বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৬

ঘাটাইল সেনানিবাসে ওয়াল্টন বিজয় দিবস কাপ গল্ফ টুর্নামেন্ট শুরু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে ২য় ওয়াল্টন বিজয় দিবস কাপ গল্ফ টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ডিসেম্বর) বিকেলে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩০৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আনিসুর রহমান। এসময টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষক ওয়াল্টনের চেয়ারম্যান এস এম নুরুল আলম রেজভী, ক্রীড়া ও সমাজকল্যান বিভাগের পরিচালক এস এম আনোয়ার কবির ডনসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ঘাটাইল ছাড়াও যমুনা, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন গল্ফ ক্লাবের সাব জুনিয়ার, জুনিয়ার লেডি এবং নিয়মিত একশ জনের অধিক গল্ফার প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।

ভিপি সাইদের উপর হামলাকারীদের বিচারের দাবীতে ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজ শিক্ষকদের মানববন্ধন

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ 
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জিবিজি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি আবু সাঈদ রুবেলের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জিবিজি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীদের উদ্যোগে কলেজ মাঠে মানবন্ধন  অনুষ্ঠিহ হয়।
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জিবিজি কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম মণি, উপধক্ষ্য মতিয়ার রহমান, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের খান, বেলী খালিদ, এজিএস রঞ্জু আহমেদ প্রমুখ।   
উল্লেখ্য যে, গত ১০ নভেম্বর ভিপি আবু সাইদ রুবেল কে  ঘাটাইল কলেজ মাঠে  ইসলামী মাহফিল শুনে বাড়ি ফেরার সময় একদল সন্ত্রাসী তাকে কুপিয়ে গুরত্বর 
আহত করে। এখন পর্যন্ত সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

বুধবার, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৬

ঘাটাইলে জি.বি.জি কলেজ ছাত্র সংসদের মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ ঘাটাইলে জিবিজি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি আবু সাঈদ রুবেলের উপর হামলাকারীদের
গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে টাঙ্গাইল- ময়মনসিংহ মহাসড়কে জি.বি.জি কলেজ ছাত্র সংসদের উদ্যোগে  মানবন্ধন  অনুষ্ঠিহ হয় ।  ছাত্র সংসদের এজিএস রণজু আহম্মেদের নেতৃত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান , উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম , যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ,ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হক প্রমুখ । বক্তারা অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে সঠিক দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবী জানান। এদিকে হামলাকারীদের বিচারের দাবী জানিয়ে ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজ অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে কলেজ শাখুা ছাত্র সংসদের নেতাকর্মীরা ।   
উল্লেখ্য যে, গত ১০ নভেম্বর ভিপি আবু সাইদ রুবেল কে  ঘাটাইল কলেজ মাঠে  ইসলামী মাহফিল শুনে বাড়ি ফেরার সময় একদল সন্ত্রাসী তাকে কুপিয়ে গুরত্বর 
আহত করে। এখন পর্যন্ত সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

সাংবাদিক নৃপেণ বিশ্বাসের মৃত্যু বাষির্কী পালন

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
গত ৭ডিসেম্বর বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাট্যকার নৃপেণ বিশ্বাসের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নৃপেণ বিশ্বাস স্মৃতি সংসদ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করেছে। এ উপলক্ষে ভূঞাপুর প্রেসক্লাবে তাঁর জীবন ও কর্মের উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মৃতি সংসদের উপদেষ্টা ও ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আসাদুল ইসলাম বাবুল এর সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশ নেন বিশিষ্ট ছড়াকার অধ্যাপক শাজু রহমান। অন্যান্যের মধ্যে ভূঞাপুর রির্পোর্টারস ইউনিটির সভাপতি শাহ আলম প্রামানিক, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন খান, সাংবাদিক ও নাট্যকার সোহেল পারভেজ, স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল, ভূঞাপুর রির্পোর্টারস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শাহীন, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম কিসলু, তরুন মানবাধিকার কর্মী ওয়াসিম আকন্দ প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন। ভূঞাপুর রির্পোর্টারস ইউনিটির সৌজন্যে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় ইন্ডিপেনডেন্ড টিভি’র টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি ও মানবাধিকার কর্মী এহসানুল হক শাহীনের অকাল মৃত্যু ও দৈনিক ইক্তেফাকের টাঙ্গাইলের গোপালপুর সংবাদদাতা, গোপালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনের পিতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো: হাতেম আলীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এদিকে নৃপেণ বিশ্বাসের পরিবারের পক্ষ থেকে ঘাটাইল উপজেলার নন্দনগাতীতে বিশেষ প্রার্থনা, প্রসাদ বিতরণ, কৃর্তানুষ্ঠানের আয়োজন করে। 

