শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৬

এখন অপেক্ষা সবুজ সংকেতের


একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সঙ্গে দেখা করার জন্য আজ বিকেলে তার পরিবারকে ডেকে পাঠিয়েছে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। তবে মীর কাসেমের ফাঁসি আজ হচ্ছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া না গেলেও গুঞ্জন রয়েছে আজকেই ফাঁসি হচ্ছে এ যুদ্ধাপরাধীর।

কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, দণ্ড কার্যকরে তারা এখন শুধু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারা অধিদফতরের দায়িত্বশীল একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা দুপুর পৌনে ১২টায় জাগো নিউজকে জানান, মীর কাসেম আলীর ফাঁসি আজ হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। তাদের ভাষায় ‘ফিফটি ফিফটি চান্স’ রয়েছে।

একজন শীর্ষ দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, মীর কাসেম আলীকে ফাঁসিতে ঝোলানোর লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যেই দুই দফা ফাঁসির মহড়াও হয়ে গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্রিন সিগন্যাল পেলে যেকোনো সময় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলানো হতে পারে মহান একাত্তরের যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর।

আইনি সব লড়াই চালিয়ে পরাজিত হওয়ার পর কাসেম আলীর সঙ্গে খোলা ছিল কেবল রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ। তবে শুক্রবার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন না। ফলে কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

শুক্রবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার আবেদন করবেন না জানিয়ে দেয়ার পর থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মূল কারাফটকে অতিরিক্ত কারারক্ষী মোতায়েন করা হয়।

কারাবিধি অনুযায়ী যেকোনো আসামির ফাঁসি কার্যকরের আগে তাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ দেখা করতে দেয়ার রেওয়াজ রয়েছে। এর আগে যুদ্ধাপরাধের অপরাধে দণ্ডিতরাও একই সুযোগ পেয়েছেন। আজ বিকেলে পরিবারের সদস্যদের ডেকে পাঠানোর কারণে ফাঁসি আজই হচ্ছে বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

এখন অপেক্ষা সবুজ সংকেতের


একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সঙ্গে দেখা করার জন্য আজ বিকেলে তার পরিবারকে ডেকে পাঠিয়েছে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। তবে মীর কাসেমের ফাঁসি আজ হচ্ছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া না গেলেও গুঞ্জন রয়েছে আজকেই ফাঁসি হচ্ছে এ যুদ্ধাপরাধীর।

কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, দণ্ড কার্যকরে তারা এখন শুধু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারা অধিদফতরের দায়িত্বশীল একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা দুপুর পৌনে ১২টায় জাগো নিউজকে জানান, মীর কাসেম আলীর ফাঁসি আজ হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। তাদের ভাষায় ‘ফিফটি ফিফটি চান্স’ রয়েছে।

একজন শীর্ষ দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, মীর কাসেম আলীকে ফাঁসিতে ঝোলানোর লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যেই দুই দফা ফাঁসির মহড়াও হয়ে গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্রিন সিগন্যাল পেলে যেকোনো সময় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলানো হতে পারে মহান একাত্তরের যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর।

আইনি সব লড়াই চালিয়ে পরাজিত হওয়ার পর কাসেম আলীর সঙ্গে খোলা ছিল কেবল রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ। তবে শুক্রবার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন না। ফলে কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

শুক্রবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার আবেদন করবেন না জানিয়ে দেয়ার পর থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মূল কারাফটকে অতিরিক্ত কারারক্ষী মোতায়েন করা হয়।

কারাবিধি অনুযায়ী যেকোনো আসামির ফাঁসি কার্যকরের আগে তাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ দেখা করতে দেয়ার রেওয়াজ রয়েছে। এর আগে যুদ্ধাপরাধের অপরাধে দণ্ডিতরাও একই সুযোগ পেয়েছেন। আজ বিকেলে পরিবারের সদস্যদের ডেকে পাঠানোর কারণে ফাঁসি আজই হচ্ছে বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

