রবিবার, জানুয়ারি ০৫, ২০২০

মায়ের এক জোড়া কানের দুল এবং মেয়ের এএসপি হওয়ার গল্প

মো. মাসুম মিয়া, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) : 'আজ আমাকে আপনারা যে সম্মাননা দিচ্ছেন, আসলে এটা পাওয়ার যোগ্য আমার মা।' জয়িতা হওয়ার পর নিজের অনুভূতির কথা এভাবেই জানান মারুফা নাজনীন। তিনি পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতিতে কর্মরত আছেন। টাঙ্গাইল জেলা পর্যায়ে জয়িতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে মারুফা জানান তার জীবনের কঠিন বাঁকের কথা। মা সেদিন কানের একজোড়া দুল বিক্রি করে নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ফি না দিলে মারুফার আজ এ পর্যায়ে আসাই হতো না।

এলাকায় মারুফা পরিচিত লিপি নামে। বাবা আখতার হোসেন ও মা ফরিদা ইয়াছমিন। বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পৌর এলাকার শহীদ আবদুর সাত্তার রোডে। খুব সাধারণ পরিবারের তিন ভাইবোনের মধ্যে মারুফা সবার বড়। বাবা থেকেও নেই। আরেকটি বিয়ে করে আলাদা সংসার পেতেছেন। দু-তিন মাস পর বাবা একবার তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। কোনো সময় আসতেনও না। বাবা কিছুদিন পরপর দুইশ' করে টাকা পাঠাতেন। তা দিয়ে ছোট বোনের এক প্যাকেট দুধ আর এক কেজি চিনি কিনলে চাল কেনার টাকা থাকত না। যেখানে চাল কেনারই টাকা নেই, অন্য বাজার করার কথাটাও অবান্তর।

মারুফা বলেন, অনেক সময় শুধু লবণ দিয়ে ভাত খেয়ে দিন পার করতাম। নবম শ্রেণিতে উঠে পড়াশোনা প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। টাকার অভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারিনি। এক বছর লেখাপড়া বন্ধ ছিল। পরের বছর মা তার কানের একজোড়া দুল বিক্রি করে অতি কষ্টে ঘাটাইল এসই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগিতায় বোর্ড থেকে রেজিস্ট্রেশন করে আনেন। স্কুল-বাড়ি যেখানেই থাকি, সম্বল বলতে একটিমাত্র জামা। মা সেলাইয়ের কাজ জানতেন। সে সময় এক লোকের কাছ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা ধার নিয়ে কিস্তিতে একটা সেলাই মেশিন কেনেন। এরপর রান্নাসহ ছোট দুই ভাইবোনের দেখাশোনার কাজ আমার ওপর এসে পড়ে। মা শুরুতে বাজারের ব্যাগ সেলাই করতেন। প্রতি ব্যাগে পেতেন ২০ পয়সা। তারপর এলাকায় পরিচিত হলে কাপড় সেলাই শুরু করেন।

মারুফা বলেন, এভাবেই চলতে থাকে আমাদের সংসার। পড়ালেখার পাশাপাশি রাত জেগে মায়ের কাজে সাহায্য করতাম। এরই মধ্যে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষায় ভালো ফল করি। শিক্ষকরা আশাবাদী হয়ে ওঠেন। ইংরেজি স্যার খাজা ফেরদৌস বাসায় এসে এক রিম খাতা ও ১০টা কলম উপহার দেন। সেই সময় স্যার বলেছিলেন, 'তোর কাছে একটাই চাওয়া, শুধু ভালো একটা রেজাল্ট এনে দিবি।' স্যার সবসময় আমার খোঁজ নিতেন। আমি সারা জীবন স্যারের কাছে কৃতজ্ঞ। এসএসসি পাস করার পর ঘাটাইল জিবিজি কলেজে ভর্তি হই। কলেজে বেতন দিতে হতো না। স্যারেরা আমাকে প্রাইভেট পড়াতেন ফ্রি।

মারুফা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া আমার হবে না, তাই ঘাটাইলেই বিএসসি করব- এমন সিদ্ধান্ত নিলাম। হঠাৎ একদিন মা বললেন, তোমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে। মায়ের কথামতো পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সুযোগ পেয়ে গেলাম ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়ালেখার পাশাপাশি প্রাইভেট পড়াতাম। ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিই। চূড়ান্ত ফলে পুলিশ প্রশাসন (এএসপি) পদে টিকে যাই। এবার মারুফার চোখের কোণে চিকচিক করছে অশ্রু। সেটি আর গড়িয়ে পড়তে দিলেন না, নিজেকে সামলে নিলেন। সংসার জীবনে মারুফা ব্যবসায়ী স্বামী মুজিবুল কাইয়ুম আকরাম ও একমাত্র সন্তান শায়ানকে নিয়ে সুখেই আছেন। মা ফরিদা ইয়াছমিন বলেন, আমাদের প্রতি আল্লাহর দয়া ছিল। আমার পরিশ্রম আজ সার্থক।

