুটিক হাউজগুলোতে তোলা হয়েছে মেয়েদের জন্য দেশী-বিদেশী আপডেট ডিজাইনের বাহারি পোশাক।
এছাড়াও ভারতীয় চ্যানেলে প্রচারিত সিরিয়াল ও নিন্দি সিনেমার নামে নতুন ফ্যাশন প্রতিবারের মতো এবারও বাজারে এসেছে। এসব ফ্যাশনের নাম দেওয়া হয়েছে ভারতের সফল ব্যবসা সফল ছবি ‘বাহুবলী’ ও ‘বাজিরাও মাস্তানি’। এ সব পোশাক তরুণীদের মন কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছে।
এর বাহিরে ঝলক, সাহারা, নন্দিনী, ইচ্ছামতি পোশাকেরও প্রভাব রয়েছে। ঈদ পোশাকের বাজারে এসব পোশাকের দাম দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে। তবে মার্কেট ভেদে এর দাম পার্থক্য রয়েছে।
গতকাল সোমবার বিভিন্ন শপিং মলের চিত্র বলে দেয় পুরো ধমে জমে উঠেছে ঈদ কেনা-কাটা। এর মধ্যে তরুণ-তরুণী ও নারীদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়।
ঈদের কেনাকাটা করতে আসা তরুণী মারুফা নাসির জানান, এবারের ঈদ কালেকশনগুলো বেশ চমৎকার। ডিজাইনেও রয়েছে বৈচিত্র। কিন্তু বিক্রেতারা গত ঈদের চেয়ে এবার দাম চাইছেন দুই থেকে তিনগুন বেশি। তাই পছন্দ হলেও বাজেটে না থাকায় কেনা যাচ্ছে না।
পারুল প্লাজার একাধিক ব্যবসায়ী জানান, এবছর ১০ রমজানের পর থেকেই মার্কেটে ক্রেতাদের সমাগম হচ্ছে। দিন যত এগুচ্ছে বিক্রিও তত বাড়ছে। বর্তমানে ঈদ বাজার জমজমাট। অন্যবছর থেকে এবার বেচা-বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।

সোমবার, জুন ১৩, ২০১৬

ঘাটাইলে ভোট কারচুপির অভিযোগ আ’লীগ প্রার্থীর

১নং দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরা জাল ভোট ও নির্বাচনী অফিস ভাংচুরসহ তাণ্ডব চালিয়েছে বলে আ’লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কায়ছার রহমান খান কেহিনুর অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার ঘাটাইল প্রেস ক্লাবে সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কায়ছার রহমান খান কহিনুর। কোনো কারণ ছাড়াই আওয়ামী লীগের ৬৪২ ভোট বাতিল করারও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রকিবুল হাসান, মহব্বত হোসেন প্রমুখ। ৪ জুুন ওই ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঘাটাইলে ভোট কারচুপির অভিযোগ আ’লীগ প্রার্থীর

১নং দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরা জাল ভোট ও নির্বাচনী অফিস ভাংচুরসহ তাণ্ডব চালিয়েছে বলে আ’লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কায়ছার রহমান খান কেহিনুর অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার ঘাটাইল প্রেস ক্লাবে সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কায়ছার রহমান খান কহিনুর। কোনো কারণ ছাড়াই আওয়ামী লীগের ৬৪২ ভোট বাতিল করারও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রকিবুল হাসান, মহব্বত হোসেন প্রমুখ। ৪ জুুন ওই ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার, জুন ১১, ২০১৬

রিক্সা চালক থেকে সফল নার্সারী ব্যবসায়ী

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে ৫ কিঃ মিঃ উত্তর পশ্চিম কোণে দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের গোপালপুর উপজেলা সড়কের কোল ঘেষে পোড়াবাড়ী নামক স্থানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ফল, ঔষধি, ফুলের গাছ সমন্বয়ে শামীম নার্সারি।

 আর এই নার্সারির মালিক আক্তার হোসেন আখন্দ।তিনি জানান, দুই ভাই বাবার তেমন কিছু রেখে যায়নি প্রথম জীবনে কাঁচামালের ব্যবসা ও রিক্সা চালিয়েছি। জীবনে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের সাথে সংগ্রাম করে আজ এই পর্যায়ে এসেছি। দারিদ্রের সাথে দিনরাত যুদ্ধ করে চলতে হত আমাকে। একমুঠো ভাত যোগাড় করতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যেতে হত। তাইতো আমার মাথায় এই গাছের চারার ব্যবসা আসে।

 সেখান থেকে ২০০৫ সালে ৩০ শতাংশ জমি ভাড়া নিয়ে আকাশমণি, ফুলের গাছ, ঔষধি গাছের বাগান করি। সেখান থেকে এখন প্রায় ১০০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে  প্রতি বৎসর বিঘা প্রতি জমির মালিককে ১০ হাজার টাকা করে দিতে হয়। বিভিন্ন প্রজাতির ফল, ফুল ও ঔষধি গাছ রোপন করে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে বিক্রি করেন। এতে তার বৎসর শেষে  সংসার চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা বাড়তি আয় হয়।

