বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬

সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ে শ্রেণি কক্ষে হাটুঁ পানি

ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) সংবাদদাতাঃ উন্নয়ন বঞ্চিত  দুর্দশাগ্রস্থ এক বিদ্যালয়ের  নাম টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভাধীন মুকুল একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠে ও শ্রেণি কক্ষে হাঁটু পানি জমে যায়। সৃষ্টি হয় জলাবন্ধতা। বিঘিœত হয় পাঠদান। অথচ  উপজেলা পরিষদের মাত্র ১৫০ গজ দূরে অবস্থিত বিদ্যালয়টির দূরাবস্থা দেখার কেউ নেই।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে ঘাটাইল পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের অত্র এলাকাটিতে পানি নিস্কাশনের জন্য সুপরিকল্পিত কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ এলাকার বিভিন্ন স্থানে সামান্য বৃষ্টিতে  এ জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে। এতে পৌর এলাকার জনগণ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। আর এই জলবদ্ধতার সবচেয়ে  মারাতœক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে মুকুল একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠে ও শ্রেণি কক্ষে হাঁটু পানি জমে যায়। সৃষ্টি হয় জলাবন্ধতা। বিঘিœত হয় পাঠদান। অন্য দিকে বিদ্যালয়টি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠত হয়ে এলাকার শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ অবদান রাখলেও  প্রতিষ্ঠার  ৩০ বছরেও বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের তেমন কোন ছোঁয়া লাগেনি। বিগত ২০১১-১২ অর্থ বছরে শিক্ষাপ্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক তিন কক্ষ বিশিষ্ট ১টি একাডেমিক ভবন নির্মিত হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল । ২টি টিনসেড ঘরে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়ে থাকে। টিনসেড ঘর দু’টি অতি পুরাতন থাকায় ঘরের চালার টিন গুলো ছিদ্র হয়ে যাওয়াতে  সামান্য বৃষ্টি হলেই যেমন স্কুল মাঠে হাটু পানি হয়ে যায় এবং বৃষ্টির সময় ঘরের চালা দিয়ে মেঝেতে পানি পড়ে শ্রেণি কক্ষ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।  এতে  শ্রেণি কক্ষে পাঠদান কার্যক্রম দারুনভাবে ব্যাহত হয়। জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান বলেন, সমস্যাটি দীর্ঘ দিনের। আমি নবনির্বাচিত মেয়র হিসাবে মাত্র কয়েক দিন আগে দায়িত্ব পেয়েছি। সমস্যাটি সমাধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। এ  ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার তাহাজজত হোসেন জানান,  শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশের জন্য জরুরী ভিত্তিতে  জলাবন্ধতা দুর করা এবং বিদ্যালয়ের  অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। এ জন্য তিনি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।

ঘাটাইল কলেজে এমপি রানা’র সমর্থকদের ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ  ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজে এমপি রানা’র সমর্থিত লোকজনের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকালে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
গত সোমবার এমপি রানা’র সমর্থিত লোকজন ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে মোটর সাইকেলসহ ছাত্র সংসদের অফিস ভাংচুর করে। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানবন্ধনে উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগেরর নেতাকর্মীরাও অংশ নেয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহিদুল ইসলাম লেবু, পৌর মেয়র শহিদ্জ্জুামান খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক আঃ রহিম মিয়া, জিবিজি কলেজের ছাত্র সংসদের নব-নির্বাচিত ভিপি আবু সাইদ রুবেল প্রমুখ।

ঘাটাইল কলেজে এমপি রানা’র সমর্থকদের ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ  ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজে এমপি রানা’র সমর্থিত লোকজনের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকালে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
গত সোমবার এমপি রানা’র সমর্থিত লোকজন ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে মোটর সাইকেলসহ ছাত্র সংসদের অফিস ভাংচুর করে। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানবন্ধনে উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগেরর নেতাকর্মীরাও অংশ নেয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহিদুল ইসলাম লেবু, পৌর মেয়র শহিদ্জ্জুামান খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক আঃ রহিম মিয়া, জিবিজি কলেজের ছাত্র সংসদের নব-নির্বাচিত ভিপি আবু সাইদ রুবেল প্রমুখ।

