বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৬

সরকারের প্রায় সব সেবা এক সাইটে

সরকারি সব সংস্থার চাকরির বিজ্ঞাপন দেখতে চান? জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ করবেন? জন্ম বা নতুন ভোটার নিবন্ধন করবেন? পাসপোর্ট করতে হবে? সরকারের নতুন উদ্যোগ, স্কুলে ভর্তির জন্য আবেদন, অনলাইন নিবন্ধন বা অন্য কোনো সরকারি সেবা নিতে চান? আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটে ঢুকার দরকার নেই। সব সেবা এক ছাতার নিচে নিয়ে এসে একটি জাতীয় সাইট খুলেছে সরকার।

এই সাইটের ঠিকানা http://bangladesh.gov.bd।   
বাংলাদেশ সম্পর্কিত যত তথ্য, সরকারি ই সেবা, সেবা খাত, ব্যবসা বাণিজ্য, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আইন-বিধি, অর্জন, জেলা বাতায়ন, সেবাকুঞ্জ বা যত ফরম-তার সবই এই সাইটেই পাওয়া যাবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একসেস টু ইনফরমেশন-এটুআই, বাংলাদেশ সফরওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন-বেসিস এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি-বিসিসি যৌথভাবে এই সাইটটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে।
বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, আলাদা আলাদা সেবার জন্য ওয়েবসাইটে ঢুকতে গেলে মানুষকে অনেক সাইটের ঠিকানা মনে রাখতে হয়। অনেকের জন্যই এটা মনে রাখা কঠিন। এই চিন্তা থেকে এক সাইটেই সব সেবা নিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এই সাইটে ৬১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৫১টি অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংস্থা, আটটি বিভাগ, ৬৪টি জেলা, ৪৮৯টি উপজেলা এবং ৪৫৫০ ইউনিয়নের সব তথ্য ও সেবাই পাওয়া যাবে।
এতে আছে সরকারি নিয়োগের সব বিজ্ঞপ্তি, সরকারি সব নীতিমালা, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল, সরকারি কর্মকমিশন-পিএসসির সব পরীক্ষার ফলাফল, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে ভর্তির তথ্যও আছে এই সাইটে।
সাইটটি দেখে জানা যায়, এখানে বাংলাদেশ সম্পর্কিত, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আইন-বিধি, জেলা বাতায়ন, ই-সেবাসমূহ নামের স্লাইড রয়েছে। যেখানে ক্লিক করলেই বিস্তারিত সবই পাওয়া যাবে। এ সাইটি একদম আপডেটেড।
এ ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের জরুরি প্রস্তুতি পরিকল্পনা, বাংলাদেশ সরকারের ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। বাংলাদেশ সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা জন্য জাতীয় পরিকল্পনার কথাও বলা আছে সাইটটিতে।
সরকার কী কী ধরনের সেবা দেয় তাও জানা যাবে যেমন: জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদকরন,  জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন,  এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল,  অনলাইন ভিসা যাচাই, অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন, বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, সরকারী চাকুরীর আবেদনের মডেল ফরম, নতুন ভোটার নিবন্ধন, এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল, শিক্ষক বাতায়নের সকল আপডেট ও সেবা পাওয়া যাবে এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।
সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করছেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ই ক্যাব) এর সভাপতি রাজিব আহমেদ। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তবে সাইটটির মাধ্যমে পরীক্ষার ফলাফল যাতে শিক্ষার্থীরা যথা সময়ে দেখতে পারে এ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দেখা যায়, ফলাফল দিয়েছে সাইটে ঢোকা যায় না। এটি যেন না হয়। এছাড়া সব বিভাগগুলো যেন আপডেট থাকে এবং মনিটরিং এর ব্যবস্থা থাকে তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। তাহলে এর সুফল অনেক দিন পযন্ত পাবে দেশের জনগণ।’
এ সাইটটি নিয়ে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাপস এর সঙ্গে। তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমি তো এমন সাইটের কথা শুনিনি। আমরা বিভিন্ন সাইটে প্রবেশ করে সরকারের সব তথ্য জানি। এক সাইটে সব পাওয়া যায় তাতো জানি না। তবে আমার মনে হয় এর আরো প্রচার-প্রসার দরকার। তা হলে এর উপকারিতা সাধারণ মানুষ পাবে। আমরাও জানতে পারবো।’
সরকারের এই উদ্যোগের বিষয়ে কথা হয় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রকল্প একসেস টু ইনফরমেশন-এ টু আই এর পরিচালক আব্দুল মান্নান এর সঙ্গে। তিনি ঢাকাটাইমসকে জানান, ‘আমরা এ সাইটি প্রচার –প্রসারে অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। আরো পর্যায়ক্রমে নিচ্ছি। প্রতিটি জেলায় জেলায় এ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’
আব্দুল মান্নান বলেন, ‘তথ্য বাতায়ন যে অফিস আসে সেখানেও আমরা এই পোর্টালটি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করছি। ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে যখন জেলার সঙ্গে যোগাযোগ হয় তখনো আমার এটির সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করছি।’
এ টু আই এর পরিচালক বলেন, ‘এটি জাতীয় সাইট। যা আপডেট রাখার বিষয়ে সরকার অনেক সচেতন। কারণ প্রতিমাসে মন্ত্রণালয়ে এ সম্পর্কে রিপোর্ট করতে হয়। কোন জেলার তথ্যের ঘাটতি আছে কি না তা তখন খুঁটিয়ে দেখা হয়। সুতরাং এটি নিয়ে আমরা সবাই সচেতন।’
সাইটটি কতটা জনপ্রিয় হয়েছে-জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এরই মধ্যে সাইটটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। আর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল, অনলাইন ভিসা যাচাই, অনলাইন পাসপোর্ট আবেদন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সরকারি চাকরিতে আবেদনের মডেল ফরম, নতুন ভোটার নিবন্ধন, শিক্ষক বাতায়নের তথ্য বা সেবা পেতে জনগণ সাইটটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।’

