শনিবার, মে ০৪, ২০১৯

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে ৬১ পদে চাকরি

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা বিধি মোতাবেক শূন্যপদে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের থেকে অনলাইনে দরখাস্ত আহবান করেছে।

১) পদের নাম: মাঠ ও বাজার পরিদর্শক

পদ সংখ্যা: ৩৩টি

বেতন স্কেল: ১১,৩০০/-২৭,৩০০/ টাকা
২) পদের নাম: সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদ সংখ্যা: ৬টি

বেতন স্কেল: ১১,০০০/-২৬,৫৯০/ টাকা
৩) পদের নাম: হিসাবরক্ষক

পদ সংখ্যা: ৫টি

বেতন স্কেল: ১০,২০০/-২৪,৬৮০/ টাকা
৪) পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদ সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ১০,২০০/-২৪,৬৮০/ টাকা
৫) পদের নাম: ষ্টোরকিপার

পদ সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/ টাকা
৬) পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদ সংখ্যা: ৯টি

বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/ টাকা
৭) পদের নাম: ক্যাশিয়ার

পদ সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/ টাকা
৮) পদের নাম: গাড়ি চালক (ভারী)

পদ সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯,৭০০/-২৩,৪৯০/ টাকা
৯) পদের নাম: গাড়ি চালক (হালকা)

পদ সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/ টাকা
আগ্রহীরা http://dam.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন করা যাবে ৬/০৫/২০১৯ তারিখ সকাল ১০টা থেকে ২৩/০৫/২০১৯ তারিখ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরি

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নিম্নোক্ত শূন্য পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকের নিকট থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা যাচ্ছে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারেন।

পদের নাম:-

সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর।

পদসংখ্যা:-

সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে মোট সাতজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতা:-

যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম যেকোনো বিষয়ে স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারেন। প্রার্থীর কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং মাইক্রোসফট অফিসে দক্ষতা প্রয়োজন। ন্যূনতম ১৮ থেকে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

বেতন-ভাতা:-

সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটরের বেতন ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)।

আবেদন পদ্ধতি:-

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের ঠিকানা (http://mopme.teletalk.com.bd)। আবেদনের বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিতে।

আবেদনের শেষ তারিখ:-

অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ৩০ এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০টায় এবং শেষ সময় আগামী ২০ মে, ২০১৯ বিকেল ৫টা।

সূত্র : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

ঘাটাইলে কলেজ শিক্ষকদের মানববন্ধন

রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইল: বৃহস্পতিবার (২ মে) বিকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় কলেজ শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ভোগ ও কল্যান ট্রাষ্টের নামে ৬ শতাংশের স্থলে ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তনের (অতিরিক্ত ৪ শতাংশ) প্রতিবাদে এবং নন এম.পি.ও. ভুক্ত প্রতিষ্ঠান এম.পি.ও. ভুক্ত করণ ও মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করনের দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির উপজেলা শাখা আয়োজিত উপজেলা পরিষদের মুল ফটকের সামনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির ঘাটাইল উপজেলা শাখার সভাপতি জুলফিকার–ই- হায়দার, সাধারন সম্পাদক মোঃ জুলফিকার আলী লিটন, পাকুটিয়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক আবু বকর সিদ্দিক, ধলাপারা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সোহেল আকন্দ প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার, মে ০২, ২০১৯

ঘাটাইলে গরু ব্যবসায়ীর লাশ ‍উদ্ধার

মাসুম মিয়া, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বৃহস্পতিবার (২ মে) বাবুল মিয়া (৪৫) নামে এক গরু ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের সিদ্দিখালী গ্রামের আব্দুল মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গুচ্ছগ্রামে বাঁশ বাগানের পাশে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

পরিবার জানায়, বুধবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে সে রাতে বাড়ি না ফেরায় আমরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি অনেক খোঁজা-খুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে জানতে পারি কে বা কাহারা মেরে তার লাশ বাঁশ বাগানে ফেলে রেখেছে।

ঘাটাইল সাগরদিঘী তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের জন্য পাঠনো হবে। এ ব্যাপারে এখনো কোন মামলা হয়নি।

