শনিবার, মার্চ ০৪, ২০১৭

ঘাটাইলে সেনা কল্যান সংস্থা গলফ কাফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাহ উদ্দিন সেনানিবাসের গলফ ক্লাবে দুইদিনব্যাপী প্রথম সেনা কল্যান সংস্থা কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে টুর্ণামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের এরিয়া কমান্ডার ও ঘাটাইল শহীদ সালাহ উদ্দিন সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল সাজ্জাদুল হক।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সেনা কল্যান সংস্থার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ফিরোজ হাসানসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও তাদের পরিবারবর্গ।
টুর্ণামেন্টে ঘাটাইল ছাড়াও যমুনা, ময়মনসিংহ সেনানিবাস সহ দেশের অন্যান্য গলফ ক্লাব থেকে বিভিন্ন ইভেন্টে সাব জুনিয়র, জুনিয়র, লেডি এবং রেগুলার গলফারসহ মোট ১০০ জন গলফার অংশ গ্রহন করেন।
শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের এরিয়া কমান্ডার ও ঘাটাইল শহীদ সালাহ উদ্দিন সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল সাজ্জাদুল হক।

শুক্রবার, মার্চ ০৩, ২০১৭

ঘাটাইলে ৪দিন ধরে অটোরিক্সাসহ চালক নিখোঁজ

ঘাটাইলে অটোরিক্সাসহ এক চালক ৪দিন যাবৎ নিখোঁজ রয়েছে। সে ঘাটাইল উপজেলার বীর ঘাটাইল গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আবু তাহের(৪০)। সে গত ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি অটোরিক্সাসহ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। এ ব্যাপারে থানায় সাধারন ডায়েরি করেছে তার পরিবার।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকালে সে প্রতিদিনের ন্যায় সকাল ৯ টায় বাড়ি থেকে বের হয়। তার প্রতিবেশীরা এই দিন দুপুর পর্যন্ত ঘাটাইল পৌর এলাকায় তাকে অটোরিক্সা চালাতে দেখে। এর পর থেকেই তার আর কোন খোঁজ মিলছে না। দুপুরের পর তাহেরের ফুপাতো ভাই তাহেরের নম্বরে ফোন করলে তার ফোনটি অন্য লোক রিসিভ করে জানান তাহের অসুস্থ থাকায় তাকে এলেঙ্গা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এরপর থেকে মোবাইল নম্বরটি বন্ধ রয়েছে। 

হারিয়ে যাচ্ছে পলাশ গাছ

এক সময়ের সকলের চির চেনা ও পরিচিত পলাশ গাছ ও পলাশ ফুল এখন অত্বিত্ব সংকটে। শুধু ঘাটাইল নয় দেশের কোথাও এখন পলাশ গাছ খোঁজে পাওয়া দুস্কর। কিন্তু এক সময়ে বন জঙ্গলের দিকে তাকালেই দেখা মিলত চির পরিচিত পলাশ ফুলের। তাই পলাশকে বলা হত বনের অগ্নিশিখা। নতুন করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ না নেয়ায় পুরনো গাছ সংরক্ষণ ও পরিচর্যা না করায় এ গাছটি এখন বিলুপ্তির পথে।
আমার এক বন্ধুকে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে ঘাটাইল পৌর এলাকার সিতেশ চন্দ্র চক্রবর্তীর বাড়ির চারপাশে দেখা মেলল ছোট বড় ২২ টি পলাশ গাছের। ৮/১০টি গাছ বড় অন্যগুল ছোট আকারের। জানা যায়, পলাশ বসন্তের প্রতীক। রঙভরা বসন্তে পলাশের বিশাল দখলদারিত্ব। পলাশ ফুটলেই বোঝা যায় ফাগুন এসেছে। টিয়া পাখির ঠোঁটের সঙ্গে পলাশ ফুলের দারুণ মিল। সে জন্যই বুঝি পলাশ গাছে টিয়ার মেলা। আর একই কারণে পলাশের প্রচলিত ইংরেজি নাম প্যারোট ট্রি। আবার পলাশ দেখতে অনেকটা বক ফুলের মতো। সবকিছু মিলিয়ে পলাশ ফুল অসাধারণ। কিন্তু ফুলে গন্ধ নেই!
পলাশ মাঝারি আকারের পর্ণমোচী বৃক্ষ। শীতে গাছের পাতা ঝরে যায়। বসন্তে গাছ ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। পলাশ ফুলের রং আগুন লাল। আবার হলুদ ও লালচে কমলা রংঙ্গের পলাশ ফুলও আমরা দেখে থাকি। পলাশ গাছের বাকল ধূসর। শাখা-প্রশাখা আঁকাবাঁকা। 
নতুন পাতা রেশমের মতো সূক্ষ্ম। গাঢ় সবুজ পাতা ত্রিপত্রী। হিন্দু স¤প্রদায়ের অনেকের মত পলাশের গাঢ় সবুজ ত্রিপত্রী হিন্দু দেবতা ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের প্রতীক। বৌদ্ধ স¤প্রদায়ের কেউ কেউ মনে করেন পলাশ গাছের নিচে ভগবান গৌতম বুদ্ধের জন্ম হয়েছিল। সংস্কৃতিতে পলাশ হচ্ছে কিংসুক। 
বাংলা ও হিন্দি নাম পলাশ। মণিপুরি ভাষায় পলাশ হচ্ছে পাঙ গোঙ। আদি নিবাস ভারত উপমহাদেশ। নতুন করে গাছ লাগিয়ে এ গাছের প্রজাতি রক্ষা এবং বন জঙ্গলসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটে থাকা গাছ গুলি সংরক্ষণের দাবী পরিবেশবাদীদের।
 