সংগ্রামী এই জননীর আরেক মেয়ে নুসরাত জাহান ইভা পড়েন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষে। একমাত্র ছেলে ইফতেখাইরুল হাসান মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র।

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ০২, ২০২০

ঘাটাইলে ৮০ কেজি গাঁজা সহ একজন আটক

আজ (১জানুয়ারি) বুধবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলে ঘাটাইলের গারোবাজার এলাকা থেকে ৮০ কেজি গাঁজা সহ একজনকে আটক করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-১২ টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার মোঃ শফিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে জেলার মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলার সীমান্তবর্তী গারোবাজার নামক স্থানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি মিনিট্রাক ( ঢাকা-মেট্রো-ন-১৩-০৮৭৫) থেকে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গাঁজা গুলি প্লাস্টিকের ড্রামের ভিতরে রাখা ছিল। আটক করা হয় ট্রাকসহ চালককে। আটককৃত ট্রাক চালকের নাম কামরুল ইসলাম (২৫)। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মজলিসপুর গ্রামের ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে। গাঁজা গুলি সে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিল।

ঘাটাইলে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের ৪১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী বিভিন্ন পালিত হয়েছে। আজ বুধবার (১জানুয়ারী) এ উপলক্ষ্যে উপজেলা ছাত্রদল উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথী ছিলেন বিএনপি চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ।

উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসানুজ্জামান তরুনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বুলবুল ভূইয়া, সাধারন সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিম, যুগ্ম সম্পাদক হেলালুর রহমান খান, আবু বকর সিদ্দিকী, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মঞ্জুরুল হক সাধারন সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা, সিনিয়র সহ সভাপতি বিল্লাল হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন প্রমূখ। এ ছাড়াও বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সভায় বক্তব্য রাখেন। সভায় ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় নেতারা বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী জানান এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯

ঘাটাইলে পিইসি পরীক্ষায় উইজডম ভ্যালির সেরা সাফল্য

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের অনন্য শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উইজডম ভ্যালি প্রতি বছরের ন্যায় এবারও প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করেছে।

২০১৯ সালের পিইসি পরীক্ষার ঘোষিত ফলাফলে ১০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৫জন বাকীরা এ গ্রেড লাভ করেছে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে। বর্তমানে উইজডম ভ্যালি উত্তর টাঙ্গাইলের একটি ঐতিহ্যবাহী শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারনে এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

একঝাঁক সিনেমার ডানায় চড়ে সুদিন আসুক ২০২০ সালে

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ধুঁকছে ঢাকাই সিনেমা। ভালো ও মৌলিক গল্পের অভাব, ভালো নির্মাণের অভাব, হল নিয়ে নোংরা রাজনীতি, তারকায় তারকায় বিভেদ, পরিচালক-প্রযোজক-শিল্পীসহ কলাকুশলীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, সিনেমা বাজারজাতকরণের দুর্বলতা, শ্রুতিমধুর গানের অভাব; নানা সংকটে জর্জরিত এই শিল্পটি বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে আছে বলা চলে।
৬ ঋতুর বছরে ৬টি ব্যবসা সফল ছবির দেখাও পাওয়া যায় না ইন্ডাস্ট্রি। ব্যবসা সফল শব্দটি তো বিরল প্রজাতির শব্দেই পরিণত হয়েছে। সিনেমা তৈরির কারখানা বিএফডিসির চারদিকে বিষাদের ছাপ। পুরনো দালানগুলোর চারদেয়াল ব্যর্থতার লজ্জা ঢাকতেই যেন পরগাছা শ্যাওলায় মুখ লুকিয়েছে। যেখানে শুটিং আর আড্ডায় মুখর হয়ে উঠতো পরিবেশ সেখানে আজ বছরের ১০ মাসই বাজে নির্জনতার করুণ সুর!

রোজ রোজ মিটিং হয়, মিছিল হয়, ঘোষণা আসে সিনেমার উন্নতির ভাবনায়। সেসবের কোনো বাস্তবায়ন নেই। পরিচালক, স্টার-সুপারস্টার, প্রযোজকসহ সিনেমার সকল বিভাগের মানুষদেরই যথেষ্ট যোগান আছে এখানে। তাদের হয়ে সমিতিগুলোও সারা বছর থাকছে আলোচনায়। কিন্তু সিনেমার উন্নয়ন হচ্ছে না কিছুতেই।
অনেক প্রত্যাশার প্রযোজক সমিতি নতুন করে গঠিত হয়েছে। কিন্তু তাতেও কোনো পরিবর্তন চোখে পড়েনি। চার মাস পার হয়ে গেলেও ২১ জন নিয়ে নির্বাচিত কমিটির ১ জনও একটা সিনেমার ঘোষণা দিতে পারলেন না!
সবাই নানা সমস্যার কথা বলেন প্রতিদিন। সমাধানের পথও বাতলে দেন। নানা উদ্যোগের কথাও শোনা যায়। তবুও কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। দুর্দিনের গোলকধাঁধা থেকে বের হতে পারছে না ঢাকাই সিনেমা। ভাবটা এমন, বিরাট কোনো রহস্যময় সমস্যায় আটকে গেছে ঢালিউড। জেমস বন্ড বা ফেলুদা'র মতো কাউকে হয়তো নিয়োগ দিতে হবে এই রহস্যের জট খুলতে।