বর্তমানে দুই ছেলে এক মেয়ে শামীম ১০ম শ্রেণিতে, চতুর্থ শ্রেণি তানিল ও মেয়ে তানজিলা কে নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছে। দেশের বগুড়া, রংপুর, খুলনা, মধুপুর ও নিজেরা কিছু বীজ ও চারা সংগ্রহ  করা হয়। শামীম নার্সারিতে আম, জাম, লিচু, পেয়ারা, বাদমী, লেবু, লটকন, কমলা, মাল্টা, করমচা, আমড়া, কামরাঙ্গা, জলপাই, ডালিম চালতা সহ ২৭ প্রকারের ফল গাছ ও দুই প্রকারের ঔষধি গাছ, বেলি ফুল, গন্ধরাজ ফুল, গোলাপ ফুল, কামিনী, হাছনাহেনা টগর সহ ২০ প্রকারের ফুল গাছ আছে। এখান থেকে টাঙ্গাইল জেলা ঘাটাইল, কালিহাতী, মধুপুর, হামিদপুর, গোপালপুর, ক্যান্টমেন্ট, ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বগুড়া মহাস্থানগড় ও মহিপুর ইত্যাদি স্থানে চারা গাছ রপ্তানি করা হয়ে থাকে। ২০১৫ সালে ঘাটাইল উপজেলা বৃক্ষ মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ও ২০১৩-১৩ সালে কালিহাতী উপজেলায় বৃক্ষ মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করি।

রিক্সা চালক থেকে সফল নার্সারী ব্যবসায়ী

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে ৫ কিঃ মিঃ উত্তর পশ্চিম কোণে দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের গোপালপুর উপজেলা সড়কের কোল ঘেষে পোড়াবাড়ী নামক স্থানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ফল, ঔষধি, ফুলের গাছ সমন্বয়ে শামীম নার্সারি।

 আর এই নার্সারির মালিক আক্তার হোসেন আখন্দ।তিনি জানান, দুই ভাই বাবার তেমন কিছু রেখে যায়নি প্রথম জীবনে কাঁচামালের ব্যবসা ও রিক্সা চালিয়েছি। জীবনে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের সাথে সংগ্রাম করে আজ এই পর্যায়ে এসেছি। দারিদ্রের সাথে দিনরাত যুদ্ধ করে চলতে হত আমাকে। একমুঠো ভাত যোগাড় করতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যেতে হত। তাইতো আমার মাথায় এই গাছের চারার ব্যবসা আসে।

 সেখান থেকে ২০০৫ সালে ৩০ শতাংশ জমি ভাড়া নিয়ে আকাশমণি, ফুলের গাছ, ঔষধি গাছের বাগান করি। সেখান থেকে এখন প্রায় ১০০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে  প্রতি বৎসর বিঘা প্রতি জমির মালিককে ১০ হাজার টাকা করে দিতে হয়। বিভিন্ন প্রজাতির ফল, ফুল ও ঔষধি গাছ রোপন করে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে বিক্রি করেন। এতে তার বৎসর শেষে  সংসার চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা বাড়তি আয় হয়।

বর্তমানে দুই ছেলে এক মেয়ে শামীম ১০ম শ্রেণিতে, চতুর্থ শ্রেণি তানিল ও মেয়ে তানজিলা কে নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছে। দেশের বগুড়া, রংপুর, খুলনা, মধুপুর ও নিজেরা কিছু বীজ ও চারা সংগ্রহ  করা হয়। শামীম নার্সারিতে আম, জাম, লিচু, পেয়ারা, বাদমী, লেবু, লটকন, কমলা, মাল্টা, করমচা, আমড়া, কামরাঙ্গা, জলপাই, ডালিম চালতা সহ ২৭ প্রকারের ফল গাছ ও দুই প্রকারের ঔষধি গাছ, বেলি ফুল, গন্ধরাজ ফুল, গোলাপ ফুল, কামিনী, হাছনাহেনা টগর সহ ২০ প্রকারের ফুল গাছ আছে। এখান থেকে টাঙ্গাইল জেলা ঘাটাইল, কালিহাতী, মধুপুর, হামিদপুর, গোপালপুর, ক্যান্টমেন্ট, ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বগুড়া মহাস্থানগড় ও মহিপুর ইত্যাদি স্থানে চারা গাছ রপ্তানি করা হয়ে থাকে। ২০১৫ সালে ঘাটাইল উপজেলা বৃক্ষ মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ও ২০১৩-১৩ সালে কালিহাতী উপজেলায় বৃক্ষ মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করি।