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৬

এমপি রানার ফাঁসির দাবীতে আ’লীগের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা’র ফাঁসির দাবীতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগ। ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্দ্যেগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রাস্তায় উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক ও ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহিদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক মজিবুর রহমান,ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার, লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান তালুকদার মোহাম্মদ শাহজাহান, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সরোয়ার আলম , ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজের ভিপি আবু সাইদ রুবেল সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা এমপি রানা সহ অন্যান্য আসামীদের রায় কার্যকর ও ফাঁসির দাবি জানান।
উল্লেখ যে, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ টাঙ্গাইল শহরে তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার সামনে পাওয়া যায়। চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট জমা দেয় জেলা ডিবি পুলিশ। গত ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে আদালতে আত্মসর্মপন করেন। পরে আদালত তার জামিন আবেদন বাতিল করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬

ঘাটাইলের ছোট কাগজ



সাহিত্য ও মননেরসারথি ছোটকাগজ। ১৯৭৬সালে তৎকালীনঘাটাইলে বংশাইসাহিত্য সংসদনামে একটিসংগঠন ছিল।এ সংগঠন“গাংচিল” নামেনিয়মিত একটিদেয়াল পত্রিকাপ্রকাশ করত।সে সময়দেয়াল পত্রিকাটিঘাটাইল গণউচ্চ বিদ্যালয়ও জিবিজিবিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাসে প্রদর্শিত হতো।এ নিয়েতরুণ সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দিপনা  দেখা যেত। পরবর্তীতে এ দেয়ালপত্রিকাই সাহিত্যপত্রিকা  “গাংচিল” নামে আত্মপ্রকাশ করে। বংশাইয়েরপ্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন কবি, শিক্ষকও চিরকুমারমরহুম জিন্নাহবিন জয়েনুদ্দিন।তিনিই ছিলেনঘাটাইলে প্রথমছোট কাগজেরঅভিযাত্রী সম্পাদক।  “গাংচিল” সম্পাদনাছাড়াও একবি “অনিন্দ্য” নামের আরেককাগজের প্রধানসম্পাদক ছিলেন।সাহিত্য সংগঠকশফি কামালবাদলের সম্পাদনায়“অনিন্দ্য” ও পাক্ষিক “সময়চিত্র” প্রকাশিতহতো। ঘাটাইলপ্রেস ক্লাবেরপ্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বর্তমান আইনজীবি ওরাজনৈতিক এস. আকবর খানেরসম্পাদনায় “মাসিক ঘাটাইল”  নামে কাগজ প্রকাশিতহতো। এছাড়াও তিনিপাক্ষিক “সময়চিত্র” সম্পাদক মন্ডলীরসভাপতি ছিলেন।মরহুম কবিমুজাফফর আলীতালুকদার ওফজলুর রহমান“ত্রি-দ্বিধা” নামে কাগজবের করতেনকাগজটিতে এদুজনের একেকজন একেকসংখ্যায় সম্পাদকছিলেন। একযুগ আগেমাহবুবুর রহমানবাবুর সম্পাদনায়ছোট কাগজ“টোক” মোঃনজরুল ইসলামেরসম্পাদনায় “দুয়ার” নিয়মিত প্রকাশিত হতো।২০১১ সালের১৩ মার্চঘাটাইল মুকুলএকাডেমী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক কবি জিন্নাহবিন জয়েনুদ্দিনেরমৃত্যু বরনকরেন। সাহিত্যসংগঠক শফিককামাল বাদল“জিন্নাহ বিনজয়েনুদ্দিন জীবন ও কবিতা” স্মারকগ্রন্থ “কণ্ঠ” প্রকাশ করেন।উল্লেখিত সবগুলোকাগজ ঘাটাইলেপ্রকাশিত নাহওয়ায় ছোটকাগজের শূণ্যতাপূরন করতে২০১৩ সালেবিজয় দিবসেরঙ্গিন প্রচ্ছদেশিল্প ওসংস্কৃতি বিষয়ককাগজ “ঝিনাই” এর আত্মপ্রকাশঘটে। ফ্রিল্যান্সসাংবাদিক মুহাম্মদনজরুলের সম্পাদনায়“ঝিনাই” ঘাটাইলেরলেখক, কবি, সাহিত্যিকদের প্রতিভা বিকশিত করতে নিরন্তরকাজ করেযাচ্ছে।