তবুও আশাবাদী মানুষ। স্বপ্ন দেখাই মানুষের প্রকৃতি। সবাই স্বপ্ন দেখছে। কিছু একটা হবে। কোনো একটা মিরাকলে ফিরবে সুদিন। কিন্তু সেটা কবে কীভাবে কার হাত ধরে হবে তা অজানা।

আপাতত মন দেয়া যেতে পারে আসছে বছরে মুক্তি পাবে এমন ছবিগুলোর দিকে।
ছবির নাম-মান, পরিচালক, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, শিল্পীদের তালিকা কিছুটা হলেও যেন আশা জাগায় ভালো একটা বছরের।

আলোচনা শুরু করা যায় ‘অপারেশন সুন্দরবন’ ছবি দিয়ে। ‘ঢাকা অ্যাটাক’ খ্যাত পরিচালক দীপঙ্কর দীপন পরিচালিত এই ছবিটি তৈরি হচ্ছে সুন্দরবনে র্যাবের কিছু দঃসাহসিক অভিযানকে কেন্দ্র করে। সফল পরিচালক, নায়ক রিয়াজের প্রত্যাবর্তন, সফল নায়ক সিয়াম, দুই বাংলার পরিচিত মুখ নুসরাত ফারিয়া, সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা রোশান, মনোজ প্রামাণিক, তাসকিন রহমান, শতাব্দী ওয়াদুদের মতো তারকারা ছবিটির রোশনাই বাড়িয়েছেন।

তবে এই ছবির মূল নায়ক হবে গল্প ও অভিযানের দৃশ্যগুলো। যা দর্শককে হলে টানবে। সেইসঙ্গে র্যাব সদস্যদে অংশগ্রহণও ছবিটিকে বাড়তি আকর্ষণ দেবে।
২০২০ সাল মাতাবেন শাকিব খান, এটাও আগাম বলে দেয়া যায়। এই অসময়েও শাকিব সেই তারকা যার নামে দর্শক হলে আসে। হল মালিকরা যার উপর ভরসা করে চোখ বন্ধ রেখেই সিনেমা চালান। আসছে বছর এই নায়কের ‘বীর’, ‘শাহেনশাহ’, ‘একটু প্রেম দরকার’ ছবিগুলো মুক্তি পাবে।

তারমধ্যে কাজী হায়াত পরিচালিত ‘বীর’ ছবিতে বুবলীকে নিয়ে বাজিমাত করবেন শাকিব এই প্রত্যাশা করছেন সবাই। নুসরাত ফারিয়ার ও রোদেলা জান্নাতের সঙ্গে ‘শাহেনশাহ’ ছবিটিও ভালো চলবে বলে আশা করা যায়। সেইসঙ্গে শাহীন সুমনের ‘একটু প্রেম দরকার’ ছবিতে শাকিবের বিপরীতে আছেন বুবলী। শাকিব-বুবলী জুটির ছবি সাধারণত সবসময়ই দর্শক পেয়েছে। সেদিক থেকে এই ছবি দিয়ে সফল হবেন দুই তারকা আশা করাই যায়।

২০২০ সালে চমক দেখাবেন আরিফিন শুভ’ও। বেশ কিছু ছবি দিয়ে বাজিমাত করবেন তিনি, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। তার ভিড়ে আপাতত নাম নেয়া যায় ‘মিশন এক্সট্রিম’ ছবিটির। ‘ঢাকা অ্যাটাক’র বিশাল সাফল্যের পর একই প্রযোজনা সংস্থা নির্মাণ করছে ছবিটি। এখন পর্যন্ত সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেশ। আগের সিনেমার মতো এই সিনেমাতেও আছেন আরেফিন শুভ, তাসকিন আহমেদ, শতাব্দী ওয়াদুদের দেখা মিলবে। নতুন করে তাদের সঙ্গী হয়েছেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী, মনোজ কুমার, ইরেশ যাকেরসহ আরো অনেকে।

২০২০ সালে ‘পাপ পূণ্য’ নামের নতুন ছবি নিয়ে আসছেন ‘মনপুড়া’খ্যাত নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম। দীর্ঘদিনের বিরতি ভেঙে ২০১৮ সালে ‘স্বপ্নজাল’ নিয়ে ফিরেছিলেন তিনি। সেই ছবি ব্যবসা না করলেও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এবার তিনি নির্মাণ করছেন লাভ থ্রিলজি ধাঁচের সিনেমা। দর্শক এই ছবির মধ্য দিয়ে আবারও একসঙ্গে পেতে যাচ্ছেন ‘মনপুড়া’ ছবির পরিচালক-নায়ক জুটিকে। সেলিমের পরিচালনায় আবারও চঞ্চল চৌধুরীকে দেখবেন দর্শক।