সরকারের প্রায় সব সেবা এক সাইটে

সরকারি সব সংস্থার চাকরির বিজ্ঞাপন দেখতে চান? জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ করবেন? জন্ম বা নতুন ভোটার নিবন্ধন করবেন? পাসপোর্ট করতে হবে? সরকারের নতুন উদ্যোগ, স্কুলে ভর্তির জন্য আবেদন, অনলাইন নিবন্ধন বা অন্য কোনো সরকারি সেবা নিতে চান? আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটে ঢুকার দরকার নেই। সব সেবা এক ছাতার নিচে নিয়ে এসে একটি জাতীয় সাইট খুলেছে সরকার।

এই সাইটের ঠিকানা http://bangladesh.gov.bd।   
বাংলাদেশ সম্পর্কিত যত তথ্য, সরকারি ই সেবা, সেবা খাত, ব্যবসা বাণিজ্য, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আইন-বিধি, অর্জন, জেলা বাতায়ন, সেবাকুঞ্জ বা যত ফরম-তার সবই এই সাইটেই পাওয়া যাবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একসেস টু ইনফরমেশন-এটুআই, বাংলাদেশ সফরওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন-বেসিস এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি-বিসিসি যৌথভাবে এই সাইটটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে।
বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, আলাদা আলাদা সেবার জন্য ওয়েবসাইটে ঢুকতে গেলে মানুষকে অনেক সাইটের ঠিকানা মনে রাখতে হয়। অনেকের জন্যই এটা মনে রাখা কঠিন। এই চিন্তা থেকে এক সাইটেই সব সেবা নিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এই সাইটে ৬১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৫১টি অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংস্থা, আটটি বিভাগ, ৬৪টি জেলা, ৪৮৯টি উপজেলা এবং ৪৫৫০ ইউনিয়নের সব তথ্য ও সেবাই পাওয়া যাবে।
এতে আছে সরকারি নিয়োগের সব বিজ্ঞপ্তি, সরকারি সব নীতিমালা, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল, সরকারি কর্মকমিশন-পিএসসির সব পরীক্ষার ফলাফল, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে ভর্তির তথ্যও আছে এই সাইটে।
সাইটটি দেখে জানা যায়, এখানে বাংলাদেশ সম্পর্কিত, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আইন-বিধি, জেলা বাতায়ন, ই-সেবাসমূহ নামের স্লাইড রয়েছে। যেখানে ক্লিক করলেই বিস্তারিত সবই পাওয়া যাবে। এ সাইটি একদম আপডেটেড।
এ ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের জরুরি প্রস্তুতি পরিকল্পনা, বাংলাদেশ সরকারের ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। বাংলাদেশ সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা জন্য জাতীয় পরিকল্পনার কথাও বলা আছে সাইটটিতে।
সরকার কী কী ধরনের সেবা দেয় তাও জানা যাবে যেমন: জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদকরন,  জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন,  এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল,  অনলাইন ভিসা যাচাই, অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন, বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, সরকারী চাকুরীর আবেদনের মডেল ফরম, নতুন ভোটার নিবন্ধন, এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল, শিক্ষক বাতায়নের সকল আপডেট ও সেবা পাওয়া যাবে এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।
সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করছেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ই ক্যাব) এর সভাপতি রাজিব আহমেদ। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তবে সাইটটির মাধ্যমে পরীক্ষার ফলাফল যাতে শিক্ষার্থীরা যথা সময়ে দেখতে পারে এ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দেখা যায়, ফলাফল দিয়েছে সাইটে ঢোকা যায় না। এটি যেন না হয়। এছাড়া সব বিভাগগুলো যেন আপডেট থাকে এবং মনিটরিং এর ব্যবস্থা থাকে তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। তাহলে এর সুফল অনেক দিন পযন্ত পাবে দেশের জনগণ।’
এ সাইটটি নিয়ে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাপস এর সঙ্গে। তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমি তো এমন সাইটের কথা শুনিনি। আমরা বিভিন্ন সাইটে প্রবেশ করে সরকারের সব তথ্য জানি। এক সাইটে সব পাওয়া যায় তাতো জানি না। তবে আমার মনে হয় এর আরো প্রচার-প্রসার দরকার। তা হলে এর উপকারিতা সাধারণ মানুষ পাবে। আমরাও জানতে পারবো।’
সরকারের এই উদ্যোগের বিষয়ে কথা হয় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রকল্প একসেস টু ইনফরমেশন-এ টু আই এর পরিচালক আব্দুল মান্নান এর সঙ্গে। তিনি ঢাকাটাইমসকে জানান, ‘আমরা এ সাইটি প্রচার –প্রসারে অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। আরো পর্যায়ক্রমে নিচ্ছি। প্রতিটি জেলায় জেলায় এ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’
আব্দুল মান্নান বলেন, ‘তথ্য বাতায়ন যে অফিস আসে সেখানেও আমরা এই পোর্টালটি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করছি। ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে যখন জেলার সঙ্গে যোগাযোগ হয় তখনো আমার এটির সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করছি।’
এ টু আই এর পরিচালক বলেন, ‘এটি জাতীয় সাইট। যা আপডেট রাখার বিষয়ে সরকার অনেক সচেতন। কারণ প্রতিমাসে মন্ত্রণালয়ে এ সম্পর্কে রিপোর্ট করতে হয়। কোন জেলার তথ্যের ঘাটতি আছে কি না তা তখন খুঁটিয়ে দেখা হয়। সুতরাং এটি নিয়ে আমরা সবাই সচেতন।’
সাইটটি কতটা জনপ্রিয় হয়েছে-জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এরই মধ্যে সাইটটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। আর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল, অনলাইন ভিসা যাচাই, অনলাইন পাসপোর্ট আবেদন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সরকারি চাকরিতে আবেদনের মডেল ফরম, নতুন ভোটার নিবন্ধন, শিক্ষক বাতায়নের তথ্য বা সেবা পেতে জনগণ সাইটটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।’

বুধবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৬

প্রতিবন্ধী মোমিনের শিম চাষে সাফল্য

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামের এক মধ্যবিত্ত কৃষকের ঘরে মোমিনের জন্ম। দুই ভাই ও এক বোনের সংসারে মোমিন সবার ছোট। জম্ম থেকেই মোমিন বাক ও শ্রবন প্রতিবন্ধী। মোমিনের অন্য বড় দু’ভাই একজন শিক্ষকতা পেশা ও অপর ভাই আইন পেশায় যুক্ত আছেন। একমাত্র বোনটি বিয়ে হয়ে সংসারী করছেন।
পরিবারের সকল সদস্যদের আন্তরিকতায় মোমিনকে ছোট বেলা থেকেই কথনো কিছুর অভাব বোধ করতে হয়নি। এর মধ্যে মোমিন বিয়ে করেছেন। সংসারে তার দুটি ছেলে সন্তান। কোন প্রকার আয়-রোজগার না করলেও দু’বেলা খাবার-পড়া নিয়ে চিন্তা নেই সেখানে মোমিন এক দৃষ্টান্ত। তার অন্য ভাইয়েরা মাস শেষে বেতন পেয়ে সেই টাকা যখন বাবার হাতে তুলে দেন তখন তা দেখে তার আর ভাল লাগেনা।
ছোট বেলা থেকেই সাংসারিক ও কৃষি কাজে সে দারুণ পারদর্শী। তাই আর পিছন ফিরে তাকালেননা। কিছু করার তাড়না থেকে বাড়ী আঙ্গিনার পাশে দুই বিঘা জমিতে তিন বছর আগে শুরু করেন শিম চাষের।এ কাজে শ্রমিক’ত দূরের কথা নিজের স্ত্রীর সাহায্য নিতেও তার আপত্তি। প্রতিবছর শিম বিক্রি করে মোমিন এখন আয় করছেন এক থেকে দেড় লাখ টাকা। মোমিনের কোন পিছুটান নেই। পুকুরে মাছ, গোলাভরা ধান আর স্ত্রী সন্তান নিয়ে এক সুখের সংসার। যেখানে অতীত বলে কিছু নেই, আছে ভবিষৎ সুখের এক চিলতে হাসি।
ঘাটাইল উপজেলার নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম শাহীন বলেন, মোমিনের এই দৃষ্টান্তকে উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি তাকে সব রকমের সহায়তার কথা জানালেন এই কর্মকর্তা।

মিরপুরের জল্লাদখানায় স্মৃতিপীঠ

মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের বেনারসী পল্লিতে গিয়ে রিকশাচালককে বলা মাত্রই নিয়ে গেল জল্লাদখানায়। লোকমুখে এই নামে পরিচিত স্থানটি আসলে জল্লাদখানা বধ্যভূমি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বেদনার অনেক ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই বধ্যভূমি। স্থানীয় অবাঙালি আর দেশীয় স্বাধীনতাবিরোধীরা অনেকটা জল্লাদের কায়দায় বাঙালি নিধন করেছে এখানে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে এটি রূপ নিয়েছে জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে। এর সিঁড়ি দিয়ে কয়েক ধাপ নেমে বাম পাশে তাকালে অনেকগু ফলক চোখে পড়বে। সেখানে পাশাপাশি লেখা আছে  সারা দেশের বধ্যভূমির নাম-ঠিকানা। মাঝেমধ্যে কাচের ঘরে বিশেষ কয়েকটি বধ্যভূমির মাটি রাখা আছে। মাটিগুলোর দিকে তাকালে যেন মনে হবে এই মাটিতে আছে শত শত মানুষের কান্না, আর্তনাদ আর তাদের রক্ত-মাংস।
কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমির প্রহরী আবদুর রহিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রতিদিন এটি খোলা থাকে। বিনামূল্যে সবাই এখানে প্রবেশ করতে পারে।’ কাচে ঢাকা একটি কূপ দেখিয়ে তিনি বললেন, ‘এখানে বহু বাঙালিকে ধরে এনে জবাই করে ফেলে দেওয়া হয়।’ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে প্রায় দেড় যুগ আগে জল্লাদখানা বধ্যভূমি থেকে ৭০টি মাথার খুলি ও ৫৩৯২টি হাড়গোড় উদ্ধার করা হয় বলে তিনি জানান।
জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে একদিকে আছে গণহত্যার দেশি-বিদেশি নানা তথ্য, আবার স্থাপত্যশৈলীতেও এটি অনন্য। চারকোণাকৃতির ইটের তৈরি দেয়ালে একটি সূর্যের মুখ ও মানুষের দেহ অবয়বে ইটের প্রতিকৃতি। তার পাশের দেয়ালে তুলে ধরা হয়েছে সারা বিশ্বের বিশ শতকের গণহত্যার তথ্যবহুল একটি ফলক। এ থেকে জানা যায়, বিভিন্ন দেশে গণহত্যায় নিহত মানুষের সংখ্যা। এর মধ্যে আর্মেনিয়ায় ১৫ লাখ, জার্মানিতে এক কোটি ১০ লাখ, ইন্দোনেশিয়ায় ১২ লাখ, ভিয়েতনামে ৩০ লাখ, বাংলাদেশে ৩০ লাখ, কম্বোডিয়ায় ১৭ লাখ, সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় ২ লাখ ২৫ হাজার, রুয়ান্ডায় ১০ লাখ, আফগানিস্তানে ২০ লাখ, পূর্ব তিমুরে ২ লাখ, সুদানে ২০ লাখ মানুষ হত্যার শিকার হয়। সবার শেষে ইংরেজি ও বাংলায় পর্যায়ক্রমে লেখা- ‘ঝঃড়ঢ় এবহড়পরফব/ গণহত্যা বন্ধ কর।’
পুরো স্মৃতিপীঠের পরিকল্পনাকারী স্থপতি রবিউল হুসাইন। এখানে আছে রফিকুন নবীর দেয়ালচিত্র। এই দেয়ালচিত্রে প্রতীকীভাবে উঠে এসেছে শহীদদের কঙ্কাল-করোটি।  এর পাশেই ছোট্ট একটি ঘর। এখানেই আর একটি কূপ। কাচের গ্লাসে ঢাকা। জবাই করে এখানে ফেলে দেওয়া হতো লাশ। পাশে কাচের দেয়ালে ঢাকা একটি শেলফ। রাখা আছে সে সময়ে পাওয়া স্যান্ডেল, জামা-কাপড়, তসবিহসহ ব্যক্তিগত ব্যবহারের নানা জিনিসপত্র। এক পাশের দেয়ালে কাচের ওপরে লেখা এ পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া শহীদদের নাম-ঠিকানা। সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য অভিশপ্ত কূপটি ভারী কাচ দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
কূপঘর থেকে বের হয়ে চোখে পড়ে একটি উঁচু  ইটের নির্মিত স্তম্ভ। এর পাশের ঘরটিতে রয়েছে মন্তব্য করার বইসহ তথ্যবহুল অ্যালবাম। কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমিতে শহীদ আবদুল হাকিমের বড় ছেলের সঙ্গে। তিনি জানান, তার বাবা ও চাচাকে এখানে বিহারিরা ধরে এনে হত্যা করে। তখন তার বয়স ছিল ৭ মাস। তিনি তার মায়ের কাছ থেকে এসব কথা শুনেছেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা এখানে ভয়ে কেউ আসতাম না। ২০০০ সালের আগে এখানে দুপুরের পর কেউ আর আসত না ভয়ে। আশপাশে যারা থাকত তারা দুপুরের আগেই দোকানপাট বন্ধ করে চলে যেত। ১৯৯৯ সালে খনন কাজ শুরু হলে তারপর থেকে এখানে মানুষ আসতে থাকে।
কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমির ইনচার্জ কে এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, এখানে একজন পিয়ন ও ২ জন নিরাপত্তীরক্ষী কাজ করছেন। প্রতি বছর ৮ দিন এখানে অনুষ্ঠান করা হয় ট্রাস্টের অর্থায়নে। শহীদের সন্তানদের নাচ, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় শেখানো হয় ট্রাস্ট থেকে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর বিকেল চারটা থেকে ৩ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। প্রতিদিন ২ জন করে শহীদ পরিবারের সন্তান স্মৃতিচারণ করবেন।
সূত্র ঃ ঢাকা টাইমস্ , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ইং