ঘাটাইলে জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ  ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগে আলোর পথে, আরো এগিয়ে’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড এ আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পালিত হয়েছে জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ ২০১৬। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ডসহ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ শেষে আবার অফিস কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
এ সময় র‌্যালীতে অংশ নেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন, পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান, উপজেলা ভূমি অফিসার প্রভাশু সোম মহান, ঘাটাইল বিদ্যুত অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ) সুরেশ চন্দ্র পাল, উপ-সহকারী মোঃ মিলন আকন, সহকরী প্রকৌশলী আল আরাফাত ভূইয়া প্রমুখ । 

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৬

ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের ইতিকথা

চির পুরাতন সূর্যটা প্রতিদিনি চির নতুন হয়ে জন্ম নেয় পৃথিবীতে। ঘোষনা করে প্রতিদিন চির নতুন সংবাদ। পৃথিবীর প্রতি তার অমোঘ ভালবাসার কারণেই আবার ফিরে আসতে হয় তাকে। মানুষও এর ব্যাতিক্রম নহে। মানুষের ভালোবাসা হচ্ছে অনাদি-অনন্ত হৃদয় থেকে হৃদয়ের খবর জানার অশান্ত মানবমন চির ব্যাকুল। আর এই ব্যাকুলতা থেকেই সৃষ্টি হয় এক নতুন অধ্যায়ের।
কোন সৃষ্টিই দিন-ক্ষণ মাস মেনে চলে না, চলতে পারে না। আজ যে শিশুটির জন্ম হলো, সৃষ্টি রহস্যের সন্ধানে আরও দশ মাস এগিয়ে যেতে হবে। তারপরও সঠিক জবাব সুকঠিন। আর হ্যাঁ ঘাটাইল প্রেস ক্লাব সর্ম্পকেও এ কথাটি ব্যাতিক্রম নহে, কেননা জন্মের আগেরও একটি ঐতিহাসিক পটভূমি থাকে এবং থাকবে। অনুরুপ প্রেক্ষাপটে আজকের ঘাটাইল প্রেস ক্লাব জন্মের পটভূমিতে যতদূর আচঁ করা যায় তা হচ্ছে- ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের চিন্তা চেতনার উন্মোস ঘটে ঊনিশ’শ আশি শতকের দিকে খুব কম সংখ্যক সাংবাদিক থাকলেও সাহিত্যিক, কবি ও বুদ্ধিজীবির খুব একটা অভাব ছিল না। মূলত ঃ অভাব ছিল সংগঠকের এবং সংগঠনের। ষাটের দশকের “জাগরণী সাহিত্য চক্র” নামে একটি সাহিত্য সংগঠন ছিল। অনেক পরে ‘বংশাই’ তারও পরে ‘অরুপ সাহিত্য গোষ্ঠী’ নামে সংগঠনের জন্ম হয়্ কিন্তু প্রেস ক্লাব সম্পর্কে ভাববার অবকাম তখনও সৃষ্টি হয়নি। আশির দশকে সর্বপ্রথম মুহাম্মদ মতিয়ূর রহমান ঘাটাইলে একটি প্রেস স্থাপন করেন। প্রেস এবং প্রেস ক্লাব গভীর সম্পর্ক যুক্ত শব্দ দু’টি এক সময় একাত্মতা ঘোষনা করেন। এই প্রেস ঘরে বসেই সর্বপ্রথম ঘাটাইলের উঠতি সাংবাদিকগণ বসার এবং কিছু বলার সুযোগ লাভ করে। এই সময় মতিয়ূর রহমান, জিন্না-বিন জয়েন উদ্দিন, এম এ লতিফ, সাংবাদিক হায়দার রহমান, নৃপেন