শুক্রবার, এপ্রিল ১২, ২০১৯

দৈনিক শিক্ষায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঘাটাইল জিবিজি কলেজের অধ্যক্ষ

দৈনিক শিক্ষা ডটকম এ প্রকাশিত ‘অবৈধ অধ্যক্ষ, আটকে যাচ্ছে জি.বি.জি. কলেজের পদসৃজন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল জি.বি.জি. কলেজ (সদ্য সরকারিকরণকৃত) এর অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শামছুল আলম।

লিখিত এ প্রতিবাদে তিনি বলেন, আমাকে জড়িয়ে দৈনিক শিক্ষায় যে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

লিখিত প্রতিবাদে তিনি জানান, আমার বয়স ৬০ বছর পূর্তি হওয়ার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক কলেজ পরিচালনা পরিষদের ১৯৭ নং অধিবশনে প্রথম বার এবং ২০৪ নং অধিবেশনের সাধারণ সভায় দ্বিতীয় বার দুই বছরের জন্য পুনঃনিয়োগের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর।

তিনি জানান, দ্বিতীয় বার ১০/০৭/২০২১৮ খ্রিঃ তারিখ থেকে ৩০/০৬/২০২০ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত পুনঃনিয়োগ প্রদান করেন। যার স্মারক নং- ০৭ (ঢ-১৯২) জাতী: বি:/ক:প: /কোড- ৫৩০৮/৩৯৫৩৭ মোতাবেক অদ্যাবধি বৈধভাবেই দায়িত্ব পালন করে আসছি।

ঘাটাইল প্রেস ক্লাবে পাঠানো প্রতিবাদ লিপিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারিকরণকৃত ২০/২২ টি কলেজের অধ্যক্ষগণও আমার মত দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সার্বিক নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।

ঘাটাইল সরকারি জি.বি.জি. কলেজের অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শামছুল আলম জানান, জি.বি.জি. কলেজের উপাধ্যক্ষ জনাব মোঃ মতিয়ার রহমান মিঞা ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমতা পাওয়ার হীন উদ্দেশ্য বশীভূত হয়ে দায়িত্ব অর্পনের আবেদন করেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমি জাতীয় শিক্ষা মন্ত্রনালয়, শিক্ষা অধিদপ্তর বা বোর্ডে কর্তৃক প্রেরিত কোন প্রকার চিঠি পাইনি। উপাধ্যক্ষ সাহেব ব্যক্তিগতভাবে বোর্ডের একটি চিঠি দিলে আমি উক্ত পত্রের জবাব দিয়েছি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