মাজহারুল
শিহাব
*শিক্ষক ও তৃনমূলগণমাধ্যম কর্মি।
সংগ্রহ ঃ ঝিনাই পত্রিকার ঈদ সংখ্যা থেকে।

এমপি রানার ফাঁসির দাবিতে ঘাটাইলে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছেন। ঘাটাইলে জি.বি.জি. কলেজ ছাত্র সংসদের উদ্যোগে রবিবার দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত তারা টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করে রাখেন।
জি.বি.জি. কলেজ ছাত্র সংসদদের ভি.পি আবু সাইদ রুবেল বলেন, সকালে এমপি রানার সমর্থীত লোকজন জি.বি.জি কলেজে অবস্থান করে ছাত্র সংসদে হামলা চালায়। এ সময় তারা ছাত্রদের ৩টি মোটারসাইকেলও ভাঙচুর করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ, হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং এমপি রানার ফাঁসির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে রাখি। পরে স্থানীয় প্রশাসন তাদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে আমরা অবরোধ তুলে নেই।

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬

ঘাটাইলে এমপি রানার মুক্তির দাবীতে মিছিল

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ॥
 আওয়ামীলীগের দ’ুগ্রুপের একই স্থানে সভা ডাকায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে হামিদপুরে গতকাল শনিবার দুপুর বারটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে  স্থানীয় প্রশাসন। মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার পক্ষে-বিপক্ষে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের একই স্থানে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় আইন শৃঙ্গলা অবনতির আশংকায় নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহিন এ আদেশ জারি করেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও এলাকাবাসী জানায়, ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা সহ চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা প্রত্যাহার এবং এমপি রানার মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় এমপি রানার অনুসারীরা । এদিকে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী এমপি আমানুর রহমান খান রানা সহ চার ভাইয়ের ফাঁসির দাবীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবুর সভাপতিত্বে একই স্থানে প্রতিবাদ সমাবেশর ডাক দেয়। এর ফলে উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় আইন শৃঙ্গলা অবনতি সহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্রে আশংকা দেখা দেয়। ফলে হামিদপুর বাজার এলাকায় শাস্তি শৃঙ্গলা বজায় রাখার জন্য সকল প্রকার সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে আজ শনিবার দুপুর বারটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহিন। এলাকায় শান্তি শৃংখলা অবনতি ঘটার আশংকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হামিদপুরে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় পার্শ্ববর্তী কদমতলী এলাকায় এমপি রানার মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার ও  মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে উদ্যোগ নেয় তার সমর্থকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল ও ট্রাক যোগে শত শত নেতাকর্মী এসে উপস্থিত হয় কদমতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। সেখানে কয়েক হাজার নারী পুরুষের সমাবেশ ঘটে। এ সময় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানযটের সৃষ্ঠি হয়। মোটরসাইকেল মিছিল উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। তারা কদমতলী ও ঘাটাইল কলেজ মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশও করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা মোত্তালিব হোসেন , যুবলীগ নেতা মোঃ সুলতান মাহমুদ সুজন, রুকনুুজ্জামান ঠান্ডু , ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন , উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি জুয়েল মিয়া ও মিন্টু মেম্বার প্রমুখ।


