মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৬

পর্নো-সাইট বন্ধের বিষয়টি পরিস্কার করলেন তারানা হালিম

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি সাইট ব্যবহারকারীদের তালিকা তৈরি করছে সরকার- এমন ভিত্তিহীন সংবাদে বিভ্রান্ত না হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
তিনি বলেছেন, যেকোন ব্যক্তিরই তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কোথাও কোন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে সবার ধারণা স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
“পর্ন সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার প্রশ্নই আসেনা। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।
পর্ন সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার কোন কথা কখনই বলিনি। এটি হবেও না। টেকনিক্যালিও সম্ভব নয়। মানুষের পরিচয় তথা ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা দিতে আমরা বাধ্য ও বদ্ধপরিকর। কিন্তু দুঃখ এটিই যে, এমন তালিকা করা হবে, এ ধরণের ভিত্তিহীন রটনা পড়ে সত্যাসত্য যাচাই না করেই নিজ নিজ ফেসবুক আইডিতে কিছু কিছু ব্যক্তি নেতিবাচক পোস্ট দিতে শুরু করলেন- ট্রল করা শুরু করলেন। সভ্যতা, ভব্যতার মাত্রাও অতিক্রম করলেন অনেকেই। আমরা হয়তো কোন পদে আছি- কিন্তু তারও আগে আমরা মানুষ। আপনাদের সকলের মতো কষ্ট-দুঃখ, মান-অপমানবোধ আমাদেরও আছে। আমরা ভিন গ্রহের বাসিন্দা নই। রক্ত-মাংসের মানবিকবোধসম্পন্ন আবেগময় মানুষ আমরাও। সেটি কি ভাবেন?
মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, আমাদের কাজের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দেবার অধিকারও আছে।কিন্তু সত্য না জেনে কাউকে অপমান করার অধিকার যেমন আমার নেই, তেমনি আপনারও নেই।
সত্য হচ্ছে, আমরা দেশের ভিতরের পর্ন সাইট বন্ধের উদ্দেশ্যে কমিটি করেছি। তারা দেশের ভিতরের পর্ন সাইটগুলোর তালিকা দেবে (কোন ব্যক্তির নয়)। দেশের ভিতরের পর্ন সাইটগুলো বন্ধ করতে ISP ও IIG'রা পদক্ষেপ নিবে। যদিও রিপোর্টটি এখনও হাতে পাই নি।
বাইরে থেকে জেনারেটেড বা ইউটিউবে এসব কন্টেন্ট পুরোপুরি ব্লক করা যায় না- যদি সত্তর ভাগও করা যায়, মানুষ উপকৃত হবে।
আমি কতগুলো কাজের কথা বলেছি, সবই কিন্তু করেছি, করছি। এটাও করতে চাইছি। কারণ একাধিক পত্রিকার খবরে দেখলাম, দেশের জনগোষ্ঠীর একটা অংশ পর্ন-আসক্তির কারণে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু কারো নামের তালিকা প্রকাশের প্রশ্নই আসে না। যারা আমাকে নিয়ে ট্রল করছেন, তাদেরকে অনুরোধ করছি, আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানান:
পর্ন সাইটগুলো নিয়ন্ত্রিত হোক, তা কি আপনারা চান, নাকি চান না?
না চাইলে দৃঢ়ভাবে বলুন, চান না।
ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- এখানে প্রত্যেকেই নিজে নিজ রাজ্যের রাজা। কিন্তু রাজা হলেই জুলুম করা যায় না। কলম থাকলেই সাংবাদিক হওয়া যায় না। দু'একদিন মিছিলে গেলেই রাজনীতিবিদ হওয়া যায় না। জন্ম নিলেই মানুষ হওয়া যায় না। আসুন, আমরা মানুষ হই। কাউকে ছোট করে কিছু লেখার আগে শতবার ভাবি। কারণ, মানুষ হওয়াই সবচেয়ে কঠিন কাজ। চলুন, এ কাজটি করি সবার আগে। সবাইকে ধন্যবাদ।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।
তারানা হালিম
প্রতিমন্ত্রী,
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ,
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়।”

পর্নো-সাইট বন্ধের বিষয়টি পরিস্কার করলেন তারানা হালিম

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি সাইট ব্যবহারকারীদের তালিকা তৈরি করছে সরকার- এমন ভিত্তিহীন সংবাদে বিভ্রান্ত না হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
তিনি বলেছেন, যেকোন ব্যক্তিরই তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কোথাও কোন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে সবার ধারণা স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
“পর্ন সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার প্রশ্নই আসেনা। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।
পর্ন সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার কোন কথা কখনই বলিনি। এটি হবেও না। টেকনিক্যালিও সম্ভব নয়। মানুষের পরিচয় তথা ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা দিতে আমরা বাধ্য ও বদ্ধপরিকর। কিন্তু দুঃখ এটিই যে, এমন তালিকা করা হবে, এ ধরণের ভিত্তিহীন রটনা পড়ে সত্যাসত্য যাচাই না করেই নিজ নিজ ফেসবুক আইডিতে কিছু কিছু ব্যক্তি নেতিবাচক পোস্ট দিতে শুরু করলেন- ট্রল করা শুরু করলেন। সভ্যতা, ভব্যতার মাত্রাও অতিক্রম করলেন অনেকেই। আমরা হয়তো কোন পদে আছি- কিন্তু তারও আগে আমরা মানুষ। আপনাদের সকলের মতো কষ্ট-দুঃখ, মান-অপমানবোধ আমাদেরও আছে। আমরা ভিন গ্রহের বাসিন্দা নই। রক্ত-মাংসের মানবিকবোধসম্পন্ন আবেগময় মানুষ আমরাও। সেটি কি ভাবেন?
মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, আমাদের কাজের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দেবার অধিকারও আছে।কিন্তু সত্য না জেনে কাউকে অপমান করার অধিকার যেমন আমার নেই, তেমনি আপনারও নেই।
সত্য হচ্ছে, আমরা দেশের ভিতরের পর্ন সাইট বন্ধের উদ্দেশ্যে কমিটি করেছি। তারা দেশের ভিতরের পর্ন সাইটগুলোর তালিকা দেবে (কোন ব্যক্তির নয়)। দেশের ভিতরের পর্ন সাইটগুলো বন্ধ করতে ISP ও IIG'রা পদক্ষেপ নিবে। যদিও রিপোর্টটি এখনও হাতে পাই নি।
বাইরে থেকে জেনারেটেড বা ইউটিউবে এসব কন্টেন্ট পুরোপুরি ব্লক করা যায় না- যদি সত্তর ভাগও করা যায়, মানুষ উপকৃত হবে।
আমি কতগুলো কাজের কথা বলেছি, সবই কিন্তু করেছি, করছি। এটাও করতে চাইছি। কারণ একাধিক পত্রিকার খবরে দেখলাম, দেশের জনগোষ্ঠীর একটা অংশ পর্ন-আসক্তির কারণে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু কারো নামের তালিকা প্রকাশের প্রশ্নই আসে না। যারা আমাকে নিয়ে ট্রল করছেন, তাদেরকে অনুরোধ করছি, আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানান:
পর্ন সাইটগুলো নিয়ন্ত্রিত হোক, তা কি আপনারা চান, নাকি চান না?
না চাইলে দৃঢ়ভাবে বলুন, চান না।
ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- এখানে প্রত্যেকেই নিজে নিজ রাজ্যের রাজা। কিন্তু রাজা হলেই জুলুম করা যায় না। কলম থাকলেই সাংবাদিক হওয়া যায় না। দু'একদিন মিছিলে গেলেই রাজনীতিবিদ হওয়া যায় না। জন্ম নিলেই মানুষ হওয়া যায় না। আসুন, আমরা মানুষ হই। কাউকে ছোট করে কিছু লেখার আগে শতবার ভাবি। কারণ, মানুষ হওয়াই সবচেয়ে কঠিন কাজ। চলুন, এ কাজটি করি সবার আগে। সবাইকে ধন্যবাদ।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।
তারানা হালিম
প্রতিমন্ত্রী,
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ,
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়।”

‘বোন’কে বিয়ে করছেন আমন!

বিনোদন ডেস্ক: রিল লাইফে তারা ভাই-বোন। তবে বাস্তব জীবনে হতে চলেছেন স্বামী-স্ত্রী। আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিয়ে করবেন অভিনেতা আমন বর্ম ও অভিনেত্রী বন্দনা লালওয়ানি।
'শপথ' নামের একটি হিন্দি সিরিয়ালে ভাই-বোনের অভিনয় করেছিলেন আমন-বন্দনা। গত ২০ এপ্রিল বিয়ের কথা ছিল তাদের কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত মার্চে গাড়ি দুর্ঘটনায় আমনের বাবা মারা যান। ফলে পিছিয়ে যায় এই শুভ অনুষ্ঠান। সে সময়ে খুব ভেঙেও পড়েন তারা।
২০১৫-র ১৪ ডিসেম্বর দিল্লিতে বন্দনার সঙ্গে এনগেজমেন্ট হয়েছিল আমনের। তবে বাবার মৃত্যুতে বিয়ে পিছিয়ে যায়। এনগেজমেন্টের ঠিক এক বছর পরের দিনটিতে বিয়ে করছেন তাঁরা।
ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আত্মীয়দের উপস্থিতিতেই হবে এই বিয়ের অনুষ্ঠান। কোনও জাঁকজমক করা হচ্ছে না। আমনের কথায়, ‘আগামী ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর মুম্বাইতে ছোট্ট অনুষ্ঠান হবে। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ থেকে কিছু আত্মীয় আসবেন। আমি নিজে মাকে আনতে নয়ডা যাচ্ছি। তবে সবটাই খুব ঘরোয়া ভাবে হবে।’

শনিবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৬

ঘাটাইলে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)  প্রতিনিধি ঃ 
নানা কর্মসূচীর  মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শনিবার (১০ ডিসেম্বর) ঘাটাইল হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে । কর্মসূচীর মধ্যে ছিলো  জাতীয় পতাকা উত্তোলন সেই সাথে মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন , র‌্যালি , কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ  ও আলোচনা  সভা । 
উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে  আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন , উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন ,  উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু , যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ , সাবেক পৌর মেয়র হাসান আলী , অধ্যপক শামসুল আলম মনি , পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান , আতিকুর রহমান প্রমুখ।  ।   

ঘাটাইলে দুর্নীতি বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, আমাদের ঘাটাইল ঃ 
সবাই মিলে লড়বো , দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ  গড়বো - এই শ্লোগান কে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুর্নীতি বিরোধী আলোচনা সভা ও র‌্যালী  অনুষ্ঠিত হয়েছে । শনিবার সকালে া ঘাটাইল দাখিল মাদ্রাসায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয় ।  অধ্যাপক আলহাজ্ব মতিয়ুর রহমান খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন , দুর্নীতি দমন কমিশনের কোর্ট পরিদর্শক মোঃ আমীনুল ইসলাম । অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ঘাটাইল উপজেলা শাখার  সহ সভাপতি লিয়াকত আলী , সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব লুৎফর রহমান তাং , যুগ্মা সম্পাদক খান ফজলুর রহমান  ,আতিকুর রহমান , আঃ বারী খান , নাসরিন লায়লা প্রমুখ।  আলোচনা সভায় বক্তারা ঐক্য বদ্ধ ভাবে দুর্নীতি মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ।

ঘাটাইলে দুর্নীতি বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, আমাদের ঘাটাইল ঃ 
সবাই মিলে লড়বো , দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ  গড়বো - এই শ্লোগান কে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুর্নীতি বিরোধী আলোচনা সভা ও র‌্যালী  অনুষ্ঠিত হয়েছে । শনিবার সকালে া ঘাটাইল দাখিল মাদ্রাসায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয় ।  অধ্যাপক আলহাজ্ব মতিয়ুর রহমান খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন , দুর্নীতি দমন কমিশনের কোর্ট পরিদর্শক মোঃ আমীনুল ইসলাম । অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ঘাটাইল উপজেলা শাখার  সহ সভাপতি লিয়াকত আলী , সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব লুৎফর রহমান তাং , যুগ্মা সম্পাদক খান ফজলুর রহমান  ,আতিকুর রহমান , আঃ বারী খান , নাসরিন লায়লা প্রমুখ।  আলোচনা সভায় বক্তারা ঐক্য বদ্ধ ভাবে দুর্নীতি মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ।

আজ ঘাটাইল হানাদার মুক্ত দিবস

 ঘাটাইল, টাঙ্গাইল :
আজ শনিবার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল হানাদার মুক্ত দিবস।
১৯৭১ সালের এই দিন সকালে জামালপুর ও ময়মনসিংহ যৌথ বাহিনীর হাতে পরাস্ত্র হওয়া হানাদার বাহিনীর ৪০০টি গাড়ির কনভয় মধুপুরের দিকে পিছিয়ে আসতে শুরু করে।
আত্মরক্ষার তাগিদে পাকবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার কাদের খান, ব্রিগেডিয়ার আক্তার নেওয়াজ ও লেঃ কর্ণেল সুলতান মাহমুদের কমান্ডের ৬ হাজার পাক সেনা টাঙ্গাইলের রাস্তা ধরে ঢাকার দিকে যাওয়া শুরু করে।
দুপুর ১২.০০ টায় হানাদার দলটি ঘাটাইলে বানিয়াপাড়া ব্রিজের কাছে এলে কামান্ডার হাবিবের (জাহাজ মারা হাবিব) নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ঐ কনভয়ে আক্রমন চালায়। প্রায় দেড় ঘন্টা তুমুল যুদ্ধ হয়।
মুক্তি বাহিনীর আক্রমনে বিপর্যস্ত পাকবাহিনী দক্ষিনে টাঙ্গাইলের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এ সময় যৌথ বাহিনীর তিনটি ভারতীয় মিগ-২১ ঘাটাইল ও গোপালপুরের উপর উপর্যুপুরি স্ট্র্যাফিং শুরু করে।
এক দিকে বিমান বাহিনীর হামলা অন্যদিকে মুক্তিবাহিনীর আক্রমনে হানাদার বাহিনী টাঙ্গাইলের দিকে পালিয়ে যায়। এসময় ঘাটাইল সম্পূর্ন ভাবে শত্রু মুক্ত হয়।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঘাটাইল উপজেলা কমান্ডসহ বিভিন্ন সংগঠন দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৬

ঘাটাইল সেনানিবাসে ওয়াল্টন বিজয় দিবস কাপ গল্ফ টুর্নামেন্ট শুরু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে ২য় ওয়াল্টন বিজয় দিবস কাপ গল্ফ টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ডিসেম্বর) বিকেলে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩০৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আনিসুর রহমান। এসময টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষক ওয়াল্টনের চেয়ারম্যান এস এম নুরুল আলম রেজভী, ক্রীড়া ও সমাজকল্যান বিভাগের পরিচালক এস এম আনোয়ার কবির ডনসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ঘাটাইল ছাড়াও যমুনা, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন গল্ফ ক্লাবের সাব জুনিয়ার, জুনিয়ার লেডি এবং নিয়মিত একশ জনের অধিক গল্ফার প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।

ভিপি সাইদের উপর হামলাকারীদের বিচারের দাবীতে ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজ শিক্ষকদের মানববন্ধন

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ 
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জিবিজি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি আবু সাঈদ রুবেলের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জিবিজি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীদের উদ্যোগে কলেজ মাঠে মানবন্ধন  অনুষ্ঠিহ হয়।
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জিবিজি কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম মণি, উপধক্ষ্য মতিয়ার রহমান, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের খান, বেলী খালিদ, এজিএস রঞ্জু আহমেদ প্রমুখ।   
উল্লেখ্য যে, গত ১০ নভেম্বর ভিপি আবু সাইদ রুবেল কে  ঘাটাইল কলেজ মাঠে  ইসলামী মাহফিল শুনে বাড়ি ফেরার সময় একদল সন্ত্রাসী তাকে কুপিয়ে গুরত্বর 
আহত করে। এখন পর্যন্ত সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

বুধবার, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৬

ঘাটাইলে জি.বি.জি কলেজ ছাত্র সংসদের মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ ঘাটাইলে জিবিজি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি আবু সাঈদ রুবেলের উপর হামলাকারীদের
গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে টাঙ্গাইল- ময়মনসিংহ মহাসড়কে জি.বি.জি কলেজ ছাত্র সংসদের উদ্যোগে  মানবন্ধন  অনুষ্ঠিহ হয় ।  ছাত্র সংসদের এজিএস রণজু আহম্মেদের নেতৃত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান , উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম , যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ,ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হক প্রমুখ । বক্তারা অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে সঠিক দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবী জানান। এদিকে হামলাকারীদের বিচারের দাবী জানিয়ে ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজ অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে কলেজ শাখুা ছাত্র সংসদের নেতাকর্মীরা ।   
উল্লেখ্য যে, গত ১০ নভেম্বর ভিপি আবু সাইদ রুবেল কে  ঘাটাইল কলেজ মাঠে  ইসলামী মাহফিল শুনে বাড়ি ফেরার সময় একদল সন্ত্রাসী তাকে কুপিয়ে গুরত্বর 
আহত করে। এখন পর্যন্ত সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।