ঘাটাইলে মে দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ঘাটাইল উপজেলা শাখা আজ বুধবার সকালে কলেজ মোড় চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালী কলেজ মোড় চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করে আবার কলেজ মোড়ে ঘিরে শেষ হয়। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকাল থেকেই মঞ্চে বিভিন্ন শিল্পীদের শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে নানা সঙ্গীত পরিবেশনা কলেজ মোড় চত্বরকে মনোমুগ্ধকর করে তোলে।

এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.শহিদুল ইসলাম লেবু।

শ্রমিক নেতা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান, সাবেক মেয়র মো. হাসান আলী মিয়া, শ্রমিক নেতা ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ. খ. ম.রেজাউল করিম, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম রনি প্রমুখ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নয়ন উদ্দিন নয়ন।

র‌্যালী ও আলোচনা সভায় ঘাটাইল উপজেলার সকল শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও শ্রমিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গরমে হঠাৎ সর্দি-কাশি হলে করণীয়

প্রচণ্ড গরমে আবহাওয়ার আকস্মিক ও দ্রুত পরিবর্তন, ঘাম ও রোদের তাপ সব কিছু মিলিয়ে সকলের উঠছে নাভিশ্বাস। গরমের এই সময়ে সর্দি-কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। প্রথমে শুরু হচ্ছে নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, হাঁচি-কাশি, মাথাব্যথা অথবা হালকা জ্বর দিয়ে।

এছাড়া যাদের এলার্জি, হাঁপানি বা ফুসফুসে সমস্যা থাকে তাদের ক্ষেত্রে নানান জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণত এসব সর্দি কাশি ভাইরাস জনিত কারণে হয়ে থাকে। তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভাইরাসের দ্রুত বংশ বৃদ্ধি হয় এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাস হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে নাক-মুখ থেকে ছড়ায়।

আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে পাশাপাশি অবস্থানের কারণে কিংবা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র থেকেও সহজেই সংক্রামণ হতে পারে। তবে এই ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশি ভালো হয় ৭-১০ দিনের মধ্যেই। জ্বর কিংবা শারীরিক অবসন্নতার জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধ সেবন করা যেতে পারে।

চলুন দেখে নিই গরমে হঠাৎ সর্দি-কাশি হলে করণীয়গুলো কি কি –

আদার সাথে নুন বা তুলসী খাওয়া

একটি আদার টুকরোকে ছোট ছোট করে কেটে তার সাথে নুন মেশাতে হবে। তারপর ওই নুন মেশানো আদা মুখে নিয়ে কিছুক্ষন চিবোতে হবে। এই পদ্ধতিটি আমাদের সর্দি কাশি দূর করতে খুবই কার্যকরী। আবার আদা এবং তার সাথে তুলসী পাতা থেঁতো করে মধু মিশিয়ে আর একটি মিশ্রণ তৈরি করা যায়। এই মিশ্রনটি প্রচন্ড কার্যকরী সর্দি কাশি দূর করার জন্য। আদার সাথে তুলসী এবং মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি কাশি দূর হওয়ার সাথে সাথে আমাদের গলা ব্যাথ্যাও দূর হয় এবং আমরা গলায় আরাম অনুভব করি।

তুলসী পাতা:

জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা, ব্রঙ্কাইটিস, ম্যালেরিয়া এবং আরও অনেক রোগের উপশমকারী উপাদান হিসেবে তুলসী পাতার রস বেশ উপকারী। এতে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিবায়োটিক এবং আরও অনেক উপাদান রয়েছে। ৮ থেকে ১০টি তুলসী পাতা ভালো করে জলে ধুয়ে নিন। তারপর গরম জলে বেশ কিছুক্ষণ ধরে পাতাগুলো ফোটান। সেই ফোটানো জল এক কাপ করে রোজ খান।