ঘাটাইলের হামিদপুরে ১৪৪ ধারা জারি

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে হামিদপুরে আজ শনিবার দুপুর বারটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে  স্থানীয় প্রশাসন। মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার পক্ষে-বিপক্ষে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের একই স্থানে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় আইন শৃঙ্গলা অবনতির আশংকায় নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহিন এ আদেশ জারি করেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও এলাকাবাসী জানায়, ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা সহ চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা প্রত্যাহার এবং এমপি রানার মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় এমপি রানার অনুসারীরা । এদিকে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী এমপি আমানুর রহমান খান রানা সহ চার ভাইয়ের ফাঁসির দাবীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবুর সভাপতিত্বে একই স্থানে প্রতিবাদ সমাবেশর ডাক দেয়। এর ফলে উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় আইন শৃঙ্গলা অবনতি সহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্রে আশংকা দেখা দেয়। ফলে হামিদপুর বাজার এলাকায় শাস্তি শৃঙ্গলা বজায় রাখার জন্য সকল প্রকার সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে আজ শনিবার দুপুর বারটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহিন। এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানাকে জেল হাজতে প্রেরন করে আদালত।

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬

টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহাম্মদ হত্যাকান্ড কি জজমিয়া নাটক ?

ভয়াবহ ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার হত্যাকান্ড পরবর্তীতে জজমিয়া নাটক সাজায় বিএনপি-জামায়াতের অনুসারী তৎকানীল পুলিশ প্রশাসন আলোচিত ওই হত্যাকান্ডটি আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছিল। ঠিক তেমনি টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহামদের এই হত্যাকান্ডটি বিএনপি-জামায়াতপন্থি তল্পীবাহক তাদের এজেন্ট পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশ বিশেষ উদ্দ্যেশে আওয়ামী লীগ বিরোধী এই হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারী একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর যোগসাজসে রীতিমত জজ মিঞার নাটক সাজিয়ে উদোরপিন্ডি বুধোর ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিয়েছে এমনটি মনে করছেন টাংগাইলের আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ জনগন। আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে উদীয়মান আওয়ামীলীগ নেতা শহীদ আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর মত জনপ্রিয় নেতার হত্যাকান্ডের বেনিফেশিয়ারী ও পরিকল্পনাকারীরাই হয়তবা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদকে হত্যা করতে পারে বলে  মনে করেন এলাকাবাসী । ফারুক হত্যা মামলা তদন্ত অবস্থায় এই মামলাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তাদেরই অনুসারী ২০১৪ সালের দিকে আকস্মিকভাবে মিটিং-মিছিল ও তথাকথিত আন্দোলন শুরু করে দেয়। উল্লেখ্য যে, বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াওসহ প্রতিটি আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে প্রতিবাদ প্রতিরোধ করেছে সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা, সাবেক মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা। অথচ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মরহুম শামছুর রহমানের আপন ভাতিজা রানা-মুক্তিসহ তাদের অন্যান্য ভাইদেরকে জড়িয়ে দেয় নাটকীয়ভাবে এই হত্যার দায়। আনিসুর রহমান রাজা নামে আওয়ামীলীগের এক কর্মীকে ধরে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে প্রায় দুই সপ্তাহ ঝুলিয়ে রেখে চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জবানবন্দী আদায়ের চেষ্টা করে। তার হাত পায়ের নখ উৎপাটন করে ফেলে নির্যাতন চালাতে থাকে। একই অবস্থা করে মোহাম্মদ আলী নামে আরেক আওয়ামী লীগের কর্মীকে, তাকেও মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানুিষক নিযার্তন চালায় মর্মে আদালতের হলফ নামায় জানায়। পুরো বিষয়টিই ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা হত্যাকান্ড মামলায় জজমিয়া নাটক সাজানোর মত। আলোচিত মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলাটিও একই কায়দায় প্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট এবং তথাকথিত আন্দোলনকারীরা এই হত্যাকান্ডের বেনিফিসিয়ারী গোপন বৈঠক করে টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ করে দেওয়ার জন্য তৃনমূল আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করে দেওয়ার নীল নকশা  তৈরি করে গভীর ষড়ষন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা এই কথা এলাকার অধিয়াংশ আওয়ামীনেতারা বলেন। অথচ এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হওয়ার সময় সাংসদ আমানুর রহমান রানা তার নির্বাচনী এলাকায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছিল। যা ওই থানার  পুলিশ প্রটোকল ছিল সেখানে। এব্যাপারে থানায় একটি জিডি করা ছিল তার প্রমানও রয়েছে রেকর্ডবুকে সংশ্লিষ্ট থানায়। তার অন্য ভাই টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি জাহিদুর রহমান খান কাকন হত্যাকান্ডের প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই স্ত্রী-সন্তানসহ দেশের বাহিরে ছিল। এমপি রানার অপর ভাই পৌরসভার সাবেক মেয়র থাকাবস্থায় ঘটনার প্রায় একমাস পূর্বে স্ত্রী-সন্তানসহ তিনি চিৎকিসার জন্য ভারতে ছিল এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয়ে রাজনৈতিক কাজে অবস্থান করছিল। উল্লেখ যে, ফারুক হত্যা মামলার পরিকল্পনাকারীরা মূলত এই হত্যাকান্ডটি সম্পূর্ণ  রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য খান পরিবারের চার ভাইকে ষড়যন্ত্রের জালে ফেলে দিয়েছে বলে আওয়ামীলীগের তৃণমূলের কর্মীরা দাবী করে আসছে। তাদের দাবী  এই ঘটনার পূনরায় সুষ্টু তদন্ত হলে প্রকৃত অপরাধীদের মুখোশ উম্মোচন হবে। অনুসন্ধানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, টাঙ্গাইলে বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা তদন্তকালীণ সময়ে ২০১৪ সালের প্রথম দিকে ঢাকার গুলশানের একটি রেস্তোরায় এই হত্যাকান্ড ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে সাংসদ আমানুর রহমান খান  রানা ও তার ভাইদের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়ার জন্য এবং টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট টাঙ্গাইলের  ওসি (ডিবি) গোলাম মাহফুজুর রহমান ও তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (ডিবি) অসোক কুমার সিংহ এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল কমিশনার সন্ত্রাসী ছোট মনি, বড় মনি একটি গোপন বৈঠক এলাকার লোকমুখে বুনে গেছে। প্রসঙ্গত, ২০১৩ইং সালের ১৮ই জানুয়ারী টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকা বাসার সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।