বুধবার, জুন ০৮, ২০১৬

ঘাটাইলে খাদ্যের দোকানে জরিমানা

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতাঃ বুধবার বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বিভিন্ন হোটেল কনফেকশনারী সহ খাদ্যের দোকানে অপিরস্কার, ট্রেড লাইসেন্স, খাদ্যের মূল্য তালিকা না থাকার কারণে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন।
ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান ঘাটাইল উপজেলা সুগন্ধা হোটেল-৫ হাজার, আদীব ড্রেইরী ফার্ম-৫ হাজার, টাঙ্গাইল মিষ্টি ঘর-৫শত, পাঁচতারা হোটেল-৫ হাজার, তিনতারা হোটেল-৫ হাজার, হোটেল দয়াময়ী-১হাজার, হোটেল মায়ের দোয়া-১ হাজার, জীবন দধি ভান্ডার-৫শত, আর্দশ মিষ্টি ঘর-৫শত, আশিক মিষ্টান্ন ভান্ডার-৫শত, ধানসিঁড়ি হোটেল-১ হাজার, নিউ মিষ্টি ঘর-৫শত,রফিক এন্টারপ্রাইজ-২হাজার, মাসুদ স্টোর-১ হাজার কে জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী মেজিস্ট্রেট ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান হোটেল ও খাদ্যের দোকানে অপিরস্কার, মূল্য তালিকা না থাকার অপরাধে বিশুদ্ধ খাদ্য ১৯৫৯ এর ২৩ ধারা মোতাবেক এদেরকে জরিমানা করা হয় এবং এ অভিযান শুধু রমজান মাস নয় ধারাবাহিক ভাবে চলবে।

ঘাটাইলে খাদ্যের দোকানে জরিমানা

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতাঃ বুধবার বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বিভিন্ন হোটেল কনফেকশনারী সহ খাদ্যের দোকানে অপিরস্কার, ট্রেড লাইসেন্স, খাদ্যের মূল্য তালিকা না থাকার কারণে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন।
ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান ঘাটাইল উপজেলা সুগন্ধা হোটেল-৫ হাজার, আদীব ড্রেইরী ফার্ম-৫ হাজার, টাঙ্গাইল মিষ্টি ঘর-৫শত, পাঁচতারা হোটেল-৫ হাজার, তিনতারা হোটেল-৫ হাজার, হোটেল দয়াময়ী-১হাজার, হোটেল মায়ের দোয়া-১ হাজার, জীবন দধি ভান্ডার-৫শত, আর্দশ মিষ্টি ঘর-৫শত, আশিক মিষ্টান্ন ভান্ডার-৫শত, ধানসিঁড়ি হোটেল-১ হাজার, নিউ মিষ্টি ঘর-৫শত,রফিক এন্টারপ্রাইজ-২হাজার, মাসুদ স্টোর-১ হাজার কে জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী মেজিস্ট্রেট ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান হোটেল ও খাদ্যের দোকানে অপিরস্কার, মূল্য তালিকা না থাকার অপরাধে বিশুদ্ধ খাদ্য ১৯৫৯ এর ২৩ ধারা মোতাবেক এদেরকে জরিমানা করা হয় এবং এ অভিযান শুধু রমজান মাস নয় ধারাবাহিক ভাবে চলবে।

সোমবার, জুন ০৬, ২০১৬

ঘাটাইলে দৈনিক যায়যায়দিন এর ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা ঃ 
সোমবার সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বাংলাদেশের বিখ্যাত পত্রিকা দৈনিক যায়যায়দিন হাঁটি হাঁটি পা পা করে ১১বৎসরে পর্দাপন করেছে। এ উপলক্ষ্যে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘাটাইল জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম আয়োজিত ফোরামের আহবায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম চাঁন এর সভাপতিত্বে উপজেলা কার্যালয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল জিবিজি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক জুলফিকার-ই-হায়দার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কানিজ ফাতেমা, আইডিইবি টাঙ্গাইল জেলা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মাসুদর রহমান আজাদ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মানবজমিন ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ নজরুল ইসলাম, দৈনিক ভোরের কাগজ ঘাটাইল প্রতিনিধি রবিউল আলম বাদল, জামুরিয়া ইউপি সচিব মোঃ আঃ হালিম ভূঞা, ধলাপাড়া ইউপি সচিব আবু বকর আখন্দ, দিঘলকান্দি ইউনিয়নের সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরামের যুগ্ম আহবায়ক কবি সালাম চান তরফদার, ফ্রেন্ডস ফোরামের সদস্য মোঃ বাবলু, মোঃ সোহেল, দৈনিক যায়যায়দিন  ঘাটাইল সংবাদদাতা ও জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরামের উপদেষ্ঠা উত্তম আর্য্য প্রমুখ। 

