বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৮

ঘাটাইলে ড্রামের ভিতর থেকে এক ব্যক্তির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার


টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ড্রামের ভিতর থেকে এক ব্যক্তির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে পৌর শহরের খিলপাড়া এলাকার এক পরিত্যক্ত ধান ক্ষেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতের নাম হেলাল (৩২)। সে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার ডুবাইল গ্রামের বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সে ভাঙ্গারির ব্যবসা করতো বলে জানা যায়।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে ড্রামের ভিতর থেকে খণ্ডিত লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় জানা গেছে। তার পরিচয়টি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানান।

রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮

বিইউপিএফ-র সফল ও শ্রেষ্ট ঘাটাইলের দিঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামে অসাধারণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এবং বিভিন্ন মানদন্ডে সর্বোচ্চ স্কোর পেয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ০৭ নং দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামকে গোল্ড মেডেল পদক আর ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের আজীবন সদস্য পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজিম উদ্দিন ভূইয়া রিপন স্বাক্ষরিত স্মারক নং বিইউপিএফ/প্রশাসন/ ২০৫৫/২০১৮ এক পত্রে আজ ১৬ সেপ্টেম্বর (রবিবার) ২০১৮ এ খবর জানানো হয়। জানা যায়, দেশের ৪৫৫৩টি ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৮টি বিভাগের কিছু সংখ্যক ইউনিয়ন পরিষদ লোকাল গর্ভণ্যন্স সার্পোট প্রজেক্ট-৩ (এলজিএসপি-৩) এ দক্ষতা ভিত্তিক অনুদানের জন্য মনোনীত হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামে এ অসাধারণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এই অর্জন ইউনিয়ন পরিষদের অডিট রির্পোট, নিজস্ব উৎস হতে রাজস্ব বৃদ্ধি, হোল্ডিং ট্যাক্স, কর ও নিজস্ব আয়ের রেকর্ড, জনগণের সাথে তথ্য বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন মানদন্ডে সর্বোচ্চ স্কোরে টাঙ্গাইল জেলায় ঘাটাইল উপজেলায় ০৭ নং দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান’ মো.নজরুল ইসলাম কে গোল্ড ম্যাডেল পদক আর ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের আজীবন সদস্য পদে নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে সামাজিক কর্মকান্ড ও উন্নয়নমূলক কাজের মূল্যায়ন হিসেবে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে জন্য টাঙ্গাইল জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয় মো. নজরুল ইসলাম। উল্লেখ্য: গত ২০১৬ সালের ৪ঠা জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নজরুল ইসলাম বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

পেঁপে ও লেবু চাষে বাদলের ভাগ্য বদল

টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের শামছুল হকের ছেলে পেঁপে ও লেবু চাষে ভাগ্য বদল হয়েছে আশিক ইকবাল বাদলের (৩৫)। সে উপজেলার কালিদাশের খামার চালায় লেবু ও পেঁপে চাষ করে অল্প সময়ে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হয়েছেন। এখন সে এলাকার মানুষের অনুকরণীয় লেবু ও পেঁপে চাষীতে পরিণত হয়েছেন। পাহাড়ি এলাকায় তিনি লেবু চাষ করে কৃষি জীবন শুরু করলেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন পেঁপে চাষ করে।

জানা যায়, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে জীবন বিভিন্ন পরাজয়ের গøানি পহাতে হয় আশিক বাদলকে। লজ্জা, গøানি ও পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য র্দীঘ দিন প্রবাসী জীবন কাটান। ইচ্ছে জাগে দেশেই কিছু করে খাবেন কিন্তুু কি করবেন এ প্রশ্নে সম্মুখে হন বারবার। অবশেষে স্থানীয় সফল কৃষক মোসলেম উদ্দিনের সহযোগিতায় লেবু বাগান করেন। নিজ এলাকায় ৪ একর জমি লিজ নেন প্রতি একর বছরে ২৫ হাজার টাকা করে। প্রথম বছরে তেমন কোন লাভবান না হলেও পরের বছর খরচ বাদে ২ লক্ষ টাকা লাভ হয়। এ লাভের টাকা দিয়ে একই মালিকের আরো ৫ একর জমি লিজ নিয়ে পেঁপে চাষ শুরু করেন। ২০১৬ সালে পরিক্ষা মূলক ১৫০০ পেঁপে চাষ করেন। ফলন ভাল হলে এ বছর ফেব্রæয়ারিতে ৫ একর জমিতে ৫ হাজার শাহী জাতের পেঁপে চারা লাগিয়েছেন। ওই বাগানে পেঁপে ফলন ধরা হয়েছে ৫০ টন, যার বাজার মূল্য প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা। স্থানীয় কৃষকদের কাছে আশিক ইকবাল বাদল এখন রোল মডেল। পেঁপে চাষ করে অল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়ায় অন্যান্য কৃষকরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন সবজি জাতীয় এ ফলকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করতে।