ঘাটাইলে কবি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‘কবিতা হোক সমাজ বদলের হাতিয়ার’-শ্লোগান নিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটিকড়ীস্থ লোকের পাড়া ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে শুক্রবার দিনব্যাপি এক কবি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
কবি আবুল কাশেম সরকার আয়োজিত কবি সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মির্জা মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন কবি আবদুল হালীম খাঁ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সাহিত্যিক নাজির হোসেন,কমরেড ওয়াহেদুজ্জামান মতি,অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক,অধ্যাপক বাদল মাহমুদ,ছড়াকার শাজু রহমান ও গোলাম রব্বানী রতন।সম্মেলনে উপস্থিত কবিগণ সমাজ থেকে ঘুষ,দূর্ণীতি ও অনাচার বন্ধ করে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার আহবান জানান এবং স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন।
এতে টাঙ্গাইলের ৬০ জন কবি-সাহিত্যিক অংশ গ্রহন করেন।কবি সম্মেলনটি পরিচালনা করেন ছড়াকার,কবি ও লোক সাহিত্য সংগ্রাহক মামুন তরফদার। সূত্র: কারক নিউ ডটকম।

নেংড়া বাজার টু ছনখোলা রাস্তার ব্রিজটি যেন মরন ফাঁদ

এম এস এস সৌরভ, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার নেংড়া বাজার থেকে ছনখোলা পাকা রাস্তাটির গৌরীস্বর নামক স্থানের ছোট ব্রিজটি যেন মানুষের মরন ফাঁদ ৷ উপজেলা সদর  থেকে ছনখোলা যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এই রাস্তাটি ৷ রাস্তাটি প্রশস্ত কম হওয়ায় সাধারনত সিএনজি,অটোরিক্সা,মাহিন্দ্রা চলাচল করে থাকে ৷ তবে  রাস্তাটির প্রশস্ত কম হওয়ায় যানবাহন চলাচল খুবই কষ্ট সাধ্য ৷ তারমধ্যে ব্রিজটির অর্ধেকাংশ ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে যানবাহন চলাচল রয়েছে চরম ঝুকির মধ্যে ৷
এলাকাবাসী ও গাড়ীচালকরা জানায় রাস্তাটির প্রশস্ত কম এবং ব্রিজটির অর্ধেকাংশ ভেঙ্গে পড়ার ফলে গাড়ী চলাচল ঝুকির মুখে রয়েছে ৷ যেকোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা ৷ এবং ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় সন্ধ্যার পর গাড়ী চলাচল বন্ধ থাকে যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারন যাত্রীদের ৷
এলাকাবাসী জানায় , বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন ব্রিজটি দ্রুত নতুন সংস্কারের মাধ্যমে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয় ৷ এবং এই মরন ফাঁদ থেকে সাধারন জনগন কে মুক্ত করা হয় ৷ একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না ৷ তারজন্য ব্রিজটি সংস্কারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হচ্ছে ৷প্রশাসন যেন দ্রুত কার্যকরী প্রদক্ষেপ গ্রহন করেন ৷

