মঙ্গলবার, আগস্ট ১৬, ২০১৬

ঘাটাইল ইউপি নির্বাচনে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগষ্ট) বিকাল সাড়ে ৫ টায় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন শপথ বাক্য পাঠ করান। এ সময় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আনোয়ার হোসেন। ঘাটাইলের বিভিন্ন ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হায়দার আলী, শরীফ হোসেন, শাহজাহান তালুকদার, নজরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম খান, মাইন উদ্দিন তালুকদার, আবুল কালাম আজাদ শপথ গ্রহণ করেন।

ঘাটাইলে পৌর মেয়রকে সংবর্ধনা

মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ 
টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার আলফালাহ এসোসিয়েশন’র উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ কে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় ঘাটাইল আলহালাহ এসোসিয়েশন, আল-হেরা স্কুল পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। ঘাটাইল গন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজহারুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক ও বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান জনাব শহিদুল ইলাম লেবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন-  ঘাটাইল পৌরসভা’র সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোঃ হাসান আলী, মোঃ আব্দুর রশিদ মিঞা, মোঃ আব্দুর রহিম মিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুর রহমান আজাদ, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান তালুকদার প্রমুখ।

মাকরাই দিবস পালিত

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ১৯৭১ সালের ১৬ই আগস্ট মুক্তিযুদ্ধের সময় আজকের এই দিনে তার গঠিত কাদেরিয়া বাহিনী নিয়ে পাকিস্থানী বাহিনীর উপর আক্রমন চালায় ৷ সেই আক্রমনের সময় ঘাটাইল থানার মাইকরাই নামক স্থানে গুলিবিদ্ধ হোন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও নিহত হোন হাতেম আলী নামের একজন মুক্তিযোদ্ধা ৷ সেই ভয়াল স্মৃতিটিকে প্রতিবছর স্বরন করে যাচ্ছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৷ সেই স্মৃতি স্বরন রক্ষার্থে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো আয়োজন করা হয় মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা ৷ এই মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভায় জনাব বেলায়েত হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জনাব মোঃ ইকবাল সিদ্দিকী ৷বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এইচ.এম আব্দুল হাই(সভাপতি টঙ্গাইল জেলা শাখা) |এ্যাডঃ রফিকুল ইসলাম(সাধারন সম্পাদক টাঙ্গাইল জেলা শাখা) | হাবিবুন নবী সোহেল (আহ্বায়ক যুব আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটি)| আতিকুর রহমান সাদেক (যুব আন্দোলন সভাপতি টাঙ্গাইল) |আঃ হালিম ( কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আহ্বায়ক ঘাটাইল) সহ প্রমুখ ৷

সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র

সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পক ধ্বংস করতে সরকারি ইডকল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেছেন সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব) এর সভাপতি আব্দুল হালিম মৃধা।  

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

সৌর বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীদের অন্তর্ভুক্ত করে ইডকলের পিওদের কালো থাবা থেকে রক্ষার’ দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়।

সাব সভাপতি মৃধা বলেন, ইডকল সোলারকে ধ্বংস করতে বিভিন্নভাবে পায়তারা করছে। শুধু তাই নয় ইডকল সংগঠনের নিজস্ব কোনো পণ্য নেই তারা পণ্যগুলো বিভিন্ন পর্যায় থেকে সংগ্রহ করে দ্বিগুণ মুনাফার বিনিময়ে ভোক্তাদের নিকট বিক্রি করে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুতের যাত্রা শুরু হয় ব্যক্তি মালিকানায়। আর যেটা শুরু করে সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব)।

তিনি বলেন, সৌর বিদ্যুৎখাতের কয়েক হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও প্রায় ৩ লাখ কর্মীর কর্মসংস্থান বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব) ইডকলের হাত থেকে রক্ষা পেতে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারক লিপিও দেওয়া হয়েছে। এতে সৌরখাতকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আহ্বান জানানো হয়।

পরিবেশ উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ প্রদত্ত প্লানেট অব দ্য আর্থ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশের উন্নয়নের জন্য তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য দেশের কয়েক আখ কর্মীর কর্মসংস্থান যদি হুমকির মুখে পড়ে তাহলে কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর কথা বাস্তবায়ন হবে।