কৃষক আশিক ইকবাল বাদল বলেন, জমি লিজ, চারা, সার, কীটনাশক, শ্রমিক সহ নানা খরচ বাবদ এপর্যন্ত আমার ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। আবহাওয়া ভাল থাকলে এ মাসেই ৫০ টন পেঁপে বিক্রি করা যাবে।

খামারচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, আশিক ইকবাল বাদলকে দেখে এলাকায় আরো বেকার যুবকদের পেঁপে চাষে আগ্রহ বেড়েছে।

সখীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ভূইয়া ফাইজুল ইসলাম বলেন, পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ পেঁপের চাহিদা ব্যাপক। পেঁপে চাষে একদিকে যেমন পুষ্টির চাহিদা মেটায় অন্যদিকে অর্থনৈতিক ভাবেও সাবলম্বী হওয়া যায়। ৬ মাসের মধ্যে এজাতের পেঁপে বাজার জাত করা যায়। একটি গাছে চার থেকে পাঁচ মণ পেঁপে আসে।

ঘাটাইলে মাদকের বিরুদ্ধে র‌্যালি ও সমাবেশ


টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের মাদকের বিরুদ্ধে জনতার র‌্যালি ও সমাবেশ অনুঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কদমতলী ব্যবসায়ীর উদ্যোগে মাদক বিরোধী একটি র‌্যালি বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

পরে কদমতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কদমতলী বণিক সমিতির সভাপতি শামছুল হক মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঘাটাইল থানা অফিসার ইনচার্জ মাকসুদুল আলম।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কদমতলী বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি আতা খন্দকার, বণিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তরা বলেন, মাদক সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধী। যে পরিবারে একজন মাদকসেবী রয়েছে সেই পরিবারটির ধ্বংস অনিবার্য। এজন্য প্রত্যেক পরিবারকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অনিয়মই যেখানে নিয়ম


মাসুম মিয়া, ঘাটাইল : ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাইরের দিকটা দেখে মনে হবে বেশ ভালোই চলছে চিকিৎসা সেবা।  বিষয় অনেকটা মাকাল ফলের মতোই। ডাক্তারের পদ শূন্যতা, দায়িত্বে উদাসীনতা, সময়মতো না আসা,  অনিয়মিতভাবে ডিউটি করা, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল আড়াইটা পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকার কথা, সেখানে আসেন সকাল ১১-১২টায়, চলে যান ১টায়। আবার কেউ বছরের পর বছর প্রেষণে রয়েছেন, আর বেতন উত্তোলন করছেন এ হাসপাতাল থেকে। এ ছাড়া রয়েছে দালালদের দৌরাত্ম্য। ফলে হাসপাতালটিতে অনিয়মই যেন এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ হাসপাতালে মঞ্জুরিকৃত ডাক্তারের পদ রয়েছে ২১টি। এর মধ্যে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সহ শূন্য রয়েছে ১২টি পদ। আর এখানে কাগজে কলমে ডাক্তার পোস্টিং রয়েছে ৯ জন। তার মধ্যে মেডিকেল অফিসার ডা. শাহানা পারভীন ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন গত ১২ই নভেম্বর, ২০১১ সালে।