মিরপুরের জল্লাদখানায় স্মৃতিপীঠ

মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের বেনারসী পল্লিতে গিয়ে রিকশাচালককে বলা মাত্রই নিয়ে গেল জল্লাদখানায়। লোকমুখে এই নামে পরিচিত স্থানটি আসলে জল্লাদখানা বধ্যভূমি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বেদনার অনেক ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই বধ্যভূমি। স্থানীয় অবাঙালি আর দেশীয় স্বাধীনতাবিরোধীরা অনেকটা জল্লাদের কায়দায় বাঙালি নিধন করেছে এখানে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে এটি রূপ নিয়েছে জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে। এর সিঁড়ি দিয়ে কয়েক ধাপ নেমে বাম পাশে তাকালে অনেকগু ফলক চোখে পড়বে। সেখানে পাশাপাশি লেখা আছে  সারা দেশের বধ্যভূমির নাম-ঠিকানা। মাঝেমধ্যে কাচের ঘরে বিশেষ কয়েকটি বধ্যভূমির মাটি রাখা আছে। মাটিগুলোর দিকে তাকালে যেন মনে হবে এই মাটিতে আছে শত শত মানুষের কান্না, আর্তনাদ আর তাদের রক্ত-মাংস।
কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমির প্রহরী আবদুর রহিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রতিদিন এটি খোলা থাকে। বিনামূল্যে সবাই এখানে প্রবেশ করতে পারে।’ কাচে ঢাকা একটি কূপ দেখিয়ে তিনি বললেন, ‘এখানে বহু বাঙালিকে ধরে এনে জবাই করে ফেলে দেওয়া হয়।’ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে প্রায় দেড় যুগ আগে জল্লাদখানা বধ্যভূমি থেকে ৭০টি মাথার খুলি ও ৫৩৯২টি হাড়গোড় উদ্ধার করা হয় বলে তিনি জানান।
জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে একদিকে আছে গণহত্যার দেশি-বিদেশি নানা তথ্য, আবার স্থাপত্যশৈলীতেও এটি অনন্য। চারকোণাকৃতির ইটের তৈরি দেয়ালে একটি সূর্যের মুখ ও মানুষের দেহ অবয়বে ইটের প্রতিকৃতি। তার পাশের দেয়ালে তুলে ধরা হয়েছে সারা বিশ্বের বিশ শতকের গণহত্যার তথ্যবহুল একটি ফলক। এ থেকে জানা যায়, বিভিন্ন দেশে গণহত্যায় নিহত মানুষের সংখ্যা। এর মধ্যে আর্মেনিয়ায় ১৫ লাখ, জার্মানিতে এক কোটি ১০ লাখ, ইন্দোনেশিয়ায় ১২ লাখ, ভিয়েতনামে ৩০ লাখ, বাংলাদেশে ৩০ লাখ, কম্বোডিয়ায় ১৭ লাখ, সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় ২ লাখ ২৫ হাজার, রুয়ান্ডায় ১০ লাখ, আফগানিস্তানে ২০ লাখ, পূর্ব তিমুরে ২ লাখ, সুদানে ২০ লাখ মানুষ হত্যার শিকার হয়। সবার শেষে ইংরেজি ও বাংলায় পর্যায়ক্রমে লেখা- ‘ঝঃড়ঢ় এবহড়পরফব/ গণহত্যা বন্ধ কর।’
পুরো স্মৃতিপীঠের পরিকল্পনাকারী স্থপতি রবিউল হুসাইন। এখানে আছে রফিকুন নবীর দেয়ালচিত্র। এই দেয়ালচিত্রে প্রতীকীভাবে উঠে এসেছে শহীদদের কঙ্কাল-করোটি।  এর পাশেই ছোট্ট একটি ঘর। এখানেই আর একটি কূপ। কাচের গ্লাসে ঢাকা। জবাই করে এখানে ফেলে দেওয়া হতো লাশ। পাশে কাচের দেয়ালে ঢাকা একটি শেলফ। রাখা আছে সে সময়ে পাওয়া স্যান্ডেল, জামা-কাপড়, তসবিহসহ ব্যক্তিগত ব্যবহারের নানা জিনিসপত্র। এক পাশের দেয়ালে কাচের ওপরে লেখা এ পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া শহীদদের নাম-ঠিকানা। সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য অভিশপ্ত কূপটি ভারী কাচ দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
কূপঘর থেকে বের হয়ে চোখে পড়ে একটি উঁচু  ইটের নির্মিত স্তম্ভ। এর পাশের ঘরটিতে রয়েছে মন্তব্য করার বইসহ তথ্যবহুল অ্যালবাম। কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমিতে শহীদ আবদুল হাকিমের বড় ছেলের সঙ্গে। তিনি জানান, তার বাবা ও চাচাকে এখানে বিহারিরা ধরে এনে হত্যা করে। তখন তার বয়স ছিল ৭ মাস। তিনি তার মায়ের কাছ থেকে এসব কথা শুনেছেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা এখানে ভয়ে কেউ আসতাম না। ২০০০ সালের আগে এখানে দুপুরের পর কেউ আর আসত না ভয়ে। আশপাশে যারা থাকত তারা দুপুরের আগেই দোকানপাট বন্ধ করে চলে যেত। ১৯৯৯ সালে খনন কাজ শুরু হলে তারপর থেকে এখানে মানুষ আসতে থাকে।
কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমির ইনচার্জ কে এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, এখানে একজন পিয়ন ও ২ জন নিরাপত্তীরক্ষী কাজ করছেন। প্রতি বছর ৮ দিন এখানে অনুষ্ঠান করা হয় ট্রাস্টের অর্থায়নে। শহীদের সন্তানদের নাচ, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় শেখানো হয় ট্রাস্ট থেকে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর বিকেল চারটা থেকে ৩ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। প্রতিদিন ২ জন করে শহীদ পরিবারের সন্তান স্মৃতিচারণ করবেন।
সূত্র ঃ ঢাকা টাইমস্ , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ইং