সাব এর মুখপাত্র মো.আলী আশরাফুল কবীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন যেখানে বিদ্যুৎ যায়নি সেখানে তিনি সৌর বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবেন। কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠান-ই যদি দুর্ণীতি করে তাহলে কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয়। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব) এর যুগ্ম আহ্বায়ক বলরাম বাহাদুর, কোষাধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র

সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পক ধ্বংস করতে সরকারি ইডকল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেছেন সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব) এর সভাপতি আব্দুল হালিম মৃধা।  

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

সৌর বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীদের অন্তর্ভুক্ত করে ইডকলের পিওদের কালো থাবা থেকে রক্ষার’ দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়।

সাব সভাপতি মৃধা বলেন, ইডকল সোলারকে ধ্বংস করতে বিভিন্নভাবে পায়তারা করছে। শুধু তাই নয় ইডকল সংগঠনের নিজস্ব কোনো পণ্য নেই তারা পণ্যগুলো বিভিন্ন পর্যায় থেকে সংগ্রহ করে দ্বিগুণ মুনাফার বিনিময়ে ভোক্তাদের নিকট বিক্রি করে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুতের যাত্রা শুরু হয় ব্যক্তি মালিকানায়। আর যেটা শুরু করে সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব)।

তিনি বলেন, সৌর বিদ্যুৎখাতের কয়েক হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও প্রায় ৩ লাখ কর্মীর কর্মসংস্থান বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব) ইডকলের হাত থেকে রক্ষা পেতে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারক লিপিও দেওয়া হয়েছে। এতে সৌরখাতকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আহ্বান জানানো হয়।

পরিবেশ উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ প্রদত্ত প্লানেট অব দ্য আর্থ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশের উন্নয়নের জন্য তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য দেশের কয়েক আখ কর্মীর কর্মসংস্থান যদি হুমকির মুখে পড়ে তাহলে কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর কথা বাস্তবায়ন হবে।

সাব এর মুখপাত্র মো.আলী আশরাফুল কবীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন যেখানে বিদ্যুৎ যায়নি সেখানে তিনি সৌর বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবেন। কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠান-ই যদি দুর্ণীতি করে তাহলে কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয়। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব) এর যুগ্ম আহ্বায়ক বলরাম বাহাদুর, কোষাধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০১৬

ঘাটাইলে জাতীয় দিবস শোকদিবস পালিত


ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : সোমবার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় সারাদেশের ন্যায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবর রহমান এর ৪১তম শাহাদত বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।





এ উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি,বেসরকারি,স্বায়িত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও স্কুল কলেজে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনিমিত্ত,কালোব্যাচ ধারন,স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা,মসজিদ ও মন্দির দোয়া মাহফিল,স্বেচছায় রক্তদান সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে গণভোজের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ এর উদ্দ্যোগে জাতির জনকের প্রতীকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন ও একটি শোক র‌্যালি পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে শেষে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। 

উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন এর সভাপতিত্বে উপজেলা অডিটরিয়ামে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-জিবিজি কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম মণি,নবনির্বাচিত পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রভাংশু সোম মহান, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, সাবেক পৌর মেয়র মোঃ হাসান আলী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।   

শনিবার, আগস্ট ১৩, ২০১৬

বন্যার্তদের সেবায় অভিনেত্রী বিথী রানী সরকার

মানুষ তো মানুষেরই জন্য। তবে ফেসবুকীয় এই অতি আধুনিক যুগে আমাদের সব আবেগ কিংবা সহানুভূতি ভার্চুয়ালেই বন্দি। যখন পাশের বাড়িতে আগুনে পুড়ে মানুষ মরছে আমরা তাদের দেখতে না গিয়ে ফেসবুকে বসে স্ট্যাটাস দেই।

ঠিক তেমনি সারা দেশের কিছু জেলা ভাসছে বন্যার পানিতে। ভেসে গেছে লাখো মানুষের বসতঘর, ফসল জমি, গবাদিপশুসহ নানা সম্পদ। ভাসছে মানুষ। খাদ্যের অভাব, বিশুদ্ধ পানির অভাব, পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত মানুষগুলোর চিকিৎসার অভাব। অভাব সহানুভূতিরও। তখনও আমরা ফেসবুকে আবেগীয় স্ট্যাটাস দিয়ে দায় সাড়ছি।