যোগদানের পর তিনি গত ১৬ই মে ২০১২ তারিখ থেকে সাভার কোরিয়া মৈত্রি হাসপাতালে প্রেষণে চলে যান। কাজীর গরু কেতাবে আছে গোয়ালে নেই- অবস্থা এমন। ফলে গত ৫ বছর ধরে এ হাসপাতাল থেকে বেতন উত্তোলন করে দ্বৈত সুবিধা ভোগ করছেন চিকিৎসকরা। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রেষণে থাকার কথা স্বীকার করে ডা. শাহানা পারভীন বলেন- এটাও তো (কোরিয়া মৈত্রি) সরকারি হাসপাতাল এখানেও তো আমি সেবা দিচ্ছি। এছাড়া এটা (সাভার) আমার নিজের এলাকা। যার যার এলাকায় থাকতে কে না চায়। এখানে দালালের দৌরাত্ম্যও কম নয়।  স্বাস্থ্যসেবা গ্রহীতা ফোরামের সভাপতি মাসুদুর রহমান আজাদ বলেন, ফোরামের মাসিক সভায় এ নিয়ে বার বার আলোচনা হয়। আমরা নিজেরাও দালালদের হাসপাতালে ঢুকতে নিষেধ করেছি। হাসপাতালে ডাক্তার স্বল্পতা নিয়েও কথা বলেছি। কোনো কাজ হচ্ছে না। হাজী ক্লিনিকের দালাল পারুল ও কহিনূরের সঙ্গে কথা হয়। জানতে চাইলে তারা বলেন-এমআরসি-সহ অন্যান্য রোগী দিতে পারলে  ২০ থেকে ৫০ টাকা করে পাই। এদিকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ,  নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ, চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ ও অর্থোপেডিক চিকিৎসকের মঞ্জুরিকৃত পদ থাকলেও সব পদই শূন্য রয়েছে বছরের পর বছর। ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ও সহকারী সার্জন ডা. শুভময় পাল জানান, আউটডোর ও ইনডোর মিলে যে কজন ডাক্তার রয়েছে আর রোগীর যে চাপ তাতে আরও ডাক্তার থাকলে চিকিৎসা সেবা ভাল হতো। তিনি আরও বলেন, ৩ জন ডা. থাকেন জরুরি বিভাগে। 

বাকি কয়জনকে আউটডোরে পর্যায়ক্রমে ডিউটি করতে হয়। অপর দিকে ঘাটাইলের ৫ লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ২০০৬ সালের ৭ই জুন মাসে হাসপাতালটিকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করণের বর্ধিত কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ২০০৭ সালের মধ্যে ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হওয়ার কথা থাকলেও ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিতে নির্ধারিত সময়ে উন্নয়ন কাজ শেষ করতে না পারায় ২০১৩ সালের মে মাস থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতালটিতে ৫০ শয্যার কার্যক্রম পরিচালিত হতে থাকে। কাগজে কলমে ৫০ শয্যা থাকলেও ডাক্তার স্বল্পতার কারণে এলাকাবাসী এর কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না। চিকিৎসা নিতে আসা ভুক্তভোগি পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের কমিশনার রুবি বলেন, চিকিৎসার জন্য কয়েকদিন গিয়েও ডাক্তার না পেয়ে ফিরে এসেছি। এ নিয়ে  জানতে চাইলে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গির আলম অনেকটা অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, পুরো উপজেলায়  ডাক্তার দরকার ৩২ জন, সেখানে রয়েছে মাত্র কয়েক জন। আবার জরুরি বিভাগে রাত দিন ডিউটি করতে দরকার ৪ জন ডাক্তারের, এ কয়জন ডাক্তার দিয়ে আমি কিভাবে চালাবো। তিনি আরও বলেন, চাহিদা অনুযায়ী অতিসম্প্রতি কুতুব উদ্দিন নামে এক ডাক্তারকে পোস্টিং দেয়া হয়েছে কিন্তু তিনি যোগদান করছেন না। 

শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৮

ঘাটাইলে প্রয়াত আ’লীগ নেতা কহিনূর স্মরণে শোক ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা কায়ছার রহমান খান (কহিনূর) স্মরণে এক শোক ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ১ নং দেউলাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে আজ শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পাকুটিয়া বাসস্ট্যান্ড চত্বরে এই শোকসভার আয়োজন করা হয়।

শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন ১ নং দেউলাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ বাহারুল ইসলাম খোকন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আবু ইউসুফ আবদুল্লাহ তুহিন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এস. আকবর খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান শহীদ, সাবেক মেয়র হাসান আলী, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল শহিদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক আব্দুর রহিম মিয়া, মোঃ মাসুদুর রহমান আজাদ, প্রয়াত এমপি মতিয়ার রহমানের ছেলে তানভীর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু মোন্নাফ ছানা, যুবলীগের আহ্বায়ক সরোয়ার আলম রুবেল, জিবিজি সরকারি কলেজের ভিপি আবু সাইদ রুবেল প্রমুখ।

শোকসভায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন মোঃ আমীর হামজা। এ সময় মরহুমের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

বক্তারা প্রয়াত কায়ছার রহমান খান কহিনূর এর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন নিয়ে সৃতিচারণ মূলক বক্তব্য রাখেন।

সে সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য : ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কায়সার রহমান কোহিনূর খান ২৮ আগস্ট (মঙ্গলবার) পাকুটিয়াস্থ এলাকার নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। বুধবার পাকুটিয়া কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে তার নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮

মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) মানব উন্নয়ন সূচকে (এইচডিআই) তিন ধাপ এগোলো বাংলাদেশ। ১৮৯টি দেশকে নিয়ে করা সূচকে বাংলাদেশ লাভ করেছে ১৩৬তম স্থান। সূচকে সবার ওপরে আছে যথারীতি আগেরবারের মতো নরওয়ে।

শুক্রবার  ইউএনডিপির ওয়েবসাইটে এ সূচক প্রকাশ হয়। আগের বছর ২০১৭ সালের সূচকে ১৮৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৯তম।

এসবের মানদণ্ডে এবার বাংলাদেশের এইচডিআই মান দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৬০৮। গত বছরের সূচকে এই মান ছিল ০ দশমিক ৫৭৯। অর্থাৎ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বৈষম্য ও দারিদ্র্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। এ তালিকায় শীর্ষে থাকা নরওয়ের এইচডিআই মান ০ দশমিক ৯৫৩।

ইউএনডিপির প্রতিবেদন মতে, এই সূচক অনুযায়ী দেশের নাগরিকদের প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২ দশমিক ৮ বছর। তাদের স্কুলে কাটানোর প্রত্যাশিত সময় গড়ে ১১ দশমিক ৪ বছর এবং বার্ষিক মাথাপিছু আয় (জিএনআই) ৩৬৭৭ ডলার।

নতুন জার্সিতে বাংলাদেশ

রবির সঙ্গে চুক্তি বাতিলের পর টাইগারদের নতুন স্পন্সর এখন ইউনিলিভার। এশিয়াকাপ দিয়েই নতুন জার্সিতে মাঠে নামবে টিম বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবেই মাশরাফিদের জার্সিতে থাকবে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের লোগো। এ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের জার্সিতে থাকছে ‘লাইফবয়’এর লোগো।

শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) লাইফবয় নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে উন্মোচিত জার্সির লগো প্রকাশ করেছে। এ জার্সি পরেই আগামীকাল উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে মাঠে নামবেন টাইগাররা। দুবাইয়ে বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৫টায় শুরু হবে দুদলের লড়াই।

শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতে গড়াচ্ছে এশিয়া কাপের ১৪তম আসর। এতে বাংলাদেশের জার্সি কেমন হবে- কয়েক দিন ধরে তা নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ভীষণ আগ্রহ। অবশেষে জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। সেটির একটি ছবি আপলোড করেছে লাইফবয়। নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সেই ছবিটি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ জার্সি পরেই আগামীকাল উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে মাঠে নামবেন টাইগাররা। দুবাইয়ে বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৫টায় শুরু হবে দুদলের লড়াই। নিজেদের প্রথম ম্যাচ ঘিরে শেষ প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে দুদলই। উভয়ই চায় জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে।

গেল ২৬ আগস্ট বিসিবির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে রবি। বেশ কিছু দিন ধরেই উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। তা সুরাহা না হওয়ায় বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটি। পরে ৬ সেপ্টেম্বর চুক্তি করে ইউনিলিভার। চুক্তির মেয়াদ আসছে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

শুধু জাতীয় দল নয়, বাংলাদেশ নারী দল, অনূর্ধ্ব-১৯ দল এবং বাংলাদেশ ‘এ’ দলের স্পন্সরও ইউনিলিভার বাংলাদেশ। অর্থাৎ আগামী দেড় বছর সাকিব-মোস্তাফিজদের জার্সিতে থাকবে 'লাইফবয়'-এর লোগো।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তামিমের সঙ্গী কে?