গরম দুধের মধ্যে হলুদ মিশিয়ে খেলে

দুধকে গরম করে তার মধ্যে হলুদ মেশাতে হবে। এই হলুদ দেওয়া দুধ আমাদের সর্দি কাশি দূর করতে সাংঘাতিক ভাবে উপকার করে। এই মিশ্রণটি খেলে খুব তাড়াতাড়ি আমরা সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারি। কাশি দূর করতেও এই হলুদ সহ দুধ খাওয়া খুব উপকারী। গরম দুধ আমাদের গলায় আরাম এনে দেয় এবং হলুদ আমাদের সর্দি কাশি দূর করে।

দারুচিনি:

গলা ব্যথা, ঠাণ্ডা লাগা, কফ সারাতে দারুচিনি খুবই উপকারী। এতে অ্যান্টি ফাংগাল, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান রয়েছে। এক চামচ দারুচিনির গুঁড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তিন দিন দুই থেকে তিন বার খান।

স্টিম নিলেও সর্দি কাশি দূর হয়

আমাদের সর্দি সারানোর একটি চট জলদি উপায় হল স্টিম নেওয়া। স্টিম নেওয়ার জন্য একটি পাত্রে গরম জল নিতে হবে এবং তার মধ্যে চা গাছের তেল বা ট্রি অয়েল মেশাতে হবে। এরপর আমাদের মুখটি ওই গরম জলের উপর রেখে মাথার উপরে তোয়াল দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যে হিটপ্রুফ বাটি নেওয়া হয় যাতে গরম বাটি আমাদের ত্বকে না লাগে। খুব বেশি গরম লাগলে কিছুক্ষনের জন্য তোয়ালের থেকে বেরোনো যেতে পারে। এই পদ্ধতিটি দিনে ২-৩ বার ১৫-২০ মিনিট করলেই আমরা আমাদের সর্দি কাশি দূর করতে পারি খুব তাড়াতাড়ি।

গরম জলের সাথে মধুর এবং লেবুর রস মিশ্রিত সিরাপ

একটি পাত্রে গরম জল নিতে হবে। সেই গরম জলে ১ চামচ লেবুর রস এবং ২ চামচ মধু মেশাতে হবে। এই সিরাপটি বানিয়ে দিনে অন্তত একবার খেতে হবে। এর ফলে আমাদের ঠান্ডা লাগা কমে যায় এবং তার সাথে সর্দি কাশি, মাথা ব্যাথাও দূর হয়। এই মিশ্রণটি আমাদের হজম করার শক্তিও বাড়ায়। তাহলে ঠান্ডা লাগলে এই সিরাপটি খেয়ে একবার তার গুণের পরীক্ষা করে নেওয়া করা উচিত।

ধনে বীজ:

বিভিন্ন রান্নায় আমরা ধনে বীজ হামেশাই ব্যবহার করে থাকি। যে কোনও রান্নায় আলাদা স্বাদ যোগ করে এটি। শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ানোই নয়, ভাইরাল ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে এটি খুবই উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এটি সাহায্য করে।

রসুন:

এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা সর্দি-কাশি দূর করতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান রয়েছে, যা সংক্রমণ রুখতে পারে। চাইলে চার-পাঁচ কোয়া রসুন ঘিয়ে নেড়ে নিয়ে গরম থাকতে থাকতে খেয়ে নিন। ঘিয়ে ভাজা রসুন স্যুপের সঙ্গে মিশিয়ে খেলেও আরাম পাবেন।

উল্লেখিত সব কটি উপায়ই কিন্তু খুবই কার্যকরী। তা ছাড়াও আরো কয়েকটি উপায় আছে যা ঠান্ডা লাগলে তার চিকিৎসা জন্য করা যেতে পারে যেমন প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া, গরম চা, কফি বা দুধ খাওয়া, নাক পরিষ্কার করা ইত্যাদি। এই কয়েকটি পদ্ধতি মেনে চলার পরও বহু দিন ধরেও যদি সর্দি কাশি না কমে তাহলে আমাদের অবশ্যই উচিত ডাক্তার দেখানো।