বৃহস্পতিবার, মার্চ ০২, ২০১৭

ঘাটাইলে শিমুলে লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া

খাদেমুল মামুনঃ 
ঝড়া পাতার রিক্ত শাখায় দেখা মেলেছে নয়া পল্লবের উল্লাস। সবুজ পাতার আড়াল থেকে ভেসে আসছে কোকিলের কুহু কুহু মিষ্টি সুর। অম্রমুকুলের ম-ম গন্ধে দিশে হারা প্রাণ। রিক্ত শীতের শেষে প্রকৃতি সেজেছে এক নতুন সাজে। তবে কি প্রকৃতির গায়ে লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া? লেগেছে কি আগুন শিমুলের শাখে? হ্যা। বাংলার প্রকৃতিতে লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া। বসন্ত আমাদের রূপসী বাংলার ষড় ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন আর চৈত্র এই দু’মাস বসন্তকাল হলেও মূলত বসন্তের পূর্ণ যৌবন পরিধি কিছুটা কম। তবে যে কয়েকদিন বসন্ত তার পূর্ণ যৌবনের ধূতি ছড়ায় প্রকৃতিতে, তাতেই প্রকৃতি ফিরে পায় প্রাণের সঞ্চারণ। বসন্তের আহবানে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বাংলার প্রকৃতি। অম্রমুকুলে ছেয়ে গেছে চারপাশ। সাথে সাথে ভ্রমরের গুঞ্জনে মুখরিত হয়েছে কুঞ্জবন। শিমুল পলাশ আর কৃষ্ণচুড়ার বহ্নি শিখায় দিশেহারা বাংলার রূপ। সবুজ পাতার আড়ালে মিষ্টি সুরে ডাকদেয় বসন্তের কোকিল, যার সুরের মুর্ছনায় দিশেহারা প্রাণ। বসন্তের ছোঁয়ায় মাতুয়ারা কবি। তাইতো সুফিয়া কামাল লিখেছেন, “হে কবি নিরব কেন? ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে নাকি তব বন্দনায়?” প্রাচীন কাল থেকেই কবিরা তাদের বসন্ত বন্দনায় বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে আসছেন। রবিন্দ্রনাথের মতো বসন্তকে নিয়ে মেতেছিলেন নজরুল, ফররুখ, জসিম উদ্দীন, সুফিয়া কামাল সুকান্ত ভটাচার্য, আল মাহ্মুদ সহ অসংখ্য বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক। বসন্ত শুধু প্রকৃতির জন্যই গুরুত্ববহন করেনা বরং এর গুরুত্ব মানব জীবনেও উল্লেখ যোগ্য। বিশেষ করে বাঙালী জীবনে বসন্ত খুবই তাৎপর্যময়। কারণ এই ফাল্গুন মাসেই বাঙালী স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিল। বসন্ত যেন আমাদের এই-ই শিক্ষাদেয়। শিক্ষাদেয় প্রকৃতির সাথে ভালো আচরণ করতেও। বসন্ত যেমন করে প্রকৃতিতে নিয়ে আসে নব জীবনের উচ্ছ্বাস, তেমন করে বাঙালী জীবনে নিয়ে আসে আধিপত্যবাদী মোকাবেলার দূর্বার শক্তি। প্রকৃতির এই রূপমাধুর্য বিলিয়ে দেবার পরও যদি আমরা প্রকৃতির প্রতি মমত্ববোধ না দেখিয়ে নিষ্ঠুর হয়ে যাই, তাহলে প্রকৃতিও একদিন তার রূপ মাধুর্য গুটিয়ে নিবে।

ঘাটাইলে শিমুলে লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া

খাদেমুল মামুনঃ 
ঝড়া পাতার রিক্ত শাখায় দেখা মেলেছে নয়া পল্লবের উল্লাস। সবুজ পাতার আড়াল থেকে ভেসে আসছে কোকিলের কুহু কুহু মিষ্টি সুর। অম্রমুকুলের ম-ম গন্ধে দিশে হারা প্রাণ। রিক্ত শীতের শেষে প্রকৃতি সেজেছে এক নতুন সাজে। তবে কি প্রকৃতির গায়ে লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া? লেগেছে কি আগুন শিমুলের শাখে? হ্যা। বাংলার প্রকৃতিতে লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া। বসন্ত আমাদের রূপসী বাংলার ষড় ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন আর চৈত্র এই দু’মাস বসন্তকাল হলেও মূলত বসন্তের পূর্ণ যৌবন পরিধি কিছুটা কম। তবে যে কয়েকদিন বসন্ত তার পূর্ণ যৌবনের ধূতি ছড়ায় প্রকৃতিতে, তাতেই প্রকৃতি ফিরে পায় প্রাণের সঞ্চারণ। বসন্তের আহবানে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বাংলার প্রকৃতি। অম্রমুকুলে ছেয়ে গেছে চারপাশ। সাথে সাথে ভ্রমরের গুঞ্জনে মুখরিত হয়েছে কুঞ্জবন। শিমুল পলাশ আর কৃষ্ণচুড়ার বহ্নি শিখায় দিশেহারা বাংলার রূপ। সবুজ পাতার আড়ালে মিষ্টি সুরে ডাকদেয় বসন্তের কোকিল, যার সুরের মুর্ছনায় দিশেহারা প্রাণ। বসন্তের ছোঁয়ায় মাতুয়ারা কবি। তাইতো সুফিয়া কামাল লিখেছেন, “হে কবি নিরব কেন? ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে নাকি তব বন্দনায়?” প্রাচীন কাল থেকেই কবিরা তাদের বসন্ত বন্দনায় বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে আসছেন। রবিন্দ্রনাথের মতো বসন্তকে নিয়ে মেতেছিলেন নজরুল, ফররুখ, জসিম উদ্দীন, সুফিয়া কামাল সুকান্ত ভটাচার্য, আল মাহ্মুদ সহ অসংখ্য বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক। বসন্ত শুধু প্রকৃতির জন্যই গুরুত্ববহন করেনা বরং এর গুরুত্ব মানব জীবনেও উল্লেখ যোগ্য। বিশেষ করে বাঙালী জীবনে বসন্ত খুবই তাৎপর্যময়। কারণ এই ফাল্গুন মাসেই বাঙালী স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিল। বসন্ত যেন আমাদের এই-ই শিক্ষাদেয়। শিক্ষাদেয় প্রকৃতির সাথে ভালো আচরণ করতেও। বসন্ত যেমন করে প্রকৃতিতে নিয়ে আসে নব জীবনের উচ্ছ্বাস, তেমন করে বাঙালী জীবনে নিয়ে আসে আধিপত্যবাদী মোকাবেলার দূর্বার শক্তি। প্রকৃতির এই রূপমাধুর্য বিলিয়ে দেবার পরও যদি আমরা প্রকৃতির প্রতি মমত্ববোধ না দেখিয়ে নিষ্ঠুর হয়ে যাই, তাহলে প্রকৃতিও একদিন তার রূপ মাধুর্য গুটিয়ে নিবে।