বিশ্বাস, রঞ্জন কুমার সাথী, সংগঠক আশরাফুল ইসলাম মুকুল। এরা প্রথমত ঃ সাহিত্য, কবিতা ও সাংবাদিকতা নিয়ে বৈঠকী আলোচনার সূত্রপাত করে। এই সময় মূলত ঃ ঘাটাইলের সাংবাদিকদের মনে একটি প্রেস ক্লাব জন্ম দেবার তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করে এবং উন্নয়নশীল ঘাটাইলে বহুমুখী প্রতিযোগিতা মূলক ঃ উন্নয়নের প্রতি লক্ষ্য করে এর একটা দারুন অভাব অনুভূত হয়।
১৯৮৪ সালে এদেশের বরণীয় মজলুম জননেতা মাও আঃ হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যু দিবসে তার স্মরণ সভায় (লিলি প্রেসের সামনে) অধ্যাপক সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনা শেষে প্রথম ঘাটাইলে প্রেস ক্লাবের কাঠামো গত প্রক্রিয়া সূচীত হয়।
       এর আগে ঘাটাইলে এমন চিন্তার প্রকাশ ঘটেনি। যদিও ঐতিহাসিক এবং গুপ্তবৃন্দাবন, দক্ষিণে ফটিকজানী, উত্তরে মধুবনের বংশাই দ্বারা এ ভূÑখন্ড। বহু লেখক, কবি, সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবির এ অঞ্চল। কথা সাহিত্যিক ইব্রাহীমা খাঁ, কবি মোফাখখারুল ইসলাম, সনেটর রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, ভাষা সৈনিক শামছুল আলম এবং তৎকালীন ‘দি ডেইলী মর্নিং নিউজ’ পত্রিকার একজন সাংবাদিকও এখানে ছিলেন। অথচ জানা মতে বা ইতিহাসের গোড়ার কোন অংশে প্রেস ক্লাবের উদ্ভাবনের নজির পাওয়া যায় নি। 
অতঃপর একদিন বদনাম আর রইল না। দীর্ঘ প্রতিক্ষিত প্রহর কেটে গেল। ১৯৮৫ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘাটাইলে প্রেস ক্লাবের পত্তন নামা প্রস্তুত যল। যারা এতদিন প্রয়োজন অনুভব করে আসতে ছিলেন তারা হলেন, জনাব হায়দার রহমান, শ্রী নৃপেন বিশ্বাস, শ্রী রঞ্জন কুমার সাথী, এম এ লতিফ, রফিকুল ইসলাম ও আতা খন্দকার।অধ্যাপক মুতিয়ূর রহমান খান, এডভোকেট মাহবুবুল বাচিত চাঁন মিয়া প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ নিয়ে এগিয়ে আসেন।
সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন( দৈনিক ইত্তেফাক)সাধারণ সম্পাদক হায়দার রহমান সমন্বয়ে ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের প্রথম কমিটি গঠিত হয়।এই সময় একটি সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হায়দার রহমানকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাহা সর্ম্পূনতা লাভ করেনি।১৯৮৭ সালে সভাপতি হায়দার রহমান সম্পাদক নৃপেন বিশ্বাস।১৯৮৮ সালে সভাপতি এস আকবর খান সম্পাদক সেলিম জাহাঙ্গীর।এই ক্লাবের সর্বশেষ কমিটি গঠিত হয় ১৯৯০ সালে। সভাপতি নৃপেন বিশ্বাস সম্পাদক আতা খন্দকার। এই সময় থেকেই ঘাটাইল প্রেস ক্লাব ভাটার টানে ধীরে বহে মেঘনা এই গতিতে এগিয়ে চললেও এক সময় থেমে যায় এর গতি। তবে যতক্ষণ এ ধারা প্রবাহমান ছিল ততক্ষণ এর গর্জন সিংহের মতই ছিল। এই সময় ‘দেশ কাল সাংবাদিকতা শীর্ষক’ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বহু খ্যাতনাম সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলোচক ছিলেন। প্রধান অতিথি ছিলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জনাব সফি উদ্দিন আহম্মেদ। দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে অগ্রসর পৃথিবীর এক কোনে এসে যায় এর প্রজ্জ¦লিত আলোর মশাল। 