শনিবার থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপের মিশন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামবে টাইগাররা।


অনুশীলনের ফাঁকে তামিম ইকবাল দুবাইয়ের উইকেট ও কন্ডিশন নিয়ে কথা বলেন। এসময় তিনি জানান, ‘আমরা এখনো উইকেট দেখি নি। কিন্তু আমি এখানে পিএসএলের সুবাদে আগে খেলেছি। উইকেট কখনো ব্যাটসম্যানদের জন্য খুব ভালো হয়, কখনো আবার স্পিনারদের জন্য সহায়ক হয়। তাই আমাদের দেখতে হবে কি ধরণের উইকেট আমরা পাব। তবে দুবাইয়ে খেলার জন্য আমরা মুখিয়ে।’

টুর্নামেন্টের কথা না ভেবে ম্যাচ বাই ম্যাচ ভাবতে চাচ্ছে টিম বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল জানালেন, ‘প্রথম দুই ম্যাচ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যদি আমরা পরের রাউন্ডে যেতে চাই। কিন্তু এখনই দূরেরটা চিন্তা করতে চাই না। আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ ভাবতে চাই।’

ওপেনিং জুটি প্রসঙ্গে তামিম বললেন, এশিয়া কাপের স্কোয়াডে রয়েছে একাধিক ওপেনার। সৌম্য সরকার এর পরিবর্তে স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন তরুণ ব্যাটসম্যান নাজমুল হাসান শান্ত। এছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে টি-টোয়েন্টিতে ভালো করার সুযোগ করে নিয়েছে লিটন কুমার।

বিকল্প হিসেবেও রাখা হয়েছে একসময়ের ওপেনার মোহাম্মদ মিঠুন এবং মমিনুল হককে। তবে সম্ভাব্য ওপেনার হিসেবে প্রথম ম্যাচের একাদশে দেখা যেতে পারে লিটন কুমারকে।

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮

হামিদপুর হাট বেদখল, বেচাকেনা মহাসড়কে

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর হাটের জায়গা অবৈধভাবে দখলে নিয়ে অর্ধশত দোকান নির্মাণ করেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। হাটের জায়গা দখল হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওপর চলছে বেচাকেনা। বেদখল হওয়া জায়গা উদ্ধার করার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন হাটের ইজারাদার।

লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হামিদপুর হাটটি উপজেলার শত বছরের পুরনো। সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতিবার এই হাট বসে। হামিদপুর, কালিয়াগ্রাম, সালেংকা, কদমতলীসহ উপজেলার দিগড় ও দিঘলকান্দি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের হাজারো মানুষের কেনাবেচার প্রধান কেন্দ্রস্থল হামিদপুর হাট। বর্তমানে উপজেলার সবচেয়ে বড় ধানের হাটও এটি। স্থানীয় কৃষকরা বছরজুড়ে ধান বেচাকেনা করে এখানে। অথচ এ জনগুরুত্বপূর্ণ হাটের মূল জায়গায় কমপক্ষে অর্ধশত দোকানঘর তুলে দখল করে রেখেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এ কারণে হাটের ভাসমান দোকানিরা মালপত্র রাখার জায়গা না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পসরা বসিয়ে বেচাকেনা করছে।

হাটের ইজারাদার মো. স্বপন মিয়া জানান, দোকানিদের দোকান নিয়ে বসার জায়গা প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে থাকায় হাটের বেচাকেনা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। সেই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব কমে এসেছে। হাটের জায়গা দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  বরাবর ৩০ এপ্রিল লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এখনো প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুতই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’