দীর্ঘদিন পাকুটিয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সরকারি জায়গায় নামমাত্র মূল্যে দোকান বরাদ্দ নিয়ে দখলে রেখে অবৈধভাবে ভাড়া দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, ঘাটাইলের পাকুটিয়া বাসস্ট্যান্ডে স্থানীয় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুকুর পাড়ের পূর্ব ও দক্ষিণ পার্শ্বে অবস্থিত দোকানঘর ১৯৯৭-০৩ অর্থবছরের জন্য ভাড়া নির্ধারণ করে আদেশ জারি করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। ওই আদেশে নামমাত্র মূল্যে ভাড়া নির্ধারণ করে দোকান হস্তান্তর করা হয়।
সরেজমিন দেখা গেছে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওপর পাকুটিয়া বাসস্ট্যান্ড চত্বরটি ঘাটাইল গোপালপুর ও মধুপুর থানার অনেকটাই কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত এক ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র। এখানে দোকানের চাহিদা অনেক। ফলে এখানে কোনোমতে টিনের একটি দোকানঘরের ভাড়াও ৩-৫ হাজার টাকার কম নয়। অথচ পাকুটিয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সরকারি জায়গায় প্রতিষ্ঠিত ২১টি দোকানের প্রতিটিতে মাসিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৪ টাকা থেকে ৩৪২ টাকার মধ্যে। এতে ২১টি দোকানের সবকটি থেকে প্রতি মাসে ভাড়া আদায় হচ্ছে ৩৪৫৯ টাকা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন ওই ২১টি দোকান থেকে বছরে কমপক্ষে ১০-১২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হওয়ার কথা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকায় সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদেরকে ম্যানেজ করে নামমাত্র মূল্যে ভাড়া নিয়ে যুগ যুগ ধরে দখলে রেখেছেন মহলটি। আর তারা অন্যের কাছে অধিক ভাড়া দিয়ে কালো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
পক্ষান্তরে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা রাজস্ব থেকে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. সাইফুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমার তেমন জানা নেই। এটা সিভিল সার্জন অফিস থেকে করা হয়। সেখান থেকেই টেন্ডার প্রক্রিয়া করে থাকে। বিষয়টি পাকুটিয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকেও আমাকে জানানো হয়েছে। আমি সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী টেন্ডার ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় তার ব্যবস্থা নেব।
তথ্যসূত্র : যুগান্তর।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