রবিবার, জুন ০৫, ২০১৬

ঘাটাইলের আট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হলেন যারা

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি/আর: শনিবার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের শেষ ধাপে ঘাটাইল উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামীলীগ-বিএনপি ৩টি করে ইউনিয়নে জয়লাভ করেছে। একটি করে ইউনিয়নে জয় পেয়েছে উভয় দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও তাদের প্রতিদ্বন্ধীরা হলেন।
দেউলবাড়ি ইউনিয়ন-মোঃ রফিকুল ইসলাম খান(বিএনপি) প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ৮৩০ প্রতিদ্বন্ধী কায়সার রহমান খান (আ’লীগ) প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ১৬৭ ঘাটাইল ইউনিয়ন-মোঃ হায়দার আলী (আ’লীগ) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৯৯৮ প্রতিদ্বন্ধী মোঃ হারুন আর রশিদ (বিএনপি) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৪২৩ জামুরিয়া ইউনিয়ন-মোঃ ইখলাক হোসেন খান শামীম (বিএনপি) প্রাপ্ত ভোট ৮ হাজার ২৯৫ প্রতিদ্বন্ধী শহিদুল ইসলাম খান হেষ্টিংস (আ’লীগ) প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ৫৭৯ লোকেরপাড়া ইউনিয়ন-মোঃ শরিফ হোসেন (আ’লীগ) প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৪১৬ প্রতিদ্বন্ধী মোঃ জহিরুল ইসলাম (আ’লীগ বিদ্রোহী) প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ৯১৭ আনেহলা ইউনিয়ন-তালুকদার শাহজাহান (আ’লীগ) প্রাপ্ত ভোট ৯ হাজার ৫৭ প্রতিদ্বন্ধী আনছার আলী (আ’লীগ বিদ্রোহী) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৮৯৬ দিঘলকান্দি ইউনিয়ন-মোঃ নজরুল ইসলাম (বিএনপি) প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৯০৯  প্রতিদ্বন্ধী মোঃ রেজাউল করিম মটু (আ’লীগ) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৭৮৭ দিগড় ইউনিয়ন-আবুল কালাম আজাদ মামুন (বিএনপি বিদ্রোহী) প্রাপ্ত ভোট ৬ হাজার ৬৪০ প্রতিদ্বন্ধী মোঃ ইসমাইল হোসেন (আ’লীগ) প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৮৪০দেওপাড়া ইউনিয়ন-মোঃ মাইন উদ্দিন তালুকদার তারু (আ’লীগ বিদ্রোহী) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৭০৫ প্রতিদ্বন্ধী মোঃ আঃ ছালাম (বিএনপি) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৩০১ । উল্লেখ্য যে, উপজেলার ৮ ইউনিয়নের লোকেরপাড়া ও আনেহলা ইউনিয়ন দুটিতে বিএনপি দলীয় কোন প্রার্থী ছিল না।

শনিবার, জুন ০৪, ২০১৬

ঘাটাইলে মেম্বার প্রার্থী আটক

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের দেওলাবাড়ী ইউনিয়নের নাগবাড়ী ভোটকেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীর সর্মকদের সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মেম্বার প্রার্থী রস্তম আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামিম আরা রিমি জানান, দুপুর সোয়া একটার দিকে মেম্বার প্রার্থী ফকলুর রহমান খান ও রস্তম আলীর সমর্থকদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনায় মেম্বার প্রার্থী রস্তম আলীকে আটক করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে ঐ ভোটকেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিচ্ছেন।

ঘাটাইলে মেম্বার প্রার্থী আটক

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের দেওলাবাড়ী ইউনিয়নের নাগবাড়ী ভোটকেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীর সর্মকদের সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মেম্বার প্রার্থী রস্তম আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামিম আরা রিমি জানান, দুপুর সোয়া একটার দিকে মেম্বার প্রার্থী ফকলুর রহমান খান ও রস্তম আলীর সমর্থকদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনায় মেম্বার প্রার্থী রস্তম আলীকে আটক করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে ঐ ভোটকেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, জুন ০২, ২০১৬

ঘাটাইলের দুই ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী নেই

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আটটি ইউনিয়নে আগামী শনিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ইউনিয়নগুলোর মধ্যে দুটিতে বিএনপির প্রার্থী নেই।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, আনেহলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির সদস্য শফিউর রহমান ওরফে মুক্তা এবার দলীয় মনোনয়ন পেয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে অজ্ঞাত কারণে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। অন্যদিকে, লোকেরপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন পান বর্তমান চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার। দলীয় মনোনয়ন পেলেও তিনি শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন। সেখানে বিএনপি নতুন করে আর কাউকে প্রার্থী দিতে পারেনি। এ দুটি ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা কেউ আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে আবার কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।
দলীয় মনোনয়ন পেয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার বলেন, ‘দলের প্রতি আমার আনুগত্য ও আস্থা আছে। কিন্তু এলাকাবাসীর চাপের কারণে দলীয় প্রতীক না নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
আনেহলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউর রহমান দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েও কেন প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন, এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের জন্য মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ খ ম রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, হয়তো কোনো চাপের কারণে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। দলীয় নেতাদের কাছেও এ বিষয়ে খুলে কথা বলেননি। দুটি ইউনিয়নে দলীয় প্রতীকের প্রার্থী না থাকায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

ঘাটাইলের দুই ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী নেই

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আটটি ইউনিয়নে আগামী শনিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ইউনিয়নগুলোর মধ্যে দুটিতে বিএনপির প্রার্থী নেই।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, আনেহলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির সদস্য শফিউর রহমান ওরফে মুক্তা এবার দলীয় মনোনয়ন পেয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে অজ্ঞাত কারণে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। অন্যদিকে, লোকেরপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন পান বর্তমান চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার। দলীয় মনোনয়ন পেলেও তিনি শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন। সেখানে বিএনপি নতুন করে আর কাউকে প্রার্থী দিতে পারেনি। এ দুটি ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা কেউ আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে আবার কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।
দলীয় মনোনয়ন পেয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার বলেন, ‘দলের প্রতি আমার আনুগত্য ও আস্থা আছে। কিন্তু এলাকাবাসীর চাপের কারণে দলীয় প্রতীক না নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
আনেহলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউর রহমান দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েও কেন প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন, এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের জন্য মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ খ ম রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, হয়তো কোনো চাপের কারণে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। দলীয় নেতাদের কাছেও এ বিষয়ে খুলে কথা বলেননি। দুটি ইউনিয়নে দলীয় প্রতীকের প্রার্থী না থাকায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

বুধবার, জুন ০১, ২০১৬

ঘাটাইলে ভোটের লড়াইয়ে যারা

আগামী ৪ঠা জুন শেষ ধাপে হবে ঘাটাইল উপজেলার ৮ ইউনিয়নের নির্বাচন। এই ৮ ইউনিয়নে মোট ভোটারসংখ্যা এক লাখ ৭৫ হাজার ৭২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৬ হাজার ৫০২ এবং মহিলা ভোটার ৮৮ হাজার ৫২৪। গত ইউপি নির্বাচনে ১১টি ইউনিয়নের ৮টিতে জয় পায় বিএনপি প্রার্থী। তিনটিতে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। এবার আওয়ামী লীগ চাইছে জয়ের পাল্লা ভারি করতে আর বিএনপি চাইছে জয়ের ধারা অক্ষুণ্ন্ন রাখতে। নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ থাকলেও শঙ্কাও আছে। বিএনপির প্রার্থীদের দাবি প্রচারে বাধা ও হুমকি ধমকির কারণে শঙ্কার মধ্যে আছেন তারা। আনেহলা ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন এবং লোকেরপাড়া ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন পেয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। এর ফলে এই দুটি ইউনিয়নে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। ৮ ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী আছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে তাদের বিদ্রোহী প্রার্থীও রয়েছে। আশপাশের নির্বাচনের সার্বিক চিত্র দেখে ভোট হবে তো কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়া যাবে তো- এমন নানা শঙ্কা ভোটারদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন বলছে ভোট হবে শতভাগ সুষ্ঠু। প্রার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসকসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এমনই মনোভাবের কথা ব্যক্ত করেছেন। এদিকে এই সভায় সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন প্রার্থীরা। প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারণে কিছুটা বেকায়দার রয়েছে নৌকার প্রার্থীরা। ৮ ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৩ জন, সাধারণ সদস্য ২৬২ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৭০ জন।
দেউলাবাড়ি ইউপি: এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫ জন সাধারণ সদস্য ৩৪ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৯ জন। ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কায়সার রহমান খান (কহিনূর খান), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান। অন্য প্রার্থীরা হলেন সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান আকন্দ ও মো. মোতাহার হোসেন। এখানে আওয়ামী লীগ-বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভবনা বেশি।
ঘাটাইল ইউপি: এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪ জন, সাধারণ সদস্য ৩১ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৭ জন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, মো. হায়দার আলী, বিএনপি দলীয় প্রার্থী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, অপর প্রার্থীরা হলেন, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক মেম্বার জাহাঙ্গীর হোসেন খান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), আ. আজিজ মেম্বার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।
জামুরিয়া ইউপি: এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী দুজন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক ইখলাক হোসেন খান (শামীম খান)। উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মধ্যে নির্বাচনী হাওয়া বইলেও জামুরিয়া ইউনিয়নের দুই দলের হেভিওয়েট এই দুই প্রার্থীর নির্বাচনের কলাকৌশলের দিকে দৃষ্টি সবার। আওয়ামী লীগ প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস চাইছেন টানা দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হতে আর বিএনপি দলীয় প্রার্থী শামীম খানও চাইছেন দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যানশিপ পুনরুদ্ধার করতে। এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৩১ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৫ জন নির্বাচন করছেন।
লোকেরপাড়া ইউপি: এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬ জন বর্তমান চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার বিএনপি দলীয় মনোনয়ন এনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাই এ ইউনিয়নের বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শরীফ হোসেন, এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন খান কাপাস, জাপার প্রার্থী আহম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গোলজার হোসেন। এ ছাড়া এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ৩২ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। সাধারণ ভোটারদের অভিমত এখানে প্রার্থী সংখ্যা বেশি থাকায় কে শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী লড়াইয়ে জিতবেন তার জন্য ৪ঠা জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
আনেহলা ইউপি: বিএনপির প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান শফিউর রহমান মুক্তা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় এখানে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান তালুকদার (ডলার শাহজাহান), অন্য প্রার্থীরা হলেন নেতা আনছার আলী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন খন্দকার আ. রহিম। এ ছাড়া এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ৩০ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরই লড়াই হবে বলে ভোটারদের অভিমত।
দিঘলকান্দি ইউপি: বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হলেন, রেজাউল করিম মটু, এ ছাড়া ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর অন্যরা হলেন, সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শাহিনুর রহমান (বিএনপি বিদ্রোহী), আবদুল্লাহ আল মামুন বিদুৎ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম। সাধারণ সদস্য ৩৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ১০ জন। এখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলেরই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। সব প্রার্থীই সমান তালে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাই এ ইউনিয়নে কেউ কারো নাহি ছাড়ে সমানে সমান অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শেষ বিকালে এখানে কে বিজয়ের মালা পরবে তা বলা মুশকিল।
দিগড় ইউপি: এ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫ জন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনছুর আলী, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইসমাইল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মামুন (বিএনপি বিদ্রোহী), আওয়ামী লীগ নেতা সানোয়ার হোসেন শাতিল (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জামাল হোসেন ও হাবিবুর রহমান। সাধারণ সদস্য পদে ৩৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ৯ জন। এখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলেরই পথে কাটা বিদ্রোহী প্রার্থী।
দেওপাড়া ইউপি: এ ইউনিয়নে তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাইন উদ্দিন তালুকদার তারু, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আ. ছালাম। ভোটারদের অভিমত এখানে লড়াই হবে ত্রিমুখী। বিজয়ের হাসি কে হাসবে তা বলা মুশকিল। সাধারণ সদস্য পদে ২৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঘাটাইলে ভোটের লড়াইয়ে যারা