ঘাটাইলে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের প্রতিবাদে সমাবেশ

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
সারাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের প্রতিবাদে শবিবার সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাধুটি নজিব উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রফিকুল সভাপতিত্বে উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল থানা এস.আই কামাল হোসেন, ০৬নং ওয়ার্ড়ের ইউপি সদস্য মোঃ ওয়াজেদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা কুদরত আলী, ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার মোছাঃ ফরিদা ইয়াসমিন মিম, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ ইমরান হোসেন ও মোঃ গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ। 
জঙ্গি, মাদকসেবী ইত্যাদি ধরিয়ে দিতে পারে তাহলে তাকে এক ভরি স্বর্ণের চেন পুরস্কার ঘোষনা করেন সমাবেশে বক্তারা। 
সমাবেশে জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র ও ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবছর গরুর সাথে ফ্রি থাকে ছাগল

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
শখের তোলা নাকি ৮০ টাকা! এটা তো কথার কথা, শখের জন্য মানুষ যে কী করতে পারে, তার অসংখ্য উদাহরণ আমাদের আশপাশেই রয়েছে। নিজেদের কথা ভাবলেও বোঝা যায় শখের কোন কিছু পেতে বা করতে কী প্রচেষ্টাই না থাকে আমাদের! আর যাদের জীবনে টাকা-পয়সার কখনো অভাব নেই, তারা চাইলেই যে কোনো কিছু কিনে অথবা করে ফেলতে পারেন। তাদের শখের নমুনাটাও অন্য সবার থেকে আলাদা এবং মুখ হা করে দেওয়ার মতোই। আবার কেউ কেউ আছে যাদের নেই টাকা-পয়সা তবে তাদের নেই কোন শখের কমতি।
এ রকমই একজন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আনেহলা ইউনিয়নের সিংগুরিয়া গ্রামের মো. আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা। বয়স ৭০ ছাড়িয়ে গেলেও এখনও প্রতিনিয়ত কাজ করতে হয় মাঠে-ঘাটে। জমিজমা বলতে বাড়ির ভিটেই তার একমাত্র সম্ভল। তবুও তার যুবক বয়স থেকেই ইচ্ছে সে ঋণ করে হলেও প্রতিবছর একটি ষাড় গরু পালন করে বিশাল বড় করে কোরবানির ঈদের আগে হাটে বিক্রি করে দিবে। এবং তার সাথে একটি ছাগলও ফ্রি দিবে।
তার দেওয়া তথ্য মতে, সেই যুবক বয়স থেকে এ পর্যন্ত প্রতিবছর একটি করে ষাড় গরু কোরবানির ঈদের আগে অথবা পরে হাটে থেকে ক্রয় করে ৫০ থেকে ৮০হাজার টাকা দিয়ে। সে গরুকে এক বছর লালন পালন করে মোটাতাজা করে বিক্রির উপযোগী করে গড়ে তোলে। ঠিক প্রতিবছরের ন্যায় এবারও একটি গরু তিনি পালন করছেন। সে গরুটাকে এক নজর দেখার জন্য প্রতিদিন তাদের বাড়িতে আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত উৎসুক জনতা এসে ভীড় জমায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা তাদের বাড়িতে গরুকে খাওয়াচ্ছেন। তখন এ ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, মানুষ হাট-বাজার থেকে গরু কিনে এনে তা লালন পালন করে। আবার সেটাকে বিক্রি করে কিছু লাভের আশায় তবে সেটা তিনি করেন না। সেই যুবক বয়স থেকে গরু পালন করতো তিনি গরু লড়াই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করার জন্য, কিন্তু এখন তো আর গরু লড়াই প্রতিযোগীতা দেওয়া হয় না তাই শখের কারনেই প্রতিবছর একটি করে গরু অনেক কষ্টে লালন পালন করে আসছেন তিনি।
তিনি জানান তার এই গরু টি গত বছর কোরবানির ঈদের এক সপ্তাহ আগে ৬২ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। এপর্যন্ত তার জন্য ভূষি, খৈল, খড়, চালের খুদ ও অন্যান্য খরচসহ প্রায় ১লক্ষ টাকার মতো শুধু খরচই হয়েছে। প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা বলেন, যদি এখন গরুটি খরচের টাকার চেয়ে কমও বিক্রি হয় তাও কষ্ট পাবে না। তিনি আরো জানান গরুটির সাথে একটি ছাগল ও পালন করেন তিনি, যে গরুটা কিনবে তাকে ওই ছাগল ফ্রি দেওয়া হবে বলেও জানান।