সোমবার, এপ্রিল ২৯, ২০১৯

ঘাটাইলে উপজেলা চেয়ারম্যানদের বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মো.শহিদুল ইসলাম লেবু, ভাইস-চেয়ারম্যান কাজী আরজু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহীনা সুলতানা শিল্পীকে বরণ এবং সাবেক চেয়ারম্যান মো. আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম খান সামু, ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরিফ হোসেন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাণিজ ফাতেমাকে বিদায় সংববর্ধনা দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনে আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার ভুমি মোসা. নুরনাহার বেগম, ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান, ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাকসুদুল আলম প্রমূখ।

এ সময় নবাগত ও সাবেক উপজেলা চেয়াম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের নিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ, সংগ্রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, রসুলপুর ইউপি এমদাদ সরকার, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দর আলী, দিগড় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন, দেউলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য: টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইলের নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, মহিলা-ভাইস চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানগণের শপথ গ্রহন গত শনিবার ২৭ এপ্রিল সকাল ১০ টায় সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কে এম আলী আজম নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানগণকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

এর আগে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ রোববার ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিন পদে ১৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, ভোটাদের উপস্থিত ছিল ৩২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ঘাটাইলের ১১৭ কেন্দ্রের সব কয়টিতে প্রাপ্ত ফলাফলে নৌকা প্রতীকে সর্বোচ্চ ৬৪ হাজার ১০৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু। ৩৪ হাজার ৭৪ ভোট পেয়ে উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন কাজী আরজু এবং ৩৬ হাজার ৭৩১ ভোট পেয়ে নারী ভাইস চেয়ারম্যান (সংরক্ষিত) নির্বাচিত হন শাহিনা সুলতানা (শিল্পী)।

রবিবার, এপ্রিল ২৮, ২০১৯

নিপ্রশ্র ইউনিয়ন ঘাটাইল শাখার নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ

টাঙ্গাইল জেলা নির্মাণ প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়ন ঘাটাইল উপজেলা শাখার নব নির্বাচিত কার্যকরি পরিষদের শপথ গ্রহন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঘাটাইল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মিলনায়তনে ইউনিয়নের ঘাটাইল উপজেলা শাখার আহবায়ক মো. আব্দুল গফুর মিয়ার সভাপতিত্বে এ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা নির্মাণ প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আব্দুস সবুর খান বীরবিক্রম।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো.শহিদুল ইসলাম লেবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা নির্মাণ প্রকৌশল ইউনিয়নের সদস্য মো. বিপ্লব হোসেন খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও দাতা সদস্য মো. মাহমুদুল হাসান, সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ্ব দোলোয়ার হোসেন, ফেডারেশন সভাপতি আব্দুস সাত্তার, শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নয়ন উদ্দিন নয়ন, ঘাটাইল পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক মো. খলিলুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে শপথ বাক্য পাঠ করান অত্র শাখার প্রধান উপদেষ্ঠা, ভূমি দাতা ও প্রধান নির্বাচন কমিশিনার অধ্যাপক অধীর চন্দ্র সাহা।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নির্মাণ প্রকৌল শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্রী করুনা রায়।

২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সনের কার্যকরী পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মোঃ খলিলুর রহমান খোকা, কার্যকরী সভাপতি আবদুল রাজ্জাক খোকা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন ছেন্টু প্রমুখ।

শুক্রবার, এপ্রিল ২৬, ২০১৯

সখীপুরে তরুণীকে চারদিন আটকে রেখে গণধর্ষণ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক তরুণীকে (২১) অপহরণের পর চারদিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের বাজাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে ওই তরুণীর বাবা বাদী হয়ে মোকলেছ উদ্দিনসহ (৩৫) চারজনের নামে মামলাটি করেন। ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ধর্ষিতার পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের বাজাইল গ্রামের তালাকপ্রাপ্ত ওই তরুণী নিখোঁজ হন। তিনদিন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে তাকে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। হঠাৎ বুধবার বিকেলে মোবাইল ফোনে একই গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে ও দুই সন্তানের জনক মোকলেছ উদ্দিন (৩৫) নিখোঁজ ওই তরুণী তার কাছে রয়েছে বলে জানায়।