আগামী ৪ঠা জুন শেষ ধাপে হবে ঘাটাইল উপজেলার ৮ ইউনিয়নের নির্বাচন। এই ৮ ইউনিয়নে মোট ভোটারসংখ্যা এক লাখ ৭৫ হাজার ৭২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৬ হাজার ৫০২ এবং মহিলা ভোটার ৮৮ হাজার ৫২৪। গত ইউপি নির্বাচনে ১১টি ইউনিয়নের ৮টিতে জয় পায় বিএনপি প্রার্থী। তিনটিতে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। এবার আওয়ামী লীগ চাইছে জয়ের পাল্লা ভারি করতে আর বিএনপি চাইছে জয়ের ধারা অক্ষুণ্ন্ন রাখতে। নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ থাকলেও শঙ্কাও আছে। বিএনপির প্রার্থীদের দাবি প্রচারে বাধা ও হুমকি ধমকির কারণে শঙ্কার মধ্যে আছেন তারা। আনেহলা ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন এবং লোকেরপাড়া ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন পেয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। এর ফলে এই দুটি ইউনিয়নে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। ৮ ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী আছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে তাদের বিদ্রোহী প্রার্থীও রয়েছে। আশপাশের নির্বাচনের সার্বিক চিত্র দেখে ভোট হবে তো কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়া যাবে তো- এমন নানা শঙ্কা ভোটারদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন বলছে ভোট হবে শতভাগ সুষ্ঠু। প্রার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসকসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এমনই মনোভাবের কথা ব্যক্ত করেছেন। এদিকে এই সভায় সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন প্রার্থীরা। প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারণে কিছুটা বেকায়দার রয়েছে নৌকার প্রার্থীরা। ৮ ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৩ জন, সাধারণ সদস্য ২৬২ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৭০ জন।
দেউলাবাড়ি ইউপি: এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫ জন সাধারণ সদস্য ৩৪ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৯ জন। ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কায়সার রহমান খান (কহিনূর খান), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান। অন্য প্রার্থীরা হলেন সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান আকন্দ ও মো. মোতাহার হোসেন। এখানে আওয়ামী লীগ-বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভবনা বেশি।
ঘাটাইল ইউপি: এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪ জন, সাধারণ সদস্য ৩১ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৭ জন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, মো. হায়দার আলী, বিএনপি দলীয় প্রার্থী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, অপর প্রার্থীরা হলেন, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক মেম্বার জাহাঙ্গীর হোসেন খান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), আ. আজিজ মেম্বার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।
জামুরিয়া ইউপি: এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী দুজন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক ইখলাক হোসেন খান (শামীম খান)। উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মধ্যে নির্বাচনী হাওয়া বইলেও জামুরিয়া ইউনিয়নের দুই দলের হেভিওয়েট এই দুই প্রার্থীর নির্বাচনের কলাকৌশলের দিকে দৃষ্টি সবার। আওয়ামী লীগ প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস চাইছেন টানা দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হতে আর বিএনপি দলীয় প্রার্থী শামীম খানও চাইছেন দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যানশিপ পুনরুদ্ধার করতে। এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ৩১ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৫ জন নির্বাচন করছেন।
লোকেরপাড়া ইউপি: এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬ জন বর্তমান চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার বিএনপি দলীয় মনোনয়ন এনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাই এ ইউনিয়নের বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শরীফ হোসেন, এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন খান কাপাস, জাপার প্রার্থী আহম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গোলজার হোসেন। এ ছাড়া এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ৩২ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। সাধারণ ভোটারদের অভিমত এখানে প্রার্থী সংখ্যা বেশি থাকায় কে শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী লড়াইয়ে জিতবেন তার জন্য ৪ঠা জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
আনেহলা ইউপি: বিএনপির প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান শফিউর রহমান মুক্তা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় এখানে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান তালুকদার (ডলার শাহজাহান), অন্য প্রার্থীরা হলেন নেতা আনছার আলী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন খন্দকার আ. রহিম। এ ছাড়া এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ৩০ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরই লড়াই হবে বলে ভোটারদের অভিমত।
দিঘলকান্দি ইউপি: বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হলেন, রেজাউল করিম মটু, এ ছাড়া ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর অন্যরা হলেন, সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শাহিনুর রহমান (বিএনপি বিদ্রোহী), আবদুল্লাহ আল মামুন বিদুৎ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম। সাধারণ সদস্য ৩৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ১০ জন। এখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলেরই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। সব প্রার্থীই সমান তালে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাই এ ইউনিয়নে কেউ কারো নাহি ছাড়ে সমানে সমান অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শেষ বিকালে এখানে কে বিজয়ের মালা পরবে তা বলা মুশকিল।
দিগড় ইউপি: এ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫ জন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনছুর আলী, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইসমাইল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মামুন (বিএনপি বিদ্রোহী), আওয়ামী লীগ নেতা সানোয়ার হোসেন শাতিল (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জামাল হোসেন ও হাবিবুর রহমান। সাধারণ সদস্য পদে ৩৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ৯ জন। এখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলেরই পথে কাটা বিদ্রোহী প্রার্থী।
দেওপাড়া ইউপি: এ ইউনিয়নে তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাইন উদ্দিন তালুকদার তারু, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আ. ছালাম। ভোটারদের অভিমত এখানে লড়াই হবে ত্রিমুখী। বিজয়ের হাসি কে হাসবে তা বলা মুশকিল। সাধারণ সদস্য পদে ২৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঘাটাইল উপজেলা ইউপি নির্বাচনের প্রচার প্রচারণায় সরগরম