সেইসঙ্গে ছবিটিতে চমক হিসেবে থাকবে জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নতুন মুখ শাহনাজ সুমী। আরও আছেন সবার প্রিয় আফসানা মিমি, ফজলুর রহমান বাবুর মতো তারকারা।

২০২০ সালটা হতে পারে পরিচালক রায়হান রাফীর রাজত্বের বছর। একে একে মুক্তি পাবে তার তিনটি সিনেমা। তারমধ্যে দর্শকপ্রিয়তায় এগিয়ে থাকতে পারে তার ‘ইত্তেফাক’ ছবিটি। এখানে চিত্রনায়ক সিয়ামের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন বিদ্যা সিনহা মিম।

পাশাপাশি রাফীর পরিচালনায় ‘পরাণ’ ছবিটি মুক্তি পাবে ভালোবাসা দিবসে। ইয়াশ রোহান ও শরীফুল রাজের এই ছবিতে দেখা যাবে লাক্স সুপারস্টার মিমকে। ত্রিভূজ প্রেমের এই ছবিটি নিয়ে এরইমধ্যে দর্শকের বেশ আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে।

সর্বশেষ ‘স্বপ্নবাজি’ নামের একটি ছবি নির্মাণ করছেন ‘পোড়ামন ২’খ্যাত নির্মাতা রাফী। এখানে মাহিয়া মাহি, পিয়া জান্নাতুল ও সিয়াম আহমেদকে দেখা যাবে। তবে ছবিটির ভবিষ্যত নিয়ে আছে নানা সংশয়।

টিভি নাটক ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের প্রথম চলচ্চিত্র ‘হাওয়া’ নিয়েও বেশ আশাবাদী সিনেমার মানুষেরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি নিয়ে বেশ আগ্রহ লক্ষ করা গেছে দর্শকেরও। সিনেমায় প্রধান চরিত্রে আছেন চঞ্চল চৌধুরী, শরিফুল রাজসহ আরো অনেকে।

২০২০ সাল নায়কদের মধ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন সিয়াম আহমেদ। এখন পর্যন্ত যা হিসেব তাতে করে হাফ ডজনেরও বেশি সিনেমা মুক্তি পাবে তার। সেই তালিকায় অন্যতম নাম ‘শান’। আগামী ঈদ উল ফিতরে মুক্তি দেবার লক্ষ্যে পুলিশ থ্রিলার ছবিটি নির্মাণ করছেন নবীন নির্মাতা এম রহিম। সিয়াম, পূজা ও তাসকিন অভিনীত সিনেমাটি নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছেন অনেকেই।

জয়া আহসান এখন পুরোদস্তুরই কলকাতার অভিনেত্রী। কালেভদ্রে তাকে দেখা যায় ঢাকাই সিনেমাতে। ২০২০ সালে তাকে ‘বিউটি সার্কাস’ ছবিতে দেখার সুযোগ পাবেন দর্শক। মাহমুদ দিদার পরিচালিত ছবিটি নিয়ে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে চারদিকে। ভিন্ন ভাবনার এই ছবিটিতে জয়ার বিপরীতে দেখা যাবে চিত্রনায়ক ফেরদৌসকে। আরও অভিনয় করছেন তৌকীর আহমেদসহ অনেকেই। এছাড়া জয়ার প্রযোজনায় ‘ফুড়ুৎ’ ছবিটির দেখাও এই বছরে মিলতে পারে।

ঢাকাই সিনেমার সফল দুই চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও বাপ্পী চৌধুরীকেও নতুন করে পাবেন দর্শক। সাইমন পর্দায় আসবেন মাহিয়া মাহিকে নিয়ে ‘আনন্দ অশ্রু’ ছবিতে।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের নির্মাণে রোমান্টিক গল্পেই দেখা যাবে তাদের। ২০১৮ সালের ‘জান্নাত’ সিনেমার মতো ‘আনন্দ অশ্রু’ দিয়ে দর্শক মাতাবেন সাইমন-মাহি এই প্রত্যাশা করাই যায়।

অন্যদিকে চিত্রনায়ক বাপ্পী নিজেকে আমূল বদলে নিয়ে হাজির হবেন ‘ঢাকা ২০৪০’ ছবিতে। দীপঙ্কর দীপন পরিচালিত এই ছবিতে বাপ্পীর নায়িকা নুসরাত ফারিয়া ও
নুসরাত ইমরোজ তিশা। এছাড়াও বাপ্পীর ‘ডেঞ্জার জোন’ ছবিটি দর্শক টানতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এখানে তার নায়িকা হিসেবে দেখা যাবে জলিকে।

২০২০ সালে সাফল্যের নির্মাতা হতে পারেন ‘দেশা দ্য লিডার’খ্যাত নির্মাতা সৈকত নাসিরও। তার দুটি ছবি মুক্তি পাবে। যার একটি নিরব-বুবলীকে নিয়ে ‘ক্যাসিনো’। বেশ জমজমাট এক গল্পে এই ছবিটি নির্মাণ করছেন তিনি। আর দর্শককে উপহার দিচ্ছেন নায়ক নিরবের সঙ্গে বুবলীর জুটিকে। এখানে আরও অভিনয় করছেন তাসকিন রহমান।