প্রায় চার-পাঁচ বছর পর অর্থাৎ ১৯৯৪ সালের দিকে নতুন প্রজন্মের তৎকালের বেশ কয়েক জন উঠতি সাংবাদিক এস আকবর খান, শেখ জয়েন উদ্দিন, সাইয়্যিফ মোহাম্মাদ হামিদুল্লাহ, নজরুল ইসলাম, নূরুজ্জামান মিঞা, খন্দকার শাহীন কাদির ও ফজলুর রহমান এদের দ্বারা ধীরে ধীরে নব উদ্যোমে জ্বলে উঠতে শুরু করে। কিছুদিন পরে মাঝ পথে থেমে যায় এর গতি। 
অবশেষে ২০০২ সালে এসে ঘাটাইলের একঝাক টগবগে তরুণ সাংবাদিক বুকে-মুখে অসীম সাহসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসে। সংকল্প একটাই-“ঘাটাইল প্রেস ক্লাব চাই”।যারা মরণপণ বদ্ধপরিকর হলেন তাদের মধ্যে সাংবাদিক সাইয়্যিফ মোহাম্মদ হামিদুল্লাহ (দিনকাল), নজরুল ইসলাম (মানবজমিন), নূরুজ্জামান মিঞা (ইত্তেফাক), স্বাধীন আজম (প্রবাসী), আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (নয়াদিগন্ত), সাজ্জাদুর রহমান (পূর্বাকাশ), শফিকুল ইসলাম ( দেশ জনতা), নাসির উদ্দিন (একুশের বানী), সফিকুর রহমান (বাংলার জমিন)। এরা বুক ভরা সাহস নিয়ে নব উদ্যোমে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়ে এক সাধারণ সভার মাধ্যমে ঘাটাইলের সুধীজনের সাহায্য প্রার্থী হন। তাদের আহবানে সারা দিয়ে যারা এগিয়ে আসেন তারা হলেন, অধ্যাপক এস. এম মজিবুর রহমান, অধ্যাপক এস. এম খলিলুর রহমান, অধ্যাপক মতিয়ূর রহমান খান।
এ পর্যায়ে সাংগঠনিক প্রক্রিয়া নিয়ে এগিয়ে আসেন মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ জিল্লুর রহমান জুলহাস, প্রবীণ সাহিত্যিক জনাব মুজাফ্ফর আলী তালুকদার, আমিনুল ইসলাম। এদের সকলের সম্মিলিত পচেষ্টায় নিরন্তর স্বাক্ষী বর্তমান ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের বাস্তবতা।
সাংবাদিক এবং সূধীজনের সমন্বয়ে সভায় ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের অতীত পটভূমি পর্যালোচনা শেষে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং একই সাথে সুধীজনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের নিমিত্তে একটি আহবায়ক কমিটি ও সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠিত হয়। কোন ক্রমেই যাতে অতীত ব্যর্থতার জের পুনরাভিত্তি না ঘটে তার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সংবিধান প্রনয়নে মোঃ কামাল হোসেন, অধ্যাপক এস. এম মজিবুর রহমান, অধ্যাপক মতিয়ুর রহমান, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, জিল্লুর রহমান জুলহাস, নজরুল ইসলাম, মোঃ নূরুজ্জামান মিঞা, বিশেষ আবেদন রাখেন। 