তবে কেউ কেউ ছুটে গেছেন ভার্চুয়াল জগৎকে তুড়ি মেরে রক্ত-মাংসের মানুষ হয়েই। এর মধ্যে আছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার লোকজন। তাদের মধ্যে আছেন অনেক সেলিব্রেটিও। অভিনেত্রী বিথী রানী সরকার তাদের মধ্যে অন্যতম।

জানা গেছে, ওয়ার্ল্ড ইজ বিউটিফুল সংগঠনের উদ্যোগে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে গাইবান্ধায় ছুটে গেছেন এই মডেল ও অভিনেত্রী। সেখানে তিনি কয়েকদিন অবস্থান করে বন্যাক্রান্ত মানুষের মধ্যে খাবার, বস্ত্র বিতরণ করেছেন। সেইসঙ্গে বন্যায় উদ্ভূত সমস্যা মোকাবেলায় নানা পরামর্শও দিয়েছেন।



এ প্রসঙ্গে বিথী বলেন, ‘নিজের ভেতরের তাগিদ থেকেই গাইবান্ধায় ছুটে গেছি। দেশের ভেতরে এত মানুষকে পানিবন্দি রেখে আসলে স্বাভাবিক জীবন যাপন করাটা কষ্টকর। তাই নিজের সাধ্যমতো যতটুকু পারা যায় কিছু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। প্রত্যেকটি অঞ্চলেই অসংখ্য প্রতিষ্ঠিত মানুষ রয়েছেন, সমাজসেবী রয়েছেন। সবাই মিলে নিজ নিজ অঞ্চলের বন্যার্তদের দায়িত্ব নিলে রাষ্ট্রের ওপর চাপ পড়ে না। বিপদগ্রস্ত মানুষগুলোও সাহস পাবে।’



প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে গ্রামীণফোনের মডেল হয়ে বিথি রানী সরকার মিডিয়া জগতে পদার্পণ করেন। এরপর দীর্ঘদিনে অসংখ্য বিজ্ঞাপন, নাটক, টেলিফিল্ম ও চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার-স্বীকৃতি। বর্তমানে বেশ কিছু নাটক ও চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত তিনি।

বন্যার্তদের সেবায় অভিনেত্রী বিথী রানী সরকার

মানুষ তো মানুষেরই জন্য। তবে ফেসবুকীয় এই অতি আধুনিক যুগে আমাদের সব আবেগ কিংবা সহানুভূতি ভার্চুয়ালেই বন্দি। যখন পাশের বাড়িতে আগুনে পুড়ে মানুষ মরছে আমরা তাদের দেখতে না গিয়ে ফেসবুকে বসে স্ট্যাটাস দেই।

ঠিক তেমনি সারা দেশের কিছু জেলা ভাসছে বন্যার পানিতে। ভেসে গেছে লাখো মানুষের বসতঘর, ফসল জমি, গবাদিপশুসহ নানা সম্পদ। ভাসছে মানুষ। খাদ্যের অভাব, বিশুদ্ধ পানির অভাব, পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত মানুষগুলোর চিকিৎসার অভাব। অভাব সহানুভূতিরও। তখনও আমরা ফেসবুকে আবেগীয় স্ট্যাটাস দিয়ে দায় সাড়ছি।



তবে কেউ কেউ ছুটে গেছেন ভার্চুয়াল জগৎকে তুড়ি মেরে রক্ত-মাংসের মানুষ হয়েই। এর মধ্যে আছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার লোকজন। তাদের মধ্যে আছেন অনেক সেলিব্রেটিও। অভিনেত্রী বিথী রানী সরকার তাদের মধ্যে অন্যতম।

জানা গেছে, ওয়ার্ল্ড ইজ বিউটিফুল সংগঠনের উদ্যোগে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে গাইবান্ধায় ছুটে গেছেন এই মডেল ও অভিনেত্রী। সেখানে তিনি কয়েকদিন অবস্থান করে বন্যাক্রান্ত মানুষের মধ্যে খাবার, বস্ত্র বিতরণ করেছেন। সেইসঙ্গে বন্যায় উদ্ভূত সমস্যা মোকাবেলায় নানা পরামর্শও দিয়েছেন।