এ ঘটনায় ওইদিন সন্ধ্যায় ওই নারীর বাবা অপহরণকারী মোকলেছ উদ্দিন (৩৫), তার বাবা আবদুল খালেক, মা মিলা বেগম ও বোন মেহেরুনকে আসামি করে সখীপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। মামলার সংবাদ পেয়ে ওইদিন রাতেই মোকলেছ উদ্দিন তরুণীকে তার বন্ধু মৃদুলের মামা মোবারকের বাড়িতে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে নিজ বাড়ি নিয়ে আসে পরিবার।

উদ্ধারকৃত তরুণী জানান, বখাটে মোকলেছ উদ্দিন তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয় ও চারদিন আটকে রেখে বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষণ করে। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্বরচিত এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শস্তির দাবি করেছেন মামলার বাদী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সখীপুর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মো. লুৎফুল কবির জানান, থানায় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঘাটাইলে মুরগির বর্জ্য বংশাই নদীতে মরে ভেসে উঠছে মাছ

নদীর নাম বংশাই। ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা নদী এটি। এ নদীর ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চল ধলাপাড়া দিয়ে বয়ে যাওয়া অংশে দুই ধারে গড়ে উঠেছে শতাধিক লেয়ার মুরগির খামার। এসব খামারের বর্জ্য সরাসরি ফেলা হচ্ছে নদীতে। ফলে অতি মাত্রায় পানি দূষিত হওয়ায় মরে ভেসে উঠছে মাছ। পানির সংস্পর্শে মানুষের শরীরে দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের চর্মরোগ।

সরেজমিন দেখা যায়, নদীর দুই ধারে গড়ে ওঠা লেয়ারের বর্জ্য কোনো স্থানে ড্রেন আবার কোনো স্থানে পাইপ দ্বারা সরাসরি নদীর পানিতে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। পানিতে ভাসছে মুরগির পালক। নদীতে নেই তেমন স্রোত। পানির রঙ এতটাই কালো রূপ ধারণ করেছে যে, মানুষ তো দূরে থাক, গবাদি পশুও নাকি গোসল করানো হয় না। সারাবছরই কম-বেশি মাছ পাওয়া যেত এ নদীতে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখানকার মাছের বেশ কদর ছিল। এ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত ধলাপাড়া বড় মেধার গ্রামের প্রায় ২০-২৫ জেলে পরিবার। নদীর দূষিত পানি দিয়ে বোরো ধানের সেচ কাজ চালাচ্ছেন কৃষক। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদীর পানির সঙ্গে বর্জ্য মিশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বাসাবাড়িতে থাকা কষ্ট হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় ক্ষতিসহ তাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ হচ্ছে। বড় মেধার গ্রামের জেলে চেতন চন্দ্র দাস বলেন, আগে নদীতে বড় বড় মাছ ছিল, এখন আর নেই। বড় মাছ তো নেই-ই, একটা ইচা (চিংড়ি) মাছও পাওয়া যায় না। জেলে সাধন দাস জানান, লেয়ার মুরগির বর্জ্য এত বেশি পরিমাণে ফেলা হচ্ছে, যা দু'একটা মাছ আছে তাও মরে ভেসে উঠছে। কলেজছাত্র বিদ্যুৎ বলেন, আগে নদীতে নেমে গোসল করতাম আর এখন গোসল করলে চুলকানি হয়।

ধলাপাড়া গ্রামের খামারি গিয়াস উদ্দিন বলেন, বর্জ্য নদীতে ফেলছি। আমার গ্যাস প্লান্ট আছে আর ফেলব না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস বলেন, সরাসরি লেয়ারের বর্জ্য পানিতে ফেললে সেই দূষিত পানি দ্বারা সেচ কাজ চালালে ফসলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, শুধু মাছ নয়, লেয়ারের বর্জ্য নদীতে ফেলার কারণে জীববৈচিত্র্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। মাছ প্রজনন ক্ষমতা হারাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে একদিন প্রাকৃতিক মাছ হারিয়ে যাবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান বলেন, খামারগুলোর আইনগতভাবে কোনো বৈধতা নেই। তাদের প্রাণিসম্পদ অফিসে কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি খামার স্থাপনের কারণে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয়, তবে তদন্ত করে খামার মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।