ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় সার্বিক ফলাফলে পাশের হার কমলেও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে । গত বছর পাশের হার ছিল ৯৩.৩৬ আর এ বছর তা কমে ৯০.৭২। যা গত বছরের তুলনায় ২.৬৪% কম। তবে জিপিএ -৫ এর সংখ্যা ২৯৮ থেকে বেড়ে ৩৬০ হয়েছে। এদিকে উপজেলার তিনটি মাদ্সার ফলাফল মারাতœক বিপর্যয় ঘটেছে।১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও তিনটি মাদরাসাসহ মোট তেরটি প্রতষ্ঠানে শতকরা ১০০% পাশ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভাল ফলাফল করেছে ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পালিক স্কুল এন্ড কলেজ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ফলাফলের দিক দিয়ে এ প্রতিষ্ঠান জেলার শ্রেষ্ঠ। ৬৯জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪জন। বাকী ৪জন জিপিএ-৪ পেয়েছে।শতকরা ১০০% পাশ করেছে অন্য প্রতিষ্ঠাগুলো হলো ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুল, সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আঃহালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যাঃ,ভবনদত্ত উচ্চ বিদ্যালয়, আথাইল শিমুল,বাসাবাইদ,হাটকয়েরা,লোকের পাড়া ,আুল হোসেন নূরজাহান একাডেমী,দেওপাড়া বাহরুননেছা দাখিল মাদরাসা, পেচার আটা মাটিকাটা দাঃ মাঃ ও মুরাইদ সিরাজনগর দাখিল মাদরাসা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর এসএসসি (জেনারেল) পরীক্ষায় ৩ হাজার ৫শ’৬৬জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাশ করেছে ৩ হাজার ২শ’৩৫জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬০জন। পাশের হার ৯০.৭২%। গত বছর পাশের হার ছিল ৯৩.৩৬ যা গত বছরের তুলনায় ২.৬৪% কম। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯৮ জন , এবার বেড়ে হয়েছে ৩৬০জন। এসএসসি ভোকেশনাল থেকে ২৯০জনের মধ্যে ২৭১ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৯৩.৪৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৯জন। দালিল মাদরাসা থেকে মোট ৮৩৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে থেকে ৬৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৭৬.২৬%। জিপিএ -৫ পেয়েছে মাত্র ৪জন। উপজেলার তিনটি মাদরাসা হামিদপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ৪৫ জনের মধ্যে ১৩জন ,পাশের হার ২৮.৮৯%। পাচঁটিকরী দাখিল মাদরাসার ২৩জনের মধ্যে ০৫জন পাশ করেছে। পাশের হার ২১.৭৪% এবং ও বকশিয়া দাখিল মাদরাসার ১৯জন থেকে ০৭জন পাশ করেছে । পাশের হার ৩৬.৮৪%। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। ফলাফলের বিপর্যয়ের কারণে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। হামিদপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আ.স.ম ফয়েজউল্লাহ বলেন, সবাই প্রায়এক বিষয় গণিতে ফেল করেছে। পাচঁটিকরীর সুপার আঃ মান্নান জানান, ১১জন ইসলামের ইতিহাসে এবং ০৭ জন আরবী / গণিতে ফেল করেছে। ফলাফলে তিনি হতাশ প্রকাশ করে বলেন,শিক্ষার্থীরা ভাল পরীক্ষা দিয়েছিল। খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ,কে,এম শামসুল হক বলেন , উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ফলাফল ভাল। তিনটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল কেন বিপর্যয় হলো তার কারণ খোঁেজ বের করা হবে।
চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় সার্বিক ফলাফলে পাশের হার কমলেও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে । গত বছর পাশের হার ছিল ৯৩.৩৬ আর এ বছর তা কমে ৯০.৭২। যা গত বছরের তুলনায় ২.৬৪% কম। তবে জিপিএ -৫ এর সংখ্যা ২৯৮ থেকে বেড়ে ৩৬০ হয়েছে। এদিকে উপজেলার তিনটি মাদ্সার ফলাফল মারাতœক বিপর্যয় ঘটেছে।১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও তিনটি মাদরাসাসহ মোট তেরটি প্রতষ্ঠানে শতকরা ১০০% পাশ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভাল ফলাফল করেছে ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পালিক স্কুল এন্ড কলেজ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ফলাফলের দিক দিয়ে এ প্রতিষ্ঠান জেলার শ্রেষ্ঠ। ৬৯জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪জন। বাকী ৪জন জিপিএ-৪ পেয়েছে।শতকরা ১০০% পাশ করেছে অন্য প্রতিষ্ঠাগুলো হলো ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুল, সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আঃহালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যাঃ,ভবনদত্ত উচ্চ বিদ্যালয়, আথাইল শিমুল,বাসাবাইদ,হাটকয়েরা,লোকের পাড়া ,আুল হোসেন নূরজাহান একাডেমী,দেওপাড়া বাহরুননেছা দাখিল মাদরাসা, পেচার আটা মাটিকাটা দাঃ মাঃ ও মুরাইদ সিরাজনগর দাখিল মাদরাসা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর এসএসসি (জেনারেল) পরীক্ষায় ৩ হাজার ৫শ’৬৬জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাশ করেছে ৩ হাজার ২শ’৩৫জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬০জন। পাশের হার ৯০.৭২%। গত বছর পাশের হার ছিল ৯৩.৩৬ যা গত বছরের তুলনায় ২.৬৪% কম। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯৮ জন , এবার বেড়ে হয়েছে ৩৬০জন। এসএসসি ভোকেশনাল থেকে ২৯০জনের মধ্যে ২৭১ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৯৩.৪৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৯জন। দালিল মাদরাসা থেকে মোট ৮৩৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে থেকে ৬৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৭৬.২৬%। জিপিএ -৫ পেয়েছে মাত্র ৪জন। উপজেলার তিনটি মাদরাসা হামিদপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ৪৫ জনের মধ্যে ১৩জন ,পাশের হার ২৮.৮৯%। পাচঁটিকরী দাখিল মাদরাসার ২৩জনের মধ্যে ০৫জন পাশ করেছে। পাশের হার ২১.৭৪% এবং ও বকশিয়া দাখিল মাদরাসার ১৯জন থেকে ০৭জন পাশ করেছে । পাশের হার ৩৬.৮৪%। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। ফলাফলের বিপর্যয়ের কারণে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। হামিদপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আ.স.ম ফয়েজউল্লাহ বলেন, সবাই প্রায়এক বিষয় গণিতে ফেল করেছে। পাচঁটিকরীর সুপার আঃ মান্নান জানান, ১১জন ইসলামের ইতিহাসে এবং ০৭ জন আরবী / গণিতে ফেল করেছে। ফলাফলে তিনি হতাশ প্রকাশ করে বলেন,শিক্ষার্থীরা ভাল পরীক্ষা দিয়েছিল। খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ,কে,এম শামসুল হক বলেন , উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ফলাফল ভাল। তিনটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল কেন বিপর্যয় হলো তার কারণ খোঁেজ বের করা হবে।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