শনিবার, আগস্ট ১৩, ২০১৬

ঘাটাইলে বেগুন চাষে সাফল্য পাহাড়ী অঞ্চলের কৃষকরা

উত্তম কুমার আর্য্য, নিজস্ব প্রতিবেদক:   টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পাহাড়ী ইউনিয়ন ধলাপাড়া, রসুলপুর কৃষকরা বেগুন চাষ করে সফলতা পেয়েছে। বেগুন চাষ করে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত হাটবাজার গুলোতে রপ্তানি করে তাদের অভাব দূর করেছে। 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় পাহাড়ী অঞ্চল আষারিয়াচালা, জোয়ালভাঙ্গা, শিরিষচালা, মরগাংগী, মধ্যেরচালা, শ্যামচালা, আকন্দেরবাইদ, দিঘুলিয়াচালা, শহরগোপিনপুর, রামদেবপুর এর কৃষকরা বেগুন চাষ করে তারা সফলতা অর্জন করেছে। বৎসরে প্রায় ৬ মাস ঐ অঞ্চলের কৃষকরা বেগুন চাষ করে থাকে। এখানে নরসিংদী ও হাইব্রীড জাতের বেগুন চাষ করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ বেগুন বিক্রি করে থাকেন।
জোয়ালভাঙ্গা গ্রামের কৃষক আঃ হাকিম জানান পাহাড়ী অঞ্চলে প্রায় ১০ হাজার শতক জমিতে ২০ হাজার কৃষক বেগুন চাষ করে থাকেন ধলাপাড়া ইউনিয়নের আষারিয়া চালা বৃহস্পতিবার ও সোমবারের বেগুন বাজার বসে। এখান থেকে বাংলাদেশের টাঙ্গাইল, যাত্রাবাড়ী, সাভার, শ্যামবাজার, মানিকগঞ্জ, বাইপাইল বাটিয়াটা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ বেগুন রপ্তানি করে থাকে। আষারিয়া চালা গ্রামের বেগুন চাষী মুনসুর আলী (৪০) জানান একটি সময় এই বেগুনের বাজারটি ধলাপাড়া ছিল এখন ২০ বছর যাবত আষারিয়াচালা বেগুনের হাট বসে। আরেক কৃষক জাফর আলী জানান, বেগুন চাষ করে খরচ বাদে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আমাদের আয় থাকে। পাহাড়ী অঞ্চলের কৃষকরা বৎসরের ৬ মাস বেগুন বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আয় করেন বলে এই প্রতিবেদকে জানান। 
কোন কৃষি কর্মকর্তা বেগুন চাষ জাতে উন্নত হয় সে বিষয়ে  জোয়ালভাঙ্গা গ্রামের বেগুন চাষী আঃ হাকিম কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান সখিপুর থেকে একজন অফিসার আসেন তার কাছ থেকেই আমরা প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকি।    

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