এ প্রসঙ্গে বিথী বলেন, ‘নিজের ভেতরের তাগিদ থেকেই গাইবান্ধায় ছুটে গেছি। দেশের ভেতরে এত মানুষকে পানিবন্দি রেখে আসলে স্বাভাবিক জীবন যাপন করাটা কষ্টকর। তাই নিজের সাধ্যমতো যতটুকু পারা যায় কিছু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। প্রত্যেকটি অঞ্চলেই অসংখ্য প্রতিষ্ঠিত মানুষ রয়েছেন, সমাজসেবী রয়েছেন। সবাই মিলে নিজ নিজ অঞ্চলের বন্যার্তদের দায়িত্ব নিলে রাষ্ট্রের ওপর চাপ পড়ে না। বিপদগ্রস্ত মানুষগুলোও সাহস পাবে।’



প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে গ্রামীণফোনের মডেল হয়ে বিথি রানী সরকার মিডিয়া জগতে পদার্পণ করেন। এরপর দীর্ঘদিনে অসংখ্য বিজ্ঞাপন, নাটক, টেলিফিল্ম ও চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার-স্বীকৃতি। বর্তমানে বেশ কিছু নাটক ও চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত তিনি।

ঘাটাইলে বেগুন চাষে সাফল্য পাহাড়ী অঞ্চলের কৃষকরা

উত্তম কুমার আর্য্য, নিজস্ব প্রতিবেদক:   টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পাহাড়ী ইউনিয়ন ধলাপাড়া, রসুলপুর কৃষকরা বেগুন চাষ করে সফলতা পেয়েছে। বেগুন চাষ করে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত হাটবাজার গুলোতে রপ্তানি করে তাদের অভাব দূর করেছে। 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় পাহাড়ী অঞ্চল আষারিয়াচালা, জোয়ালভাঙ্গা, শিরিষচালা, মরগাংগী, মধ্যেরচালা, শ্যামচালা, আকন্দেরবাইদ, দিঘুলিয়াচালা, শহরগোপিনপুর, রামদেবপুর এর কৃষকরা বেগুন চাষ করে তারা সফলতা অর্জন করেছে। বৎসরে প্রায় ৬ মাস ঐ অঞ্চলের কৃষকরা বেগুন চাষ করে থাকে। এখানে নরসিংদী ও হাইব্রীড জাতের বেগুন চাষ করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ বেগুন বিক্রি করে থাকেন।
জোয়ালভাঙ্গা গ্রামের কৃষক আঃ হাকিম জানান পাহাড়ী অঞ্চলে প্রায় ১০ হাজার শতক জমিতে ২০ হাজার কৃষক বেগুন চাষ করে থাকেন ধলাপাড়া ইউনিয়নের আষারিয়া চালা বৃহস্পতিবার ও সোমবারের বেগুন বাজার বসে। এখান থেকে বাংলাদেশের টাঙ্গাইল, যাত্রাবাড়ী, সাভার, শ্যামবাজার, মানিকগঞ্জ, বাইপাইল বাটিয়াটা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ বেগুন রপ্তানি করে থাকে। আষারিয়া চালা গ্রামের বেগুন চাষী মুনসুর আলী (৪০) জানান একটি সময় এই বেগুনের বাজারটি ধলাপাড়া ছিল এখন ২০ বছর যাবত আষারিয়াচালা বেগুনের হাট বসে। আরেক কৃষক জাফর আলী জানান, বেগুন চাষ করে খরচ বাদে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আমাদের আয় থাকে। পাহাড়ী অঞ্চলের কৃষকরা বৎসরের ৬ মাস বেগুন বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আয় করেন বলে এই প্রতিবেদকে জানান। 
কোন কৃষি কর্মকর্তা বেগুন চাষ জাতে উন্নত হয় সে বিষয়ে  জোয়ালভাঙ্গা গ্রামের বেগুন চাষী আঃ হাকিম কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান সখিপুর থেকে একজন অফিসার আসেন তার কাছ থেকেই আমরা প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকি।    

