ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও জোটের মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা পিছিয়েছে কৌশলগত কারণে।
দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে মূলত চারটি কারণে প্রার্থীর নাম ঘোষণায় দেরি করা হচ্ছে। কারণ চারটি হল:
১. প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী দেখে তাকে মোকাবিলা করতে পারবেন— এমন প্রার্থী দেওয়া,
২. দলের ও জোটের নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থীতা রোধ করা,
৩. দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে খুব কমসংখ্যক আসনে অধিকতর যাচাই-বাছাই করা এবং
৪. ঋণখেলাপী বা অন্য কোনও কারণে কারও মনোনয়ন বাতিল হলে সেখানে অন্য কাউকে প্রার্থী করার সুযোগ তৈরি রাখা। সোমবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ৩০০ আসনে দল এবং জোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু সংবাদ সম্মেলনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা কৌশলে মার খেতে চাই না, কৌশলে এগিয়ে যেতে হবে। এতে আমরা কারও থেকে পিছিয়ে থাকতে চাই না। কৌশলগত, টেকনিক্যাল বিষয়গুলো বিবেচনার আছে। আরও যাচাই-বাছাইয়ের পর এই তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।’
আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, সংবাদ সম্মেলনের আগে ওবায়দুল কাদের গণভবনে গিয়ে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেন। সে আলোচনাতেই তালিকা পরে প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়।
আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, আগে-ভাগে প্রার্থীদের চিঠি দেওয়ায় যারা চিঠি পাননি তাদের অনেকেই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এখন আগে-ভাগেই চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করলে সেটা আগুনে ঘি ঢালা হবে। আর তাছাড়া প্রার্থী আগে থেকেই জানা থাকলে অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নিতে পারেন। তাই তালিকা ঘোষণা করতে সময় নেওয়া হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