বুধবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৮

নির্যাতনের পর স্ত্রীকে তালাক, কিশোরীর আত্মহত্যা

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মোবাইল ফোনে প্রেম করে বিয়ের ৮ মাসের মাথায় স্বামীর নির্যাতনের পর তালাক দেওয়ায় মনের দুঃখে বিষপান করে মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) মধ্যরাতে আত্মহত্যা করেছে তানিয়া নামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী স্ত্রী। ভাগ্যহত ওই কিশোরীর বাড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী বুরুঙ্গা গ্রামে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের ইউনুছ আলীর সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যা তানিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে দিনাজপুর জেলার কানিতোলা উপজেলার তাওলিয়াপাড়া গ্রামের মাজেদুল ইসলামের ছেলে ইসমাইল হোসেনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর সময় প্রেম করার পর অভিভাবকদের অগোচরে বিয়ে করে দুই প্রেমিক। বিয়ের ৮ মাসের মাথায় পারিবারিক কলহ বাধে। পরে সংবাদ পাঠিয়ে তানিয়ার গর্ভধারীনি মাকেও দিনাজপুর নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে সোমবার (১৫ অক্টোবর) স্বামী ইসমাইল শাশুড়িকে ঘরে আটকে রেখে কিশোরী স্ত্রী তানিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং তালাক দেয়। এরপর তানিয়া ওই রাতে মায়ের সাথে নালিতাবাড়ীস্থ বাবার বাড়ি চলে আসে এবং মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে বিষপান করে। পরে স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মধ্যরাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তানিয়ার বাবা ইউনুছ আলী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। লাশ ময়না তদন্তের জন্য শেরপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