সংগৃহীত- ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের সংবিধান হতে।


রবিবার, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৬

ঘাটাইলে ইউএনও’র বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ

প্রশাসন সহ বিভিন্ন মহল, সিনিয়র সাংবাদিকদের অনুরোধের জন্য এই লিংকের নিউজটি এখান থেকে সড়িয়ে নেয়া হয়েছে। পত্রিকা প্রকাশে যাতে কোন বাধা না আসে তাই কাজটা করা হয়েছে। সদা সত্য, আপডেট সহ আজ সকালে ঢাকা টাইমস এ প্রকাশিত নিউজটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন.........

ঘাটাইল আওয়ামীলীগের সম্মেলন স্থগিত



মো ঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ 

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন কেন্দ্রের নির্দেশে শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। প্রায় ১৪ বছর পর রোববার (০৪ ডিসেম্বর) এই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় কয়েকজন নেতা আমাদের ঘাটাইল ডটকম কে বলছেন, সাংসদ আমানুর রহমান খান কারাগারে থাকায় ষড়যন্ত্র করে সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। আবার কেউ বলছেন, সম্মেলন স্থগিত করার কারণ জেলা পরিষদ নির্বাচন।উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন ২০০২ সালের ২৩ জুন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে আজমল হোসেনকে সভাপতি ও শহিদুল ইসলামকে (লেবু) সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ২০০৫ সালে জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি শামসুর রহমান খানের সঙ্গে উপজেলা কমিটির বিরোধ শুরু হয়। তখন উপজেলা কমিটি ভেঙে দিয়ে মোয়াজ্জেম হোসেন খানকে আহ্বায়ক করে কমিটি করা হয়। সেই কমিটি তিন বছরেও সম্মেলন করতে পারেনি। এ জন্য ২০০৮ সালে এ কমিটি ভেঙে শহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়। অন্যদিকে শামসুর রহমানের অনুসারীরা নজরুল ইসলাম খানকে (সামু) আহ্বায়ক করে পাল্টা কমিটি করেন। শহিদুলের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে স্থানীয় সাংসদ মতিউর রহমান এবং নজরুলের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে শামসুর রহমান সমর্থন করতেন। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে শামসুর রহমান মারা যান। একই বছর সাংসদ মতিউর রহমানও মারা যান। পরে শূন্য আসনের উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পান শহিদুল ইসলাম লেবু। দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে শামসুর রহমানের ভাতিজা জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আমানুর রহমান খান (রানা) বিদ্রোহী প্রার্থী হন। এ জন্য আমানুর ও তাঁর অনুসারীদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু আমানুর বিজয়ী হওয়ার পর তাঁদের আবার দলে নেওয়া হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় নাম এলে ২০১৪ সালে সাংসদ আমানুর আত্মগোপনে চলে যান। তখন উভয় পক্ষের সমন্বয়ে ২০১৪ সালে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। এ কমিটিতে আমানুরের সমর্থক নজরুল ইসলাম (সামু) কে আহ্বায়ক ও শহিদুল ইসলামকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। কিন্তু তাঁরাও সম্মেলন করতে পারেননি। গত ৭ সেপ্টেম্বর এ কমিটি ভেঙে শহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে ৪১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।শহিদুল ইসলাম লেবু আমাদের ঘাটাইল ডটকম কে বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের রোববার (আজ ০৪ ডিসেম্বর) সম্মেলন অনুষ্ঠানের সব পস্তুতি শেষ হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার রাতে হঠাৎ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সম্মেলন স্থগিত করতে বলেন।জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম আমাদের ঘাটাইল ডটকম কে বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে। তাই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে সম্মেলন হবে।

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০১, ২০১৬

ঘাটাইলে স্বপন ও ভূট্টোর জমজমাট মাদক ব্যবসার মেলা

আঃ রশিদ তালুকদার, সিনিয়র প্রতিবেদক ঃ ঘাটাইল উপজেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী সিংগুরিয়ার স্বপন ও পাঁচটিকড়ী গ্রামের ভূট্টোর জমজমাট মাদক ব্যবসার মেলা জমে উঠেছে। জানা গেছে, সিংগুরিয়া গ্রামের মুজাফফর খলিফার ছেলে মো: স্বপন (৪২) ও পাঁচটিকড়ী গ্রামের মো: মতিয়ার রহমানের ছেলে মো: ভূট্টো (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা, হিরোইন ও গাঁজাসহ বিভিন্ন নেশা দ্রব্য একটি প্রভাবশালী মহলের শক্তিতে বিক্রয় করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ধাপিত করছে। এলাকা সূত্রে জানা যায়, লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো: শরিফ হোসেনের চাচাতো ভাই মো: ভূট্টো ও আনেহলা ইউনিয়নের একজন সরকার দলীয় নেতার শক্তিতে মো: স্বপন তাদের সহযোগিদের নিয়ে অবাধে অবৈধ মাদক দ্রব্য ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতি ২৪ ঘন্টায় এ দুই ব্যবসায়ী অন্তত ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার মাদক দ্রব্য বিক্রি করছে। স্বপন ও ভূট্টো মাদকসহ একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছে। তারা গ্রেফতার হলেও জামিনে এসে পুনরায় মাদক দ্রব্য ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। স্বপন ও ভূট্টোকে ফোন করলে তাদেরকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। এদিকে লোকেরপাড়া ইউনিয়নের লোকেরপাড়া গ্রামের মাদক সম্রাট মিনহাজ উদ্দিন তালুকদার ও তার সহযোগি কয়েকজন ইতোপূর্বে স্থানীয় মাদক প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় গ্রেফতার হলেও এখনো লোকেরপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম ভূইয়ার ছেলে মো: স্বপন (২৮) জামিন প্রাপ্ত হইয়া আবারও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও একই গ্রামের আরো কয়েজন হিরোইন, ইয়াবা ও গাঁজা আড়ালে বিক্রি করছে। এলাকার গণ্যমান্য ও লোকেরপাড়া মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি এডভোকেট মো: বেলায়েত হোসেন খান কাপাশ প্রশাসনের আইনগত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

ঘাটাইলে স্বপন ও ভূট্টোর জমজমাট মাদক ব্যবসার মেলা

আঃ রশিদ তালুকদার, সিনিয়র প্রতিবেদক ঃ ঘাটাইল উপজেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী সিংগুরিয়ার স্বপন ও পাঁচটিকড়ী গ্রামের ভূট্টোর জমজমাট মাদক ব্যবসার মেলা জমে উঠেছে। জানা গেছে, সিংগুরিয়া গ্রামের মুজাফফর খলিফার ছেলে মো: স্বপন (৪২) ও পাঁচটিকড়ী গ্রামের মো: মতিয়ার রহমানের ছেলে মো: ভূট্টো (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা, হিরোইন ও গাঁজাসহ বিভিন্ন নেশা দ্রব্য একটি প্রভাবশালী মহলের শক্তিতে বিক্রয় করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ধাপিত করছে। এলাকা সূত্রে জানা যায়, লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো: শরিফ হোসেনের চাচাতো ভাই মো: ভূট্টো ও আনেহলা ইউনিয়নের একজন সরকার দলীয় নেতার শক্তিতে মো: স্বপন তাদের সহযোগিদের নিয়ে অবাধে অবৈধ মাদক দ্রব্য ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতি ২৪ ঘন্টায় এ দুই ব্যবসায়ী অন্তত ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার মাদক দ্রব্য বিক্রি করছে। স্বপন ও ভূট্টো মাদকসহ একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছে। তারা গ্রেফতার হলেও জামিনে এসে পুনরায় মাদক দ্রব্য ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। স্বপন ও ভূট্টোকে ফোন করলে তাদেরকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। এদিকে লোকেরপাড়া ইউনিয়নের লোকেরপাড়া গ্রামের মাদক সম্রাট মিনহাজ উদ্দিন তালুকদার ও তার সহযোগি কয়েকজন ইতোপূর্বে স্থানীয় মাদক প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় গ্রেফতার হলেও এখনো লোকেরপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম ভূইয়ার ছেলে মো: স্বপন (২৮) জামিন প্রাপ্ত হইয়া আবারও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও একই গ্রামের আরো কয়েজন হিরোইন, ইয়াবা ও গাঁজা আড়ালে বিক্রি করছে। এলাকার গণ্যমান্য ও লোকেরপাড়া মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি এডভোকেট মো: বেলায়েত হোসেন খান কাপাশ প্রশাসনের আইনগত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।