বুধবার, মার্চ ০১, ২০১৭

ঘাটাইলে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট অব্যাহত

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরসহ ৫ জন নিহতের মামলায় বাসচালক জামির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের  ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে পরিবহন ধর্মঘট চলছে।
শ্রমিকদের ডাকা এই ধর্মঘটে বুধবার হামিদপুর থেকে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ পথে বাস ও ট্রাকসহ কোনোপ্রকার যানবাহন ছেড়ে যায়নি। সেই সঙ্গে উপজেলার বাস স্ট্যান্ডসহ শহরের মোড়ে মোড়ে অবরোধ সৃষ্টি করে যানবাহন চলাচল প্রতিরোধ করছে পরিবহন শ্রমিকরা। হামিদপুর ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাকির হোসেন খান (রতন) জানান, বুধবার মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের চালক জামির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন। এর প্রতিবাদে সংগঠনের ডাকে বুধবার সকাল থেকে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও এ ধর্মঘট চলবে।
উল্লেখ্য,২০১১ সালের ১৩ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের বেপরোয়া গতির বাস ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা এলাকায় চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও সাংবাদিক মিশুক মুনীরকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন প্রাণ হারান। গতকাল এ মামলায় বাসচালকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল-মাহমুদ ফায়জুল কবীর।

ঘাটাইলে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট অব্যাহত

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরসহ ৫ জন নিহতের মামলায় বাসচালক জামির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের  ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে পরিবহন ধর্মঘট চলছে।
শ্রমিকদের ডাকা এই ধর্মঘটে বুধবার হামিদপুর থেকে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ পথে বাস ও ট্রাকসহ কোনোপ্রকার যানবাহন ছেড়ে যায়নি। সেই সঙ্গে উপজেলার বাস স্ট্যান্ডসহ শহরের মোড়ে মোড়ে অবরোধ সৃষ্টি করে যানবাহন চলাচল প্রতিরোধ করছে পরিবহন শ্রমিকরা। হামিদপুর ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাকির হোসেন খান (রতন) জানান, বুধবার মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের চালক জামির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন। এর প্রতিবাদে সংগঠনের ডাকে বুধবার সকাল থেকে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও এ ধর্মঘট চলবে।
উল্লেখ্য,২০১১ সালের ১৩ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের বেপরোয়া গতির বাস ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা এলাকায় চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও সাংবাদিক মিশুক মুনীরকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন প্রাণ হারান। গতকাল এ মামলায় বাসচালকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল-মাহমুদ ফায়জুল কবীর।

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৭

ঘাটাইলে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সম্পন্ন

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ২০১৭ উপলক্ষ্যে প্রাণি সম্পদ সপ্তাহের শেষ দিনে “নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের প্রতিশ্রুতি সুস্থ সবল মেধাবী জাতি’’ এ শ্লোগান নিয়ে সোমবার সকালে উপজেলার করিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং (ডিম খাওয়ানো) কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আয়োজনে উপজেলা প্রাণি সম্পাদ অফিসার ডা. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে, ভেটেরিনারী সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ নাজিমুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান, ২নং ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হায়দর আলী, ইন্সট্রাকটর (ইউ.আর.সি) মশিউর রহমান খান, এটিও মঞ্জুরুল ইসলাম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ হুমায়ুন কবির, অর্চনা পাল প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীকে ডিম খাওয়ানো হয়।