নিজস্ব প্রতিবেদক আমাদের ঘাটাইল ঃ 
প্রচার প্রচারণায় সরগরম এখন টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন। আলোচনা সভা, সমাবেশ, উঠান বৈঠক আর গণসংযোগ করে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। প্রতীক বরাদ্ধের পরই এখানে শুরু হয় জমজমাট প্রচারণা। যতই দিন ঘনিয়ে আসছে ততই নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে গ্রাাম থেকে গ্রাামে। রাতের ঘুম যেন হারাম হয়ে গেছে প্রার্থীদের মধ্যে। রাত দিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট প্রার্থণা করছেন তারা। চালাচ্ছেন বাহারী প্রচার। হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লা, চা দোকান সর্বত্রই এখন ভোটের আলোচনা। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা। ইউনিয়নগুলোতে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বি থাকায় কোন ইউপিতে ত্রিমুখী, কোনটিতে দ্বিমুখী লড়াই হবে বলে ভোটাররা জানান। মোট কথা আগামী ৪ জুন  ষষ্ঠ এবং শেষ ধাপে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন ও মেম্বার পদে ২৮২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
দলীয় প্রতীকে প্রথমবারের মত ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাই প্রধান দুই দল আওয়ামীলীগ ও বিএনপির নেতা কর্মীরা স্ব স্ব দলের প্রার্থীদের পে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন। দলের বাইরের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তারা নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নানা প্রতিশ্রুতির কথাও শোনাচ্ছেন কেউ কেউ। ৮টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ৮ প্রার্থী ছাড়া ও রয়েছে ৪টি বিদ্রোহী প্রার্থী এবং ৮টি ইউনিয়নে বিএনপির ৬ প্রার্থী ছাড়াও হয়েছে ২ বিদ্রোহী প্রার্থী। দেউলাবাড়ী, দিঘড় ও জামুরিয়া ইউনিয়ন ছাড়া অপর ছয়টি ইউনিয়নে ভালো কোন প্রার্থী নেই বিএনপির। দেউলাবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন পাকুটিয়া বণিক সমিতির সভাপতি ও আ’লীগ নেতা মোঃ কায়সার রহমান খান কহিনূর। এ ইউনিয়নে নৌকার ভোটে ভাগ বসাবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান ও আ’লীগ নেতা মোঃ আবুল হোসেন। এ ছাড়া  ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক দুই দুইবার সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। সব মিলিয়ে দেউলাবাড়ী ইউনিয়নে লড়াই হবে ত্রিমুখী। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন মো. খলিলুর রহমান আকন্দ, মো. মোতাহার হোসেন মুনতাসী।
জামুরিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী ইখলাক হোসেন খান (শামীম) ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক । নৌকার প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস এর সঙ্গে তার তুমূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ভোটাররা জানান।  লোকের পাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৬ জন। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শরীফ হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন এ ইউনিয়নে বিএনপিতে আস্থা না পেয়ে বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে লড়ছেন বর্তমান চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার। দলীয় ভোটের বাইরেও তিনি ভোট টানতে সম হবেন বলে  জানান তিনি। এছাড়া এ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র জহিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন খান কাপাস, আহম্মদ আলী, মো. গোলজার হোসেন। ঘাটাইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মো. হায়দার আলী, বিএনপির বিআরডবির সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সাবেক মেম্বার জাহাঙ্গীর হোসেন খান, আ. আজিজ মেম্বার। আনেহলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাবেক চেয়ারম্যান তালুকদার শাহজাহান (ডলার শাহজাহান)। আওয়ামী লীগ নেতা আনছার আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আ. রহিম। দিঘলকান্দি ইউনিয়নে বিএনপির নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের রেজাউল করিম মটু। অন্যরা হলেন, সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহীন (বিএনপি বিদ্রোহী), আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন বিদ্যুত্ ও (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে)’র মো. খাদেমুল ইসলাম।
দেওপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাঈন উদ্দিন তালুকদার, বিএনপির আ. ছালাম। দিগড় ইউনিয়নে লড়াই হবে ত্রিমুখী। দিগড় ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত  প্রার্থী ইসমাইল হোসেন প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী হিসেবে লড়ছেন আওয়ামীলীগ নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সানোয়ার হোসেন শাতিল, মোঃ জামাল হোসেন, হাবিবুর রহমান ।  এ ছাড়া বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনছুর আলী ধানের শীষ ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ঘাটাইল উপজেলা ইউপি নির্বাচনের প্রচার প্রচারণায় সরগরম