অন্যদিকে নায়ক ইমনকে নিয়ে সৈকত নাসির নির্মাণ করবেন ‘আকবর’। এই ছবিতে ইমনের বিপরীতে প্রথম সারির একজন অভিনেত্রীর দেখা মিলবে। রোমান্টিক থ্রিলারধর্মী এই ছবিটিও দর্শক মাতিয়ে দিতে পারে।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক অনন্য মামুনও হাজির থাকবেন নতুন বছরের সাফল্যের প্রতিযোগিতায়। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন ‘সাইকো’ নামের একটি ছবি নির্মাণের। রোশান ও পূজাকে জুটি করে এই ছবিটি নির্মাণ করতে যাচ্ছেন তিনি।

২০২০ সালটা ভালো কাটবে চলচ্চিত্র পরিচালক সাইফ চন্দনের। এরই মধ্যে ‘ওস্তাদ’ নামে ছবির ৫০ শতাংশ কাজ শেষ করেছেন তিনি। ছবিতে অভিনয় করেছেন জিয়াউল রোশান ও নবাগত উষ্ণ। আরও রয়েছেন তাসকিন, শানুশিবা, ডন প্রমুখ। এ ছবি ছাড়াও সাইফ চন্দন গুছিয়ে নিয়েছেন ‘মন্ত্র’ নামের আরেকটি ছবির প্রাথমিক কাজ। শিল্পী হিসেবে শোনা যাচ্ছে সিয়াম ও জয়া এখানে কাজ করতে পারেন। যদি এমনটি হয় তবে আসছে বছরের সফল ছবির তালিকায় জায়গা করে নিতে পারে মাসুম রেজার চিত্রনাট্যের এই সিনেমা।

ফেরদৌস-পূর্ণিমা জুটির ‘গাঙচিল’ ছবিটিও মুক্তি পেতে পারে ২০২০ সালে। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস অবলম্বনে এই ছবিটি নির্মাণ করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। একই পরিচালক আরিফিন শুভ ও পূর্ণিমাকে নির্মাণ করছেন ‘জ্যাম’ নামের আরও একটি ছবি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই ছবিটিও মুক্তি পাবে নতুন বছরে।

জাজ মাল্টিমিডয়ার ব্যানারে সিনেমায় আসতে চলেছেন ছোটপর্দার সুপারস্টার সজল। পূজাকে নিয়ে তিনি ‘জ্বিন’ ছবিতে হাজির হবেন নাদের চৌধুরীর পরিচালনায়। জাজের ঘোষণা অনুযায়ী ‘মাসুদ রানা’ ছবিটিও ২০২০ সালে মুক্তির জন্য নির্মিত হবার কথা। তবে এখন পর্যন্ত ছবিটির শুটিং শুরু হয়নি।

এছাড়াও মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী অভিনীত ‘আদম’, পরীমনি অভিনীত ‘বিশ্বসুন্দরী’, স্পর্শিয়ার ‘কাঠবিড়ালী’, কেয়া অভিনীত ‘ইয়েস ম্যাডাম’ ছবিগুলো ভিন্ন ভিন্ন ধারার দর্শককে বিনোদিত করতে পারে বলে প্রত্যাশা করা যায়। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মুক্তি পাবে অমিতাভ রেজার ‘রিক্সা গার্ল’ ছবিটি। অন্যদিকে সেন্সর বোর্ডের জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারলে প্রশংসিত একটি ছবি হিসেবে তালিকা সমৃদ্ধ করতে পারে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’। তানভীর মোকাম্মেলের ‘রূপসা নদীর বাঁকে’ ছবিটিও ভিন্ন ভাবনার দর্শকের মন ভরাতে পারে।

এছাড়াও নতুন বছরে মুক্তি পাবে বলে আরও বেশ কিছু সিনেমার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তারমধ্যে আছে শাবনূরকে নিয়ে জাজ, কলকাতার দেবকে নিয়ে শাপলা মিডিয়ার ছবি দুটো উল্লেখ করা যায়। এ তালিকায় আরও আছে তৌকীর আহমেদের ঘোষণা দেয়া ছবি। ছবিগুলো যদি নির্মিত হয় তবে সেগুলো আলোচনার শীর্ষে থাকবে তা অনুমান করা যায়।

সেইসব ছবির গল্প ও কলাকুশলীদের উপর নির্ভর করে ২০২০ সাল হতে পারে ঢাকাই সিনেমার জন্য সফল একটি বছর।

সোমবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৯

ঘাটাইলে ধাতব মুদ্রা নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

খাদেমুল ইসলাম মামুন ,ঘাটাইল : টাংগাইলের ঘাটাইল উপজেলার বেশ কিছু বাজার ও পৌরসভার অলিগলি ঘুরে দেখা যায় ঘাটাইলে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়িরা সহ ধাতব মুদ্রা নিয়ে রীতিমতো বিপাকে আছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দেশে বর্তমানে পয়সা আকারে ধাতব মুদ্রা চালু আছে ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার। এ ছাড়া ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রাও আছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব কয়েন অচল না হলেও সরকারি-বেসরকারি কোনো ব্যাংকই তা নিচ্ছে না। এমনকি কয়েনের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে নতুন ২ টাকা ও ৫ টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ছে না কেন্দ্রিয় ব্যাংক। এরপরও অলিখিতভাবে ব্যাংকগুলোতে নিষিদ্ধ হয়ে পড়ায় কোটি কোটি টাকার মুদ্রা অলস পড়ে থাকছে ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের কাছে। এতে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন রাষ্ট্র ও ব্যাবসায়িরা।এদিকে হাট-বাজারে দোকানিরাও কেনাবেচায় কয়েন নিতে অনীহা দেখানোয় বিপাকে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। ফলে প্রশ্ন উঠছে ‘কাদের জন্য এ কয়েন’?

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কিছুদিন পাকিস্তানি মুদ্রায় লেনদেন হয়েছে। বাংলাদেশ কয়েনেজ অর্ডার, ১৯৭২ হওয়ার পরের বছর ১৯৭৩ সাল থেকে বিভিন্ন মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা ছাড়তে শুরু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েব সাইড সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাতব মুদ্রা হিসেবে ৫ পয়সা ও ১০ পয়সা চালু হয় ১৯৭৩ সালে। ১ পয়সার মুদ্রা চালু হয় তারপরের বছর ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা মূল্যমানের কাগজে নোট ও ধাতব মুদ্রা রয়েছে। এ হিসাবের মধ্যে রয়েছে পাঁচ টাকা, দুই টাকা ও এক টাকার কাগজে নোট ও ধাতব মুদ্রা।

তবে ঠিক কী পরিমাণ ধাতব মুদ্রা বা কয়েন বাজারে আছে সে পরিসংখ্যানের বিষয়ে সঠিক কোন তর্থ্য পাওয়া যায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েব সাইডে। দেশের বাজারে এখন ১, ২ ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা বা কয়েনই বেশি চলে। এগুলোর আবার কাগুজে নোটও আছে। কিন্তু কয়েন লেনদেনে প্রায়ই বিড়ম্বনায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।কয়েন দিয়ে কিছু কেনা বেচা বন্ধ হয়েগেছে।ভিক্ষা দিলেও নিতে চায়না,উল্টো ভিক্ষুকের এক গাদা কথা হজম করতে হয় সাহায্যকারিকে। কয়েনের বদলে কাগুজে নোট ব্যবহারে আগ্রহ কিছুটা বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি বছর ঈদ উপলক্ষে নতুন টাকা বাজারে ছাড়লেও ২ টাকা ও ৫ টাকার নোট বাজারে ছাড়ছে না মুদ্রার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছে না। অনেকে বলছেন, পকেটে বা টাকা রাখার ব্যাগে কয়েন রাখতে সমস্যা হয় বলেই আগ্রহ কমেছে।অনেকে আবার ব্যাংকগুলোকেও দায়ী করছেন। শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, এই কয়েন নিয়ে বিপাকে আছেন দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষজন। ধাতব মুদ্রা, নিম্ন মূল্যমানের নোট ও ছেঁড়া-ফাটা নোট বিনিময়ের ক্ষেত্রে জনসাধারণ বিড়ম্বনার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। এ ধরনের কার্যক্রম তাদের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক লেনদেনে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।

তবে গ্রাহকদের কাছ থেকে তফসিলি ব্যাংকের কয়েন নেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় প্রতিবছরই বিজ্ঞপ্তি নির্দেশনা দিয়ে থাকে। এসব নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলা হয়ে থাকে। কিন্তু ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করা হলেও বেশিরভাগ শাখা সেটা মানছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, কয়েন নেয়ার ব্যাপারে গ্রাহকদের আগ্রহ কম। যেহেতু গ্রাহকদের মধ্যে আমরা চালাতে পারি না,তাই নিতেও চাই না। একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা জানালেন ভল্টে জায়গা না থাকার কথা। প্রতিষ্ঠানের বিধিনিষেধের কারণে নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি তিনি সহ অনেকেই। অনেক কষ্ঠে নাম্বার সংগ্রহ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, যে কোনো মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা বা নোট না নেয়ার সুযোগ ব্যাংকের নেই। জনসাধারণও এ ধরনের মুদ্রা নিতে বাধ্য। তবে এক, দুই ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা ও কিছু ক্ষেত্রে এসব মানের নোট কিছু ব্যাংক না নেয়ার অভিযোগ তারাও পাচ্ছেন। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে ডেকে বা টেলিফোনে সতর্ক করা হচ্ছে। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে এ বিষয়ে অবহিত করা হচ্ছে। এরপরও কোনো ব্যাংক না নিলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৯