শুক্রবার, আগস্ট ১২, ২০১৬

নিখোঁজ না অন্য কিছু ২৭ দিনেও খোঁজ মেলেনি আর্জিনার

 ঘাটাইল প্রতিনিধি ঃ
তিনবছর আগে টাঙ্গাইল থেকে আশুলিয়া ঘোষবাগে দেলোয়ারের বাসায় গৃহপরিচালকার কাজ করতে গিয়ে নিখোজের ২৭ দিন পেরিয়ে গেলেও কেউ জানেনা কিশোরী আর্জিনা (১২) ভাগে কি ঘটেছে। বেঁচে আছে না কারো হাতে তুলে দেয়া হয়েছে তা সবাই এখন অজানা। তবে স্বজনদের সন্দেহের তীর বাসার মালিকের স্ত্রীর দিকে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দুলালিয়া গ্রামের ভ্যান চালক আজিজুর রহমানের মেয়ে আর্জিনা খাতুন (১২) কে ১ হাজার ৫শ টাকা মাসিক বেতনে আশুলিয়া ঘোষবাগের দেলোয়ারের বাসায় কাজ দেন। কথা ছিল আর্জিনা সাবালিকা হলে তার বিয়ের যাবতীয় ব্যবস্থা দেলোয়ার হোসেন করবেন। গত দিনগুলি আর্জিনার ভালই কাটছিল। আশুলিয়া হতে তার বাবার সাথে কয়েকবার নিজ বাড়ীতে বেড়াতেও এসেছেন। তবে কোথায় একা যাওয়ার মতো রাস্তাঘাট চিনতো না সে। আশুলিয়া থানায় জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে গত ১৯ জুলাই সকাল ১০ ঘটিকায় আর্জিনা গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বরে হয়ে আর ফিরে আসেনি। বিষয়টি মেনে নিতে পারছেনা আর্জিনার বাবা আজিজুর রহমান। তিনি প্রতিবেদককে বলেন, ঘাটাইল থেকে আশুলিয়া যাওয়ার রাস্তা ঘাট কিছুই চিনেনা সে। কোনদিন একা যায় নাই এবং আসেও নাই। ঐ দিন বাসার মালিক আমাদের কাউকে কিছু না বলে কিশোরী মেয়েকে বাসা থেকে একা ছেড়ে দিল কিভাবে? তিনি আরও বলেন আমাদের গ্রামের এবং আশেপাশের প্রায় ৫০ জন লোক আশুলিয়া ঘোষবাগে বিভিন্ন কর্ম করে বসবাস করেন এবং আর্জিনার ফুপা মজিবর রহমান নিজেও দেলোয়ারের বাসার পাশের বাসায় বসবাস করেন। ঐ দিন এমন কি জরুরী ছিল যাহা কাউকে বলার সময় ছিলনা তাদের। তাছাড়া আর্জিনাকে বিয়ে দেয়ার মৌখিক চুক্তিতে বাসায় কাজের জন্য নিলেও থানায় নিখোঁজের জিডিতে ভাড়াটিয়া উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, নিখোঁজের পরের দিন মালিক পক্ষ থানায় জিডি করলেও ৮ দিন পর একই কথা লিখে আমাকে দিয়ে ২য় বার জিডি করার কি দরকার ছিল। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আর্জিনা যে ঘরে থাকতো আমি সে ঘরে যাইতে চাইলে মালিকের স্ত্রী আমাকে বার বার নিষেধ করে বলে ঐ ঘরে কবিরাজি করেছি। আর্জিনা ফাপর হয়ে একাই ফেরৎ আসবে। আমি জানালা দিয়ে উকি মেরে দেখি অন্য একটি মেয়ে শুয়ে আছে। বাসার কাজের ছেলে আছাদ কে জিজ্ঞাসা করলে একেক সময় একেক কথা বলে। এমন হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে স্বজনদের মধ্যে। বাবা মার আকুতি তারা আর কিছুই চায় না শুধু মেয়েকেই ফেরত চায়।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার জিডি তদন্তকারী কর্মকর্তা (এস/আই) আনোয়ার মোল্লা হারানোর খবর নিশ্চিত করে বলেন, আইনের দিক থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।