নিজস্ব প্রতিবেদক আমাদের ঘাটাইল ঃ 
প্রচার প্রচারণায় সরগরম এখন টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন। আলোচনা সভা, সমাবেশ, উঠান বৈঠক আর গণসংযোগ করে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। প্রতীক বরাদ্ধের পরই এখানে শুরু হয় জমজমাট প্রচারণা। যতই দিন ঘনিয়ে আসছে ততই নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে গ্রাাম থেকে গ্রাামে। রাতের ঘুম যেন হারাম হয়ে গেছে প্রার্থীদের মধ্যে। রাত দিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট প্রার্থণা করছেন তারা। চালাচ্ছেন বাহারী প্রচার। হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লা, চা দোকান সর্বত্রই এখন ভোটের আলোচনা। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা। ইউনিয়নগুলোতে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বি থাকায় কোন ইউপিতে ত্রিমুখী, কোনটিতে দ্বিমুখী লড়াই হবে বলে ভোটাররা জানান। মোট কথা আগামী ৪ জুন  ষষ্ঠ এবং শেষ ধাপে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন ও মেম্বার পদে ২৮২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
দলীয় প্রতীকে প্রথমবারের মত ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাই প্রধান দুই দল আওয়ামীলীগ ও বিএনপির নেতা কর্মীরা স্ব স্ব দলের প্রার্থীদের পে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন। দলের বাইরের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তারা নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নানা প্রতিশ্রুতির কথাও শোনাচ্ছেন কেউ কেউ। ৮টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের ৮ প্রার্থী ছাড়া ও রয়েছে ৪টি বিদ্রোহী প্রার্থী এবং ৮টি ইউনিয়নে বিএনপির ৬ প্রার্থী ছাড়াও হয়েছে ২ বিদ্রোহী প্রার্থী। দেউলাবাড়ী, দিঘড় ও জামুরিয়া ইউনিয়ন ছাড়া অপর ছয়টি ইউনিয়নে ভালো কোন প্রার্থী নেই বিএনপির। দেউলাবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন পাকুটিয়া বণিক সমিতির সভাপতি ও আ’লীগ নেতা মোঃ কায়সার রহমান খান কহিনূর। এ ইউনিয়নে নৌকার ভোটে ভাগ বসাবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান ও আ’লীগ নেতা মোঃ আবুল হোসেন। এ ছাড়া  ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক দুই দুইবার সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। সব মিলিয়ে দেউলাবাড়ী ইউনিয়নে লড়াই হবে ত্রিমুখী। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন মো. খলিলুর রহমান আকন্দ, মো. মোতাহার হোসেন মুনতাসী।
জামুরিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী ইখলাক হোসেন খান (শামীম) ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক । নৌকার প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস এর সঙ্গে তার তুমূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ভোটাররা জানান।  লোকের পাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৬ জন। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শরীফ হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন এ ইউনিয়নে বিএনপিতে আস্থা না পেয়ে বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে লড়ছেন বর্তমান চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার। দলীয় ভোটের বাইরেও তিনি ভোট টানতে সম হবেন বলে  জানান তিনি। এছাড়া এ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র জহিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন খান কাপাস, আহম্মদ আলী, মো. গোলজার হোসেন। ঘাটাইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মো. হায়দার আলী, বিএনপির বিআরডবির সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সাবেক মেম্বার জাহাঙ্গীর হোসেন খান, আ. আজিজ মেম্বার। আনেহলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাবেক চেয়ারম্যান তালুকদার শাহজাহান (ডলার শাহজাহান)। আওয়ামী লীগ নেতা আনছার আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আ. রহিম। দিঘলকান্দি ইউনিয়নে বিএনপির নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের রেজাউল করিম মটু। অন্যরা হলেন, সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহীন (বিএনপি বিদ্রোহী), আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন বিদ্যুত্ ও (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে)’র মো. খাদেমুল ইসলাম।
দেওপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাঈন উদ্দিন তালুকদার, বিএনপির আ. ছালাম। দিগড় ইউনিয়নে লড়াই হবে ত্রিমুখী। দিগড় ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত  প্রার্থী ইসমাইল হোসেন প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী হিসেবে লড়ছেন আওয়ামীলীগ নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সানোয়ার হোসেন শাতিল, মোঃ জামাল হোসেন, হাবিবুর রহমান ।  এ ছাড়া বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনছুর আলী ধানের শীষ ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।