প্রতিবন্ধীদের শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন আতাউর রহমান খান এমপি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের শাহপুর অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান ও সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা উপস্থিত থেকে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,পাকুটিয়া পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জীবুন নিছা,রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি ঘাটাইল উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মো.হাসান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.বিপ্লব সরকার, শাহপুর অটিস্টিক প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান রানা, ২নং ঘাটাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোতাহার আলী মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন খান,ইউপি সদস্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন লেবু, শিহাব উদ্দিন, সুমন মিয়া, সহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন ।

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯

ঘাটাইলে মুক্তিযোদ্ধা ইজ্জত আলীর দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বাড়ইপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইজ্জত আলী (৭০) আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোরে নিজ বাড়ীতে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মঙ্গলবার বিকালে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

তিনি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন ঘাাটাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন, ইউনিয়ন ডিপটি মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ বাছেদ, সেলিম তালুকদার, আরফান আলী, নূরুল ইসলাম সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও নানা শ্রেণী পেশার মানুষজন।

ঘাটাইলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি ও হুইল চেয়ার বিতরণ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গড়িব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।

ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু, পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম খান।

উল্লেখ্য: উপজেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে গড়িব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।

আ’লীগের সাধারণ সম্পাদককে ঘাটাইলের এমপির শুভেচ্ছা

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি টানা দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল)আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান।

এ সময় আতাউর রহমান খানের সাথে ছিলেন তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান (রানা), ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান সহ দলের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা বৃন্দ।

শনিবার (২১ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী’র বাস-ভবনে গিয়ে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তারা।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বড় রাজাপুর গ্রামে ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ওবায়দুল কাদের জন্ম গ্রহণ করেন। নোয়াখালী-৫ আসন থেকে (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) তিনি চারবার সাংসদ নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর নোয়াখালী থেকে আওয়ামী লীগের একমাত্র সভাপতি নির্বাচিত হন আব্দুল মালেক উকিল। এরপর সে খান থেকে আর কেউ দীর্ঘ মেয়াদে এত বড় পদ পাননি। এ জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি জেলার সাধারণ মানুষও বেশ উচ্ছ্বাসিত।

ঘাটাইলে ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বহুল প্রকাশিত দেশের অন্যতম প্রাচীন সংবাদপত্র দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ৬৬ বছর পেরিয়ে ৬৭ বছরে পর্দাপণ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে ঘাটাইল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে কেক কাটা হয়। ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম (কালের কণ্ঠ) এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ঘাটাইল সংবাদদাতা ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুজ্জামান মিঞা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন (পূর্বাকাশ), সাইয়্যিফ মোহাম্মদ হামিদুল্লাহ (দিনকাল), মোঃ আতিকুর রহমান (নিউজ টুয়েন্টিফোর), মো. মাসুম মিয়া (সমকাল), বিষ্ণু প্রিয় দীপ (ভোরের পাতা), মনোয়ার হোসেন সোহেল (দৈনিক জনতা), রেজাউল করিম খান রাজ (ঢাকা টাইমস), মো. খায়রুল ইসলাম (দৈনিক সংগ্রাম) প্রমুখ।

ঘাটাইলে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন

মঙ্গলবার সকালে গ্রামীণ ব্যাংক অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি ঘাটাইল উপজেলা কমিটির উদ্যোগে
অর্থ মন্ত্রনালয় কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিভিন্ন দাবী আদায়ের লক্ষে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করে।

ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তাগণ বলেন,র্   সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টুনির আওতায় শতভাগ পেনশন সমর্পনকারীদের পেনশন পুনঃস্থাপন ,বার্ষিক বোনাস,  মাসিক চিকিৎসাভাতা অনতিবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত অবসর প্রাপ্ত  গ্রামীণ ব্যাংক  কর্মকার্তা- কর্মচারীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদানের নির্দেশ  থাকলেও তা  ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করতে তালবাহানা করছে। তারা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবী জানান। বক্তব্য রাখেন, ব্যাংক অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ঢাকা  বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি  মোঃ জুলহাস উদ্দিন ,সদস্য মামুন সিদ্দিকী,  জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম , সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন ভুইয়া, ভ’ইয়াপুর উপজেরা কমিটির সভাপতি  আব্দুস সাত্তার, ঘাটাইল উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ মোখলেছুর রহমান খান,সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামিরুল ইসলাম প্রমুখ। 

রবিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯

হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জন

খাদেমুল ইসলাম মামুন, ঘাটাইল : ঘাটাইলে সরিষার বাম্পার ফলনের হাতছানিতে কৃষকের চোখে মুখে আনন্দের রেখা ফুটে উঠেছে। এবার সরিষার হলুদ ফুলে মাঠ ঘাট ছেয়ে গেছে। মাঠ জুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ। সরিষার ফুলে আকৃষ্ট হয়ে মৌমাছিরা মধু আহরণে ব্যস্ত। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে ঘাটাইলের ফসলি মাঠ। প্রকৃতির এক অপার লিলাভ’মি নেমে এসেছে এখানে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে এ অঞ্চলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে আশা কৃষকদের। গত শুক্রবার সরেজমিনে ঘুড়ে উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের মুসল্লিপাড়া এলাকার শ্রী রমেশ চন্দ্রের সাথে আলাপকালে জানা যায়, বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে অগ্রহায়ণ মাসের প্রথমদিকে কৃষকরা সরিষার বীজ বুনে থাকে। কৃষকরা খুব কম সময়ে সরিষা ঘরে তুলতে পারে।

একই এলাকার আবু ইউসূফ মিয়া বলেন, আমি দুই একর জমিতে সরিষা চাষ করেছি। প্রচুর ফলন হয়েছে, আশা করি দামও ভালো পাবো। তবে বিভিন্ন কৃষি পণ্যের পাশাপাশি সরিষার ক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত থাকলে এখানকার কৃষকরা আরো বেশি উপকৃত হতো। উপজেলার কান্দুলিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের ও গৌরাঙ্গী গ্রামের কৃষক লেবু মিয়া জানান, এবার চার বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। প্রাকৃতিক দুযোর্গ না হলে বাম্পার ফলনের আশা করছেন। এতে খরচ বাদে প্রতি বিঘায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. উম্মে হাবিবা জানান, উপজেলায় ২ হাজার ২ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ করা হয়েছে। কম খরচে অধিক মুনাফা হওয়ায় প্রতি বছরই সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর আমাদের ৫৫৭ হেক্টর জমিতে আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে । সরকারী ভাবে ও বিভিন্ন প্রকল্পের সহায়তায় উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষার আবাদ ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল সরিষা আবাদের জন্য সব সময়ই উৎসাহ ও সহায়ত করে থাকি। উপযুক্ত বীজনির্বাচন, সুষম সার প্রয়োগে আমরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯

ঘাটাইলে সাংসদের ১৮টি বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক প্রকল্প উদ্বোধন

বুধবার  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পুর্বাঞ্চলে পাহাড়ি জনপদ সাগরদিঘী ইউনিয়ন,লক্ষিন্দর ও রসুলপুর ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় ইউনিয়নে ৪টি পাকা রাস্তা,১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মোট ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন বর্তমান টাঙ্গাইল(৩)  ঘাটাইল আসনের স্থানীয়  সাংসদ আতাউর রহমান খান,সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল ইসলাম,   লক্ষিন্দর ইউপি চেয়ারম্যান,মোঃ একাব্বর হোসেন,রসুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ এমদাদ সরকার, উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়োরম্যান মোহাম্মদ আরিফ হোসেনসহ উপজেলা  ইউনিয়ন আওয়ামীলিগ,যুবলিগ,ছাত্রলিগ সহ অসংখ্য নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন ।
উন্নয়ন প্রকল্প গুলি  হলো ভরাডোবা সাগরদিঘী ঘাটাইল মহাসড়ক উন্নয়ন,গারোবাজার সাগরদিঘী জিসি চেই মেরামত,সাগরদিঘী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১তলা ভবন ,সাগরদিঘী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,বিদ্যমান ভবনের উপর উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারন, ভবন, সাগরদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় ৪র্থ তলা ভবন ,সাগরদিঘী কলেজ নির্মান ।

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯

মির্জাপুরে কুচকাওয়াজে মাদ্রাসাছাত্রীরা

যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়।

সোমবার ভোরে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যে দিয়ে দিবসের সূচনা হয়। পরে উপজেলার সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

মির্জাপুর উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। মির্জাপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ কুচকাওয়াচ অনুষ্ঠিত হয়।

মির্জাপুরে এই প্রথম আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার নারী শিক্ষার্থীরা বোরকা পরে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে।

এর আগে মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত মুক্তির মঞ্চে ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।

দুপুর ১২টায় একই মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। পরে তাদের মধ্যে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯

মিডিয়া থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন মাশরাফি

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পাঁচ মাস পর ফের ক্রিকেটে সরব হয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। গত কয়েকমাসে খুব একটা মিডিয়ার মুখোমুখি হননি ওয়ানডে অধিনায়ক।

এ বিষয়ে মাশরাফি বলেছেন, পেশাগত দিক থেকে যখন প্রয়োজন পড়বে আপনাদের সামনে আসতেই হবে। বিশ্বকাপের পর আমি কোনো ধরনের ক্রিকেটে ছিলাম না যে আপনাদের সামনে এসে কথা বলব। মিডিয়ার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকা তো সবসময়ই ভালো। আপনারা আপনাদের পেশাগত কাজ করবেন, আমিও আমার খেলা খেলব।

বিপিএলে ঢাকা প্লাটুনের অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন মাশরাফি। প্রথম ম্যাচেই রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে তার দল হেরে গেছে ৯ উইকেটে।