সাংবাদিক শাহীন স্মরণে ঘাটাইল প্রেস ক্লাবে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল

সিনিয়র প্রতিনিধি ঃ
টাাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যকরি সদস্য আমাদের সময় পত্রিকা ও ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি  বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এহসানুল হক খান শাহীনের অকাল মৃত্যুতে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে ঘাটাইল প্রেসক্লাবে  শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে শোকসভায় বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল, সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মিঞা, সহ সভাপতি সাজ্জাদ রহমান, সাংবাদিক মাজহারুল শিহাব উত্তম আর্য্য, রবিউল আলম বাদল, বিঞ্চু প্রিয় দ্বীপ মোঃ মাসুম মিয়া, খায়রুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম। সাংবাদিক শাহীন স্মরণে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। 

ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত


খাদেমুল মামুন, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল):
জেলার ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় এক শিশু নিহত হয়েছেন। নিহত শিশুটির নাম ইতি (৩)। সে ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের ইদ্রিস আলীর মেয়ে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। আহতদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার লক্ষিন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসির কাছ থেকে জানাযায়, কয়েকজন যাত্রী অটোভ্যানে লক্ষিন্দর থেকে সাগরদিঘী আসার পথে পিছনদিক থেকে আসা কলা ভর্তি করে একটি ট্রাক অটো ভ্যানে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু ইতি। মারাত্বকভাবে আহত হন ইতি'র মা এবং দাদিসহ আরো তিন জন।

তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাৎক্ষনিক ভাবে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, নিহত শিশুটিকে আমরা থানায় নিয়ে এসেছি এবং ট্রাকের বিরোদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত


খাদেমুল মামুন, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল):
জেলার ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় এক শিশু নিহত হয়েছেন। নিহত শিশুটির নাম ইতি (৩)। সে ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের ইদ্রিস আলীর মেয়ে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। আহতদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার লক্ষিন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসির কাছ থেকে জানাযায়, কয়েকজন যাত্রী অটোভ্যানে লক্ষিন্দর থেকে সাগরদিঘী আসার পথে পিছনদিক থেকে আসা কলা ভর্তি করে একটি ট্রাক অটো ভ্যানে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু ইতি। মারাত্বকভাবে আহত হন ইতি'র মা এবং দাদিসহ আরো তিন জন।

তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাৎক্ষনিক ভাবে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, নিহত শিশুটিকে আমরা থানায় নিয়ে এসেছি এবং ট্রাকের বিরোদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৬

ঘাটাইলে ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

হামিদপুর (ঘাটাইল) প্রতিনিধিঃ
মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে গত মঙ্গলবার মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ-হামিদপুর শাখার উদ্দোগে ট্রাক মালিক সমিতির কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রেজাউল করিম খান রাজুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরষিদ  কেন্দ্রীয় কমিটির  সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আবদুর রহমান। এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক  মীর তাওহীদ সৈকত।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্ঠা সৈয়দ বদরুদ্দোজা রেজভী। মীর সাদ্দাম হোসেন, ফাহাদ হোসেন, ছাব্বির হোসেন প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক জীবন সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন সা¤্রাজ্যবাদ ও আদিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের একজন সিপাহসালার। তিনি আজীবন সাধারন মানুষের শোষন-বঞ্চনার বিরোদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। পরিশেষে মওলানা ভাসানী হুজুরের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

ঘাটাইলে ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

হামিদপুর (ঘাটাইল) প্রতিনিধিঃ
মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে গত মঙ্গলবার মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ-হামিদপুর শাখার উদ্দোগে ট্রাক মালিক সমিতির কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রেজাউল করিম খান রাজুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরষিদ  কেন্দ্রীয় কমিটির  সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আবদুর রহমান। এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক  মীর তাওহীদ সৈকত।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্ঠা সৈয়দ বদরুদ্দোজা রেজভী। মীর সাদ্দাম হোসেন, ফাহাদ হোসেন, ছাব্বির হোসেন প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক জীবন সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন সা¤্রাজ্যবাদ ও আদিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের একজন সিপাহসালার। তিনি আজীবন সাধারন মানুষের শোষন-বঞ্চনার বিরোদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। পরিশেষে মওলানা ভাসানী হুজুরের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।