ঘাটাইলে স্বরণ সভা

কবি মুজাফফর আলী তালকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে 


মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধায় স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘাটাইল প্রেস ক্লাব আয়োজিত প্রেসক্লাব কার্যালয়ে প্রফেসর মাহমুদ দিদার এর সভাপতিত্বে স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন- লেখক ও গবেষক জুলফিকার হায়দার, ভূঞাপুর লোকমান ফকির কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানী রতন, লোক সংস্কৃতি গবেষক মামুন তরফদার, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, প্রভাষক ও ছড়াকার কাশিনাথ মজুমদার (পিংকু), ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মিঞা, যায়যায়দিনের ঘাটাইল সংবাদদাতা উত্তম কুমার আর্য্য, ভোরের কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি রবিউল আলম বাদল, সকালের খবরের ঘাটাইল সংবাদদাতা মাসুম মিয়া, আমার দেশ পত্রিকার ঘাটাইল সংবাদদাতা মাজহারুল শিহাব, কবি মো. সাইফুল ইসলাম, ছড়াকার এম এ হামিদ, আব্দুল মান্নান কাব্য কবির, সম্পাদক সবুজ মাহমুদ, কবির ছোট ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম, খোলা কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি মো. খায়রুল ইসলাম প্রমুখ। স্বরণ সভা পরিচালনা করেন ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল।