মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৯, ২০১৯

ঘাটাইলের সিংগুরিয়া-বগাজান রাস্তাটি যেন মরণ ফাঁদ

মিজান সরকার, ঘাটাইল: টাংগাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার একটি অবহেলিত এলাকা হচ্ছে আনেহলা ইউনিয়নের পশ্চিম এলাকা। সারাদেশে যেখানে উন্নয়নের গণজোয়ার চলছে, সেখানে এই এলাকার উন্নয়নের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। ইউনিয়নটির সিংগুরিয়া অঞ্চলের গণমানুষের দীর্ঘদিনের পুরনো দাবি সিংগুরিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে বগাজান মোড় পর্যন্ত রাস্তা পাকাঁকরণ। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য মারপ্যাঁচে আটকে আছে এই এলাকার আট দশ হাজার মানুষের সুষ্ঠু যাতায়াত ব্যবস্থাটা।

বলা বাহুল্য, ঘাটাইলের সিংগুরিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে বগাজান মোড় পর্যন্ত রাস্তার দূরত্ব মাত্র দুই কিলোমিটার। অথচ এই দুই কিলোমিটারের অন্তর্ভুক্ত রাস্তাকে ঘিরে রয়েছে একাধিক সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আব্দুল হালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যালয়, সিংগুরিয়া মহিলা বি এম কলেজ, সিংগুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এস এম শাহজাহান কিন্ডার গার্টেন বগাজান, মাদার চাইল্ড কিন্ডার গার্টেন সিংগুরিয়া, অন্বেষা বিদ্যানিকেতন সিংগুরিয়া, আইডিয়াল টিউটোরিয়াল হোম, মর্ডান কিন্ডার গার্ডেন বগাজান, সিংগুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক, ফাতেমা এন্ড মক্কা অটো রাইস প্রসেসিং মিল সহ আরও একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই রাস্তাটিকে ঘিরে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত করতে হয় এই রাস্তায়। বর্ষা মৌসুম আসলে এ রাস্তায় পরিবহন চলা তো দুরে থাক, হেটে চলারও সম্পুর্ন অযোগ্য হয়ে পরে।

এলাকাবাসী একাধিকবার এ নিয়ে আন্দোলনের ডাক দিলেও বিষয়টির প্রতি দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং কর্তৃপক্ষ কোন সুনজর দিচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘাটাইল উপজেলার আশপাশের ইউনিয়নের অনেক পায়ে হাটার রাস্তা পর্যন্ত পাকাঁ হচ্ছে। অথচ আঞ্চলিক যোগাযোগের এই ব্যস্ততম রাস্তাটির সংস্কার হচ্ছে না। শুধু এই দুই কিলোমিটার রাস্তা পাঁকা হলেই এলাকার কাঙ্খিত উন্নয়ন হওয়া সম্ভব বলে দাবী করছেন এলাকাবাসী। কারন একটি এলাকার উন্নয়ন নির্ভর করে ঐ এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থার উপর। যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো হলে ঐ এলাকার উন্নয়ন তরান্বিত হয়।

এলাকাবাসী কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয় নিবেদন জানান এই রাস্তাটুকুর প্রতি যতদ্রুত সম্ভব সুনজর দিন, এলাকাবাসীর অবর্ণনীয় দুঃখ ঘোচাতে সহায়তা করুন।

টাঙ্গাইলে ছেলেকে হত্যা করে পালালেন বাবা-মা

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদনগর ইউনিয়নের পারবুহুলী গ্রামে ইকবাল (২৬) নামে এক যুবককে হত্যা করে তার বাবা-মা পালিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সকালে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত ইকবাল ওই গ্রামের শামসুল হকের ছেলে।

ইউপি সদস্য আবুবকর সিদ্দিকী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইকবাল মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। মাঝেমধ্যে সে তার বাবা-মাকে মারপিট করতেন।

মঙ্গলবার ভোরে নিহতদের বাড়ি থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান ইকবাল মাটিতে পড়ে আছেন এবং তার বাবা-মা পালিয়ে গেছেন।

সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার ও নিহতের ছোট ভাই জহুরুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ইকবালকে তার বাবা মাথায় আঘাত করে হত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার, এপ্রিল ০৮, ২০১৯

ঘাটাইলে দুই মিষ্টি ব্যবসায়ীর জরিমানা

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মিষ্টি প্যাকেটজাতকরণের নামে ওজনে কম দেওয়ার অপরাধে দুই মিষ্টি ব্যবসায়ী থেকে জরিমানা আদায় করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইফতেখারুল আলম রেজভী। আজ সোমবার (৮ এপ্রিল) বিকালে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকা অবস্থিত ‘ভাই ভাই মিষ্টান্ন ভান্ডার’ এবং ‘মেসার্স জয়কালী মিষ্টান্ন ভান্ডার’ এ মিষ্টি প্যাকেটজাতকরণের নামে প্রতি কেজিতে মিষ্টি কম দেওয়ার অপরাধে জরিমানা আদায় করেন আদালত।

জানা যায়, ২ কেজি মিষ্টি কিনলে প্রতি কেজিতে মিষ্টির প্যাকেট দেওয়া হয় একটি করে। প্রতি মিষ্টির প্যাকেটের ওজন ২০০ গ্রাম করে হলে তাতে মিষ্টি কম পাওয়া যায় ৪০০ গ্রাম। এই ৪০০ গ্রাম মিষ্টির বাজার মূল্য ৬০ টাকা। এই ৬০ টাকা মিষ্টির প্যাকেট বাবদ নেওয়া হচ্ছে, মিষ্টি পরিমাণে কম দেওয়া হচ্ছে। ভ্রাম্যমান আদালত সরেজমিনে এক একটি মিষ্টির বাক্সের গড় ওজন ২০০ গ্রাম করে পেয়েছেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইফতেখারুল আলম রেজভী এ সময় জানান, খাদ্যে ভেজাল রোধে এবং অন্যান্য আইন ভঙ্গের দায়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়, জনস্বার্থে যা অব্যাহত থাকবে।

ঘাটাইলে ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক

শফিকুল ইসলাম জয়, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের গুপ্তবৃন্দাবন ওয়ার্ড এলাকা থেকে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে মাদক সহ হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার (৮ এপ্রিল) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাগরদিঘী তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম আকন্দ চিনি (৫০), হযরত আলীর ছেলে বুলবুল হোসেন আকন্দ বুলু (৩৫) এবং আঃ খালেকের ছেলে খলিলুর রহমান (৩৮)। এরা সবাই উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের গুপ্তবৃন্দাবন ওয়ার্ডের শোলাকুড়া গ্রামের বাসিন্দা। গুপ্তবৃন্দাবন বাজার এলাকা থেকে প্রায় ১১০ গ্রাম গাজাঁসহ তাদের আটক করা হয়।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গুপ্তবৃন্দাব­ন বাজারে তমালতলা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকের কারবার করে আসছেন তারা। এদের ছত্রছায়ায় এলাকায় গড়ে ওঠেছে মাদকের ভয়াবহ সিন্ডিকেট। এরা লোকচক্ষুর আড়ালে লিপ্ত ও নানা বেআইনি কাজে জড়িত।

এদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, এদের কারণে স্কুল-কলেজের ছেলেরা নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। সন্ধা হলেই এরা স্কুল আঙ্গিনায় বসায় মাদকের হাট।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাকছুদুল আলম জানান, সোমবার বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) জনাব মোঃ আশরাফুল ইসলাম (আইসি), সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় মাদক ব্যবসায়ী মোঃ খলিলুর রহমান (৩৫), মোঃ সাইফুল ইসলাম আকন্দ চিনি ও বুলবুল ইসলাম আকন্দ (৩০) কে ১১০ গ্রাম গাজা সহ গ্রেফতার করা হয়। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকারি চাকরির ভালোমন্দ

চাকরির পত্রিকাগুলোতে নিয়মিত চোখ রাখে বিপ্লব। সরকারি চাকরির সার্কুলারগুলো খুটিয়ে দেখে, সেই অনুযায়ী আবেদনও করে। তার লক্ষ্য সরকারি চাকরি, বিশেষত বিসিএস এবং দেশের স্বনামধন্য ব্যাংকগুলো। সামনে আসছে বিসিএস প্রিলিমিনারি, বেশ কিছু সরকারি ব্যাংকের চাকরি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পাট চুকেছে তাও দুবছর আগে। ছাত্রজীবন শেষ করার আগে থেকে এখন পর্যন্ত সরকারি চাকরি নামক সোনার হরিণের পিছনে ছুটছে এখনো। এত সময় সরকারি চাকরির জন্য অপেক্ষার অন্যতম কারণ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা এবং সামাজিক ভালো অবস্থান।

সরকারি চাকরির বাজার বর্তমান দিনগুলোতে অনেক বেশি। কারণ বেসরকারি চাকরিতে বিভিন্ন অনিশ্চয়তা, খাটুনি অনেকেই নিতে চায় না। এখন তো একটা ছেলের লক্ষ্যই হয়ে গেছে সরকারি চাকরি, নইলে নাকি বিয়ের বাজারে ভালো মেয়েই পাওয়া যাবে না! শুনতে হাস্যকর হলেও তো এমনটা হচ্ছে এখন। কেন সরকারি চাকরির পিছনে এত লম্বা লাইন, এর ভালোমন্দ নিয়ে থাকছে আজকের আলোচনা-

সুবিধা বা ভালো দিকগুলো

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে বেতন স্কেলসুবিধা যথেষ্ট বাড়নো হয়েছে। যোগদানের শুরুতেই এখন ভালো পরিমাণের একটা বেতন মিলছে। এর পাশাপাশি প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি, পদোন্নতির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, চাকরির নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ছুটি, পরিবহন ও আবাসন সুবিধা, সন্তানদেরকে স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার, অবসরকালীন সুবিধার পাশাপাশি সামাজিক মর্যাদাও সরকারি চাকরির অন্যতম ভালো দিক।

প্রথমশ্রেণীর পাশাপাশি দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতেও এখন বেতন কাঠামো আকর্ষণীয়। এই পদগুলোতে যারা যোগ দেন, তাদের সমান শিক্ষাগত এবং অন্যান্য যোগ্যতা নিয়ে বেসরকারি চাকরিতে এসব সুযোগ সুবিধা অনেক কম। সেখানে সুনির্দিষ্ট কাঠামো না থাকা, পদোন্নতির জন্য কাজের চেয়ে নিয়োগকর্তার সুনজরে পড়ার বিষয়ও থাকে।

এর বাইরেও বেশকিছু বিষয় রয়েছে। যেমন মাতৃত্বকালীন ছুটি বেশিরভাগ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য চার মাস হলেও সরকারি চাকরিজীবীরা এই ছুটি পান ছয় মাসের। নৈমিত্তিক ছুটি সরকারি চাকুরেরা ইচ্ছা অনুযায়ী কাটাতে পারলেও বেসরকারি চাকুরেরা সে সুবিধা পান না অনেক ক্ষেত্রেই। অসুস্থতাজনিত ছুটির ক্ষেত্রেও বৈষম্য রয়েছে। আবার সরকারি চাকুরেদের অর্জিত ছুটি জমলে এর বিনিময়ে টাকার জন্য দুশ্চিন্তা করতে হয় না, কিন্তু বেসরকারি চাকরির অনেক ক্ষেত্রেই এসব নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।

আবার সরকারি চাকরিতে আগ্রহের সবচেয়ে বড় কারণ চাকরির নিশ্চয়তা। এটা বেসরকারি খাতের চাকরিতে নেই। কারণ বেসরকারি খাতে সহজেই চাকরিচ্যুত করা যায়। কিন্তু সরকারি চাকরি সহজে যায় না।

সামজিক স্বীকৃতিও অন্যতম একটা বড় কারণ। এছাড়া রয়েছে ক্ষমতা ব্যবহারের চর্চা। একজন সরকারি কর্মকর্তা ক্ষমতা চর্চা করতে পারেন। কিন্তু বেসরকারি খাতে একজন সর্বোচ্চপদধারী ব্যক্তিও ক্ষমতা চর্চা করতে পারেন না।

সরকারি চাকরিতে সময় দেওয়ার নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা আছে। কিন্তু বেসরকারি খাতে সেটা নেই। এসব মিলিয়ে তরুণদের প্রথম পছন্দ থাকে সরকারি চাকরির দিকে। সময় মাপা কাজ কে না করতে চায়!

প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় সরকারি চাকরি করলে লোন পেতে বেশি সুবিধা পাওয়া যায় ৷ তাই লোন পাওয়া নিয়ে বেশি ছুটোছুটি করতেই হয় না ৷ আর ভবিষ্যত নিয়ে কোনো চিন্তা নেই, আছে পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটির ব্যাপারটাও সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অনেক বড় একটি কাঙ্ক্ষিত বিষয়।

সরকারি চাকরির অসুবিধাগুলো

এত সুবিধার মাঝে অসুবিধাও রয়েছে কিছু। বেসরকারি ভালোমানের চাকরিগুলোর সঙ্গে যদি তুলনা করা হয় তো সরকারি চাকরিতে বেতন তুলনামূলক কম। এখানে অতিরিক্ত কমিশন, লভ্যাংশের সুযোগ কম। এখানে দুর্নীতির বাইরে সব সুযোগই নির্দিষ্ট।

প্রমোশন বা পদোন্ততি সরকারি চাকরিতে খুব স্থির গতিতে হয়। কোনো কোনো পদে তা আবার হয়ও না। খুব কসরত করে চাকরিতে ঢুকলেন কিন্তু আপনার বেতন, প্রমোশনগুলো কিন্তু সেভাবে আগাবে না।

আরেকটা সমস্যা হলো বদলি করে দেওয়া। শিক্ষকতা, আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত পদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন উচ্চপদস্থ পদেও বদলির বিষযটি ঘটে। এটা কিছুটা অসুবিধার।

মালয়েশিয়ায় ৬ বাংলাদেশি সহ নিহত ১০, আহত বহু

মালয়েশিয়া নিলাই থেকে এয়ারপোর্টগামী বাস দুর্ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি সহ মোট ১০ জন নিহত। আহত হয়েছে আরও অন্তত ২৫ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

জানা গেছে, ৮ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১২ টার দিকে নিলাই থেকে এয়ারপোর্ট গামী বাংলাদেশি কর্মী বাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে ৬ জন বাংলাদেশি সহ ৯জন কর্মী নিহত হয়। এরপর হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থল স্থানীয় পুলিশ ঘিরে রেখেছে। এয়ারপোর্টগামী এই কর্মীগুলোর থাকার হোস্টেল ছিল নিলাই। তারা কাজের উদ্দেশ্যে কেএলআইএ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যাচ্ছিল। সবাই মাসকার্গোতে কর্মরত ছিল।

কেএলআইএ এর পুলিশ প্রধান এসিপি জুলকিফিলি জানান, নিহতদের মধ্যে আটজন বিদেশি কর্মী, বাস চালক এবং একজন স্থানীয় রয়েছে।

তিনি বলেন, সেরডাঙ্গ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজন বিদেশি নাগরিক মারা জান। যিনি একজন মহিলা কর্মী ছিলেন।

জুলকিফিলি জানান, বাসে ৪৩ জন কর্মী ছিলেন। যারা সকলেই বিদেশি।

তিনি আরও জানান, আহতদেরকে চিকিৎসার জন্য সার্ডাঙ্গ হাসপাতালে, পুলরাজায়া হাসপাতাল, ব্যাটিং হসপিটালে এবং কাজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রবিবার, এপ্রিল ০৭, ২০১৯

ঘাটাইল গুডনেইবারস্ বিদ্যালয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল : সমতা ও সংহতি নির্ভর সর্বজনীন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা- এই  প্রতিপাদ্যকে  সামনে রেখে আর্ন্তজাতিক সেচ্ছাসেবী  সংস্থা   গুডনেইবারস বাংলাদেশ সিডিপির উদ্যোগে  বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস  উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোরবার  দুপুরের  গুডনেইবারস বাংলাদেশ  সিডিপি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ  হতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই জায়গায় এসে শেষ হয়। পরে  বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে  গুডনেইবারস বাংলাদেশ সিডিপির  ঘাটাইল শাখার ম্যানাজার মো.জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  এতে বক্তব্য রাখেন,১নং দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম,মেডিক্যাল অফিসার শুভ বসাক,প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা, হেলথ অফিসার মো.শহীন আলম প্রমুখ ।

এসময় বিদ্যালয়ের  শিক্ষক শিক্ষিকা,অভিভাবক,ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহন করেন।  



ভূঞাপুরে মাদক ক্রয়ের টাকা না পেয়ে যুবকের আত্মহত্যা

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদক ক্রয়ের টাকা না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ফরমান আলী নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। তিনি উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। 

ফরমান আলীর চাচা মকবুল হোসেন জানান, ফরমান দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলো। এজন্য বিভিন্ন সময় তাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা করানো হয়েছে। এরপরেও তাকে মাদক গ্রহণ থেকে বিরত রাখা যায়নি। শনিবার সকালে নানাজনের দ্বারস্থ হয়েও মাদক ক্রয়ের টাকার সংগ্রহ করতে পারেনি সে। একপর্যায়ে নেশার তাড়নায় ছটফট করতে থাকে। এমন ঘটনা আগেও ঘটায় বিষয়টি আমুলে নেয়নি কেউ।

পরে স্থানীয়রা দুপুরের দিকে বাড়ির পেছনের একটি গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। 

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আবদুর রহিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

শনিবার, এপ্রিল ০৬, ২০১৯

ঘাটাইলে শীলাবৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

সবুজ সরকার, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শীলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে৷ উপজেলার রসুলপুর ও ধলাপাড়া ইউনিয়নের নেদার বিল ও চাপড়া বিল সহ বেশ কয়েকটি বড় বড় বিলের এবং পার্শবর্তী সখীপুর উপজেলার ইন্দ্রাজানি ইউনিয়নের হাজার হাজার একর জমির ধান তলিয়ে গেছে৷

কৃষি প্রধান দেশে কৃষকদের যখন একমাত্র ভরসা ধান সেখানে এসব অঞ্চলে বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের শেষ সম্বলটুকুও আর ঘরে ফিরলো না৷ গত কয়েক দিনের পর পর দুই দফা শীলাবৃষ্টিতে যেমন নিম্নাঞ্চলের ধান তলিয়ে গেছে ঠিক তেমনি উচু অঞ্চলের ধানের শীষ গুলো বের হওয়ার আগেই শীলাবৃষ্টির আক্রমনে ছিন্নভিন্ন৷

কৃষকরা চৈত্রমাসকে যেমন খড়ার জন্য হাহাকার করতো এবার তার বিপরীত আকার ধারন করেছে প্রকৃতি সামান্য বৃষ্টিতেই নিম্নাঞ্চলের সব ধান পানির নিচে৷

এসব এলাকায় সরোজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বললে তারা জানান, ঘাটাইলের রসুলপুর ইউনিয়নের নেদার বিল থেকে একটি খাল প্রবাহিত হয়ে ধলাপাড়ার চাপড়া বিল দিয়ে সখিপুর উপজেলায় পতিত হয়েছে৷ কিন্তু কিছু প্রভাবশালী অসাধু লোকজন খালটি ভরাট করে ফেলেছে৷ যার ফলে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের মাত্রা কমে গেছে বা বিঘ্নিত হচ্ছে৷ যার জন্য অল্প বৃষ্টিতে পানি জমে ফসলের জমি তলিয়ে যাচ্ছে৷

ভুক্তভোগি হারেজ মিয়া জানান, তিনি সাধারন কৃষক। তার সম্বল বলতে বিলের রোরো ধান তবে তলিয়ে যাওয়ায় তার সম্বলটুকু আর রইলো না৷ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করে এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আকুল আবেদন করেন৷

কাঠালিয়াআটা গ্রামের রফিক মাস্টার জানান, খালটি কিছু অসাধু লোকেরা ভরাট করায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নাই বললেই চলে। তাই পানি জমার ফলে স্বল্প বৃৃষ্টিতেই বিলের জমির ধান তলিয়ে যায়৷

স্থানীয়দের দাবী প্রশাসন যেন দ্রুত প্রদক্ষেপ গ্রহন করে খালটি খননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ গতিশীল করে। যেন আগামী বোরো ফসল ভালোভাবে কৃষক ঘরে তুলতে পারেন৷


পর্ন ছবিতে স্ত্রী: তা দেখে জ্ঞান হারালো স্বামী

লিভ টুগেদারের ঘটনা বর্তমান যুগে অহরহ ঘটছে। লিভ টুগেদার ছাড়িয়ে পরকীয়ার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে বেশীরভাগ। পরিবারের অশান্তি, বিবাদ আর বিবাহ বিচ্ছেদের মূলেও অবৈধ সম্পর্ক বা পরকীয়াকে কেন্দ্র করেই হয়ে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে ঘটনা সম্পূর্ণ উল্টো।

সাইবার ক্যাফেতে বসে ইন্টারনেটে খুব আয়েশ করে পর্নোগ্রাফি দেখতে বসেছিলেন রামাদান হঠাত্‍ মাথায় বাজ পড়লো তার। কিন্তু কে জানত পরিনীতি হবে এমন। ছবির নায়িকাকে দেখে জ্ঞান হারাবেন তিনি!

ঘটনা মিশরের
ছবি শুরু হতেই নায়িকাকে চেনা চেনা ঠেকতে শুরু করেছিল। উত্তেজনাও বাড়তে লাগলো। তার পরে বাস্তবের ধাক্কা আর সামলাতে পারেননি অতঃপর মূর্ছা! কেনোনা পর্ন ভিডিও-টিতে উপস্থিত ছিলো আদরের স্ত্রী। রামাদান বলেছেন, নীল ছবির নায়কাটি আদৌ তাঁর কি না, তা নিশ্চিত করতে তিনি আরও কয়েকটি পর্নোগ্রাফি দেখেন। প্রথম ভিডিও-টি যে নামে ছিলো, প্রায় সেই রকম নামের আরও কয়েকটি ছবি দেখেন। এবং পরে তাঁর আর কোনও সংশয় ছিল না।

রামাদান একেবারে প্রথমে ভেবেছিলেন, তাঁর ও স্ত্রীর গোপন ভিডিও কেউ শ্যুট করে পর্ন সাইটে আপলোড করেছে। কিন্তু যখনই বুঝেছেন, ছবিতে তাঁর স্ত্রী অন্যের সঙ্গে সহবাস করছেন, তখন জ্ঞান হারান।

পরে অবশ্য আদালতে স্ত্রী-ও স্বীকার করেন যে, তিনি তাঁর স্বামীকে কখনওই ভালবাসতেন না। প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের কথাও স্বীকার করেন তিনি।